তিস্তা নদীর দরকার নেই, তিস্তায় পানি চাই না !!!!!! আওয়ামীলীগ নেতার মানব বন্ধন!!!


তিস্তা নদীসহ বাঙলাদেশের ৫৭টি নদীর পানির জন্য আন্দোলন করছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলসহ সামাজিক সংগঠনগুলো। অথচ এরকম একটি মুহুর্ত্বে তিস্তায় পানি চাইনা, তিস্তা নদীর দরকার নেই ইত্যাদি কথা বলে মানব বন্ধন, প্রেস ব্রিফিং করছে আওয়ামীলীগ নেতারা!! অবাককর হলেও নির্মম সত্য এটা। কয়েকদিন আগের এরকম একটি মানব বন্ধন করেছিলো লালমনিরহাট জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সম্পাদক সারওয়ার হায়াত খাঁন।
http://www.manobkantha.com/2014/04/26/170048.html
প্রকাশিত সংবাদটির কপি ::::


তিস্তা নদীসহ বাঙলাদেশের ৫৭টি নদীর পানির জন্য আন্দোলন করছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলসহ সামাজিক সংগঠনগুলো। অথচ এরকম একটি মুহুর্ত্বে তিস্তায় পানি চাইনা, তিস্তা নদীর দরকার নেই ইত্যাদি কথা বলে মানব বন্ধন, প্রেস ব্রিফিং করছে আওয়ামীলীগ নেতারা!! অবাককর হলেও নির্মম সত্য এটা। কয়েকদিন আগের এরকম একটি মানব বন্ধন করেছিলো লালমনিরহাট জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সম্পাদক সারওয়ার হায়াত খাঁন।
http://www.manobkantha.com/2014/04/26/170048.html
প্রকাশিত সংবাদটির কপি ::::
““তিস্তার পানি চুক্তির বিরোধিতা করলেন আওয়ামী লীগ নেতারা
লালমনিরহাট প্রতিনিধিতিস্তার পানির দাবিতে যখন আন্দোলন চলছে, ঠিক তখন মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করে ‘তিস্তার পানি চাই না, পানি চুক্তির দরকার নাই’ বলে জানালেন জেলার হাতীবান্ধা আওয়ামী লীগ নেতারা। গতকাল শুক্রবার উপজেলার পারুলিয়ার চরে মানববন্ধন শেষে ‘তিস্তা পূর্ব তীর রক্ষা কমিটি’র ব্যানারে সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ সারওয়ার হায়াত খাঁন।তিনি বলেন, এবার তিস্তার পানি না আসায় লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও গাইবান্ধা জেলার ২৬টি এক লাখ ২০ হাজার হেক্টর জমিতে ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ হয়েছে। এছাড়া ৬০ হাজার পরিবার তাদের বসতবাড়ি ফিরে পেয়েছে। যে কারণে তিস্তার পানি না আসাই ভালো। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক নূর মোহাম্মদ, পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাহাদাত হোসেন, সম্পাদক আ. লতিফ, ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্পাদক আসাদুজ্জামান লাভলু, যুবলীগ নেতা””
– See more at: http://www.manobkantha.com/2014/04/26/170048.html#sthash.n2VEko62.dpuf
আজ আবারও একই রকম উদ্ভট কথা বার্তা, অযৌক্তিক দাবি নিয়ে চরের সহজ সাধারণ মানুষদের সাথে নিয়ে মানব বন্ধন করেলেন তিনি। যা সত্যিই নিন্দনীয়।
http://www.unitednews24.com/2014/04/30/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%9F/
প্রকাশিত সংবাদটির কপি :::::
““
সাংবাদিকদের পাল্টা-পাল্টি মানব বন্ধন
রিপোর্ট »রংপুর
a
A
লালমনিরহাট : লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় এবার ‘তিস্তার পূর্ব তীর রক্ষা কমিটি’র ব্যানারে পানি চুক্তি’র বিরোধীতা করলেন আওয়ামীলীগের নেতারা। বুধবার দুপুরে দোয়ানী তিস্তা ব্যারাজের পূর্ব তীরে মানব বন্ধন কর্মসুচীতে জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সম্পাদক অধ্যক্ষ সারওয়ার হায়াত খাঁন বলেন, যে তিস্তা নদী এ অঞ্চলের ১৮০ হাজার হেক্টর জমিকে নদী গর্ভে নিয়ে গেছে, সেই নদী ও পানির দরকার নেই। ওই মানব বন্ধন কর্মসুচীতে স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা অংশ নেয়।
এ দিকে ‘তিস্তার পূর্ব তীর রক্ষা কমিটি’র আহবায়ক অধ্যক্ষ সারওয়ার হায়াত খাঁন প্রবীণ সাংবাদিক গোকুল রায়কে হত্যার হুমকি দেয়ার ঘটনায় জেলা শহরের মিশন মোড়ে দুপুরে মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে স্থানীয় সাংবাদিকরা। পানি চুক্তি’র পক্ষে সংবাদ পরিবেশের অপরাধে অধ্যক্ষ সারওয়ার ওই প্রবীণ সাংবাদিককে সম্প্রতি হত্যার হুমকি দেয় বলে সাংবাদিক নেতাদের অভিযোগ ।
আওয়ামীলীগের কতিপয় নেতা-কর্মীদের এ মানব বন্ধন কর্মসুচীকে দেশ বিরোধী উল্লেখ করে তার সংবাদ পরিবেশন বর্জন করেছেন হাতীবান্ধার সাংবাদিকরা। স্থানীয় প্রেসক্লাব সভাপতি ইলিয়াস বসুনিয়া পবন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, কোন মহলের এজেন্টা বাস্তবায়ন করতে কতিপয় লোক দেশ বিরোধী এসব কিছু করছে।
উল্লেখ্য, তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে গত ২২ এপ্রিল মঙ্গলবার সকালে তিসত্ম ব্যারাজ অভিমুখে লংমার্চ শুরু করে বিএনপি। লংমার্চটি গাইবান্ধা পৌঁছার আগেই হঠাৎ করে তিস্তায় পানির ঢল নামে, চালু হয় সেচ প্রকল্পগুলো। এ নিয়ে তখন বিএনপি ও সরকার তাদের নিজ নিজ কৃতিত্ব দাবি করে।
সরকার বলে, তাদের অব্যাহত কূটনৈতিক তৎপরতার কারণেই ভারত পানি ছেড়েছে। আর বিএনপি বলে, এটা তাদের লংমার্চের প্রাথমিক সাফল্য।
এর কয়েকদিন আগে তিস্তা ব্যারাজ অভিমুখে লংমার্চ করে বাম দলগুলো। তারা বলেন, ভারত এর মাধ্যমে প্রতারণা করছে। তারা তাদের আন্দোলন দমাতেই এমন কৌশল নিয়েছে বলে বামদের ধারণা।
তিস্তার পানি চুক্তি নিয়ে যখন সারাদেশ আন্দোলিত, এমন কি সরকার যখন পানি আনতে শত চেষ্টা করছে এমন সময় আওয়ামী লীগ নেতাদের এমন মানববন্ধন নিয়ে বিভিন্ন মহলে মিশপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। হাতীবান্ধা উপজেলা সিপিবি’র সভাপতি আবদুর রউফ বলেন, হয়তো বা তারা কোনো মহলের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করছেন।””

এটা সরকারকেও সমালোচিত করবে বলে আমার মনে হয়। তিস্তা রক্ষা সংগ্রাম কমিটি এহেন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিলো। “““কোনটে বাহে জাগো সবায় প্রতিহত কর ষড়যন্ত্র । ……………………………………….হাতীবান্ধায় হঠাৎ গজিয়ে ওঠা একটি সংগঠন ব্যাক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করার অসৎ উদ্দেস্যে সংবাদ সম্মেলনে দু’চারটা অদুরদৃস্টি সংকির্ন যুক্তি দ্বার করিয়ে , তিস্তা নদীতে পানির দরকার নাই , পানি চুক্তি চাই না ,বলে আঞ্চলিক ও জাতীয় স্বার্থ বিরোধী বক্তব্য যা তিস্তাপাড়ের প্রতিনিধিত্ব করে না এবং আমরা মর্মাহত ও লজ্জিত । আমরা এহেন অশুভ তৎপরতা তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই । সেই সাথে এহেন হীন অপতৎপরতা তিস্তাপাড়ে লড়াকু জনগন প্রতিহত করবে দৃঢ়তার সাথে ।”””
সারওয়ার সাহেব নিজের কোন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এহেন আচরণ করছে বলে আমার মনে হয়। না হলে তিনি সমালোচনার জনন্ম দিয়ে আলোচিত হতে চাচ্ছে!! কিন্তু তিনি হয়তো ভূলে গেছেন তার এসব দাবি হাস্যকর, অযৌক্তিক। বুদ্ধিমান মানুষ যাকে প্রলাব বলে আখ্যায়িত করবে। তবে তিনি একজন অধ্যক্ষ। তাঁর এরূপ আচরণ সমাজে একটা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই তার এহেন আচরণের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

১২ thoughts on “তিস্তা নদীর দরকার নেই, তিস্তায় পানি চাই না !!!!!! আওয়ামীলীগ নেতার মানব বন্ধন!!!

  1. “তিস্তা নদী ভরাট করে
    “তিস্তা নদী ভরাট করে স্ট্রবেরী চাষ করার চিন্তা-ভাবনা করতেছে সরকার। আরব দেশে নদী নাই বলে সেখানের মানুষজন বেঁচে নাই”?

    ভাই এসব আমার কথা না, সরকারের মন্ত্রী-এমপি’দের কথা। আমাদের জনপ্রতিনিধিরা কতটা শিক্ষিত সেটাই ভাবতেছি। এসব লোকজন নাকি আবার দেশের জন্য আইন তৈরী করে।

    1. হ্যা যেহেতু আওয়ামীলীগ ক্ষমতায়
      হ্যা যেহেতু আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আছে। এখন যদি তিস্তা দখল করা যায়। তাহলেতো স্থানীয় নেতা কর্মী লালে লাল। :মাথাঠুকি:

  2. এই যদি হয় অবস্থা তাহলে
    এই যদি হয় অবস্থা তাহলে নিঃসন্দেহে বলা যেতে পারে আওয়ামীলীগের সর্বাঙ্গে পচন ধরেছে।
    তবে তার আগে দেখতে হবে দলের হাই কমান্ড এর বক্তব্য কি?

    দেখা যাক, তিস্তার জল কোথায় গড়ায়!

  3. ভারতের দালালদের থেকে কি
    ভারতের দালালদের থেকে কি বাংলাদেশের দালালী আশা করেন? আওয়ামীলীগের রাজনীতি মুলমন্ত্র হচ্ছে- আগে নিজের জন্য কর। তাই তারা ভারতকে উজাড় করে দিয়ে নিজের আখের গোচাচ্ছে। এসব নেতারা এক সময় মানুষের দৌড়ানী খেয়ে গণপিটুনীতে মারা যাবে। দেশে এখন আওয়ামীলীগের ধ্বংস আওয়ামীলীগ করতেছে। আওয়ামীলীগের নেতারাই আওয়ামীলীগের কর্মী-নেতাদের গুম করছে আর হত্যা করছে। নারায়ন গঞ্জের গডফাদার শেখ হাসিনার প্রিয়ভাজন শামীম ওসমানের হিংসার আগুনে সাতজনের লাশ পাওয়া গেছে শীতলক্ষায়।

    নিজেরা যেভাবে নিজেদের পুটকি মারতেছে এমনিতেই তারা ধরা খাবে। তাদের পতনের সময় হয়ে গেছে।

  4. তাই বলে পুরো দেশের জাতীয়
    তাই বলে পুরো দেশের জাতীয় স্বার্থের বিপক্ষে ওরা দাঁড়িয়ে যাবে!! এটা নিঃসন্দেহে ছাগলামি।

  5. হা হা হা। কেউ যে এই ধরণের কাজ
    হা হা হা। কেউ যে এই ধরণের কাজ করতে পারে সেটা আমি ধারনাই করতে পারি নাই। আওয়ামী লীগের কি মাথা নষ্ট হয়ে গেছে নাকি? বুঝলাম না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *