. . .(ধোঁকা ভাষন)

. . . . .[ পর্ব্ব ৬ ]

সকল পশুরা যেন একটু নড়েচড়ে বসলো।
সকলের চেহারায় ফুঁটে উঠলো একটা শংকা!
বাঘ মামাজি অধির আগ্রহে শেয়ালের দিকে তাঁকিয়ে।
শেয়ালটা বাঘের একটু কাছ ঘেসে চোখ টিপ দিয়ে,
সকলের দিকে তাঁকিয়ে গম্ভীর কন্ঠে বললো;

শেয়ালঃ স্থির হোন সবাই!
একটা জীবনের সন্ধিক্ষন অতিক্রম করতে যাচ্ছি আমরা!
আপনি সাংগঠনিক মহোদয় একটু এগিয়ে এসে এই এখানে চক্ষু মুঁদে মাথাটা নিচে ঝুঁকে একটু খানি নিরবে দাড়ান, আমরা আপনার আত্মার শান্তির লক্ষে বিধাতার কাছে প্রার্থনা করি!

শুয়োরটা ঠিক্ঠাক্ মতই শেয়ালের নির্দ্দেষ পালন করলো!

. . . . .[ পর্ব্ব ৬ ]

সকল পশুরা যেন একটু নড়েচড়ে বসলো।
সকলের চেহারায় ফুঁটে উঠলো একটা শংকা!
বাঘ মামাজি অধির আগ্রহে শেয়ালের দিকে তাঁকিয়ে।
শেয়ালটা বাঘের একটু কাছ ঘেসে চোখ টিপ দিয়ে,
সকলের দিকে তাঁকিয়ে গম্ভীর কন্ঠে বললো;

শেয়ালঃ স্থির হোন সবাই!
একটা জীবনের সন্ধিক্ষন অতিক্রম করতে যাচ্ছি আমরা!
আপনি সাংগঠনিক মহোদয় একটু এগিয়ে এসে এই এখানে চক্ষু মুঁদে মাথাটা নিচে ঝুঁকে একটু খানি নিরবে দাড়ান, আমরা আপনার আত্মার শান্তির লক্ষে বিধাতার কাছে প্রার্থনা করি!

শুয়োরটা ঠিক্ঠাক্ মতই শেয়ালের নির্দ্দেষ পালন করলো!

শেয়ালটা বাঘটার দিকে ফিরে একটা অর্থবহ চোঁখ্টিপ্ দিতেই, পূর্বেই প্রস্তুত ছিল, এক লাফে গিয়ে পরলো শুয়োরটার ঘাড়ে!

ফিন্কি দিয়ে রক্ত ছুটলো আর তার রক্তচক্ষু দর্শণে সকল পশু গভীর জঙ্গলের উদ্দেশ্যে ভোঁ দৌড়!

শেয়ালটাও এক্ছুটে দৌড়ে কিছুটা দুরে থম্কে দাড়িয়ে দেখলো, ক্যাশিয়ার খট্টাস্টাও তার পাশে দাড়িয়ে।

দেখলো, বাঘমামা শোয়োরের পেটে এক পা ঠেকিয়ে পেট কাম্ড়ে ধরে হ্যচ্কা এক টানে বের করে আনলো সকল নাড়িভুড়ি।

শেয়ালটার মনে হলো, প্রথমেই বাঘটা শুয়োরের নরম কল্জে খাওয়ার লোভে পরেছে।
যেইনা কল্জেতে কামড় বসাতে যাবে, অমনি শেয়ালটা ডেকে উঠলোঃ
“হুক্কাহুয়া হুক্কাহুয়া”
অর্থাত্‍: আহাহা করেন্কি করেন্কি সভাপতি মহোদয়?

ব্যঘ্রমামা দাঁতমুখ খিঁচিয়ে ক্রোধের স্বরে বললো;
বাঘঃ কেন, আমি কল্জে খাবো, বাঁধা দিচ্ছিশ্ কেনরে?

শেয়ালঃ সেতো পদাধিকার বলে আপনারই প্রাপ্য, তাই বলে ঐভাবে ধুলোবালি মেশানো কল্জে খেয়ে বংশের ইজ্জত্‍ ধুলোয় লুটিয়ে দেবেন আপনি?

বাঘঃ তাহলে কি করবো আমি খাবোনা?

শেয়ালঃ কেন নয়?
অবশ্যই কল্জে খাবেন আপনি তবে ওভাবে নয়, ঐ একটু দুরে সড়ে বসুন আরাম করে,
কল্জেটা খালের জলে ধুঁয়ে এনে দেই আয়েস্ করে খান!
আপনি সভাপতি, ইজ্জত্‍ রাখুন!

বাঘঃ ক্ষুধার জ্বালায় কি ইজ্জতের খেয়াল থাকে বল্?
যা করবি তারাতারি কর্ ভাগনে!

বাঘটা একটু দুরে গিয়ে বসতে শেয়াল খট্টাসের দিকে, বললো;
শেয়ালঃ চল কেশিয়ার খালের জলে কল্জেটা ধুঁয়ে আনি। চল, পরে দুজনে মিলে মাংস খাবো দেখিশ্।

লোভে পরে খট্টাসটা শেয়ালের সাথে চল্লো এবং কাম্ড়ে ধরে শুয়োরের নাড়িভূড়ি টেনে নিয়ে চল্লো দুরের খাল পাড়ে।

একটা ঝোঁপের আড়ালে দাড়িয়ে শেয়ালটা কল্জে খেতে লেগে বললো;
শেয়ালঃ নে এই আধেক্টা চট্প্ট্ খেয়ে নাও কেশিয়ার!

খট্টাস্ অবাক বিস্ময়ে বললো;
খট্টাস্: সেকি কথা?
সভাপতিকে কি বলে সাম্লাবেন?

শেয়ালঃ সে আমি সাম্লে নেবো তুমি জলদি খেয়ে নাওতো!

খাওয়া শেষ হতে, শেয়াল বললো;
শেয়ালঃ এবার আমি যাই, তুমি এখানে থাকো। আমি গিয়ে একটা বুঝ দিয়ে তাকে ঠাণ্ডা করি আগে। তুমি যখন দেখবে আমি একটা হাই তুলেছি, তখন তুমি এসো!

খট্টাস্: বলেনকি আমি আসবো?

শেয়ালঃ কেন তুমি মাংস খাবেনা?

খট্টাস্: সেতো খেতেই চাই! কিন্তু. . .

শেয়ালঃ কোনো কিন্তু নয়, তুমি আসছো আর শোনো আমি হাই তুলতেই তুমি ছুট্ লাগাবে, কিন্তু একটা কাজ করবে, মনের আনন্দে ডিগ্বাজি খেতে খেতে আসবে!

খট্টাস্: কেন ডিগ্বাজি কেন খাবো?

[ চলবে. . . .

৩ thoughts on “. . .(ধোঁকা ভাষন)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *