জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ান।

জামায়াত-শিবির বাংলার স্বাধীনচেতা মানুষের চিরশত্রু।জামায়াত ইসলাম একটি রাজনৈতিক সংগঠন যারা ধর্মকে পুজি করে রাজনীতি করে এবং সর্বদা নিজেদের স্বার্থ হাসিলে প্রচেষ্টা চালায়।বাঙালির স্বাধীনতাযুদ্ধে জামায়াত ইসলামের নেতাকর্মীরা বাঙলার মাটিতে জন্মগ্রহন,বসবাস করেও তারা কাঁধে কাঁধ মেলায় বাঙালির প্রতিপক্ষ যারা চাইতনা বাঙলাদেশ স্বাধীন হোক,যারা চাইতো বাঙলাদেশ আজীবন তাদের গোলাম থাকুক,সেই পাকিস্তানীদের সাথে জামায়াত ইসলাম সম্প্রীতি গড়ে তোলে।বাঙালির স্বাধীনতাকে ব্যাহত করার চেষ্টা চালায়।পাকবাহিনীদের পাশাপাশি তারাও বাঙলার মানুষদের উপর অত্যাচার নির্যাতন চালায়।একাত্তর পরবর্তী সময়ে এবং বর্তমানে তারা দেশের মঙ্গল কাম্য করেনা।স্বাধীন বাংলাদেশে বসবাস করে আজও তারা পরাজিত শক্তিদের সাথে আঁতাত করে তাদের সিদ্ধান্তে কর্মে সম্মতি প্রকাশ করে।জামায়াত ইসলামের ছাত্র সংগঠন হল জামায়াত শিবির এরাও তাদের উত্তরসূরীদের কর্মপন্থা অবলম্বন করে দেশবিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত হচ্ছে।এখন সময় এসেছে ঐক্য গড়ে তুলে বাঙলার মানুষ একাত্তরে যেভাবে পাকসেনাদের পরাজিত করেছিল তেমনি বর্তমান প্রজন্মকে পাকিস্তানীদের দোসর জামায়াত ইসলামীকে পরাজিত করতে হবে।এদেরকে গোড়া থেকে উপড়ে ফেলতে হবে যাতে করে এরা আবার নতুন করে গজাতে না পারে।

৮ thoughts on “জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ান।

  1. ফ্যাসিবাদী ও সন্ত্রাসী যে কোন
    ফ্যাসিবাদী ও সন্ত্রাসী যে কোন রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো দেশবাসীর করতব্য। এজন্য দরকার শুভ শক্তিগুলোর মধ্যে বিরাত একটা জাতীয় ঐক্য।

  2. সন্ত্রাস দমনে সন্ত্রাস
    সন্ত্রাস দমনে সন্ত্রাস প্রয়োজন। জামাত-শিবিরের বিপক্ষে রুখে দাড়াতে হলে তাদের সমকক্ষ হয়ে উঠতে হবে।

  3. @শেহজাদ আমান,ভাই যেহেতু
    @শেহজাদ আমান,ভাই যেহেতু জামাতের বিরুদ্ধে কথা বলেছি এবং বাস্তবিক জীবনেও এদের বয়কট করি এবং আমাদের সমমনা আরো যারা রয়েছে জামাতের বিরুদ্ধে তাদের সবাইকে নিয়েই “আমাদের” উক্তিটি সম্বোধন করেছি।

    1. আপনার সাথে একমত।
      তবে, বয়কটের

      আপনার সাথে একমত।
      তবে, বয়কটের সাথে তাদের সুপথে ফিরিয়ে আনার ব্যাবস্থাও সমাজ-রাস্ট্রে থাকা চাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *