গরম হইতে পরিত্রানের সহীহ তরিকা ( ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা, কুল কুল ফ্যান চলে, স্পীড ফুল )

প্রচন্ড গরমে আপনি এবং আপনার রুমটিকে শীতল রাখার কয়েকটি টিপস দিলাম বিনামূল্যে ….

১. আপনার চামড়া যদি গণ্ডার গোত্রের হয়, তবে আপনাকে অবশ্যই পানিতে বসবাস করতে হবে। পুকুর-ডোবা, নদী-নালায় থাকার কারণে মাছের বাজারের বাড়তি গরম থেকে মুক্তি পাবেন ! :নৃত্য:

২. দিনের বেলায়, বিশেষ করে মধ্য দুপুরের আগেই ঘরের দরজা জানালা বন্ধ করে দিন। সূর্য পাটে বসার পর আবার খুলে দিন। দুপুরের গরমটা ঘরে ঢুকতে না পারলে কম পক্ষে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা নেমে যাবে, এতে ঠাণ্ডা থাকবে আপনার ঘর :ভালাপাইছি:


প্রচন্ড গরমে আপনি এবং আপনার রুমটিকে শীতল রাখার কয়েকটি টিপস দিলাম বিনামূল্যে ….

১. আপনার চামড়া যদি গণ্ডার গোত্রের হয়, তবে আপনাকে অবশ্যই পানিতে বসবাস করতে হবে। পুকুর-ডোবা, নদী-নালায় থাকার কারণে মাছের বাজারের বাড়তি গরম থেকে মুক্তি পাবেন ! :নৃত্য:

২. দিনের বেলায়, বিশেষ করে মধ্য দুপুরের আগেই ঘরের দরজা জানালা বন্ধ করে দিন। সূর্য পাটে বসার পর আবার খুলে দিন। দুপুরের গরমটা ঘরে ঢুকতে না পারলে কম পক্ষে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা নেমে যাবে, এতে ঠাণ্ডা থাকবে আপনার ঘর :ভালাপাইছি:

৩. প্লেনে চেপে অথবা হেঁটে হিমালয়ের চূড়ায় চলে যান। গরম এর ‘গ’ও আপনাকে খুঁজে পাবে না। এ ব্যপারে মুছা ইব্রাহিম বা কোন অভিজ্ঞ কোন ফটোশপারের সহায়তা নিতে পারেন :হাসি:

৪. রাতের বেলা টেবিল বা পোর্টেবল ফ্যানটি জানালার কাছে নিয়ে চালিয়ে দিন। এটি বাইরের ঠাণ্ডা হাওয়া ভিতরে নিয়ে আসবে অনেকটা ভেন্টিলেশনের কাজ করবে এবং ঘরের অসহনীয় গরম দূর হবে :খুশি:

৫. ইনস্ট্যান্ট এসির সুবিধা পেতে টেবিল ফ্যানের সামনে গামলা ভর্তি বরফ রেখে ফ্যান চালিয়ে দিন অথবা একটি পানির বোতল বরফ করে ফ্যানের সামনে রাখুন। । এর ফলে যখনই ফ্যান চালাবেন বাতাসের সাথে বরফের ঠাণ্ডা হাওয়া যোগ হয়ে এসির মতই কাজ করবে :ভালুবাশি:

৬. গরমের সিজনে আপনি বনে-জঙ্গলে বসবাস করতে পারেন। প্রকৃতির আশীর্বাদে শুধু শান্তিতে থাকাই নয়, এ যুগের টারজান উপাধিও পেয়ে যাবেন :দেখুমনা:

৭. লাল-হলুদ রঙের আলো সব সময় গরম বাড়ায়। এই গ্রীষ্মে হলদে আলোর বাল্ব গুলো বদলে ফেলুন সাদা আলো দিয়ে। এনার্জি বাল্বে ঘর যেমন ঠাণ্ডা থাকবে, তেমনই কারেন্ট বিলও বাঁচবে

৮. প্রয়োজনের অতিরিক্ত আলো জ্বালাবেন না। বাড়তি আলো কয়েক ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়

৯. বাসা অতিরিক্ত গরম থাকার আরও একটি কারণ হচ্ছে বিনা প্রয়োজনে ইলেক্ট্রনিক জিনিস অন করে রাখা। বিনা প্রয়োজনে টেলিভিশন, ফ্যান, বাতি, কম্পিউটার ইত্যাদি অন করে রাখবেন না। এর ফলে ঘরের তাপমাত্রা আরও বেড়ে গিয়ে অতিরিক্ত গরম আবহাওয়া তৈরি করবে …… (৭,৮,৯ নাম্বার টিপস্ বিদ্যুৎ বিভাগের সৌজন্যে) :থাম্বসআপ:

১০. রাতে ঘুমানোর সময় ঘরের সবগুলো জানালা খুলে দিন। তবে আপনার বাসা যদি আমার মত নিচতলায় হয় তাহলে না খোলাই উত্তম,কারন চোরেরা মোবাইল নেওয়ার আগে কখনো মোবাইলে মিস্কল দিয়ে আসে না :জলদিকর:

১১.  রান্নার পর অবশ্যই গ্যাসের চুলা বন্ধ রাখবেন। (গ্যস জাতীয় সম্পদ,এর অপচয় রোধ করা জাতীয় দায়িত্ব-তিতাস গ্যস)

১২. ঘরের যে অংশে রোদ পড়ে, সেদিকের জানালায় আলোনিরোধী কাচ ব্যবহার করুন। খরচ কমাতে চাইলে কাঠ বা স্টিলের পাতলা প্লেনশিটের জানালার কাচগুলোয় সাদা রং করে দিতে পারেন দেখবেন ঘর ঠাণ্ডা থাকছে :হাহাপগে:

১৩. বাড়ির পূর্ব ও পশ্চিম পাশে বেশি করে গাছ লাগান এতে সরাসরি সূর্যের আলো পড়বে না যার ফলে ঘরের পরিবেশ ঠাণ্ডা থাকবে এবং পাশের দেয়ালও ঠাণ্ডা থাকবে (পরিবেশ অধিদপ্তর)

১৪. এই গরমে রাতে ঘুমানোর সময় জাতীয় পোশাক “লুঙ্গি”পরে ঘুমান আর বেডে ব্যবহার করুন শীতলপাটি :পার্টি:

১৫. যদি কোনো কিছুতেই কাজ না হয়, তবে কাপড়-চোপড় খুলে চলাফেরা শুরু করুন। গরম থেকে তো বাঁচবেনই, সেই সঙ্গে এলাকায় লেংটা বাবা হিসেবে পরিচিত পাবেন! তখন আপনার গরমেই এলাকা গরম হবে… অটোমেটিক… :হাসি:

The weather is more hotter than ‘Sunny Leone’ :bow: :bow:

৪ thoughts on “গরম হইতে পরিত্রানের সহীহ তরিকা ( ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা, কুল কুল ফ্যান চলে, স্পীড ফুল )

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *