৫৭ ধারা, রাহীর গ্রেফতার, একটি পোস্টমর্টেম

এইমাত্র ফেসবুকে ইস্টিশনের পেইজ থেকে জানতে পারলাম ৫৭ ধারায় রাহীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাহীর ব্লগ এবং ফেসবুক ঘেঁটে আমি এমন কোন লেখা দেখলাম না যেটা ধর্মের বিরুদ্ধে কটূক্তি বলে মনে হতে পারে। বরং ইন্টারেস্টিংলি তার লেখার মূল বিষয় ছিল জামাত-শিবির। জামাত-শিবিরের বিরুদ্ধে লেখার কারনেই যে সে গ্রেফতার হয়েছে সেটা বুঝতে বিরাট জ্ঞ্যানি হওয়া লাগে না। ঘটনাটা শোনার পর চট্টগ্রামে আমার এক পুলিশ বন্ধুর মাধ্যমে খবর নিলাম ঘটনা কি ঘটেছে তা জানার জন্য। আমি যা জানলাম তা তুলে ধরছি এখানে। আশা করি সবার কাছে পরিষ্কার হবে ব্যাপারটা।

গতকাল সকালে রাহী তার বন্ধুদের সাথে কলেজে যায় এইচএসসি পরীক্ষার এডমিট কার্ড আনার জন্য। সেখানে আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকা শিবিরের ক্যাডার বাহিনী তাকে এবং তার বন্ধু উচ্ছ্বাসকে ধরে পার্শ্ববর্তী পাহাড়ের উপর নিয়ে অমানবিকভাবে পিটায়। পিটানোর এক পর্যায়ে পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। থানায় আগে থেকেই তার নামে প্রায় ৩০ পৃষ্ঠার মতো নথিপত্র জমা দেওয়া ছিল, যেখানে মূলত রাহীর জামাত-শিবিরের পেইজ বাঁশেরকেল্লায় করা কমেন্ট এবং অনলাইনে জঙ্গি হিসেবে পরিচিত ফারাবীর বিভিন্ন লেখায় করা কমেন্টের স্ক্রিন শটের প্রিন্ট কপি ছিল। এরপর ৫৭ ধারায় তার নামে মামলা করা হয়েছে। উচ্ছ্বাস সম্পর্কে খবর নিয়ে জানা গেছে সে শুধুমাত্র জামাত-শিবির নিয়েই লেখালেখি করত। ধর্ম নিয়ে সে কখনই কিছু লিখেনি এবং পুলিশও তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারায় মামলা দেওয়ার মতো কিছু খুঁজে পায়নি। অথচ তাকেও ৫৭ ধারায় মামলা দিয়ে চালান দেওয়া হয়েছে। তাহলে কি এই দেশে জামাতশিবিরের বিপক্ষে কিছু বলাটাই অন্যায়? অথবা রাহীর বন্ধু হওয়াটাই কি তার অপরাধ? কেন তার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। কার ইশারায় এসব ঘটেছে আমরা জানতে চাই।

এখানে কয়েকটি প্রশ্ন মাথায় আসে। এক, শিবিরের ক্যাডার বাহিনী আগে থেকেই সেখানে ওৎ পেতে ছিল। তারা যখন তাদের অমানবিকভাবে মারছিল তখন সেখানে পুলিশ হাজির হয়। পুলিশ এতো দ্রুত কার কাছে খবর পেলো? মানলাম পুলিশ তৎপর ছিল। কিন্তু থানায় আগে থেকেই তার নামে প্রায় ৩০ পৃষ্ঠার নথিপত্র কারা রেডি করে রেখেছিলো? যেখানে বেশীর ভাগ মন্তব্য নেওয়া হয়েছে জঙ্গি ফারাবি এবং বাঁশেরকেল্লার পেইজ থেকে, প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক কারা এই নথি সংগ্রহ করে রেখেছিলো? তাহলে কি এটা স্পষ্ট না যে, এটা অনেকদিন আগে থেকেই পরিকল্পনা করে করা হয়েছে জামাত-শিবিরের পক্ষ থেকে? এখানে মূল বিষয় কি ধর্মের বিপক্ষে লেখালেখি করা, নাকি জামাত-শিবিরের বিরুদ্ধে লেখালেখিই মূল অপরাধ (?) ?

৫৭ ধারা এমন একটি আইনের ধারা যেই ধারা পাকিস্থানের ব্লাসফেমি আইনের চেয়ে কম কিছু নয়। যে কেউ ষড়যন্ত্র করে ফেইক কিছু নথি যোগার করে আপনার নামেও এমন মামলা ঠুকে দিতে পারে। ব্লাসফেমি আইন সম্পর্কে যারা যানেন, তারা এটাও জানেন পাকিস্থানে এই আইনের কি পরিমাণ অপব্যবহার হয়। তাহলে আমাদের স্বাধীনতার পক্ষের সরকার কাদের সুবিধার জন্য এই আইন করে রেখেছে? এখানে এটা স্পষ্ট যে জামাত-শিবির এই আইনের সুযোগ নিয়েই একটি মেধাবী, এবং যুতটুকু জেনেছি দরিদ্র পরিবারের সম্ভাবনাময় ছেলে যার বয়স মাত্র ১৮ তার এইচএসসি পরীক্ষার ঠিক আগ মুহুর্তে এভাবে গ্রেফতার করিয়েছে যেন সে পরীক্ষা না দিতে পারে। মাত্র ৩ দিন পরেই তার পরীক্ষা।

আরও একটি প্রশ্ন বড় হয়ে দেখা দেয়, সে গ্রেফতার হয়েছে গতকাল দুপুরে। কিন্তু এই ব্যাপারটি কেন পুলিশ চেপে রেখেছে বা মিডিয়ায় কেন আসেনি? কার ইশারায় এসব করা হয়েছে। মনে রাখতে হবে যেই এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে সেই এলাকা চট্টগ্রামে শিবিরের ঘাটি হিসেবে পরিচিত।

আমরা অবিলম্বে রাহী এবং তার বন্ধুর মুক্তি চাই। নিদেনপক্ষে তারা যেন এইচএসসি পরীক্ষা দিতে পারে সেজন্য তাদের ইতিমধ্যে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। আর সবচেয়ে বড় কথা ব্লাসফেমি আইন সদৃশ ৫৭ ধারার এই কালাকানুন বিলোপ করা হোক। আমরা বাংলাদেশকে পাকিস্থানের পরিণতি বরণ করতে দেখতে চাই না।

১৯ thoughts on “৫৭ ধারা, রাহীর গ্রেফতার, একটি পোস্টমর্টেম

  1. এইমাত্র রাহীর এক ক্লাসমেটের
    এইমাত্র রাহীর এক ক্লাসমেটের কাছে আরও কিছু তথ্য পেলাম- তার ম্যাসেজটি হুবুহু দিলাম-

    ভাই আমিও চিটাগাং কলেজে পডি। রায়হান আমাদের সেকশনেই পডে। আসলে রায়হানের কাহিনী টা শুরু হয় কলেজ ম্যাগাজিন নিয়ে।আমাদের কলেজ ম্যাগাজিন এ ৯০% লেখা ছিল ইসলাম নিয়ে ( বুঝেন অবস্থা!!)। সেখানে উল্টা পাল্টা যুক্তি দিয়ে ইসলাম বিজ্ঞানভিত্তিক ধরম তা বোঝানো হয়। রায়হান সহ আরো কয়েকজন কলেজ গ্রুপে সে লেখাটা নিয়ে ঠাট্টা করে পোস্ট দেয়। সেখানেই অনেক শিবিরের পোলাপান তাকে ও আরেকজনকে মারার হুমকি দেয়। কিন্তু টেস্টের পর আর কেও কাওকে না পাওয়ায় আর মারতে পারেনি। গত শনিবার কলেজের admit card নিতে আসলেই তারা তাকে পিটায়

    আইন করে আওয়ামী লীগ, আর সুবিধা নেয় জামাত-শিবির। ভালো না?

  2. আমরা অবিলম্বে রাহী এবং তার

    আমরা অবিলম্বে রাহী এবং তার বন্ধুর মুক্তি চাই। নিদেনপক্ষে তারা যেন এইচএসসি পরীক্ষা দিতে পারে সেজন্য তাদের ইতিমধ্যে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। আর সবচেয়ে বড় কথা ব্লাসফেমি আইন সদৃশ ৫৭ ধারার এই কালাকানুন বিলোপ করা হোক। আমরা বাংলাদেশকে পাকিস্থানের পরিণতি বরণ করতে দেখতে চাই না।

  3. আমার এই লেখাটি হোম পেইজ থেকে
    আমার এই লেখাটি হোম পেইজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। হয়তো ব্লগপোস্ট করার সময় কোনো ভুল হয়েছিল তাই এমনটি করেছে কর্তৃপক্ষ। আমি ব্লগ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। লেখাটি পড়ুন এবং সুচিন্তিত মতামত প্রদান করুন।

    ব্লগার ‘অঘূর্নায়মান ইলেকট্রন’ এর আটক হওয়া প্রসঙ্গে কিছু কথা | ইস্টিশন
    http://istishon.blog/node/7493

    1. এম এ আমিন খান, আপনার লেখাটি
      এম এ আমিন খান, আপনার লেখাটি কষ্ট করে পড়েছি। সেখানে আপনি বলেছেন,

      “বাক স্বাধীনতার অর্থ এই নয় যে কোনোও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে বেআইনী ও অযৌক্তিকভাবে আঘাত করা যাবে। বাক স্বাধীনতারও একটা সীমা আছে। সে সীমা অতিক্রমন করলে সেটা নিশ্চয়ই অপরাধ বলে বিবেচিত হবে এই মানব সভ্যতায়”।

      সেই হিসেবে আপনিওতো সীমা লঙ্ঘন করছেন। যাঁরা রাহী’র মুক্তি কিংবা জামিন নিয়ে কথা বলছেন, তাঁরা সুনির্দিষ্ট তথ্য নিয়েই বলছেন। এতগুলো লোকের বাক স্বাধীনতার বিপক্ষে আপনি যে রকম অযৌক্তিকভাবে আঘাত করছেন, তাতে আপনারে কি করা উচিৎ?

    2. ল্যাপটপের কি বোর্ডের সামনে
      ল্যাপটপের কি বোর্ডের সামনে বসে এমন পরিস্থিতিতে অনুমানের উপর বেসিস করে কথা বলা এবং সেটা ব্লগ এ প্রকাশ করাটা বোকামির পর্যায় পড়ে!!!

  4. পোষ্টটি স্টিকি করা হোক। সরকার
    পোষ্টটি স্টিকি করা হোক। সরকার এবং প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি আন্তরিকভাবেই।
    রাহীর নিঃশর্ত মুক্তি চাই। রাহী মুক্তি না পেলে ধরে নিতে হবে আমাদের পরিণতি মধ্য প্রাচ্যের অন্ধ আইনের যাঁতাকলে আটকে পড়া দেশগুলোর মতো হতে যাচ্ছে।

    প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ওঁত পেতে থাকা জামাত/শিবিরের ভূত বিতাড়নের জোর দাবী জানাচ্ছি একই সাথে।

  5. আমরা অবিলম্বে রাহী এবং তার

    আমরা অবিলম্বে রাহী এবং তার বন্ধুর মুক্তি চাই। নিদেনপক্ষে তারা যেন এইচএসসি পরীক্ষা দিতে পারে সেজন্য তাদের ইতিমধ্যে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। আর সবচেয়ে বড় কথা ব্লাসফেমি আইন সদৃশ ৫৭ ধারার এই কালাকানুন বিলোপ করা হোক। আমরা বাংলাদেশকে পাকিস্থানের পরিণতি বরণ করতে দেখতে চাই না।

    সহমত ।

  6. ৫৭ ধারা আমাদের জন্য বুমেরাং
    ৫৭ ধারা আমাদের জন্য বুমেরাং হয়ে দাড়িয়েছে। অবিলম্বে এই ব্লাসফেমি সদৃশ আইন প্রত্যাহার করা হোক।

    —————————————————
    বন্ধু শক্ত হাতে ধর হাল,
    পাড়ি দিতে হবে অনন্ত পথ দূর পারাবার।…….

  7. কি শুনলাম এইটা। রাহী এবং
    কি শুনলাম এইটা। রাহী এবং উল্লাসকে মুক্তি দেওয়া হোক। পোস্টটি স্টিকি করবার জন্য দাবী জানাচ্ছি।

  8. ধর্মের কারণে যে নেড়ি কুত্তা
    ধর্মের কারণে যে নেড়ি কুত্তা গুলো রাহী আর উল্লাসকে মারধর করেছে তারা বুক ফুলিয়ে চলছে আর রাহী ও উল্লাস জেলে বসে আছে

    এই দেশটা এখনও পাকিস্তান হয়েই আছে, বাংলাদেশ হতে পারেনি

  9. ব্লাসফেমি আইন সদৃশ ৫৭ ধারার

    ব্লাসফেমি আইন সদৃশ ৫৭ ধারার এই কালাকানুন বিলোপ করা হোক। আমরা বাংলাদেশকে পাকিস্থানের পরিণতি বরণ করতে দেখতে চাই না।

    – সহমত

  10. এ আইন নিয়ে অনেক আগে থেকেই কথা
    এ আইন নিয়ে অনেক আগে থেকেই কথা হচ্ছিল সুশীল থেকে শুরু করে মোটামুটি শিক্ষিত ( যারা নূন্যতম আইন বোঝে ) সকল শ্রেণীর অবস্থান এ আইনের বিরুদ্ধে । আইনটি বিএনপি আমলে করা হয় । কিন্তু পরবর্তীতে আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় এসে যখন তাদের পেয়াদাদের বিরুদ্ধে এ আইনের ব্যবহার করে তখন তারা জ্বালা বোঝে । তবে সরাসরি প্রতিবাদ করে নি । কারণ পরের বার তারাও এ আইনের যথাপোযুক্ত প্রয়োগের আশায় আছে । তাই নিজেদের কথা ভেবে হলেও সরকারের এ আইন বাতিল করা উচিৎ ।

  11. অবাক হই এত বড় একটা ঘটনা ঘটে
    অবাক হই এত বড় একটা ঘটনা ঘটে গেল, আমাদের দেশের মুলধারার সংবাদ মাধ্যমগুলোতে দুই কিশোরের গ্রেফতারের ঘটনা নিয়ে কোন সংবাদ নাই। ৫৭ ধারা সম্পূর্ণ সংবিধান পরিপন্থি একটা কালো আইন। আমাদের সংবিধান রাষ্ট্রের নাগরিকদের বাক-স্বাধীণতাকে হরন করার অধিকার রাস্ট্রের শাসকদের দেয়নি।

    মুলধারার সংবাদ মাধ্যমগুলো মেরুদন্ডহীন হয়ে গেছে। এ জন্যই ব্লগারদের মুক্তভাবে কথা বলা বন্ধ করার বিরুদ্ধে তাদের কোন দায়িত্ব নাই। নাকি ব্লগারদের তারা তাদের প্রতিপক্ষ ভেবে বসে আছে। মুলধারার সংবাদ মাধ্যমগুলোর প্রতি মানুষের আস্থা একেবারে শুণ্যের কৌটায়। তারা এখন ব্লগ ও ব্লগারদের প্রতিদন্ধি ভাবা শুরু করেছে নাকি?

    আমাদের সংবাদ মাধ্যমগুলো রাহী ও উল্লাসের ৫৭ ধারায় আটককে সংবাদ বলে বিবেচনা না করলেও ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক অনেক মিডিয়ায় ৫৭ ধারার মাধ্যমে বাক-স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়ার সংবাদকে গুরুত্ব দিয়েই প্রকাশ করছে।

    মাত্র ১৭ বছরের দুই কিশোর এইচএসসি পরীক্ষার্থী অনলাইন এক্টিভিস্টকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোকে পৃথিবীর কোন সভ্য দেশে মেনে নেবে কিনা সন্দেহ আছে। কিন্তু আমাদের বিচার ব্যবস্থা, শাসকগোষ্টী ও মিডিয়াগুলো মেনে নিয়েছে। তাদের জীবনের শুরুতেই ধাক্কা খেল রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের শাসকগোষ্টি থেকে। আমরা হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারিনা। আসুন, আমরা ৫৭ ধারার বিরুদ্ধে এবং রাহী ও উল্লাসের মুক্তির দাবীতে প্রতিবাদে রাস্তায় নামি। অন্তত যার যার জায়গা থেকে প্রতিবাদ করি।

    শত ধিক আমাদের মিডিয়াগুলোর প্রতি।

    গ্লোবাল ভয়েজ এর সংবাদ এর লিংক

    1. আসুন, আমরা ৫৭ ধারার বিরুদ্ধে

      আসুন, আমরা ৫৭ ধারার বিরুদ্ধে এবং রাহী ও উল্লাসের মুক্তির দাবীতে প্রতিবাদে রাস্তায় নামি।

      উদ্যোগ নেন ভাই। সাথে আছি। চাইলে ঢাকাতেও এটা সম্ভব।

      আমাদের সংবাদ মাধ্যমগুলো রাহী ও উল্লাসের ৫৭ ধারায় আটককে সংবাদ বলে বিবেচনা না করলেও ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক অনেক মিডিয়ায় ৫৭ ধারার মাধ্যমে বাক-স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়ার সংবাদকে গুরুত্ব দিয়েই প্রকাশ করছে

      আমাদের মিডিয়ার রকম-সকম বুঝতেছিনা কিছুই। At least প্রথম আলো, সমকাল, যায় যায় দিন তো এই ব্যাপারে নিউজ ছাপতে পারতো। তারাও নির্বিকার!
      বড়ই রহস্যজনক!

      1. তাতে তেমন সুবিধা হবে বলে মনে
        তাতে তেমন সুবিধা হবে বলে মনে হয় না।জেল-এ বসে যথার্থ পরীক্ষা দেওয়ার মানষিকতা তারা পাবে না।

  12. ৫৭ ধারা কালো আইনের থাবা
    আজ

    ৫৭ ধারা কালো আইনের থাবা
    আজ যারা করছে এর প্রয়োগ
    কাল তারা হবে এর প্রধান বিয়োগ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *