দেবী

ঘাড়ে যখন নিঃশ্বাস
বুঝে পিছে তাকালাম,
দেখি তুমি দাঁড়িয়ে আছো ।
হঠাৎ তোমাকে দেখে
অবাক হয়ে চুপ করে গেলাম ।
মুখে মিটমিট হাসি,
ঠোঁটে লিপস্টিকের কড়া ঘ্রাণ,
কপালে ছোট্ট একটা টিপ আর



ঘাড়ে যখন নিঃশ্বাস
বুঝে পিছে তাকালাম,
দেখি তুমি দাঁড়িয়ে আছো ।
হঠাৎ তোমাকে দেখে
অবাক হয়ে চুপ করে গেলাম ।
মুখে মিটমিট হাসি,
ঠোঁটে লিপস্টিকের কড়া ঘ্রাণ,
কপালে ছোট্ট একটা টিপ আর
আশ্চর্য নীরবতা নিয়ে
তুমি দাঁড়িয়ে আছো ।
সেদিন কিছু বলতে পারিনি
তোমার এই নীরবতাই
আমাকে পুড়িয়েছে প্রতিটাক্ষণ ।

সেদিন আবার
পাবলিক লাইব্রেরির সিড়িতে দেখা হল ।
আমি নামছিলাম
হঠাৎ তোমাকে উঠতে দেখে
হোঁচট খেলাম ।
তুমি এসে আমাকে ধরে বললে,
“ভুত দেখলে নাকি !”
বলেছিলাম, “নাহ দেবী ।”
অট্টহাসি দিয়ে বললে,
–তা আমি দেবী নই, নারী
–আমার কাছে তুমিই দেবী, সরস্বতী ।
–হয়েছে থামো । হঠাৎ
কবি হয়ে যাচ্ছো যে !
–আমি কবি নই
–তাহলে কি ?
–আমি মানুষ
–হা হা । বড় অদ্ভূত তুমি !
–তুমি নও বুঝি !
বারেবারে বদলাও যে ।

কখনও হঠাৎ স্বপ্নে এসে
হানা দাও বর্গীদের মত ।
নীল শাড়ি অথবা শুভ্র কাশফুল
দুটোই ভাসে ।
তোমার পাশে দাঁড়িয়ে যখন
হাতটা ধরতে গেলাম,
বোধ হল, এটা স্বপ্ন,
স্বপ্ন দেখা ।

আবার যেদিন মোড় ঘুরতে গিয়ে
হঠাৎ তোমার সাথে দেখা হবে
সেদিন তোমার কাছে
দু’ফোটা শিশির চেয়ে নেব ।
যে দাবানল জ্বালিয়েছো তা নেভাতে হবে তো !
আর দুফোটা অশ্রু চাবো,
“দেবী, দেবে তো অশ্রু ?”

২ thoughts on “দেবী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *