তুষারের শুভ্রতা

তুষার শুভ্র।

একটি অতিপ্রকৃত ছেলের নাম। সবাই ওকে অতিপ্রকৃত নামেই চিনে। ছোটকাল থেকেই ওর মাঝে কিছু একটা আছে। কি যেন একটা কি। কথার জাদুর ছোঁয়ায় যে কাউকে বস করতে পারে। আর ওর শুভ্র মায়াবী চেহারায় মায়া হবেনা এমন মানুষ খোঁজা দায়। এসকল কিছুকে পূর্ণতা প্রদান করেছে অসম্ভব সুন্দর ব্যবহার আর মেধা।

এমন একটা মানুষের উপর কেউ কাত হবে না, তা কি হয় ?

ওর চির এক ভক্তর নাম ঋতি। ঋষিকা ঋতি। ভক্ত বললে হয়ত ভুল উপমা হবে। তুষারকে নিয়ে ও কত স্বপ্ন সাজিয়েছে ওর মনের পটে। সুন্দর একটা মানুষের সাথে সুন্দর একটা ঘর্। সুখের সব উত্তম উপাদান যেন উপস্থিত।


তুষার শুভ্র।

একটি অতিপ্রকৃত ছেলের নাম। সবাই ওকে অতিপ্রকৃত নামেই চিনে। ছোটকাল থেকেই ওর মাঝে কিছু একটা আছে। কি যেন একটা কি। কথার জাদুর ছোঁয়ায় যে কাউকে বস করতে পারে। আর ওর শুভ্র মায়াবী চেহারায় মায়া হবেনা এমন মানুষ খোঁজা দায়। এসকল কিছুকে পূর্ণতা প্রদান করেছে অসম্ভব সুন্দর ব্যবহার আর মেধা।

এমন একটা মানুষের উপর কেউ কাত হবে না, তা কি হয় ?

ওর চির এক ভক্তর নাম ঋতি। ঋষিকা ঋতি। ভক্ত বললে হয়ত ভুল উপমা হবে। তুষারকে নিয়ে ও কত স্বপ্ন সাজিয়েছে ওর মনের পটে। সুন্দর একটা মানুষের সাথে সুন্দর একটা ঘর্। সুখের সব উত্তম উপাদান যেন উপস্থিত।

ক্লাসে সবার মাঝ থেকে তেওয়ারীকে দেখত ঋতি। এ যা। এতক্ষণ ত ওর নামটাই বলা হলোনা। ওর নাম তুষার তেওয়ারী। তেওয়ারী নামটা ঋতির পছন্দ না। ওর শুভ্র সাদা গায়ের রঙ্গের জন্য তুষারই ওর পছন্দ।

ঋতির ব্যাপারটা জানত তুষার্। মনে মনে একটু আকটু মোচড়ও খেত ঋতির জন্য। কিন্তু ভয় পেত। যদি ভুল বুঝে।

এভাবে চলতে থাকল, স্কুল কলেজ শেষ করে একসাথে ভার্সিটিতে ভর্তি হলো। এতদিন একসাথে থাকলেও আজব হলেও সত্য ওদের কখনো কথা হয়নি।

একদিন সাহস করে ঋতির ফোন নাম্বার চাইল তুষার্। ঋতি বলার সাথে সাথেই দিল। সেদিন সারারাত ওরা কথা বলল।

ওদের আর বুঝতে বাকি রইল না। ওদের মন যে অসীম বাধনে আবদ্ধ।

এভাবে আরো ৬মাস চলল। একসাথে ঘুরতে যাওয়া, আড্ডা দেয়া। সব হলো। কিন্তু বলা হলো না সে কথাটি।

আর থাকতে না পেরে একদিন আকারে ইঙ্গিতে এক বান্ধবীর মাধ্যমে আকারে ইঙ্গিতে ওকে বোঝালো।

কিন্তু সেদিনের পর থেকে আর কথা বলেনা ঋতি। অজানা এক কারনে ফোনও ধরে না। ৭দিন হয়ে গেল। কিন্তু কোন কথা নেই।

প্রচন্ড রুদ্দোশ্বাসে আজ তুষার্। কি করবে বুঝতে পারছিলনা। অবশেষে ও করে বসল অবাক এক কান্ড । একজোড়া ফুল নিয়ে ঋতির সামনে হাঁটু গেথে বসে বলল, “আমার হাতটা চির দিনের মত ধরবি ?
আমি না এত সাহসি না। ভয় হয়। যদি ছেড়ে যাস। কি ধরবি না এই অভাগার হাত ?সারাজীবন আগলে রাখব।”

ঋতি দৌড়ে এসে ঝাপটে ধরল তুষারকে।
“তুই জানিস আমি কতবার তোরে বলতে চেয়েছি ?তুই জানিস ?কত রাত আমি তোর জন্য স্বপ্ন বুনেছি ?কিসের এত সংকোচ শুনি?আগে বলা যায়নি ?”

সেই থেকে শুরু। আজ ওরা অনেক সুখী। ওদের ঘরে আজ আরেক ছোট শুভ্র আছে। ঋতির সেই ছোট্ট সংসারের স্বপ্ন পূর্ন হয়েছে।

অম্লান থাকুক ওদের বন্ধন।

৩ thoughts on “তুষারের শুভ্রতা

  1. ঋতি দৌড়ে এসে ঝাপটে ধরল

    ঋতি দৌড়ে এসে ঝাপটে ধরল তুষারকে।
    “তুই জানিস আমি কতবার তোরে বলতে চেয়েছি ?তুই জানিস ?কত রাত আমি তোর জন্য স্বপ্ন বুনেছি ?কিসের এত সংকোচ শুনি?আগে বলা যায়নি ?”

    ভালোবাসার চেয়ে বড় আর কি আছে বলো?

  2. আহা, আমার জীবনে কেন এমন ঘটে
    আহা, আমার জীবনে কেন এমন ঘটে না। :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *