আবেগের সৃষ্টি এবং মন . . . .

যদি প্রশ্ন করি , মন কি ? আপনারা সবাই এক কথায় উত্তর দিবেন হার্ট বা হৃদয় বা হৃদপিন্ড । হ্যাঁ । উত্তর ঠিক আছে । কারন নামকরন করা মানুষের কাজ । হ্যাঁ এখন যদি প্রশ্ন করি , মনের কাজ কি ? তাহলে সবাই ই উত্তর দিবেন হাসি কান্না , সুখ দুঃখ , আনন্দ বেদনা , ক্রোধের উত্‍পত্তি ঘটানো ই হচ্ছে মনের কাজ ।

যাই হোক কথা গুলো আপনাদের কাছে অতিমূল্যবান হলেও অন্তত আমার কাছে তা হাস্যকর । হৃদপিন্ড বা হার্ট বা হৃদয় বা মন যা ই বলুন না কেন তার কাজ হচ্ছে রক্ত সঞ্চালন করা । আবেগ অনুভূতি সৃষ্টি বা ধারন কিংবা নিয়ন্ত্রন করা নয় । তাহলে প্রশ্ন থেকে যায় যে তাহলে ইমোশনের উত্‍পত্তি কোথায় ? হ্যাঁ । এর উত্তর আছে ।


যদি প্রশ্ন করি , মন কি ? আপনারা সবাই এক কথায় উত্তর দিবেন হার্ট বা হৃদয় বা হৃদপিন্ড । হ্যাঁ । উত্তর ঠিক আছে । কারন নামকরন করা মানুষের কাজ । হ্যাঁ এখন যদি প্রশ্ন করি , মনের কাজ কি ? তাহলে সবাই ই উত্তর দিবেন হাসি কান্না , সুখ দুঃখ , আনন্দ বেদনা , ক্রোধের উত্‍পত্তি ঘটানো ই হচ্ছে মনের কাজ ।

যাই হোক কথা গুলো আপনাদের কাছে অতিমূল্যবান হলেও অন্তত আমার কাছে তা হাস্যকর । হৃদপিন্ড বা হার্ট বা হৃদয় বা মন যা ই বলুন না কেন তার কাজ হচ্ছে রক্ত সঞ্চালন করা । আবেগ অনুভূতি সৃষ্টি বা ধারন কিংবা নিয়ন্ত্রন করা নয় । তাহলে প্রশ্ন থেকে যায় যে তাহলে ইমোশনের উত্‍পত্তি কোথায় ? হ্যাঁ । এর উত্তর আছে ।

আমাদের আবেগ এর উত্‍পত্তি হচ্ছে মস্তিস্কে । মানব মস্তিস্ক অবস্থানের ভিত্তিতে ৩ ভাগে বিভক্ত করা যায় । ১. অগ্রমস্তিস্ক ২. মধ্যমস্তিস্ক ও ৩. পশ্চাত্‍মস্তিস্ক ।

এই অগ্রমস্তিস্কের আবার ৩ টি অংশ । ১. সেরেব্রাম ২. থ্যালামাস ও ৩. হাইপোথ্যালামাস ।

এখন এই অগ্রমস্তিস্কের থ্যালামাস অংশ মানুষের আবেগ এবং ক্রোধ তৈরি করে এবং নিয়ন্ত্রন করে । হ্যাঁ , উল্লেখ্য যে এই ক্রোধ এবং এই আবেগ সম্পূর্ন আলাদা আলাদা জিনিস । একটি অপরটির সম্পূর্ন বিপরীত । কারন ক্রোধের কারনে মানুষ সাধারনত অপরের ক্ষতি করে কিংবা ক্ষতির চেষ্টায় থাকে । আর আবেগের কারনে মানুষ সাধারনত নিজের ক্ষতি করে ।

অগ্রমস্তিস্কের আরেকটি অংশ হাইপোথ্যালামাস । যা কি না ক্রোধ বা রাগ সৃষ্টি এবং নিয়ন্ত্রন করে । কষ্ট , পীড়ন বা বেদনা ও এই অংশ সৃষ্টি করে এবং নিয়ন্ত্রন করে । আরও নিয়ন্ত্রন করে ঘৃনা এবং উদ্দীপনা বা মানসিক উত্তেজনা । এবং সব থেকে বড় জিনিস ভালোলাগা এই অংশ সৃষ্টি ও নিয়ন্ত্রন করে ।

আর অগ্রমস্তিস্কের সেরেব্রাম অংশ আমাদের ইচ্ছা শক্তি সৃষ্টি ও নিয়ন্ত্রন করে ।

এখানেই দেখা যাচ্ছে যে সকল কিছুই মস্তিস্কে উত্‍পন্ন হচ্ছে এবং নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে । মজার প্রশ্নটা হচ্ছে তাহলে কেন ই বা আমরা বেচারা হৃপিন্ডের দোষ দেই ?

চলুন ছোট একটা উদাহরন দেওয়া যাক –

একটি ছেলে ও একটি মেয়ের মধ্যে ভালবাসার সম্পর্ক সৃষ্টি হল । তো আপনাদের জিজ্ঞাস করা হলে কি বলবেন ! এরকমটা ই বলবেন যে , এটা মনের কারসাজি । না তা নয় । চলুন দেখে আসি আসল ঘটনা ।

ছেলে ও মেয়েটি পরিচিত হওয়ার আগে বা পরে প্রথমে ভালোলাগা সৃষ্টি হয় । যা কি না অগ্রমস্তিস্কের হাইপোথ্যালামাস অংশের কাজ । পরে দুজনের মাঝে ই ইচ্ছা জাগে যে সম্পর্ক টা কে স্থায়ী করার । এখানে ইচ্ছাশক্তি কাজ করছে । যা কিনা অগ্রমস্তিস্কের সেরেব্রাম অংশের কাজ । তো সেরেব্রাম অংশের আদেশ অনুযায়ী ভাললাগা টা স্থায়ী করার স্বিদ্ধান্ত আসে । আর এই ভাললাগার সাথে সাথে অগ্রমস্তিস্কের থ্যালামাস অংশ আবেগ যোগ করে দেয় । যাকে আমরা পিরিতী কিংবা ভালবাসা বলে চিহ্নিত করি । আসলে ভালবাসা বলতে কিছু নেই । যা আছে তা হচ্ছে ভাললাগা আর আবেগ আর ইচ্ছার কারসাজি । তবে সেখানে আবেগ টা ই বেশি কাজ করে । আর এই ভাললাগা , আবেগ , ক্রোধ , বেদনা , ইচ্ছা এ সকলের অবস্থান হৃদপিন্ড , হার্ট বা হৃদয় এ না । মস্তিস্কের সম্পূর্ন অগ্রভাগ জুড়ে বা অগ্রমস্তিস্কে ।

all right reserved ® নীল

৯ thoughts on “আবেগের সৃষ্টি এবং মন . . . .

  1. হুম এসব জানার পর প্রেম
    হুম এসব জানার পর প্রেম ভালোবাসা বিষয়ক কবিতা পড়লে কেমন হাসি পায় না? এনিওয়ে, পোস্ট ভালো লাগলো।

  2. আপনার লেখাটি পড়ে আমার
    আপনার লেখাটি পড়ে আমার অগ্রমস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস অংশে ভালোলাগা সৃস্টি হল…
    এরকম কামের পোস্ট আরো চাই…
    চালিয়ে যান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *