বিম্পি কানাই কত খেইল দেখাইলো রে ভূপেন!

বড় গনতন্ত্র জনাব তারেক জিয়ার এইটা বোঝার হেডম নাই যে, তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতার ঘোষনা গ্রামের স্কুলের মাঠে পুরস্কার ঘোষনা মতো সাদামাটা কোন বিষয় ছিলো না। সে সময় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার ঘোষনা মানে স্বেচ্ছায় নিজের আত্নহত্যার ঘোষনা দেয়া। সুতরাং, বড় গনতন্ত্র তারেক কিছুদিন পর যা যা বলতে পারেন তার একটা লিষ্টি দেখি:

১. জিয়াউর রহমান শুধু প্রথম রাষ্ট্রপতি তাই নয়, পাকিস্থানী কারাগারে জিয়াউর রহমানকেই ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো। শেখ মুজিব কে নয়।

২. পার্টিশানের পর জিয়াউর রহমানই প্রথম স্বাধীন পূর্ববাংলা চেয়ে প্রকাশ্যে দাবী জানিয়েছিলো। মাওলানা ভাসানী নন।


বড় গনতন্ত্র জনাব তারেক জিয়ার এইটা বোঝার হেডম নাই যে, তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতার ঘোষনা গ্রামের স্কুলের মাঠে পুরস্কার ঘোষনা মতো সাদামাটা কোন বিষয় ছিলো না। সে সময় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার ঘোষনা মানে স্বেচ্ছায় নিজের আত্নহত্যার ঘোষনা দেয়া। সুতরাং, বড় গনতন্ত্র তারেক কিছুদিন পর যা যা বলতে পারেন তার একটা লিষ্টি দেখি:

১. জিয়াউর রহমান শুধু প্রথম রাষ্ট্রপতি তাই নয়, পাকিস্থানী কারাগারে জিয়াউর রহমানকেই ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো। শেখ মুজিব কে নয়।

২. পার্টিশানের পর জিয়াউর রহমানই প্রথম স্বাধীন পূর্ববাংলা চেয়ে প্রকাশ্যে দাবী জানিয়েছিলো। মাওলানা ভাসানী নন।

৩. ভারতীয় উপমহাদেশের জনক শহীদ জিয়াউর রহমনা।

৪. বাংলাদেশের পতাকার ডিজাইন, পতাকা উত্তোলন, সংবিধান রচনা, সর্বপরী জাতীয় সংসদের ডিজাইন এসব কাজ প্রথম করেছেন জিয়াউর রহমান। লুই কান জিয়ার কাছ থেকে ডিজাউনের ব্লু প্রিন্ট চুরি করছেন।

৫. ভাষার জন্য প্রথম বুকে গুলি খান জিয়াউর রহমান। (এই লিষ্টে চাইলে আরো হাজারটা পয়েন্ট যোগ করা যায়)

সবশেষে তরুন প্রজন্মের যারা যারা ইতিহাস জানে না তাদের জন্য বলি, জিয়াউর রহমান প্রথম রাস্ট্রপতি তো দূরে থাক, সে একজন প্রচন্ড ক্ষমতালোভি, চরম অকৃতজ্ঞ ও অস্বাভাবিকরকম নিষ্ঠুর প্রকৃতির মানুষ ছিলো। সে রাতের অন্ধকারে মানুষ খুন করে জোর করে রাষ্ট্রপতি হয়েছিলো। এবং এরপর নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য অকাতরে মানুষ মেরেছে। তার সামরিক আদালতে তার বিদ্রোহীদের ফাসিঁর হুকুম হতো আদালতে, ওয়াকি টকির মাধ্যমে সেই হুকুম জেলারদের কাছে পৌছে আদালতে ফাসিঁর রায় হবার মাত্র দুয়েক মিনিটের মাথায় ফাসিঁ কার্যকর করা হতো। মানে একদিনে রায় হতো, আরেকদিকে ফাসিঁ হয়ে যেতো। শুনেছি একবার এমনও হয়েছে, তার এক বিদ্রোহী সেনা অফিসারকে ফাসিঁ দেবার আধা ঘন্টা পর সেই অফিসারের ফাসিঁর রায় বের হয়েছে! এই পরিমান নিষ্টুর ছিলো সে।

শুধু খুন করার হুকুম দিয়েই নয়, নিজের হাতেও গুলি করে অসংখ্য মানুষ মেরেছে। যারাই তার ক্ষমতার অন্তরায় হয়েছে, তাদেরকে সে খুন করতে দুইবার ভাবে নাই। এমনকি তার সবচাইতে কাছের বন্ধু, যে বন্ধুটি না থাকলে সে নিজেই মারা পড়তো, যে বন্ধুটি নিজের জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে জিয়ার প্রাণ বাচিয়েছেঁ, চরমতম অকৃতজ্ঞ জিয়াউর রহমান অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় নিজের হাতে পিস্তল দিয়ে বুকে গুলি করে সেই বন্ধুটিকেও খুন করেছে।

বাংলাদেশে আজ জামাতী শুয়োরদের এই যে দাপোট তার একক দায় জিয়াউর রহমানের। জোর করে রাষ্ট্রপতি হবার কিছুদিন পরই তিনি দাওয়াত কার্ড ছাপিয়ে গোলাম আযম আর নিজামীকে বাংলাদেশে নিয়ে আসে।

বাংলাদেশে এ পযন্ত যতজন সামরিক এবং বেসামরিক শাসক এসেছে, তার মধ্যে সবচাইতে ক্ষতিকর, বিপদজন ও ভয়ানক ছিলো জিয়াউর রহমান এবং তার স্ত্রী খালেদা জিয়া। তাদের গুনধর পুত্র তার পিতা মাতার দেখানো পথই ধরবে এতে আর আশ্চর্য কি?

বিএনপি সেই ৯০ এর দশক থেকেই আজ পযন্ত দেশের ইতিহাস নিয়ে ক্রমাগত মিথ্যাচার করে যাচ্ছে অথচ যে সত্যটা বিএনপি কখনই বলে নি এবং বলবেও না সেটা হচ্ছে, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের প্রথম সামরিক শাসক (২য় জন ছিলো হুমো এরশাদ), যে একটা দেশকে সামরিক শাসন করেও, গনতন্ত্রকে ধর্ষণ করে জোর করে রাতারাতি রাষ্ট্রপতি হয়েও একটা গনতান্ত্রিক দেশে একটা বড় রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছিলো। কিন্তু এটা আদতে তার ব্যর্থতা নাকি সফলতা ছিলো, সেটা তো এই দেশের মানুষজন এখন নিজের চোখেই দেখতে পাইতেছে।

৫ thoughts on “বিম্পি কানাই কত খেইল দেখাইলো রে ভূপেন!

  1. বাংলাদেশে এ পযন্ত যতজন
    বাংলাদেশে এ পযন্ত যতজন সামরিক
    এবং বেসামরিক শাসক এসেছে, তার
    মধ্যে সবচাইতে ক্ষতিকর, বিপদজন ও
    ভয়ানক ছিলো জিয়াউর রহমান এবং তার
    স্ত্রী খালেদা জিয়া। তাদের গুনধর পুত্র
    তার পিতা মাতার দেখানো পথই
    ধরবে এতে আর আশ্চর্য কি?

  2. চোরের জন্ম চোর ই হয়, শয়তানের
    চোরের জন্ম চোর ই হয়, শয়তানের জন্ম শয়তান ই হয়। তাই বড় গনতন্ত্রের এই বক্তব্য নিয়ে এতো বাড়াবাড়ি না করা ই ভালো।

  3. এই অমানুষের বাচ্চাগুলারে
    এই অমানুষের বাচ্চাগুলারে বাঁচাই রাখা সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ ভুল। সৃষ্টিকর্তা যেন এই বিএনপিকে দুনিয়া থেকে তাড়াতাড়ি উঠাই, এটাই কাম্য।

Leave a Reply to প্রলয় হাসান Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *