বাতাসা

মাসুম ছেলেটির মন খারাপ। তাঁকে বাতাসা কিনে দেয়া হয়নি।

রিকশাওয়ালার ছেলেদের বাতাসা কিনে দেয়া হয় না। বাতাসার কেজী চারশ টাকা।

বাতাসার দোকানদার আবুল বিড়ি টানছে। বেচা বিক্রি নাই।

ছেলেটা বাবার রিকশায় ঢাকা শহর ঘুরছে। আজকে নাকি পহেলা বৈশাখ।

মুড়কী সেইল হচ্ছে। ১২০ টাকা কেজী। আবুল বিড়ি রেখে মুড়কী বিক্রি করছে।

একটা রিকশা এসে থামল। রিকশায় একটা পিচ্চি বসা।

ভাই বাতাসা দিবেন দশ টেকার?

এহ। আজকা দশ টেকার কিছু নাই। নিম্মে পঞ্চাশ।

আবুল বাতাসা দেয়নাই। ছেলেটিও বাতাসা পায়নাই।


মাসুম ছেলেটির মন খারাপ। তাঁকে বাতাসা কিনে দেয়া হয়নি।

রিকশাওয়ালার ছেলেদের বাতাসা কিনে দেয়া হয় না। বাতাসার কেজী চারশ টাকা।

বাতাসার দোকানদার আবুল বিড়ি টানছে। বেচা বিক্রি নাই।

ছেলেটা বাবার রিকশায় ঢাকা শহর ঘুরছে। আজকে নাকি পহেলা বৈশাখ।

মুড়কী সেইল হচ্ছে। ১২০ টাকা কেজী। আবুল বিড়ি রেখে মুড়কী বিক্রি করছে।

একটা রিকশা এসে থামল। রিকশায় একটা পিচ্চি বসা।

ভাই বাতাসা দিবেন দশ টেকার?

এহ। আজকা দশ টেকার কিছু নাই। নিম্মে পঞ্চাশ।

আবুল বাতাসা দেয়নাই। ছেলেটিও বাতাসা পায়নাই।

আবুলের ছোট ছেলে মমিন দোকানে এল – “আব্বা বাতাসা খামু” ।

নে বাবা, এই নে। মমিনকে একটা কাগজে মুড়িয়ে বাতাসা দিল আবুল।

মমিন বাসায় যাবে। পথ খুঁজে পাচ্ছে না। একটা রিকশা এসে থামল। তাতে আরেকটা ছেলে বসা।

আমারে নিয়া যাইবেন?

কই যাইবা বাবা?

গুলিস্তান।

আমিতো খিলগাঁও যামু।

আহো। গুলিস্তান কই যাইবা। তুমারে নামায়া দেই।

আইচ্ছা।

মমিনের পকেটে বাতাসা। সে বাতাসা বের করে খাচ্ছে। ছেলেটি দেখল। কিন্ত চাইল না।

মমিনকে গুলিস্তান নামিয়ে দিচ্ছে রিকশা।

ছেলেটি মন খারাপ করে বাতাসার দিকে তাকিয়ে আছে।

মমিন বলল, কাকা ভাড়া নিবেন চাই?

ভাড়া লাগবো না বাবা। তুমি যাও।

মমিন ছেলেটির চোখের দিকে তাকালো। ছেলেটির চোখ বাতাসার দিকে।

বাতাসাগুলা মমিন ছেলেটিকে দিল।

ছেলেটি ঢাকা শহরে রিকশায় ঘুরছে। তাঁর হাতে মুখে বাতাসার চিনি চটচট করছে।

৬ thoughts on “বাতাসা

  1. এখন তো বাতাসা খাইতে একটুও ভাল
    এখন তো বাতাসা খাইতে একটুও ভাল লাগেনা।

    কিন্তু, ছোট বেলায় এগুলো খেতে দারুণ লাগতো। ছোট বেলার জীবন আসলেই অন্যরকম থাকে।

  2. ডায়েট করতে গিয়া চিনি ছেড়ে
    ডায়েট করতে গিয়া চিনি ছেড়ে দিসি। কিন্ত এখনো চান্স পাইলে লুকায়া বাতাসা খায়ালাই। 😀

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *