লক্ষ্মীপুর

এখানে দুপাশ জুড়ে গাছের সার সার ছায়া
এসির ঠান্ডা বাতাস নেই, বুক ভরা ভালোবাসা আছে;
পানওয়ালার পান আছে, চা ওয়ালার চা
ছোট্ট একটা দোকান আছে –
বারো টাকায় চারটা লুচি আর ফ্রি’র ডাল খেয়েই পেট ভরে যায়।

সার সার কুঁড়ে ঘর, একটার পর একটা গ্রাম
ঐপাশেই কাটাতারের সীমান্ত;
মাঝখান দিয়ে বিশাল কংক্রিটের রাস্তাটা
এক গ্রাম,বাজার কে দুটি করে দিয়েছে আনমনেই।



এখানে দুপাশ জুড়ে গাছের সার সার ছায়া
এসির ঠান্ডা বাতাস নেই, বুক ভরা ভালোবাসা আছে;
পানওয়ালার পান আছে, চা ওয়ালার চা
ছোট্ট একটা দোকান আছে –
বারো টাকায় চারটা লুচি আর ফ্রি’র ডাল খেয়েই পেট ভরে যায়।

সার সার কুঁড়ে ঘর, একটার পর একটা গ্রাম
ঐপাশেই কাটাতারের সীমান্ত;
মাঝখান দিয়ে বিশাল কংক্রিটের রাস্তাটা
এক গ্রাম,বাজার কে দুটি করে দিয়েছে আনমনেই।

নাগরিক কোলাহল নেই, নেই কর্পারেট ঈশ্বর;
আঠারোটাকার মোটা চাল- সফেদ সাদার মধ্যে
হালকা লাল ভাবের ভাত,
সদ্য তোলা আলুর ডাল
উঠানকোণে সবজীর চাষ; বেশ চলে যায়।

এখানে চিকন মিহির কারবার নেই
সন্ধ্যায় সাঁঝ বাতি;রাতটা ভালোবাসার কাছে নিজেকে সঁপে দিয়ে ভোর হয়ে যায়।

মাঝে মাঝে পূর্ণতাও হাহাকারের সৃষ্টি করে,
একবুক হাহাকার নিয়ে সে রাস্তাদিয়ে ঘোরলাগা পথিক হয়ে দিগন্তরেখা ছোঁয়ার চেষ্টা করা হয় প্রায়ই……..।

২ thoughts on “লক্ষ্মীপুর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *