এক রেকর্ড করতে গিয়ে আর এক রেকর্ড মনে হয় করলাম আমরা


২৬ শে মার্চ ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬৮১ জন লোক এক সঙ্গে জাতীয় সংগীত গেয়ে বিশ্ব রেকর্ড করলাম । আর সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা অবমাননার একটা রেকর্ড মনে হয় হয়ে গেল আমাদের।




২৬ শে মার্চ ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬৮১ জন লোক এক সঙ্গে জাতীয় সংগীত গেয়ে বিশ্ব রেকর্ড করলাম । আর সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা অবমাননার একটা রেকর্ড মনে হয় হয়ে গেল আমাদের।
১।

২।

৩।

৪।

৫।

১৯ thoughts on “এক রেকর্ড করতে গিয়ে আর এক রেকর্ড মনে হয় করলাম আমরা

  1. পিকচারগুলা দেখেই মেজাজ খারাপ
    পিকচারগুলা দেখেই মেজাজ খারাপ হচ্ছে। আবালগুলারে থাব্রাইতে পারলে শান্তি পাইতাম। এমন না যে ফাঁকা স্পেস ছিলোনা। কিছু কিছু আবাল তো দেখছি পতাকা পাছার নীচে দিয়ে বসে দেশপ্রেম উদ্ধার করতেছে।

  2. এখানে দুইটি কথা বলার আছে।
    এখানে দুইটি কথা বলার আছে। প্রথমত এটি পরিকল্পনা করেই করা হয়েছে, দ্বিতীয়ত যে তুলেছে ছবিগুলো সে কি পতাকাগুলো তুলেছিল? নাকি ছবি তুলেই ফেসবুকে আপ্লোড করতেই দৌঁড় দিছিলো? আমি ছবি না তুলে আগে পতাকাগুলো তুলতাম আশা করি।

      1. চার নং ছবিতে মহিলাটি মনে
        চার নং ছবিতে মহিলাটি মনে হচ্ছে নাচানাচি করছে …

        এত মানুষের ভিড়ে মহিলাটি নাচানাচি করছে কিভাবে ????

      2. নজর দিন পতাকাগুলো এক জায়গাতেই
        নজর দিন পতাকাগুলো এক জায়গাতেই আছে অথচ কাঠিগুলো ছড়ানো ছিটানো!!! চোখগুলোর ব্যবহার করেন।

  3. পাঞ্জাবী আর কেডস পরা ছবিটার
    পাঞ্জাবী আর কেডস পরা ছবিটার আবালগুলোকে দেখে ছাগু মনে হচ্ছে। আমি শিওর দলকানারা এটাতে জামাত, শিবির আর ঝান্ডু বামের গন্ধ খুঁজবে।

    1. আপনার এখনো সমস্যা দূরীভূত
      আপনার এখনো সমস্যা দূরীভূত হয়নি। ব্লগে ট্যাগাট্যাগি নিয়ে বেশ ভালোই সমস্যা চলছে দেখছেন, এরপরেও আপনার সমস্যাগুলো দূর হয়নি!!!

      1. তাই নাকি? ভাই আমি অন্ধ না,
        তাই নাকি? ভাই আমি অন্ধ না, রোদ চশমা চোখে লাগিয়েছি। আপনি বুঝতে ভুল করছেন।

  4. কাজটা মোটেও ঠিক হয় নাই। সবার
    কাজটা মোটেও ঠিক হয় নাই। সবার মধ্যে দায়িত্ববোধ থাকলে এই ধরণের অসম্মানজনক একটা কজ হতো না। অথচ আমরা দোষ দিচ্ছি অরগানাইজারদের। এটা ঠিক না। থাপড়ায় কোন লাভ নাই। পথে ঘাটে, চলতে ফিরতে আমরা সব শালাই এই রকম আবালের মতো কাজ করছি প্রতিনিয়ত। নিজে করলে তখন আমাদের আবার এইসব খেয়াল থাকে না।

    1. এইসব কইলেই তো হ্যারা চ্যাইতা
      এইসব কইলেই তো হ্যারা চ্যাইতা যায়!!! অভাক এই দুইন্যাডা!!! :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

  5. ছবিটা সংগ্রহ ও লিখা

    ছবিটা সংগ্রহ ও লিখা সংগ্রহ””’ ২০১১ সালের ২রা এপ্রিলের ঘটনা। ভারত বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ফাইনাল জিতলে রাস্তায় আনন্দ মিছিল বের হয়। এরকম একটি আনন্দ মিছিলে ভারতীয় পতাকা হাতে যোগ দিয়েছিলো অভিনেতা শাহরুখ খান। গাড়ির ছাদ দিয়ে শরীর বের করে ভারতীয় পতাকা উড়াচ্ছিল শাহরুখ। কিন্তু অনিচ্ছাসত্ত্বেও হঠাৎ পতাকা উল্টে যায় (ভারতে পতাকার তিনটি রং বিদ্যমান: উপরে জাফরান, মাঝে সাদা, নিচে সবুজ। হিন্দুত্ববাদের রং জাফরান হওয়ায় তার অবস্থান উপরে থাকবে)। অর্থাৎ পতাকাটি এমনভাবে শাহরুখ ধরে যে সবুজ উপরে চলে যায় এবং জাফরান নিচে চলে আসে। এসময় কোনো এক ক্যামেরাম্যান সেই দৃশ্য ফিল্মবন্দি করে টিভিতে পাবলিশ করতেই শুরু হয় তোলপাড়। ভারতীয় আইনের Prevention of Insult to the National Honour Act of 1971’র দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ অনুসারে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
    আমাদের দেশেও ‘পতাকা বিধিমালা ১৯৭২’ প্রণয়ন করা হয়। যেখানে জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষার জন্য কিছু বিধি বিধান বর্ণনা করা হয়। বিধি মোতাবেক জাতীয় পতাকা গায়ে জড়ানো যাবে না, পতাকার উপর কিছু লেখা যাবে না বা অঙ্কন করা যাবে না, এটা নিয়ে ব্যবসা করা যাবে না। অথচ প্রচ- ক্ষোভের সাথে বলতে হয়, গত বুধবার ১৯ মার্চ ২০১৪ ঈসায়ী তারিখে ধানমন্ডির একটি আর্ট গ্যালারিতে এফডিসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পীযুষ বন্ধোপাধ্যায়ের স্ত্রী অভিনেত্রী জয়শ্রী কর জয়া তার কুকুরের গায়ে আমাদের প্রাণপ্রিয় দেশের সম্মানের পতাকা জড়িয়ে পতাকাকে অবমাননা করে ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়ে ছবি তুলে। তাও আবার এই স্বাধীনতার মাসে। এমন ন্যক্কারজনক ঘটনার পরেও কেন তার বিরুদ্ধে এখনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না? তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। দেশের ১৬ কোটি বাঙালির প্রাণের দাবি পূরণ করতে সরকারের উচিত অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

    1. এই জাতীয় হাইব্রিড
      এই জাতীয় হাইব্রিড দ্যশপ্রেমিকদের জন্য একটা পোস্টও লিখেছি হাইব্রিড দ্যাশপ্রেমিক…!!! সো এইসকল বালছাল নিয়ে কথা বলার ইচ্ছাই নাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *