যেমন কর্ম তেমন ফল (বাচ্চাদের প্রবেশ নিষেধ)

একদা এক রাজার পুত্রের শখ জাগিল সে বিবাহ করিবে। রাজাকে জানানো হলো সে কথা। রাজা সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করিলেন। কিন্তু রাজার পুত্রের একখানা শর্ত রহিয়াছে। সে একজন সতী কুমারী ছাড়া অন্য কাওকে বিবাহ করিবে না। রাজার তো চিন্তায় ঘুম হারাম। সতী কুমারী কোথায় পাওয়া যায়!

অতঃপর রাজা এবং রাজপুত্র রাজসভায় পরামর্শদ্বাতাদের সাথে বৈঠকে বসে গেলেন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হইলো, সমস্ত রাজ্যের যত বিবাহ উপযোগী কন্যা আছে সবাইকে একে একে রাজার পুত্রের সাথে রাত্রিযাপন করিতে হইবে। এবং রাজপুরের যাহাকে সতী পাইবেন এবং পছন্দ হইবে তাহাকে বিবাহ করিবে।


একদা এক রাজার পুত্রের শখ জাগিল সে বিবাহ করিবে। রাজাকে জানানো হলো সে কথা। রাজা সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করিলেন। কিন্তু রাজার পুত্রের একখানা শর্ত রহিয়াছে। সে একজন সতী কুমারী ছাড়া অন্য কাওকে বিবাহ করিবে না। রাজার তো চিন্তায় ঘুম হারাম। সতী কুমারী কোথায় পাওয়া যায়!

অতঃপর রাজা এবং রাজপুত্র রাজসভায় পরামর্শদ্বাতাদের সাথে বৈঠকে বসে গেলেন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হইলো, সমস্ত রাজ্যের যত বিবাহ উপযোগী কন্যা আছে সবাইকে একে একে রাজার পুত্রের সাথে রাত্রিযাপন করিতে হইবে। এবং রাজপুরের যাহাকে সতী পাইবেন এবং পছন্দ হইবে তাহাকে বিবাহ করিবে।

সমস্ত রাজ্যে ঢোল পিটিয়ে দেওয়া রাজার পুত্র বিবাহ করিবে এবং যাহারা বিবাহে ইচ্ছুক তাহাদের রাজপুত্রের সাথে রাত্রিযাপন করিতে হইবে।

রাজারপুত্রের সাথে বিবাহ! এটা কি যেন তেন কথা? বিবাহ হয়ে গেলেই রাজরানী। একে একে রাজ্যের সকল মেয়ে আসিতে লাগিল এবং রাজপুত্রের সাথে রাত্রিযাপন করিতে লাগিল। ১৬ থেকে ৩৬ সকলেই আসিতে লাগিল। রাজারপুত্রের সময় বেশ আনন্দেই কাটিতে লাগিল।

এমনি করিয়া রাজ্যের সকল মেয়েকে রাজপুত্রের সহিত রাত্রিযাপনের পালা শেষ হইলো। এখন আসিল সেই শুভদিন রাজপুত্র কাহাকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করিবেন!

রাজপুত্রের মাথায় অন্য ফন্দি আসিল। সে ঘোষণা করিল, যাহারা আমার সাথে রাত্রিযাপন করিয়াছে তাহাদের কাওকে আমি বিবাহ করিব না, কারণ তাহারা নিজেদের চরিত্রের তোয়াক্কা না করিয়াই আমার সাথে রাত্রিযাপন করিয়াছে। আমি তাহাকেই বিবাহ করিব যে আমার সাথে রাত্রিযাপন করে নাই।

সকলেই রাজার পুত্রের বুদ্ধি দেখিয়া পঞ্চমুখ। সকলেই কহিল, বাহ! রাজার বেটার বুদ্ধি আছে বেশ।

সমস্তরাজ্যে খোঁজ পড়ে গেল, কে রাজার পুত্রের সহিত রাত্রিযাপন করিতে আসে নাই। খুঁজিতে খুঁজিতে বেশ সুন্দরী একজনকে পাওয়া গেল যে কিনা রাজার পুত্রের সাথে রাত্রিযাপন করে নাই। তাহাকে ধরিয়া নিয়ে যাওয়া হইলো রাজ দরবারে। অবশেষে রাজপুত্র তাহার কাঙ্খিত নারীকে খুজিয়া পাইল এবং মহা ধুমধামে তাহাদের বিবাহ সম্পন্ন হইলো।

ফুলশয্যার রাতে রাজারপুত্র ঘরে আসিল। রাজারপুত্র সেই কন্যাকে জিজ্ঞাস করিল-

-সকলেই আসিল কিন্তু তুমি এলেনা কেন? সকলেই তো আমার বধু হবার স্বপ্ন দেখিয়াছিল; তুমি দেখো নি?
-আমিও দেখেছি আপনার বধু হবার স্বপ্ন, সেজন্যই আসি নাই।
-তুমি তো দেখি বেশ বুদ্ধিমতী। তোমার মতই বধু আমার চাই। আর তুমি হলে এই রাজ্যের সবচেয়ে সতী কন্যা।
-আসলে আমি একজন যাযাবর। নিজের কোন নির্দিষ্ট ঠিকানা নাই। একরাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে ঘুরে বেড়াই। অন্যান্য রাজ্যে থাকার সময় সেই রাজ্যের রাজপুত্ররাও একই ভাবে বিবাহের জন্য ডাকিত এবং সকলের কাছেই আমি গিয়েছিলাম কিন্তু কেও আমাকে বিবাহ করে নাই। তাই আপনি যখন ডাকিলেন তখন মনে মনে ঠিক করিলাম, এইবার না গিয়ে দেখি কি হয়!

৩৩ thoughts on “যেমন কর্ম তেমন ফল (বাচ্চাদের প্রবেশ নিষেধ)

  1. সকলেই রাজার পুত্রের বুদ্ধি

    সকলেই রাজার পুত্রের বুদ্ধি দেখিয়া পঞ্চমুখ। সকলেই কহিল, বাহ! রাজার বেটার বুদ্ধি আছে বেশ।

    তাহা ত হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া যাইতেচে!

  2. হাহাহাহাহাহাহাহাহা……
    হাহাহাহাহাহাহাহাহা…… হাঁসতে হাঁসতে শেষ পুরাই… 😀 😀 😀 😀 😀 :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :ধইন্যাপাতা: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :ফুল:

  3. জোশ একখান পোস্ট। আরো চাই।
    জোশ একখান পোস্ট। আরো চাই। :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

  4. ১৮+ কন্টেন্ট এ ১৮ – রাই বেশী
    ১৮+ কন্টেন্ট এ ১৮ – রাই বেশী প্রবেশ করে থাকে । বাচ্চাদের প্রবেশ নিষেধ বলাতে সবচেয়ে বেশিবার বাচ্চারাই এই পোস্ট পড়ছে বলে আমি মনে করি ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *