হযরত মুহম্মদ(সাঃ) এর মহানুভবতা…….


হযরত মুহাম্মদ(সাঃ) মক্কার কাফিরদের অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য হিজরত করে মক্কা থেকে মদিনা গমন করেন । মদীনায় তিনি একটি শক্তিশালী ইসলামী রাষ্ট্র গঠন করেন,তখনও নবীিজ কতৃক মক্কা বিজয় হয়নি, ইয়ামামার (বর্তমানে সৌদি অারবের নজদ,রিয়াদ এর অন্তর্ভুক্ত ছিল) গভর্ণর শামামা তখন ইসলাম গ্রহণ করেছেন ।



হযরত মুহাম্মদ(সাঃ) মক্কার কাফিরদের অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য হিজরত করে মক্কা থেকে মদিনা গমন করেন । মদীনায় তিনি একটি শক্তিশালী ইসলামী রাষ্ট্র গঠন করেন,তখনও নবীিজ কতৃক মক্কা বিজয় হয়নি, ইয়ামামার (বর্তমানে সৌদি অারবের নজদ,রিয়াদ এর অন্তর্ভুক্ত ছিল) গভর্ণর শামামা তখন ইসলাম গ্রহণ করেছেন ।

মক্কার কুরাইশরা নবীজি এবং তাঁর বংশ হাশিম বংশের লোকদের একঘরে করে রেখেছিল,হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর ইসলাম প্রচার করার কারণে। সে সময় শিশু বাচ্চাদের খাবারের জন্য ক্রন্দন, অাহাজারি বা বৃদ্ধদের দুর্ভোগ দেখে মক্কার অমুসলিমগণ ন্যূনতম করুণা প্রদর্শন করেিন । নব্য মুসলিমগণ খাবারের অভাবে গাছের পাতা,ছাল,পশুর চামড়া সিদ্ধ করে খেয়ে ক্ষুধা নিবারণ করেছেন ।বাইরের থেকে কেউ যেন তাঁদের খাবার কোনভাবেই সরবরাহ না করতে পারে তা সর্বতোভাবে অমুসলিমরা করেছিল ।দীর্ঘ ২টি বৎসর মুসলিমগণ এরকম অসহায় অবস্থায় ছিল ।

ইয়ামামার গভর্ণর শামামা নবীজি এবং নওমুসলিমদের সেই কষ্টের স্মৃতি স্মরণ করে তিনি মক্কায় খাবার এবং সব্জি সরবরাহ বন্ধ করে দেন ।মক্কা ছিল অনুর্বর পাথুরে এলাকা,স্থানীয়ভাবে খুব বেশী খাদ্য উৎপাদিত হত না, এখানকার প্রয়োজনীয় খাদ্যের প্রধান যোগানদাতা ছিল ইয়ামামা প্রদেশ ।

ইয়ামামা প্রদেশের গভর্ণর খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে দেয়ায় মক্কার মানুষ মহাবিপদের মধ্যে পরে যায়,তারা নিরুপায় হয়ে নবীজির কাছে এ বিষয়টি জানালেন । নবীজি এ ঘটনা শুনে তৎক্ষণাত ইয়ামামার গভর্ণর কে এরুপ করতে নিষেধ করলেন এবং অনতিবিলম্বে খাদ্য সরবরাহ পূর্বের ন্যায় চালু করতে বললেন ।
গভর্ণর শামামা নবীজির অাদেশ শুনে দ্রুত পূর্বের ন্যায় মক্কায় খাবার সরবরাহ শুরু করেন ।

হযরত মুহাম্মদ(সাঃ) মক্কার কাফিরদের অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য হিজরত করে মক্কা থেকে মদিনা গমনের কিছুদিন পর অনাবৃষ্টি এবং খরার কারণে মক্কায় প্রবল দুর্ভিক্ষ দেখা দেয় ।মক্কার চারদিকে খাবারের জন্য প্রবল হাহাকার । খাদ্যের অভাবে মানুষ মৃত পশু,পশুর চামড়া খাবার হিসাবে গ্রহণ করতে বাধ্য হল। মক্কার প্রতাপশালী এবং ধনাঢ্য অাবু সুফিয়ান তখনও মুসলিম হননি এবং ইসলামের প্রবল বিরোধীদের একজন ,তিনি জানতেন যে ,নবীজি দোয়া করলে কবুল হয় । তাই তিনি গোপনে মদিনায় যেয়ে হযরত মুহাম্মদ(সাঃ) এর সাথে দেখা করেন এবং মক্কায় খাদ্যের অভাবে তাঁর অাত্মীয়-স্বজনগণ খাদ্যের অভাবে কষ্ট করছেন একথা জানিয়ে বৃষ্টির জন্য দোয়া করতে বলেন । নবীজি অাবু সুফিয়ানের কথা শুনে তাঁকে কিছু বলেননি কিন্ত্তু মক্কায় বৃষ্টির জন্য দোয়া করেন,মক্কায় বৃষ্টি হয় এবং মক্কার মানুষ কষ্ট থেকে রক্ষা পায় ।

মদিনায় উদিয়মান মুসলিম শক্তিকে ধ্বংস করার জন্য মদিনার ইহুদি এবং মক্কার কাফিরদের ষড়যন্ত্রের কারণে মুসলিমদের প্রথম যুদ্ধ যা বদর যুদ্ধ নামে পরিচিত,বদর যুদ্ধ শুরু হবার আগের দিনের ঘটনা এটি । মক্কার কাফিরগণ তাদের সৈন্যদল মদিনার কাছেই সমবেত করেছে,এ সময় মুসলিমদের খননকৃত একটি পানির কূপ এ পানি খেতে অাসে মক্কার এক কাফির সৈন্য ,সে জোর করেই এ কূপ থেকে পানি পান করবে, এমন অবস্থায় কূপে উপস্থিত মুসলিমগণ তাকে বাধাদেয় ,সে সময় সময় নবীজি ঘটনাটি দেখে মুসলিমদের ঐ কাফির যুবককে পানি পান করতে বাধা দিতে নিষেধ করেন এবং তাকে পানি পান করতে দিতে বলেন ।

২ thoughts on “হযরত মুহম্মদ(সাঃ) এর মহানুভবতা…….

  1. কমল সাহেব আপনি কি মানসিক
    কমল সাহেব আপনি কি মানসিক ভারসাম্যহীন লোক? নাকি আপনার মস্তিষ্কের বিকৃতি ঘটেছে!

    আপনার আগের পোস্টে ইস্টিশন মাস্টার সাহেব ইস্টিশন বিধি ২ মোতাবেক দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক আপনার পূর্বের পোষ্টটি প্রথম পাতা থেকে সড়িয়ে দিয়েছিলেন। আপনাকে ইস্টিশন বিধি মেনে চলতে বলা হয়েছিল।

    ইস্টিশন মাস্টারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং যথোপযুক্ত ব্যাবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি।

  2. খুব সুন্দর পোস্ট। ভাল
    খুব সুন্দর পোস্ট। ভাল লেগেছে।
    মুহাম্মদ (সা) একই সাথে ছিলেন একজন নবী, একজন ইসলাম প্রচারক, একজন যোদ্ধা,
    একজন রাষ্ট্রনায়ক।
    তিনি অত্যন্ত বৈরী পরিস্থিতি মোকাবেলা করে পৃথিবীর বুকে ইসলাম নামক আল্লাহর একত্তবাদ ভিত্তিক ধর্মকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন এবং সেটি আল্লাহর সাহায্যে।
    তাঁর প্রতি অনেক অনেক দরুদ ও সালাম।
    ( অফ টপিক– ব্লগের নিতীমালা একটু খেয়াল রাখবেন। )

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *