প্রগতির মগজে বসবাস সুবিধার…… (বরিশাল বিএম কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্র ইউনিয়নের মিছিলে, ছাত্র মৈত্রীর অতর্কিত সশস্ত্র হামলা।)

বরিশাল বিএম কলেজে ছাত্র ইউনিয়নের মিছিল ও
সমাবেশে আবার দুই দফা হামলা চালিয়েছে ছাত্র
মৈত্রীর সন্ত্রাসীরা।

ঘটনার সূত্রপাত অনলাইনে।
জাগরণের মঞ্চের নায়করাজ বাপ্পারাজ, থুক্কু বাপ্পাদিত্য বসুর সাম্প্রতিক কর্মকান্ডের প্রেক্ষিতে বাপ্পাদিত্য বসুকে সমালোচনা করে কেউ একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিল। বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বরিশাল জেলা সংসদের সভাপতি অন্তর চক্রবর্ত্তী, তার ফেসবুক আইডিটির মাধ্যমে সেই স্ট্যাটাসটি শেয়ার করেন।

বরিশাল বিএম কলেজে ছাত্র ইউনিয়নের মিছিল ও
সমাবেশে আবার দুই দফা হামলা চালিয়েছে ছাত্র
মৈত্রীর সন্ত্রাসীরা।

ঘটনার সূত্রপাত অনলাইনে।
জাগরণের মঞ্চের নায়করাজ বাপ্পারাজ, থুক্কু বাপ্পাদিত্য বসুর সাম্প্রতিক কর্মকান্ডের প্রেক্ষিতে বাপ্পাদিত্য বসুকে সমালোচনা করে কেউ একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিল। বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বরিশাল জেলা সংসদের সভাপতি অন্তর চক্রবর্ত্তী, তার ফেসবুক আইডিটির মাধ্যমে সেই স্ট্যাটাসটি শেয়ার করেন।
এতে ক্ষেপে যায় ছাত্র মৈত্রী। “কি! এতোবড় সাহস! আমাদের নেতারে দালাল বলা!! এক্ষুনি অন্তর রে পিটাইয়া দেখাইয়া দিমু আমরা খালি দালাল না সন্ত্রাসীও বটে।”
বরিশাল মহানগর ছাত্র মৈত্রী সভাপতি শামিল তমালের নির্দেশে, সরকারী সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ ছাত্র মৈত্রীর আহ্বায়ক (নামটা ভুলে গেছি) বি এম কলেজ আসে অন্তর চক্রবর্ত্তীকে পিটাতে। কিন্তু অন্তর চক্রবর্ত্তী তখন ক্যাম্পাসে না থাকায় সে ফিরে যায়। ঘটনা সে আবার বরিশাল জেলা ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি মনিষা চক্রবর্ত্তীকে বলে এভাবে, “সেদিনতো আমি তমাল ভাইর কথায় অন্তর চক্রবর্ত্তীরে মারতে গেছিলাম বিএম কলেজ। শালার ভাগ্য ভালো পাই নাই! ”

অবশেষে সুযোগ এল। ২৪শে এপ্রিল অর্থাৎ গত পরশু দুপুর ২টার দিকে যখন ছাত্র ইউনিয়ন বরিশালনজেলা সংসদের সভাপতি – অন্তর চক্রবর্ত্তী এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক – সাদি মুহাম্মদ সেতু বিএম কলেজের
সমাজকল্যাণ গেটের পাশ দিয়া হলের দিকে যাচ্ছিল,ছাত্র মৈত্রীর বিএম কলেজ শাখার প্রচার ও প্রকাশণা সম্পাদক নীরব হোসেন- অন্তর চক্রবর্ত্তীকে ডেকে বলে, “দাদা, এইদিকে একটু শুইনা যান। ”
অন্তর চক্রবর্ত্তী পাশের সাইকেল গ্যারেজে ঢুকলেই দপ্তর সম্পাদক জয়ের নেতৃত্বে ভিতরে ওত পেতে ৬-৭ জন সন্ত্রাসী অতর্কিত কিল-
ঘুষি মারা শুরু করে কোনকিছু না বলেই। অতর্কিত হামলায় অন্তর চক্রবর্ত্তী পুরোই হকচকিয়ে যায়,
তখন ঠেকাতে গিয়ে সাদি মুহাম্মদ সেতু আহত হন। অতর্কিত হামলা শেষেই লেজগুটিয়ে পালিয়ে যায় ছাত্র মৈত্রীর কুকুরগুলা ।
এর প্রতিবাদে ওইদিন সন্ধ্যায় ই ছাত্র ইউনিয়ন বরিশাল অশ্বিনীকুমার হলের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে।

আজ ছাত্র ইউনিয়নের ৬২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। গতকাল যখন সবাই প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উৎযাপনের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত তখন আবার ছাত্র মৈত্রীর বিএম কলেজ শাখার সভাপতি মিন্টু কর এবং সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইমরানের নেতৃত্বে ১০-১২ জন হলে গিয়ে ছাত্র ইউনিয়ন বিএম কলেজ শাখার সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম জামালের কাছে শাসিয়ে আসে অন্তর চক্রবর্ত্তীকে দেখে নেয়া হবে এবং প্রীতম চৌধুরীকে সাত আসমানের উপর পাঠিয়ে দেয়া হবে। জামাল ভাই তখন তাদের বলে, “যে বা*টা ফেলাইতে পারবি ফেলাইস।”
আমরা অতটা গুরুত্ব দেই নি।একদিন সময় আছে মাঝে। আগে ৬২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উৎযাপন তো হয়ে নিক। তারপর মৈত্রীকে দেখা হবে।

আজ বিকাল ৩টা থেকে আমাদের পূর্বঘোষিত প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উৎযাপনের অনুষ্ঠান শুরু হবার কথা। সকালে আমরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছি …
শোনা গেল ক্যাম্পাসে কারা যেন মিছিল করছে,
“হৈ হৈ রৈ রৈ
ইউনিয়ন গেলি কই?
——————————–
অন্তরের দুই গালে
জুতা মারো তালে তালে।”

ছাত্র মৈত্রীর ১০-১২ জনের মিছিলটা আমাদের সামনে দিয়ে গেল, আমরা তখন পাল্টা মিছিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছি কারন আমরা বিশ্বাস করি মিছিলের জবাব মিছিলের মাধ্যমেই দেয়া উচিত।
তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থিত ১৫-২০ জন নিয়েই কবি চত্বর থেকে শুরু হলো আমাদের মিছিল।
আমাদের স্লোগান ছিল-
“ইউনিয়ন নেতা আহত কেন?
ছাত্র মৈত্রী জবাব দে… ”
মিছিল যখন ঘুরে আবার কবি চত্বরের কাছাকাছি এসে গেছে, সামনে দেখা গেল ছাত্র মৈত্রী বিএম কলেজ সভাপতি – মিন্টু কর এবং সম্পাদক-হাসিবুল ইমরান এর নেতৃত্বে বেশ কিছু বহিরাগত সহ ছাত্র মৈত্রীর কর্মীরা রাস্তা আটকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
ছাত্র মৈত্রী বিএম কলেজ শাখার সম্পাদক হাসিবুল ইমরান রড নিয়ে দাঁড়িয়ে। সাদা শার্ট পড়া একটি ছেলের হাতে রডটা তুলে দিয়ে বললো, “পিডা শালাগো।”
আমরা অতিদ্রুতই প্রতিরোধ গড়ে তুলি। অনিন্দ্য দীপ, মনিরুল ইসলাম বিপ্লব ও অভি বিশ্বাস মিলে ছেলেটার হাত থেকে রড কেড়ে নেয়। প্রতিরোধের মুখে মার খেয়ে লেজ গুটিয়ে পালিয়ে যায় ছাত্র মৈত্রী।

আমরা কবি চত্বরে এসে নিজেরা নিজেরা কথা বলতেছি কোন সতর্কতা ছাড়াই। হঠাৎ আবার আক্রমণ করলো ছাত্র মৈত্রী। একপাশে ছিল এবি সিদ্দিক। তাকে চার-পাঁচজনে মিলে মাটি ফেলে একজন বলল, “পিডা ওরে, এই খা** পোলাই নিরবরে মারছে।”

তাদের ২য় বারে হামলায় এবি সিদ্দিক মারাত্মক আহত হয়। তার ডান হাতের মাংস এবং হাড় থেঁতলে যায়।এবি সিদ্দিককে বাঁচাতে গিয়ে অভি বিশ্বাসও আহত হয়। বরিশাল জেলা সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক এবি সিদ্দিক,ব্রজমোহন কলেজ সংসদের
সাংগঠনিক সম্পাদক শাহেদুর রহমান শাহেদ,জেলা সংসদের প্রচার ও প্রকাশণা সম্পাদক অভি বিশ্বাস,জেলা সংসদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক
সাদি মোহাম্মদ সেতু গুরুতর আহত হয়েছে। এছাড়াও
জেলা সংসদের সভাপতি অন্তর
চক্রবর্ত্তী এবং সাধারণ সম্পাদক শারমিন জাহান পপি আহত হয়েছেন।
পুলিশ এসে পরায় পালিয়ে যায় মৈত্রীর সন্ত্রাসীরা।
এবি সিদ্দিক হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছে।

কি? শুনে অবাক লাগছে না!! এরকম আচরণ করে থাকে সাধারণত জামাত-শিবির, স্বাধীনতার বিরুদ্ধ শক্তি। ছাত্র মৈত্রী নামক একটি সংগঠন যা কিনা নিজেদের প্রগতিশীল দাবি করে, তাদের কেন এহেন আচরণ হবে !!!

গত বছরের এই সময়েরই কথা… হেফাজতের উত্থান ঘটেছে। পরিচিত যেই ফোন দিক না কেন, শেষ কথা ছিল – “সাবধানে থাইকো প্রীতম। ওগো (জামাত-শিবির) বিরুদ্ধে যা লিখছো তুমি। ক্ষেইপা আছে কিন্তু।”
বলাই বাহুল্য, শিবিরের বিরুদ্ধে লেখার কারনে আমাকে আর সিদ্দিক ভাইকে (যেই সিদ্দিক ভাই আজ মারাত্মক আহত হইছে মৈত্রীর রডের আঘাতে) বিএম কলেজ বসে থ্রেট ও করে শিবির।

অনেকদিন ধরে শিবিরের কোন সাড়াশব্দ পাচ্ছি না। তাই কেউ আর সাবধানে থাকতেও বলতেছিল না।

আজ যারাই ফোন দিছে, সেই সাবধানে থাকার উপদেশ দিয়েছে। কারন ছাত্র মৈত্রী আমাকে হুমকি দিছে পরপারে , না না দুঃখিত সাত আসমানের উপর পাঠিয়ে দিবে। অপরাধ হলো সেই পুরোনো অপরাধ লেখালিখি।

যাক, শিবিরের অভাব ছাত্র মৈত্রী ভালোভাবেই পূরণ করে দিচ্ছে…
এখন খালি সাত আসমানের উপরে যাবার অপেক্ষা…
কেউ কি যাবেন নাকি আমার সাথে সাত আসমানের উপরে?? তাইলে ছাত্র মৈত্রী বরিশাল জেলার নেতাদের সাথে যোগাযোগ করেন ……

১৪ thoughts on “প্রগতির মগজে বসবাস সুবিধার…… (বরিশাল বিএম কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্র ইউনিয়নের মিছিলে, ছাত্র মৈত্রীর অতর্কিত সশস্ত্র হামলা।)

  1. কুত্তালীগের সাথে এদের সখ্যতা
    কুত্তালীগের সাথে এদের সখ্যতা যখন হয়েছে তখনই বুঝেছি বাম আদর্শের চরিত্র হারিয়ে এরা টেন্ডারবাজি, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ বাম হয়ে গেছে।

    ছাত্রলীগ আর শিবির যেমন এখন এক হয়ে গেছে, ছাত্রমৈত্রী বাদ থাকবে কেন? এখন থেকে শিবির-ছাত্রলীগ-ছাত্রমৈত্রীকে একই টাইপের সংগঠন মনে করবেন।

  2. ছাত্র মৈত্রী একটা কাজের কাজ
    ছাত্র মৈত্রী একটা কাজের কাজ করছে বরিশাল ছাত্র
    ইউনিয়নের উপর হামলা করে । এইটা না করলে আমরা ওদের
    দিগম্বর চেহারাটা দেখবো কি করে । শাসক শ্রেণীর মুল
    দলগুলির তবুও একটা চরিত্র আছে কিন্তু এদের কোন চরিত্রই
    নাই । বলা যায় চরিত্রহীনতাই ওদের চরিত্র । মানে চোরের
    সাথে ছ্যাচরের যে পার্থক্য থাকে ।

  3. ছাত্র মৈত্রী নামটা তাদের
    ছাত্র মৈত্রী নামটা তাদের চরিত্রের সাথে মানানসই না। নামটা হওয়া উচিৎ ছিল দালাল মৈত্রী, সন্ত্রাস মৈত্রী বা আওয়ামী মৈত্রী।

    বাপ্যাদিত্য পশু একটা ভোদাই আর মেনন সাহেব একজন আওয়ামী পা-চাটা ভাম

    1. বাপ্যাদিত্য পশু একটা ভোদাই আর

      বাপ্যাদিত্য পশু একটা ভোদাই আর মেনন সাহেব একজন আওয়ামী পা-চাটা ভাম

      :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া:

  4. এরকম আচরণ করে থাকে সাধারণত

    এরকম আচরণ করে থাকে সাধারণত জামাত-শিবির, স্বাধীনতার বিরুদ্ধ শক্তি।

    জামাত-শিবির ছাত্রমইত্রি ভাই ভাই
    খুশির আর সীমা নাই!”

  5. আগামীতে দেখবেন
    আগামীতে দেখবেন ছাত্রলীগ-ছাত্রমৈত্রী-শিবির যৌথভাবে হামলা করবে। সেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখবেন।

  6. ছাত্রলীগের সাথে চলাফেরা করা
    ছাত্রলীগের সাথে চলাফেরা করা এই ভাম সংগঠনটি ছাত্রলীগের স্বরূপে আর্ভিভুত হয়েছে। সারা বাংলাদেশে ছাত্রমৈত্রীর কয়টা পোলা আছে? সবগুলারে ধরে আচ্ছামত প্যাদানী দিলে ছাত্রলীগের দালালী করার মজা হাড়ে হাড়ে টের পাবে। আদর্শের নামের এরাও অনৈতিকতার সাথে এখন জড়িত। বাপ্পাদিত্যরা বাম আদর্শের নামে ফ্যাসিস্ট দলের সাথে থেকে ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠছে। এদের উচিত শিক্ষা দেওয়া দরকার। সারা বাংলাদেশে অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত ছাত্র ইউনিয়ের কম কর্মী নাই। বাম আদর্শের ছাত্র সংগঠনের নাম যদি বলতে বলা হয়, ছাত্রইউনিয়নের নাম সবার আগে আসবে।

  7. কুকুরের কাজ কুকুর করেছে, কামড়
    কুকুরের কাজ কুকুর করেছে, কামড় দিয়েছে পা’য়,
    মাঝে মধ্যে এসব পাগলা কুকুরকে মেরে ফেলা মানুষের শোভা পায়।

  8. এই ঘটনা নিয়ে ফেইসবুকে
    এই ঘটনা নিয়ে ফেইসবুকে ইতোমধ্যে লিখেছি , এখানে আর কী লিখবো বুঝতে পারছি না । তবু একটা কথা বলতেই হয় আদর্শচ্যুত ছাত্র মৈত্রীর সাথে অপরাপর স্বার্থবাজ, ফ্যাসিস্ট, লেজুড়, মৌলবাদী, সন্ত্রাসী ছাত্র সংগঠনের কোন পার্থক্য নেই । ছাত্র মৈত্রীর ধ্বংস অনিবার্য হয়ে গেছে । ইতিহাস তাই বলে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *