উইকিপিডিয়ার তথ্য ফাঁস

বান্দরদের উইকিপিডিয়ায় মানুষ সম্পর্কে অনেক কিছুই লেখা রয়েছে। তার সার সংক্ষেপটি সবাইকে জানানো দরকার।

মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম HOMO SAPIENS। এরা সমাজবদ্ধ জীব।
বিশিষ্ট শাখামৃগ BALS BANDORWIN এর বিবর্তনবাদ অনুযায়ী, মানুষ থেকেই বানরের উত্পত্তি (আফসোস, মানুষ আমাদের পূর্বপুরুষ)।

আমাদের মধ্যে যেমন গরিলা, ওরাং ওটাং, শিম্পাঞ্জি সহ আরো নানান ধরনের প্রজাতি রয়েছে, মানুষদের মধ্যেও তেমনটি লক্ষ্যনীয়। তাদের মধ্যে আছে, কালা-কুলা, ধোপ, লম্বা-বাইট্টা, ককেশীয়, মঙ্গোলীয়, ইত্যাদি-ইত্যাদি-ইত্যাদি।


বান্দরদের উইকিপিডিয়ায় মানুষ সম্পর্কে অনেক কিছুই লেখা রয়েছে। তার সার সংক্ষেপটি সবাইকে জানানো দরকার।

মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম HOMO SAPIENS। এরা সমাজবদ্ধ জীব।
বিশিষ্ট শাখামৃগ BALS BANDORWIN এর বিবর্তনবাদ অনুযায়ী, মানুষ থেকেই বানরের উত্পত্তি (আফসোস, মানুষ আমাদের পূর্বপুরুষ)।

আমাদের মধ্যে যেমন গরিলা, ওরাং ওটাং, শিম্পাঞ্জি সহ আরো নানান ধরনের প্রজাতি রয়েছে, মানুষদের মধ্যেও তেমনটি লক্ষ্যনীয়। তাদের মধ্যে আছে, কালা-কুলা, ধোপ, লম্বা-বাইট্টা, ককেশীয়, মঙ্গোলীয়, ইত্যাদি-ইত্যাদি-ইত্যাদি।

মানুষ সর্বভুক প্রাণী, তারা সবই খায়। পৃথিবীতে তারাই একমাত্র প্রাণী, যারা স্ব-জাতির মাংস ভক্ষণে বিশেষ ভাবে পারদর্শী।

আমরা খাদ্যের সন্ধানে শুধু বন-জঙ্গলেই ঘুরে বেড়াই, আর তারা সর্বত্রই। পৃথিবীর হেন কোন জায়গা নেই, যেখানে মানুষের নিষ্ঠুর থাবা পড়েনি।
এখানেই শেষ নয়। গত কয়েক দশক ধরে তারা পৃথিবীর বাইরেও হাত বাড়িয়েছে।

তারা জীবনের বৃহৎ একটি সময় ব্যয় করে, বিপরীত লিঙ্গের চিন্তায় মগ্ন থেকে।

পৃথিবীর নানান প্রান্তের মানুষদের মধ্যে ভাষাগত পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়, যে বিড়ম্বনা থেকে আমরা সম্পূর্ণরূপে মুক্ত।

তারা পোষাক নামক একধরনের আবরণ দিয়ে নিজেদেরকে আবৃত করে রাখে। তবে তাদের মধ্যে কিছু কিছু মানুষ রয়েছে, যারা আমাদের মতই উলঙ্গ থাকতে পছন্দ করে।

মানুষদের মধ্যে অনেকেই আবার আমাদেরকে পুষে থাকে। তাদের কেউ কেউ রাস্তা-ঘাটে ডুগডুগি বাজিয়ে খেলা দেখিয়ে আমাদেরকে দিয়ে টাকা কামায়। আর কেউ কেউ ‘গণা গণা গণা, বান্দরের গণা… বান্দরের গণা…’ বলে বলে ধান্ধা করে।

সম্প্রতি আমাদের দেহে যে সব মারাত্মক রোগের জীবাণুর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তা মনুষ্য কর্তৃক সংক্রমিত বলেই ধারণা করা হচ্ছে। কারণ, তাদের অনেকের মধ্যেই জোয়ান-বুড়া, শিশু-পশু কোন ধরনের বাছ-বিচার নেই।

তারা ভাবে আমরা বোকা, কিন্তু আসলে তারাই বোকা।
আজ পর্যন্ত আমাদের সমাজে বড় কোন দুর্ঘটনার কথা কোন বানর কি কখনো শুনেছে? শোনে নি।
আর মানুষদের ক্ষেত্রে?
প্রতিটি দিনই পৃথিবীর কোথাও না কোথাও কোন না কোন দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে প্রতিনিয়ত। এগুলোকে অবশ্য দুর্ঘটনা না বলে ঘটনা বলাটাই ঠিক হবে। কারণ, সবই তাদের সৃষ্ট। তারা নিজেদের সুবিধার জন্য এ পর্যন্ত যা যা সৃষ্টি করেছে, তার প্রায় বেশীর ভাগই তাদের জন্য অভিশাপ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

স্ব-স্ব সুবিধা ভোগের জন্য মানুষে মানুষে পারষ্পরিক যে দ্বন্দ্ব, তা-ই একদিন মনুষ্য জাতি ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
তারাই বলে, ‘দাও ফিরিয়ে সে অরণ্য, লও এ নগর’। আবার তারাই কিনা সবখানে গাছপালা বিনাশ করে, নগরায়ন করে চলেছে ক্রমাগত।

শক্তিমান ডাইনোসরের মত বুদ্ধুমান মানুষও ধ্বংস হয়ে যাবে একদিন।
আমরা বানরেরা সেই দিনের অপেক্ষায় থাকব আজীবন।

বানবা স-স, দীঘজী হ-হ।
বানর সমাজ দীর্ঘজীবি হোক।

৬ thoughts on “উইকিপিডিয়ার তথ্য ফাঁস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *