আমি বাঙালী, প্রাণের উত্‍সবে প্রাণ মেলাবই

বৈশাখ মাসের নাম দেবতা বিশাখার নাম থেকে এসেছে। বৈশাখ একটা হিন্দুয়ানী নাম। তাই বৈশাখ হিন্দুদের। এই বৈশাখে তাই সব ধরনের অনুষ্ঠান হিন্দুদের আর তা মুসলমানদের জন্য হারাম।
চৈত্র সংক্রান্তী দেবতার আর্চনার মাধ্যমে শেষ হয় তাই এই অনুষ্ঠানও মুসলিমের জন্য হারাম।

বৈশাখ মাসের নাম দেবতা বিশাখার নাম থেকে এসেছে। বৈশাখ একটা হিন্দুয়ানী নাম। তাই বৈশাখ হিন্দুদের। এই বৈশাখে তাই সব ধরনের অনুষ্ঠান হিন্দুদের আর তা মুসলমানদের জন্য হারাম।
চৈত্র সংক্রান্তী দেবতার আর্চনার মাধ্যমে শেষ হয় তাই এই অনুষ্ঠানও মুসলিমের জন্য হারাম।
ফাল্গুনে বিশেষ অনুষ্ঠান সম্পর্কে কোন হাদিস কোরানের দলীল নাই তাই এই বাসন্তী উত্‍সবও হারাম। আশ্বিন আর কার্তিক এ দুই দু মাস চলে নবান্নের উত্‍সব । বাঙালী এই সময় অনন্দ করে শরতে আসে সারদা দেবী বা দূর্গা এই ঋতুর নামটাও কেমন হিন্দুয়ানী। আর এ সময় বাঙালীর প্রাণে আনন্দ আর খুশির জোয়ার । হাদিসে আছে মুসলমানদের বেশে খুশি বা আনন্দ করা হারাম। সব সময় মৃত্যুর ভয়ে তটস্থ থাকতে হবে।

শীতে পিঠে উত্‍সব বাঙালীর এক প্রাণের উত্‍সব কিন্তু ইসলামে দুই ঈদ বাদে যেকোন উত্‍সব নাযায়েজ। আর পিঠা হিন্দুদের শীতলাদেবীর পূজাতে ব্যবহার করা হয় তাই পিঠা উত্‍সব হারাম।

তা মুসলিম হিসেবে আপনি সব-ই-বরাত পালন করবেন? এর নাকি হাদিস কোরানের ভিত্তি নাই। আশ্বুরা পালন করাও বেদাত। ঈদ একেক দেশে একেক দিনে পালন করা হয়। তাই মুসলমানদের সার্বজনিন কোন উত্‍সব নাই।

বাংলার সংক্রান্তী মেলা আর বৃটিশদের থার্টিফার্স্ট নাইট। থার্টিফার্স্ট নাইট তো পুরাই জাহান্নামী কাম। ইংরেজী নববর্ষ পালন বেদাতী। ভেলন্টাইন ডে বেদাত।

ভাবলাম তাহলে বাংলার জাতীয় উত্‍সব গুলো যেমন একুশে ফেব্রুয়ারী, ২৬শে মার্চ, ১৫ই আগস্ট, ১৪ ও ১৬ই ডিসেম্বর দিন গুলো পালন করব। কিন্তু সমস্যা সেখানেও।

বাংলা হিন্দুয়ানী ভাষা । আর উর্দূ মুসলমানীর ভাষা! ভাষার জন্য কোন দিবস যদি পালন করতে হয় তাহলে আরবী ভাষার জন্যই পালন করতে হবে।
স্বাধীনতার ঘোষক লইয়া চলে বিতর্ক। ২৬ না ২৭ ? ২৭ তারিখে স্বাধীনতার ঘোষনা করে জিয়া স্বাধীনতার ঘোষক। তাহলে ২৬ মার্চ কি?
জন্মদিন আর মৃত্যু দিবস পালন করা নাকি হারাম। জাতিরজনক জননী সহ তার পরিবারের সবাইকে হত্যার মাধ্যমে যে কলঙ্ক রচিত হয়েছে তা পালন করা নাকি হারাম। আর আস্তিক নেতৃর মিথ্যা জন্মদিনের কেক নিয়া কারাকারি করার মধ্যে আরাম।
ক যামু কই? আমি হিন্দু নই আমি মুসলিম নই, আমি বৌদ্ধ নই আমি খ্রিষ্টান নই। অমি মানুষ আমি বাঙালী আমি বাঙালীর প্রাণে প্রাণ মেলাবোই। তাই যেখানেই বাংলা আর বাঙালীর প্রাণ সেখানেই আমি।

জয় বাংলা আমার ধর্মবাক্য। তাই জোরসে বলো জয় বাংলা
আর সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা।

৪ thoughts on “আমি বাঙালী, প্রাণের উত্‍সবে প্রাণ মেলাবই

  1. ঈদ একেক দেশে একেক দিনে পালন

    ঈদ একেক দেশে একেক দিনে পালন করা হয়। তাই মুসলমানদের সার্বজনিন কোন উত্‍সব নাই।

    প্যাথেটিক!

    ব্রাদার ১৫ আগষ্টকে উৎসবের ক্যাটাগরিতে ফেলেছেন? মনে হয় অসাবধানবশত হবে…।

    1. দুঃখিত এখানে জাতীয় দিবস হবে ।
      দুঃখিত এখানে জাতীয় দিবস হবে । ভুল করে উত্‍সব লেখে ফেলেছি 🙁
      আর ভূলটা ধরে দেয়ায় ধন্যবাদ

  2. উৎসব পালন আবার কি! পালন করলে
    উৎসব পালন আবার কি! পালন করলে ছাগল পালন করুম! লাভ ও আছে, সওয়াব ও আছে! ছাগল পালন ইসলামে হালাল ।

  3. এই বিষয়ক ত্যানা যেই ছাগু
    এই বিষয়ক ত্যানা যেই ছাগু প্যাচাইতে আসবে তারে থাব্রা দিয়া তিনবেলা আজীবন শুকনা রুটি আর খুরমা খেজুর খাওয়ানোর বন্দোবস্ত করে দেওয়া উচিৎ। ছাগলামির একটা সীমা আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *