ইতিহাস এখনো অনেক অজানা

প্রথমদিকে কোন তীর্থযাত্রী নিখোজ
হলে ব্রিটিশ
শাষকরা এটাকে বিচ্ছিন্ন
ঘটনা বলে মনে করত কিন্তু যখন
আস্তে আস্তে ব্রিটিশরাও নিখোজ
হওয়া শুরু করল তখন গর্ভনর জেনারেল লর্ড
বেন্টিক জানতে পাড়েন
এটাতে একটি ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের হাত
রয়েছে। তখন তিনি ঠগীদের নির্মূল
করতে ১৮৩০-এর সালে ভারতের প্রশাসক
উইলিয়াম



প্রথমদিকে কোন তীর্থযাত্রী নিখোজ
হলে ব্রিটিশ
শাষকরা এটাকে বিচ্ছিন্ন
ঘটনা বলে মনে করত কিন্তু যখন
আস্তে আস্তে ব্রিটিশরাও নিখোজ
হওয়া শুরু করল তখন গর্ভনর জেনারেল লর্ড
বেন্টিক জানতে পাড়েন
এটাতে একটি ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের হাত
রয়েছে। তখন তিনি ঠগীদের নির্মূল
করতে ১৮৩০-এর সালে ভারতের প্রশাসক
উইলিয়াম
হেনরি শ্লীম্যানকে নির্দেশ দেন।
ঠগির পরিচয় :
# প্রতিষ্ঠা
১৩৫৬ সালের পূর্বে
# নামকরন
সংস্কৃত ঠগ (অর্থ- ঠক বা প্রতারক বা ধূর্ত
বা প্রবঞ্চক) শব্দ থেকে এসেছে।
# প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল
ভারতীয় উপমহাদেশ
# সক্রিয়
~৪৫০ বছর
# বিচরন
ভারতীয় উপমহাদেশ
# জাতি
ভারতীয়
# সন্ত্রাসী কর্মকান্ড
খুন, ডাকাতি
ঠগিরা সাধারণত দলগতভাবে ব্যবসায়ী,
তীর্থযাত্রীর কিংবা সৈন্যের
ছদ্মবেশে ভ্রমণ করত এবং পথিমধ্যে অন্য
তীর্থযাত্রীদের সাথে ভাল ব্যবহার
করত ও তাদের সাথে মিশে যেত।
তারপর তারা হঠাৎ করেই কোন
যাত্রাবিরতীতে ভ্রমনকারীদেরকে গল
ায় হলুদ রং এর কাপড়
পেচিয়ে হত্যা করত। মৃতদেহ
গুলোকে তারা হিন্দু দেবী কালী র
নামে উৎসর্গ করত। [১] হত্যার পর
মৃতদেহগুলোকে একসাথে হাড়
ভেঙ্গে কবর দিয়ে রাখত যাতে পচন
প্রক্রিয়াটি ত্বরানিত হয় এবং তাদের
মুল্যবান ধনরত্ন লুট করত।
হেনরি ঠগিদের নির্মুল করতে গুপ্তচর
নিয়োগ করেন যাতে তাদের
গতিবিধি সম্পর্কে আগেই আচ করা যায়।
১৮৩০ সাল থেকে ১৮৪১ সাল পর্যন্ত
তিনি প্রায় ৩৭০০ ঠগিকে ধরতে সমর্থ হন।
১৯৪০ সালের দিকে প্রায় ৫০০ ঠগির
ফাঁসি দেওয়ার পর ঠগিদের
সংখ্যা কমে আসে। এখনো ভারতের
রাজস্থানে ঠগিদের বংশধরদের
দেখা য়ায় কিন্তু তারা স্বাভাবিক
জীবন যাপন করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *