বেপরোয়া ছাত্রলীগের মাথা মুণ্ডন করা হোক

বেপরোয়া ছাত্রলীগের মাথা মুণ্ডন করা হক


বেপরোয়া ছাত্রলীগের মাথা মুণ্ডন করা হক

ছাত্র লীগ , হা ছাত্র লীগ বর্তমানে একটি আলোচিত সংগঠনের নাম। আলোচিত তাঁরা তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য। অথচ এই ছাত্রলীগ হতে উঠে এসেছে বড় বড় নেতা। যারা বর্তমান সরকারের মন্ত্রী ও দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। অথচ এই ছাত্র লীগ তাদের বেপরোয়া কাজের জন্য বর্তমানে খবরের কাগজে। আগে তাঁরা কাগজে খবর হত দেশের বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় ভুমিকা রেখে দেশ গঠনে, সেই ছাত্রলীগ সময়ের বিবর্তনে আজ কাগজের খবরে নেতিবাচক ও দেশ ধ্বংসের কাজে লিপ্ত থেকে। নিজ দলীয় কর্মীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা, পিটিয়ে হত্যাসহ কিছুই বাদ যাচ্ছে না তাদের খবরের নিউজ হতে।
>গত এক সপ্তাহেই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে খুন হয়েছেন দুই ছাত্রলীগ নেতা। পরীক্ষার তারিখ পেছানোকে কেন্দ্র করে নিজ দলের কর্মী সায়াদ ইবনে মোমতাজকে ৩১ মার্চ রুমে ডেকে নিয়ে রড, লাঠি, হকিস্টিক, স্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়ে আহত করে ছাত্রলীগের ক্যাডাররা। আহত সায়াদকে চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে পরদিন তিনি মারা যান। ঘটনার সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরাই জড়িত বলে আহতাবস্থায় সায়াদই তার ভাইকে জানিয়েছিল।সর্বশেষ, গত শুক্রবার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রুস্তম আলী আকন্দ খুন হন।
>চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছে ছাত্রলীগ।
>গত এক মাসে নিজ দলের অভ্যন্তরে ও বিরোধী ছাত্রসংগঠনের সঙ্গে অন্তত ১৫ বার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে তারা। পঙ্গুত্ব বরণ করেছে পাঁচ নেতা-কর্মী।
>গত বছরের ২০ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় তিন ছাত্রীকে মারধর করে ছাত্রলীগ।
> মদের বিল পরিশোধ করা নিয়ে বারকর্মীদের হাতে বেধড়ক পিটুনির শিকার হন সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সভাপতি মেহেদী হাসান। গত ২৯ জানুয়ারি এ ঘটনা ঘটে।
>এ ছাড়া বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ প্রায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করা এ সংগঠনটি ছাত্র রাজনীতি ছাড়িয়ে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্ম কাজে জড়িয়ে পড়েছে।

এই সব অপকর্ম কি বন্ধ হবে? শাস্তি কি পাবে জড়িতরা?
ছাত্র রাজনীতির নামে যা করে চলছে ছাত্রলীগ তা অচিরেই বন্ধ হোক।

৭ thoughts on “বেপরোয়া ছাত্রলীগের মাথা মুণ্ডন করা হোক

  1. ছাত্রলীগের অতীত ইতিহাস ভালোই
    ছাত্রলীগের অতীত ইতিহাস ভালোই বলা চলে। কিন্তু এখন তাদের মধ্যে ঘুনে ধরেছে। চাঁদাবাজি আর অস্রের হুংকারে জিম্মি করেছে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ধারে কাছেও নেই তারা। তবে ঢালাওভাবে তাদের দোষারোপ করা ঠিক হবে না। এখনো অনেকে আছে যারা প্রকৃত আদর্শ ধারণ করে। তবে তাদের সংখ্যা অতি নগণ্য।

    সরকার তাদের নিজেদের স্বার্থে ছাত্রলীগকে লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে ব্যাবহার করছে। এই অবস্থার উত্তরন ঘটলে তবেই ছাত্রলীগ আবার হারানো গৌরব ফিরে পাবে বলে আশাকরি।

  2. গতবার ক্ষমতার শুরুতে
    গতবার ক্ষমতার শুরুতে ছাত্রলীগের কীর্তিকলাপে অতিষ্ঠ হয়ে স্বয়ং তাদের নেত্রী দল থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন। এখন এই ছাত্র সংগঠনটি বাংলাদেশের প্রধান সন্ত্রাসী দল হিসাবে পরিচিত পাচ্ছে। এভাবে চললে অদুর ভবিষ্যতে সন্ত্রাসী ছাত্র সংগঠন হিসাবে গিনিচবুকে নাম লেখাবে। গিনিচবুকে নাম লেখানোর হিড়িক পড়েছে এখন দেশে।

  3. পোষ্ট ভাল্লাগসে ভায়া…
    পোষ্ট ভাল্লাগসে ভায়া… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    বি:দ্র: ছাত্রলীগ/যুবলীগ/আওয়ামীলীগ এর নেতা/কর্মীদের মৃত্যুতে, এবং সেই সাথে জামাত শিবিরের খাঙ্কীর পুতদের তান্ডবের সংবাদে আপনার সোচ্চার কন্ঠ শুনতে চাই। ব্লগ পোষ্ট দাবী করছি। যদিও ছাত্রলীগ/যুবলীগ/আওয়ামীলীগ এর নেতা/কর্মীদের মৃত্যুতে কারো কোন কিছু যেতে আসতে দেখিনা।

    1. যদিও

      যদিও ছাত্রলীগ/যুবলীগ/আওয়ামীলীগ এর নেতা/কর্মীদের মৃত্যুতে কারো কোন কিছু যেতে আসতে দেখিনা।

      :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:
      ভায়া আপনি জানেন না ছাত্রলীগরে “সুশীল” মহল “কুত্তালীগ” ভাবে। ছাত্রলীগ মরেছে ছাত্রলীগের হামলায় এইরকম পোস্টে দেখবেন ছাত্রলীগকে যত বেশি সম্ভব ঐ খুনীর দল হিসেবে প্রমাণ করবে, পুরো কথাবার্তায়। সো এইসব আমলে নিয়ে প্যারা খাওয়ার মানেই হয় না :হাসি: :হাসি: :হাসি:

      1. সমস্যা হলো, যখন ছাত্রলীগের
        সমস্যা হলো, যখন ছাত্রলীগের কোন দোষ গুণ খুঁজে পাওয়া যায় না, তখন তারা অ্যাভারেজ আম জনতা থাকে (অর্থাৎ, বলার মতো কিছুই নাই); যখন ছাত্রলীগের সমালোচনা করে ধুয়ে দেয়া হয়, সেই ছাত্রলীগ কেন ফ্যারেশতা হলো না, সেটাই সবার আপসোসের কারন হয়; আর যখন ছাত্রলীগ মরে, তখন তারা রাস্তার কুকুর বিড়াল হিসেবেই গণ্য হয়।
        এটাই তাদের নিয়তি। ছুশিল দোচার টাইম নাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *