আইসিটি আইন ২০০৬ এবং তার সংশোধনীঃ কালো আইনে রূপান্তর

সম্প্রতি বাংলাদেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ নং ধারাটি সংসধন করা হয়েছে। বিগত জোট সরকারের আমলে ২০০৬ সালের অক্টোবর মাসে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন নামে একটি আইন প্রণয়ন করেছিল, যেই আইনের একটি ধারা ছিল যা অত্যন্ত হাস্যকর এবং সেইটা হচ্ছে ৫৭ নং ধারা। বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার সেই ৫৭নং ধারাটিকেই সংশোধন করে আরও হাস্যকর এবং জটিল করে তুলেছে।


সম্প্রতি বাংলাদেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ নং ধারাটি সংসধন করা হয়েছে। বিগত জোট সরকারের আমলে ২০০৬ সালের অক্টোবর মাসে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন নামে একটি আইন প্রণয়ন করেছিল, যেই আইনের একটি ধারা ছিল যা অত্যন্ত হাস্যকর এবং সেইটা হচ্ছে ৫৭ নং ধারা। বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার সেই ৫৭নং ধারাটিকেই সংশোধন করে আরও হাস্যকর এবং জটিল করে তুলেছে।

ফেসবুক, ব্লগ অথবা অনলাইন পত্রিকার নামে যা কিছু লিখে বা ছাপিয়ে দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করাই যাদের উদ্দেশ্য, তাদের নিয়ন্ত্রন করতে অথবা শাস্তি প্রদান করতে একটি কার্যকরী এবং যুগোপযোগী আইনের প্রয়োজন। কিন্তু তথ্য ও প্রযুক্তি আইনের ৫৭নং ধারায় অপরাধের ব্যাখ্যা এই অপরাধের বিরুদ্ধে কোন কার্যকরী ব্যবস্থা নয়। অনলাইন অপরাধের জন্য প্রয়োজন তথ্য প্রযুক্তির উপর প্রশিক্ষণ এবং অবকাঠামোর সামর্থ্য বৃদ্ধি। তা না করে একটি পঙ্গু আইনের মাধ্যমে মুক্ত চিন্তা এবং প্রগতিশীলতার মুখ বন্ধ করার দুরভিসন্ধি চলছে এই কাল আইনের মাধ্যমে।

আসুন দেখি আইসিটি আইনের ৫৭ (১) ধারায় কি বলা আছে,

” কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত ভাবে ওয়েবসাইটে বা অন্য কোন ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রচার বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা বা অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হইতে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন অথবা যাহার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানি প্রদান করা হয়, তাহা হইলে তাহার এই কাজ হইবে অপরাধ।”

একটি জাতীয় আইনে এরকম অস্পষ্ট অপরাধের সংজ্ঞার ফলে বহু মানুষ ফেঁসে যেতে পারেন মুহূর্তের মধ্যেই। উপরোক্ত ধারায় কোন দিক থেকেই বলা নাই যে কি কি কারণে, কোন কোন সময়, কার কাদের বিরুদ্ধে কি কি কর্মকাণ্ডের ফলে আইসিটি আইনে অপরাধ বলে গণ্য হবে। সমালোচনার মাদ্ধমেই যে কোন বিষয় খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠে। অথচ আপনি বুঝতেই পারবেন না যে কিভাবে আপনি সমালোচনা করবেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, ধর্মীয় উন্মাদনা, ব্যক্তিগত কলহ যে কোন বিষয়কে মানহানির পর্যায়ে ফেলে হয়রানি করা সম্ভব। মুক্তমনা বা বিজ্ঞান মনস্ক কোন ব্যক্তি প্রথাগত চিন্তা ভাবনা ছেড়ে কোন কিছু লিখলে আদিম, উন্মাদ ব্যক্তিদের মানহানি ঘটবেই এটা স্বাভাবিক। সরকার সেই উন্মাদ ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রন না করে যেন এই আইনের মাধ্যমে অনলাইন ইউজার বা ব্লগারদের বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করল। আধুনিক কালে রাষ্ট্র যন্ত্রের সমালোচনার জন্য বা পারস্পরিক ভাব বিনিময়ের জন্য ফেইসবুক, ব্লগ, টুইটার বা অনলাইন পত্রিকা খুবই জনপ্রিয়। কিন্তু আপনি সেই সমালোচনা করতে পারবেন না। পাছে রাষ্ট্র যন্ত্রের ক্ষতি সাধিত হয়। যে কোন লেখা বা মত প্রথার বাহিরে গেলেই আপনাকে অভিযুক্ত করা সম্ভব।

এবার দেখি এই ধরনের অস্পষ্ট আইনের লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া যাবেঃ

১। আইসিটি আইন ২০০৬ এর লঙ্ঘন কারীর বিরুদ্ধে পুলিশ সরাসরি ব্যবস্থা নিতে পারবে। এক্ষেত্রে কোন ধরনের আদালত হতে কোন প্রকার ওয়ারেন্ট বা অনুমতি লাগবে না।
২। সন্দেহের বশবর্তী হয়ে পুলিশ আমলযোগ্য যে কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারে।
৩। যতক্ষণ অনুসন্ধান, পরীক্ষা নিরীক্ষা, প্রমাণাদি যোগাড় করতে থাকবে পুলিশ, ততক্ষন দায়ি ব্যক্তিকে আটকে রাখার ক্ষমতা পুলিশের হাতেই থাকবে।
৪। কোন অপরাধ আমলযোগ্য কিনা তা আদালতের পরিবর্তে পুলিশ নির্ধারণ করতে পারবে।
৫। এই অপরাধের দায়ে আটককৃত ব্যক্তি কোন জামিন পাবেন না।

পদক্ষেপ গুলাতে পুলিশকে পুরোপুরি “ওয়ান ম্যান শো” হিসেবে দেখান হয়েছে। আপনি অপরাধ করার আগ পর্যন্ত জানতেও পারবেন না যে আপনি কি ধরনের অপরাধ করেছেন এবং পুলিশ যখন আপনাকে গ্রেফতার করবে, আপনি যদি মনে করেন অপরাধ আমলে নেওয়ার দায় দায়িত্ব পুলিশের নেই, সেটাও আপনি করতে পারবেন না। বাংলাদেশের যে কোন আদালতে একটি মামলার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হতে অনেক দিন লেগে যায়। কোন কোন ক্ষেত্রে বছর গড়িয়ে যায়। ঠিক ততদিন পর্যন্ত আপনাকে জেলে বন্দী থাকতে হবে। বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবার পরও জেলেই থাকতে হবে, কতদিন সেটা বিচারকরাই ভাল বলতে পারবেন। কারণ আপনি কোন ধরনের জামিন পাবেন না। কেউ যদি মিথ্যা তথ্যের মাধ্যমে আপনাকে ফাঁসিয়ে দেয়, সে ক্ষেত্রেও আপনার কিছু করার থাকবে না। কারণ অপরাধ আমলে নেওয়ার যোগ্যতা কেবল পুলিশেরই আছে।

আসুন দেখি আটক কৃত ব্যক্তির কি কি শাস্তি হতে পারেঃ

১। ন্যূনতম ৭ বছরের জেল এবং সর্বাধিক ১৪ বছরের জেল।
২। অনধিক ১ কোটি টাকা জরিমানা।

আইসিটি আইনের লঙ্ঘনের মত শাস্তি বোধয় লঘু পাপে গুরু দণ্ডের মত। কারণ অপরাধের আইনে কোথাও অপরাধের মাত্রা সম্পর্কে উল্লেখ করা নাই। আপনি যাই করেন না কেন আপনাকে ৭ বছর জেল খাটতেই হবে। আপনি কোন দাঙ্গা বা গোলমালে সরাসরি যোগ দিলে আপনার শাস্তি হবে ২ বছর জেল এবং হত্যা করার উদ্দেশে বের হলে আপনার জেল হবে ৩ বছর। অথচ আইসিটি আইনে আপনাকে বিনা জামিনে আটকে থাকতে হবে ৭ বছর। ভেবে দেখুন, মানুষের মুক্ত চিন্তাকে কিভাবে অবমাননা করা হয়েছে। পুলিশকে সর্বাধিক ক্ষমতা দানের মাধ্যমে আদালতের কার্যকারিতা অনেকাংশে খর্ব করা হয়েছে যা একটি গণতান্ত্রিক দেশে মোটেও কাম্য নয়।

তথ্য অধিকার আইন ২০০৭ মতে, বাকস্বাধীনতা যে কোন বাংলাদেশি নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে গণ্য হয়। সেখানে ৫৭(১) ধারা সংশোধন করে নাগরিকের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা কোন গণতান্ত্রিক সরকার করতে পারে বলে মনে হয় না। জাতিগত দাঙ্গা, রাষ্ট্রদ্রোহি কোন ব্যাখ্যা, অথবা কোন অযাচিত হুমকির বিরুদ্ধে এইরকম আইনের প্রয়োজন আছে কিন্তু ৫৭(১) ধারায় অপরাধের কোন সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা না থাকায় নিরীহ অথবা প্রগতিশীল জনগনের হয়রানি হবার সম্ভাবনা অধিকাংশে বেড়ে যায়।

আমাদের দেশের সরকার ব্যবস্থার অভ্যন্তরে যারা আছেন, তাদের মধ্যে কতজন ঠিকভাবে অনলাইন দুনিয়া সম্পর্কে খুব ভালভাবে জানেন, আমি জানি না। তবে অধিকাংশ সদস্য বাংলাদেশের নাগরিকদের স্বাধীন মতপ্রকাশে বাধা প্রদান করতে খুবই আগ্রহী তা তাদের নীরবতা দেখেই বোঝা গেল।

আইসিটি ২০০৬ আইন সংশোধনের ফলে মুক্ত চিন্তা এবং প্রগতিশীলতার পথে বাংলাদেশ এক ধাপ পিছিয়ে গেল তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আমাদের সবার প্রত্যাশা, সরকার আইসিটি আইনের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করবে এবং ৫৭(১) ধারার সংশোধনী বাতিল করে বাঙালি জনগনের বাক স্বাধীনতার মৌলিক অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত করবে।

১৫ thoughts on “আইসিটি আইন ২০০৬ এবং তার সংশোধনীঃ কালো আইনে রূপান্তর

    1. তা ঠিক। তবে “তথ্য ও যোগাযোগ
      তা ঠিক। তবে “তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন”টা আসলেই একটু গোলমেলে…

      সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে- আর সকল আইনের মত এই আইনটাতেও ক্ষমতাশালী ও দলীয় লোকেরা বরাবরের মত পার পেয়ে যাবে আর যত ভোগান্তি পোহাতে হবে নিরীহ প্রগতিশীলদের! নইলে ২০০৬-০৭ এ পাশ হওয়া আইনের ফাঁক ফোঁকর গলে তো ঠিকই প্রথম আলো- যুগান্তর গং রা প্রতি নিয়ত মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। আরো কত স্থানীয় বা অনলাইন পত্রিকা ইচ্ছা মত নিউজ পয়দা করছে… কই সরকারকে তো কোন ব্যবস্থা নিতে দেখি না সেগুলোর প্রতি!
      এমনকি কোটি টাকার মানহানী মামলা করেও দমন করা যায়নি তাদের মিথ্যাচার!
      তাহলে লাভটা কী হল?

    2. শাহীন ভাই, আমি কিন্তু জানামতে
      শাহীন ভাই, আমি কিন্তু জানামতে এখনো তেমন কোনো গুরুতর অপরাধ করিনি। কিন্তু তাও এটাকে কালো আইন মনে হচ্ছে। এক্ষেত্রে আপনার ব্যাখ্যা কি হবে?

      1. এই আইন অনুসারে সম্ভবতঃ আমাদের
        এই আইন অনুসারে সম্ভবতঃ আমাদের অনলাইনে সত্য কথা বলাটাই অপরাধ!
        কাজেই আমরা সবাই-ই অপরাধী!

  1. এই লিখাটা অনেক দিন আগের ।এই
    এই লিখাটা অনেক দিন আগের ।এই পোস্টে প্রথম মন্তব্যটি হচ্ছে আমার এবং আমাকে লক্ষ্য করে গুরুত্বপূর্ণ যে প্রশ্নটি করেছেন তিনি হচ্ছেন বর্তমানে জেলে বন্দী আমার সহব্লগার, বন্ধু কাজী রায়হান রাহী(ইলেকট্রন) ।
    সেদিন আলসেমি করে তার জবাবটা দেইনি ।আজ যে জবাব দেব সে সাহস ও ভাষা আমার জানা নেই ।
    বিধাতার কি অপরুপ লীলা যে, ইলেকট্রনের এই প্রশ্নটি আজ বাস্তব হয়ে গেছে! আর আমাকেও ঘুরেফিরে এই পোস্টে এসে মন্তব্য করতে হচ্ছে!
    আজ আমি নিজেকেও নিজে প্রশ্ন করছি, আসলেই সে কি গুরুতর কোন অপরাধী?

    এই আইনটা যখন পাশ হয় তখন পরিস্থিতি বিবেচনায় আমার মত অনেকেই এর পক্ষে ছিলেন ।ভেবেছিলাম অনলাইনে ছাগুদের মিথ্যাচার আর প্রপাগান্ডা রোধে এই আইন বিশেষ ভুমিকা রাখতে পারে ।কিন্তু হায়! বুমেরাং হয়ে এই আইন উল্টো আমাদের পোন্দেই বাঁশ ঢুকালো!

    আমি লজ্জিত ইলেকট্রন, ভীষণ লজ্জিত ।

    1. বুমেরাং হয়ে নয়, সরকার
      বুমেরাং হয়ে নয়, সরকার জামায়াতের সাথে পরিকল্পিতভাবে আতাত করে ৫৭ ধারার অপপ্রয়োগ ঘটাচ্ছে। আজকে ছাত্রলীগ গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীদের উপর নির্লজ্জ্ব হামলা চালিয়েছে। সব কিছুই পরিকল্পিত। সরকার এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে রিভার্স খেলছে। এই ভুলের খেসারত সরকারকে দিতে হবে। তখন আপসুস করেও লাভ হবেনা।

      ৫৭ ধারাকে প্রথম থেকেই আমরা কালো আইন বলেছি। এখনো বলছি। কিন্তু আপনাদের সমর্থন দেখে বিনোদিত হয়েছি।

      1. হ্যা, ইদানিং সরকারের অনেক
        হ্যা, ইদানিং সরকারের অনেক কর্মকান্ডই রহস্যের জন্ম দিচ্ছে ।তবে আশার কথা হচ্ছে ইসলামি ব্যাংক ইস্যু, রাজাকার ইস্যু, ৫৭ ধারা ইস্যুতে লীগপন্থি অনেক অনলাইন যোদ্ধা ইতিমধ্যে সরকারের বিপক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেছেন ।

      2. যুদ্ধপরাধীদের ফাঁসির বিচারের
        যুদ্ধপরাধীদের ফাঁসির বিচারের দাবিতে যেই গনজাগরন মঞ্চ গঠিত হয়েছিল সেই গনজাগরন মঞ্চের কারযকারিতা আওয়ামী লীগের কাছে বোধহয় এখন আর নাই। এই গনজাগরন মঞ্চ ছাড়াই এখন আওয়ামী লীগ সরকার টিকে থাকতে পারবে।

        তাইলে কেনই বা এই আওয়ামী লীগ সরকার এখনও মঞ্চকে সাপোর্ট দিয়ে যাবে ?

    2. শাহিন ভাই,
      আপনি নির্মোহ

      শাহিন ভাই,
      আপনি নির্মোহ ব্যক্তি নন সে আপনি নিজেই স্বীকার করেন মাঝে মধ্যে । অন্ধ, দলকানা, শব্দগুলো এই কারণে প্রয়োগ করি । একজন বিবেচক মানুষ যে আসলে তার নিজের দলের মঙ্গল চায় তার উচিৎ প্রথমে তারই ভুল ধরতে এগিয়ে আসা । হ্যাঁ আসা উচিৎ দলের ভালো চান বলেই । কথায় আছে , ‘ সময়ের একফোড় অসময়ের দশ ফোড় ‘।

      আজ আপনি আপনারা বিচলিত হচ্ছেন, কিন্তু প্রথম থেকেই যদি সোচ্চার হতেন তাহলে হয়তো এই খারাপ আইনটি আমাদের কাঁধে এসে চাপতে পারতো না ।

      আর আজকে শাহাবাগে গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীদের উপর আক্রমণে এটা স্পষ্ট হলো সরকার নিজেই চায় না ৫৭ ধারা বিরোধী কোন মুভমেন্ট হোক । না, এটা হাইপথিসিস না – রাহী – উল্লাসদের নিয়ে যারা অফলাইনে মুভমেন্ট কল করেছিলো বেছে বেছে তাদের মারা হয়েছে, তাদের শরীরে গরম পানি ঢেলে দেয়া হয়েছে । ষড়যন্ত্র শুরু হয়ে গেছে শাহিন ভাই । চোখ – কান খোলা রাখলেই বুঝতে পারবেন ।

      1. খবরটা দেখেই ফেসবুকে আমি আমার
        খবরটা দেখেই ফেসবুকে আমি আমার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছি, আপনি দেখলেও দেখতে পারেন ।
        মজার খবর হচ্ছে, যারা এই ঘটনাটা ঘটিয়েছে তারাই অস্বীকার করে এখন উল্টা ম্যা ম্যা করতেছে ।
        এই ধরণের একটি ঘটনা ঘটবে তা আগেই অনুমান করতে পেরেছিলাম ।যাইহোক, এতে ভালোই হয়েছে! তাদের কর্মে খুশি হয়ে শেখ হাসিনা উনার গুণধরদের এবার একটু বেশি করে আদর করবেন আশাকরি!

  2. এই কালো আইনের কবলে আজকে যারা
    এই কালো আইনের কবলে আজকে যারা সরকারে আছে তারাই পড়বে। আইন করে বাক-স্বাধীনতা কখনই বন্ধ করা যায় নাই এবং বন্ধ করতে পারবেও না। অবিলম্বে ৫৭ ধারার বিলুপ্তি দাবী করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *