হায়রে কপাল মুসলমানি আজ আমাকে করেছে ব্ল্যাকমেইল

আজকে সকালে বড়সড় ধরণের এক বাঁশ
খায়ি নিজের মুসলমানির
কথা মনে পড়ে গেল।
আমার আর সাফায়েত ( কাজিন ) এর
মুসলমানি হইছিলো একসাথে। আমাদের তখন
ক্লাস থ্রীর ফাইনাল পরীক্ষা শেষ।
দিনটা ছিল শুক্রবার।
আমরা সকালে মাঠে খেলতেছিলাম।



আজকে সকালে বড়সড় ধরণের এক বাঁশ
খায়ি নিজের মুসলমানির
কথা মনে পড়ে গেল।
আমার আর সাফায়েত ( কাজিন ) এর
মুসলমানি হইছিলো একসাথে। আমাদের তখন
ক্লাস থ্রীর ফাইনাল পরীক্ষা শেষ।
দিনটা ছিল শুক্রবার।
আমরা সকালে মাঠে খেলতেছিলাম।
তো বাবা, দূলাভাই, আর
মামা এসে আমাদের ২ জনকে লুঙ্গি পড়াই
গাড়িতে উঠাইলো।
আমরা তখনও জানি না,,
কি ঘটতে যাচ্ছে আমাদের সাথে।
এদিকে আমরা তো জীবনে প্রথম
লুঙ্গি পড়ে খুবই এক্সাইটেড অবস্থায় আছি।
তো আমাদের
নিয়ে যাওয়া হলো সরাসরি ডাক্তারের
বাসার চেম্বারে। হাসপাতালে অনেক
ভীড় আর ময়লা আবর্জনা থাকে বিধায়
আমাদেরকে ডাক্তারের বাসায়
খৎনা করানো হইছিলো। তো ডাক্তারের
চেম্বারে যেয়ে আমরা আঁচ করতে পারলাম
যে,, আমাদের সাথে কি ঘটতে যাচ্ছে।
দিলাম এক ভোঁ – দৌড় !! ছোট মানুষ,,
রাস্তা ঘাট চিনতাম না….দৌড়ায় আর কতদূর
যাবো।
ছোটবেলা থেকেই সাফায়েত আমার তুন
উঁচা – লম্বা। তাই প্রথমে ওরেই
পাঠানো হইলো।
আমি বাইরে একা একা চেয়ারের উপর
বসি আছি। কিছুক্ষণ পরেই ভেতরের রুম
থেকে ভেসে এলো এক ভয়ানক রাম চিৎকার !
দেখি, মামা আর দূলাভাই
ইতারে কোলে করে নিয়ে এসে আমার
পাশের চেয়ারে বসাই দিলো। ইতার কোন
সেন্স নাই,, পুরাই ননসেন্স অবস্থায় পড়ি আছে।
আমি ভাবলাম,, হালায় কি মরি টরি গেল
নি কোন !!
তারপর নিচে ওর ওইটার দিকে তাকাইতেই
আমার জানে পানি নাই হয়ি গেল !! কি করব
না করব ভাবতে ভাবতে একবার নিজের
মেশিনের দিকে তাকাইলাম।
চিন্তা করতেছি,, ইতদূর জিনিসের কাটলে আর
কতদূরই বা থাকবো !!
যাহোক,, এরপর
আমারে রুমে নিয়ে যেয়ে শোওয়ানো হলো।
নিচে ডাক্তার ডাক্তারের কাজ করতেছেন,,
আর আমি উপরে দেয়ালের দিকে তাকাই
ছিলাম। আমার তখন কেন জানি আমাদের
ক্লাসের ফার্স্ট গার্ল ফারজানার কথা খুব
মনে পড়তেছিল,, ওর চেহারা বারবার আমার
চোখের সামনে ভেসে উঠতেছিল!! এর রহস্য
আমি এখন পর্যন্ত উদঘাটন করতে পারি নাই।
তো আমাদেরকে বাসায় নিয়ে আসার পর শুরু
হইলো আরেক কেলেঙ্কারি। দূর দূরান্ত
থেকে পিচ্চি পিচ্চি পোলাপান আর তার
মায়েরা আমারে দেখতে আসতে লাগল।
আমি সবসময় লুঙ্গি পড়ি থাকতাম।
তো আন্টিরা আসি বলত —
বাবা লুঙ্গিটা ফাঁক করো,, একটু দেখি !!
আমি ফাঁক না করলে তারা নিজেরাই
লুঙ্গি উঁচু করে ভেতরে উঁকি দিয়ে দেখত।
যেন লাগে,, ভিতরে তাগো জন্য কোন
ললিপপ রাখি দিছি..!!
আরেক ফাজিল আছিলো আমার কাজিন বড়
আপুরা। তারা একভাবে আমার কাটা অস্ত্রের
দিকে তাকাই থাকতো। কেউ কেউ
তো আবার হাত দিয়ে ধরেও
দেখতে চাইতো!! আর আমি তখনি আম্মুকে ডাক
দিতাম — আম্মু,, দেখো আপুরা আমার **
তে হাত দিচ্ছে।
সাথে সাথে সব কয়টা পালাইতো। তবে,
তারা সেসময়
একটা চালাকি করে রাখছিলো,, যার
বোঝা আমি আজো বয়ে বেড়াচ্ছি। তখন
ক্যামেরা মোবাইল সবার
হাতে হাতে ছিল না। তাই আমার ওই সময়ের
লেংটু ছবি একটা আপুরা ক্যামেরায়
তুলে ছবিটা ওয়াশ করে রাখছে।! আর
ছবি এটা দিয়েই চলে সময়ে সময়ে আমার উপর
তাদের ব্ল্যাকমেইল।
কখনো বাদামবুট, কখনো ঝালমুড়ি,
কখনো বা আইসক্রিম!!
আজ তো তারা CP তে ঢুকে আমার ৯৮২ টাকায়
সাবাড় করে দিলো !!
এই গল্প থেকে কিছু শিখছো??
আবে শিখছো তো অবশ্যই।
মেয়ে হোক বা ছেলে নিজের শরীরের
আপত্তিকর জিনিস সবসময় পর্দায় রাখা উচিত।
হু নোস,, একটা ছবিই
বদলে দিতে পারে জীবন বা পকেটের মোড়
……….

৫ thoughts on “হায়রে কপাল মুসলমানি আজ আমাকে করেছে ব্ল্যাকমেইল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *