চশমাওয়ালী-পর্ব এক

– এই শোন একটু
ঐদিকে দেখ !
– ঐ দিকে কি দেখতাম ?
– আরে দেখ না !

ঐখানে এত্তগুলা ইউক্যালিপ্টাস
গাছ,একটা বেঞ্চ আর
একটা বিল্ডিং দেখতে পাইতেছি।
আর কিছু?
– আরে ধ্যাত ! ঐ মেয়েটা দেখ



– এই শোন একটু
ঐদিকে দেখ !
– ঐ দিকে কি দেখতাম ?
– আরে দেখ না !

ঐখানে এত্তগুলা ইউক্যালিপ্টাস
গাছ,একটা বেঞ্চ আর
একটা বিল্ডিং দেখতে পাইতেছি।
আর কিছু?
– আরে ধ্যাত ! ঐ মেয়েটা দেখ

– কুনটা?
– ঐ যে নীল
না জানি বেগুনী জামা ।
– অ।কি হৈছে?ঐটা তোর
বোন?
– তোরে আমি খাইছি !
ঐমেয়েটাকে ভালোলাগে।
প্রপোজ করব কিন্তু সাহস
করতে পারছিনা।তুই একটু
হেল্প কর না ! একটু
গিয়ে আমার ব্যাপারে কথা বল।
– শিয়ালের কাছে মুরগী রাখার
কথা ভাবতেছিস?
– মানে ?
– আরে গাধা আমি ওর
কাছে গেলে নিজের জন্য
প্রপোজ করব ।
মেয়েরে রাজিও করে ফেলব ।
তখন তুই পুরা আউট ! তুই
কি তাই চাস?
রনি ড্যাবড্যাব করে চেয়ে রইল
। আমি একটা বেনসন
ধরিয়ে টানতে টানতে চলে এলাম
।ওকে খামোখাই ভয়
দেখালাম।ঐ
মেয়েকে পটিয়ে প্রেম করার
কোন ইচ্ছাই আমার নেই।
প্রেম করতে পকেট
ভারী থাকা লাগে।আমার পকেট
খালি।নিজের খরচ
নিজে ঠিকমতো যোগাতে পারি না আবার
প্রেম ! গরীবের প্রেম
বিলাসিতা। ও যেই
মেয়েটাকে দেখিয়েছিল
দেখতে বেশ সুন্দর।ঐ
মেয়ে কোন বড়লোকের
ঘরে যাবে।আমার
মতো চালচুলোহীনের
কাছে আসবে কেন?
ভার্সিটির দিনগুলো কেমন
যেন একঘেয়ে।আসলে শুধু
ভার্সিটির দিনগুলোর
কথা কি বলব?আমার
জীবনটাই একঘেয়ে ।
ভাবছি আর বেনসন টানছি।
– এইযে এক্সকিউজ মি !
অপরিচিত কন্ঠের আওয়াজ।
ফিরে তাকালাম।দেখি এক
ভয়ংকর টাইপের
সুন্দরী আতেল দাড়িয়ে আছে।
আতেল বলছি কারণ
মেয়েটা চশমা পড়া,হাতে একগাদা মোটা মোটা বই।
– একটু হেল্প করবেন প্লীজ ?
আমার কাছে কেউ হেল্প
চাইছে এটা বেশ অনাকাঙ্খিত।
না পারতে আমার কাছে কেউ
ঘেষে না।তার কারণ
লোকে বলে আমি দেখতে গুন্ডার
মতো ।গুন্ডাদের সবাই ভয়
পায়,আর মেয়েরা তো চরম ভয়
পায়।এই মেয়ের কি ভয়ডর
বলে কিছু নেই?
– আপনি কি কালা?
– জ্বী?
– আপনি কালা?কানে শোনেন
না?
– জ্বী শুনি।
– তবে এভাবে ড্যাবড্যাব
করে চেয়ে আছেন কেন?হেল্প
করেন ।
মেয়েটাকে বইগুলো ক্লাশরুম
পর্যন্ত নিয়ে যেতে সাহায্য
করলাম । চেহারাটা বেশ
পরিচিত।আরে হ্যা এ তো সেই
মেয়েটা যাকে রনি পছন্দ
করেছিল ।
মেয়েটার বইগুলো ডেস্কের
উপর রেখে গটগট
করে হেটে চলে এলাম ।ধন্যবাদ
দেবার সুযোগটাও দিলাম না।
মেয়েটা অসম্ভব সুন্দর।
বেশিক্ষণ
আশেপাশে থাকলে প্রেমে পড়ে যাবো।
আর সেটা খুব খারাপ হবে ।
কারণ আমার টাকাপয়সা নেই।
আর
টাকাপয়সা না থাকলে প্রেমে পড়া ঘোরতর
অন্যায়।……(চলবে)

৩ thoughts on “চশমাওয়ালী-পর্ব এক

  1. আচ্ছা প্রথমে বলুন এটা পদ্য না
    আচ্ছা প্রথমে বলুন এটা পদ্য না গদ্য? আগে সেটা বুঝি পড়ে পড়বো :কনফিউজড: :কনফিউজড: :কনফিউজড:

  2. টাকাপয়সা না থাকলে প্রেমে পড়া

    টাকাপয়সা না থাকলে প্রেমে পড়া ঘোরতর
    অন্যায়।

    একমত! ভালোবাসায় সাফল্য টাকার জোরের সমানুপাতিক।

    ভালো কইরা ভালবাসতে মেয়েদের লাগে চেহারা, ফিগার এসব, আর ছেলেদের লাগে টাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *