বুথ এফ এম :-( বাংলার সেরা কমেডি শো ২য় পর্ব

হ্যালো listener
আমি তানিম।
নোয়াখালী থেকে এসেছি।
আজকে আমি আপনাদের
সাথে যে ঘটনা শেয়ার করবো এটা আমার
বাবা,দাদা,নানা থেকে শোনা না।
এটা আমার নিজের
সাথে ঘটে যাওয়া একটা ভয়াবহ ঘটনা।
সময়টা ছিল ২০১৪ সালের এপ্রিল মাসের
ঘটনা।



হ্যালো listener
আমি তানিম।
নোয়াখালী থেকে এসেছি।
আজকে আমি আপনাদের
সাথে যে ঘটনা শেয়ার করবো এটা আমার
বাবা,দাদা,নানা থেকে শোনা না।
এটা আমার নিজের
সাথে ঘটে যাওয়া একটা ভয়াবহ ঘটনা।
সময়টা ছিল ২০১৪ সালের এপ্রিল মাসের
ঘটনা।
১৪ তারিখ বাংলা নববর্ষ ছিল।
তো সকালবেলা বৈশাখী মেলা দেখা এবং পান্তা-
ইলিশ খাওয়ার জন্যে বাসা থেকে বের
হলাম।
বাসা থেকে মেলার দূরত্ব ছিল প্রায় ১
কিলোমিটার।
খুব সুন্দর ঝলমলে সকাল ছিলো।আকাশে কোন
মেঘ ছিল না।
মেলায় প্রবেশের গেইটের সামনে আসলাম ।
বিশ্বাস করেন রাসেল ভাই,
মেলার ভেতরে যেতে খুব ভয় লাগছিল।
মেলার ভেতর পেত্নীরা(মেয়ে ভূত)
হেঁটে বেড়াচ্ছে।
ইয়া লম্বা লম্বা পেত্নী ।
আমি পেত্নীদের আকৃতি বর্ননা বরছি।
পরনে ছিলো শাড়ি।গলায় ছিল ইয়া বড় বড়
মালা।
কানে,নাকে ছিলো ইয়া বড় বড় দুল।
জুতো ছিল ইয়া লম্বা লম্বা।চোখ
দেখা যাচ্ছিল না।
কারন চোখে কিসব মেখেছে।
সবাই একই রকম।
কাউকে আলাদা ভাবে চেনা যাচ্ছিল না।
বিশ্বাস করেন রাসেল ভাই এ সব
দেখে আমি মেলায় ঢুকার তেমন সাহস
পাইনি।
তবুও আমাদের খানদানি বংশ বলে কথা।
সাহস করে মেলার ভেতর ঢুকতে থাকলাম।
রাসেল ভাই,মেলায়
এখনো পুরো ঢুকিনি ঠিক এমন সময়
একটা পেত্নী আমার পায়ে হিল
জুতা ঢুকিয়ে দেয়।
আমি ভয়ে এবং ব্যাথায় আধমরা হওয়া অবস্থা।
পেত্নীটা আমাকে স্যরি বলে।পেত্নীর
মুখে স্যরি শুনে আমি সেন্সলেস হয়ে যাই।
এর পর আর কি ঘটেছে আমার মনে নেই।
যখন জ্ঞান ফিরল তখন
নিজেকে হাসপাতালের বেডে আবিষ্কার
করলাম।
পায়ে তখনো ব্যাথা করছে।
রাসেল ভাই বিশ্বাস করে আমার সেদিন আর
পান্তা-ইলিশ আর মেলায় ঘুরা হলো না।
এখনো সে দিনের
কথা মনে হলে আমি সেন্সলেস হয়ে যাই।
মাঝে মাঝে এ সব পেত্নীকে রাস্তায়
ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়।
এদের ভয়ে এখন আমি সানগ্লাস ব্যাবহার
করি।
চিন্তা করছি আর কখনো বৈশাখী মেলায়
যাবো না।
কারন “নেড়া একবার বেলতলায় যায়।”
রাসেল ভাই এই ছিল আমার
জীবনে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ঘটনা।
ধন্যবাদ তানিম।তোমার জীবনে পেত্নীর
সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা আমাদের
সাথে শেয়ার করার জন্যে।

১ thought on “বুথ এফ এম :-( বাংলার সেরা কমেডি শো ২য় পর্ব

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *