দ্য হিটলার রিটার্ন্স

ঃ আজরাইল! আজরাই!! আজরাইল!!! আজ…. রাই…!!!! ঐ অজের বেটা আজরা!!!!!!
ঃ জ্বী… জ্বী… প্রভু!! ক্ষমা করবেন প্রভু, লেট্ হয়ে গেল!!!
ঃ কোথায় থাকেন আপনি? ইদানিং কাজে বেশ অমনোযোগী হয়ে পড়ছেন কেন?
ঃ বান্দাকে ক্ষমা করবেন প্রভু!
ঃ কেন? কি হয়েছে?
ঃ প্রভু.. আমাকে দিনে তিনবার পৃথিবীতে যেতে হয়।
ঃ সে কি, কেন?
ঃ জ্বী… মানে ভুল ক্ষমা করবেন। আপনার সৃষ্ট বেহেস্তে বা দোজখের কোথাও কাঠাল গাছ নেই যা একমাত্র পৃথিবীতে রয়েছে।
ঃ কাঠাল গাছ!!! এটার কি প্রয়োজন??
ঃ প্রভু.. কিছু ছাগু এসেছে বেহেস্তে। তাদের খাদ্যই কাঠাল পাতা। তারা বেহেস্তের সূরা বা হুরের প্রতি আকর্ষিত নয়।

ঃ আজরাইল! আজরাই!! আজরাইল!!! আজ…. রাই…!!!! ঐ অজের বেটা আজরা!!!!!!
ঃ জ্বী… জ্বী… প্রভু!! ক্ষমা করবেন প্রভু, লেট্ হয়ে গেল!!!
ঃ কোথায় থাকেন আপনি? ইদানিং কাজে বেশ অমনোযোগী হয়ে পড়ছেন কেন?
ঃ বান্দাকে ক্ষমা করবেন প্রভু!
ঃ কেন? কি হয়েছে?
ঃ প্রভু.. আমাকে দিনে তিনবার পৃথিবীতে যেতে হয়।
ঃ সে কি, কেন?
ঃ জ্বী… মানে ভুল ক্ষমা করবেন। আপনার সৃষ্ট বেহেস্তে বা দোজখের কোথাও কাঠাল গাছ নেই যা একমাত্র পৃথিবীতে রয়েছে।
ঃ কাঠাল গাছ!!! এটার কি প্রয়োজন??
ঃ প্রভু.. কিছু ছাগু এসেছে বেহেস্তে। তাদের খাদ্যই কাঠাল পাতা। তারা বেহেস্তের সূরা বা হুরের প্রতি আকর্ষিত নয়।
ঃ খামোস, যে বেহেস্ত আমার মুমিন বান্দাদের জন্য সেটা নিয়ে উপোহাস করার সাহস তুমি পেলে কোথায়??
ঃ শান্ত হোন প্রভু, আগে তো শুনোন!
ঃ কি বলতে বা বুঝাতে চাও?
ঃ প্রভু, ওরা পৃথিবীতে ব্রেন ওয়াস খাওয়া মানুষ।
ঃ ব্রেন ওয়াস!!!! মানে কি????
ঃ বলছি প্রভু… পৃথিবীতে এক নতুন নিয়ম চলছে, সেখানে আপনার নাম ভাঙ্গিয়ে চলছে নানান অরাজকতা। খুন, হত্যা, ধর্ষণ ইত্যাদি ইত্যাদি। যারা এগুলোতে উৎসাহিত করতে আরেকজনকে বাধ্য বা বেহেস্তের সূরা, হুরের প্রলোভন বা ‘বাচলে গাজি মরলে শহীদ” বলে মাথা মোটা করে দেয়, তাকেই ব্রেন ওয়াস বলে।
ঃ তাহলে এই ব্রেন ওয়াস খাওয়া জনতা ছাগু হল কেমনে?
ঃ জ্বী, যারা ব্রেন ওয়াসিত তারা যুক্তির উর্ধে থেকে অভ্যস্ত। এরা যা বলে বা ধর্মীয় যা ফতোয়া দেয় সেটাই মূখ্য এবং সত্য। তার সত্যতা প্রমানের জন্য ছাগলের মত ম্যা ম্যা করতে থাকে সারাক্ষণ। আপনারই ভুলে সৃষ্ট কিছু মানব যারা মুক্তচিন্তার অধিকার অর্জন করেছে তারা এসকল ম্যা ম্যা করার জন্য তাদের ছাগু উপাধি দিয়েছে এবং তাদের খাদ্য স্বরুপ কাঠাল পাতা মানে ধোলাই দিয়েছে এবং দিচ্ছে। যেহেতু তারা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ম্যা ম্যা আর কাঠাল পাতা খেয়ে অভ্যস্ত তাই তাদের সেই চিরকালের অভ্যাসটা বেহেস্তে এসেও রয়ে গেছে।
ঃ বলছো কি তুমি? তাহলে ওরা বেহেস্তে এল কিভাবে?
ঃ প্রভু, পৃথিবীতে তাদের অনেক সাপোর্টারস আছে। তাছাড়া তাদের মাথায় টুপি, মুখে দাড়ি, পড়নে আলখাল্লা ছিল যা সুন্নত। এই ছুন্নতের জোরে তারা আজ এখানে।
ঃ বুঝেছি!!! যাও, জিব্রাইলকে ডেকে আনো!!!!

অতপর জিব্রাইলেরর আগমন। তাকে দেখেই আল্লাহ বলে উঠলেন,

ঃ কি হচ্ছে পৃথিবীতে? তুমি কি আমার বার্তা পৃথিবীতে পৌছে দিচ্ছ না?
ঃ ক্ষমা করবেন প্রভু! সে পথ আপনার প্রেরিত নবী মুহাম্মদ সাহেব বন্ধ করে দিয়েছেন।
ঃ মানে?
ঃ উনি তারর উম্মতদের বলেছেন তিনিই শেষ নবী। তারপরে আর কেউ আসবে না নবী হয়ে পৃথিবীতে। আমি তো নবী ছাড়া কারো কাছে বার্তা নিয়ে যেতে পারি না।
ঃ ওহ্ নো….. আমার নামে এতকিছু পৃথিবীতে ঘটে যাচ্ছে আর আমি জানি না। এখন কি করা যায়, জিব্রাইল?
ঃ প্রভু, আপনাকে পৃথিবীর যে দেশগুলোতে পচানো হচ্ছে তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। আমাদের যা করার তা বাংলাদেশ থেকেই করতে হবে।
ঃ কি করবো, মাথায় কিছু আসছে না।
ঃ প্রভু, অভয় দিলে আমি একটা সলিউসন দিতে পারি।
ঃ বল…
ঃ আপনার মনে আছে, পৃথিবীর সেই হিটলারের কথা?
ঃ হ্যা, কেন?
ঃ প্রভু, উনি পৃথিবীতে যতটানা দাপটে ছিলেন, দোজখে এসে তার মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। শুনলাম, সে নাকি আজরাইলের ওয়াইফের সাথে চক্কর চালাচ্ছে। যদি অভয় দেন তো তার রুহু বাংলাদেশে পাঠাতে পারি।
ঃ মানে? কি হবে?
ঃ পৃথিবীর দাপট এবং দোজখের দাপট মাত্রাতীত। সে আবারও পৃথিবীতে গেলে দাপট নম্বর ওয়ান হবে। ছাগুদের সেইরকম ধোলাই আর তাদের বেহায়াপনা তাদের পিছনের ছিদ্র দিয়ে ঢুকায় দিতে পারবে। সংখ্যালঘুর পক্ষে এবং সত্য প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে নিজেকে স্থাপন করতে পারবে। যেমনটা করেছিল আপনারই সৃষ্ট নবী মুহাম্মদ। আমার বিশ্বাস উনি মুহাম্মদকেউ ছাড়িয়ে যাবেন।
ঃ তবে তাই করো, হিটলারকে পাঠাও পৃথিবীতে। নতুন রুপে নতুন ধাপে।

প্রথমে অর্ধ জ্বালাময়ি পোস্ট দিয়ে শুরু করলাম। নব্য হিটলার আমি, কিছু ভুল লেখায় আছে। বয়সের সাথে সাথে সেগুলাও সুধরে নেব।

৭ thoughts on “দ্য হিটলার রিটার্ন্স

  1. ব্লগে আপনাকে স্বাগতম।
    ব্লগে আপনাকে স্বাগতম। মুক্তিবুদ্ধি চর্চায় আশাকরি আপনি ভাল ভুমিকা রাখবেন। তবে অনুরোধ রইল- নাস্তিক্যবাদ প্রচারের নামে উগ্রতা করবেন না। অনেক গঠনশীল ও সুন্দর স্যাটায়ার দিয়েও মন্দের সমালোচনা করা যায়। ধর্মীয় অসঙ্গতি তুলে ধরা যায়। পৃথিবীর কোন দর্শনই উগ্রতা দিয়ে বাস্তবায়ন করা যায় নাই। বুদ্ধিভিত্তিক চর্চার মাধ্যমে দর্শন প্রতিষ্ঠিত করতে হয়। তাছাড়া ‘৫৭’ ধারার ফাঁদে পা দেওয়াটা এই মহুর্তে বোকামী। সরকার ও তার সহযোগীরা ফাদ পেতে রেখেছে, সেই ফাঁদে তারা পড়ার অপেক্ষা করাই শ্রেয়।

    1. বুঝতে পারছি ভাইয়া। মাঝে মাঝে
      বুঝতে পারছি ভাইয়া। মাঝে মাঝে আবেগ গুলোকে বেঁধে রাখতে পারিনা। অনুপ্রেরনা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। কথাগুলো মাথায় রাখবো।

      1. মন্তব্যটা পজিটিভলি নেওয়ার
        মন্তব্যটা পজিটিভলি নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
        আমাদেরকে প্রাণে প্রাণ মিলাতেই হবে…..!!!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *