বাবা-মা ..বনাম অবুঝ বা স্ববুঝ সন্তান

আমাদের সমাজে বাবা মায়েরা সন্তান মানে আমাদের জন্ম দিয়ে আমাদের মহা ঋণী করে রেখেছেন । মানলাম সন্তান তাদের মাধ্যমে দুনিয়াতে এসেছে ।

কিন্তু সন্তান কি আসতে চেয়েছিলো ?

সন্তান ভুমিষ্ট হবার আগ পর্যন্ত তাদের কাছে কোন রকম বায়না করে নাই যে , আমাকে আনো, লালন পালন করো । এটা প্রত্যেক বাবা মা করে থাকেন নিজের ভাললাগা ধরে রাখার জন্য। মাতৃত্ব/পিতৃত্বের স্বাদ আস্বাদন করার জন্য । সন্তানকে সুখ দেবার জন্য তারা সন্তানকে পৃথিবীতে আনেন না ।

*তবে কেন সন্তান ঋণী থাকবে বাবা মা তাকে জন্ম দিয়েছে বলে ?

আমাদের সমাজে বাবা মায়েরা সন্তান মানে আমাদের জন্ম দিয়ে আমাদের মহা ঋণী করে রেখেছেন । মানলাম সন্তান তাদের মাধ্যমে দুনিয়াতে এসেছে ।

কিন্তু সন্তান কি আসতে চেয়েছিলো ?

সন্তান ভুমিষ্ট হবার আগ পর্যন্ত তাদের কাছে কোন রকম বায়না করে নাই যে , আমাকে আনো, লালন পালন করো । এটা প্রত্যেক বাবা মা করে থাকেন নিজের ভাললাগা ধরে রাখার জন্য। মাতৃত্ব/পিতৃত্বের স্বাদ আস্বাদন করার জন্য । সন্তানকে সুখ দেবার জন্য তারা সন্তানকে পৃথিবীতে আনেন না ।

*তবে কেন সন্তান ঋণী থাকবে বাবা মা তাকে জন্ম দিয়েছে বলে ?

*সন্তান জন্ম দেয়ার প্রক্রিয়াতে যদি যৌনতা না থাকতো তবে পৃথিবীর জনসংখ্যা কত হত ভাবতে পারেন কি?

বাবা-মা সন্তান কে সামনে রেখে মেনে নেন পারিবারিক কোন্দল, দাম্পত্য কলহ , এমনকি অসামাজিক পরকীয়াও । সেখানে শিশুটি পালন করে তাদের জীবনে বেঁচে থাকার অনন্য ভুমিকা ।

*ভাবেন তো সেই পরিবারগুলোতে শিশুটি না হলে কটা পরিবারের অস্তিত্ব টিকে থাকতো আজ ?

*আর পরিবার না থাকলে কি দরকার হতো রাষ্ট্রের ?

মজার ব্যাপার লাগে আমার কাছে , বাবা ঘুষ খান, চুরি করেন , অবৈধ উপায়ে রোজগার করেন, আর ভাবেন সে তা করছেন তার শিশুটির ভাল ভাবে বেঁচে থাকার আয়োজন করতে , মাও কম যান না ,তিনি স্বামীর পকেট থেকে টাকা সরান শিশুটির জন্য যাতে বাবা বাসায় না থাকা কালীন সময়ে বাচ্চার আবদার মেটাতে পারেন । আসল সত্য হলো অবৈধ উপায়ে রোজগার দিয়ে সন্তানকে ভাল জামা কাপড় পড়িয়ে বাবা মা তাদের আর্থিক অবস্থা প্রকাশ করেন । শিশুকে ভাল স্কুলে পড়িয়ে বাবা-মা নিজেদের সামাজিক অবস্থান প্রকাশ করে থাকেন ।

*তাহলে পরিবারে শিশুর মতামতের মুল্য এত কম কেন ?

*শিশুকে কেন ভুলের জন্য শারীরিক আঘাত মেনে নিতে হবে ?

* তার না বোঝা ভুলের জন্য সে তো দায়ী হতে পারে কি?

যে কোন কাজ করার যোগ্যতা রাখে সে ভুল করতেই পারে । এটা তার অধিকার ।

মহা অশান্তির প্রেম যদি ছেলে-মেয়েরা না করতো (যদিও বাবা মা নিজেরা প্রেম করে বিয়ে করেছেন সুদুর অতিতে ) । বাবা মা মহা শান্তিতে তাদের পছন্দ করা ছেলে বা মেয়ের সাথে নিজের ছেলে বা মেয়ের বিয়ে দিয়ে তাদের একটা ঘরে থাকার ব্যবস্থা করে দিতেন । ব্যাস তাদের দায়িত্ব শেষ। এবার তাদের চাওয়া হবে ছেলে সন্তানটি (কিছু ক্ষেত্রে মেয়ের স্বামীটি)তাদের বুড়ো বয়সে দেখভাল করবে । এখানে সন্তান দম্পতিদের মনের কতটা মিল বা অমিল তা বাবা মায়ের দেখার বিষয় না । উভয় পরিবারের বাবা মায়েরা তাদের ছেলে মেয়েদের পরামর্শ দেন একটা বাচ্চা কাচ্চা নিয়ে সংসার চালিয়ে নিতে ।

*এটা কতটা যৌক্তিক পরিবার ব্যবস্থা পনা ?

আমার মনে হয় বাবা মা ঋনী থাকবে সন্তানে প্রতি । সন্তান ছোট বলে বাবা মা তাদের মতামতকে ছোট করে দেখার মন মানসিকতা বদল করতে হবে । শিশুদের সব কথা শুনতে হবে ।

৬ thoughts on “বাবা-মা ..বনাম অবুঝ বা স্ববুঝ সন্তান

  1. আপনার লিখা পড়েই ধারণা করছি যে
    আপনার লিখা পড়েই ধারণা করছি যে কোন কারণে আপনি বা-মা এর উপর চরম ক্ষিপ্ত।

  2. আমি বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছি ,
    আমি বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছি , একানে আমার বাবা মায়ের ওপর ক্ষোভ বোঝাতে চাইনি । আমি চেয়েছি একটি সন্তান যেন তার পুর্ণ মানবাধিকার নিয়ে একটা পরিবারে বড় হয় । তাতে করে সে পুর্ণ মানুষ হবে । আর সমাজে মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি বড় দরকার ।

  3. ভাই রাগ করছেন বাবা মায়ের
    ভাই রাগ করছেন বাবা মায়ের সাথে? ওয়েট করেন। রাগ কমলে আপনি নিজেই ব্যাপার গুলো এভাবে দেখবেন না। সিরিয়াস? তাহলে ভাববার বিষয়! !

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *