আংটি

ঘড়ির দিকে শেষবার তাকিয়েছিলাম পনের মিনিট আগে। রাত তখন দুটো বেজে পঁচিশ। ড্রইং রুমে বাতি জ্বলছে, টিভি অন। আমার স্বামী টিভি দেখতে দেখতে সোফায় ঘুম। সি বীচে সংক্ষিপ্ত পোষাকের রমণীরা হাতে ‘সার্ফিং বোর্ড’ নিয়ে দৌড়ুচ্ছে। আমার ছোট বোনের দরজাটা কিঞ্চিত ফাঁক হয়ে আছে। ভেতর থেকে মৃদু নীলচে আলো ড্রইং রুমে এসে পড়েছে।

ভারী মায়াবতী হয়েছে নিম্মিটা। কিছুদিন পর অনার্স ফাইনাল দেবে। কিন্তু চেহারা থেকে বালিকা ভাবটি এখনো যায়নি। সে আজ বছর দুয়েক ধরে এখানে থেকেই পড়াশোনা করছে। মাকে নিষেধ করেছিলাম, শোনেনি। লোভী মহিলা। সংসারের কিছু খরচা বাঁচাতে পারছে তাতেই খুশী।


ঘড়ির দিকে শেষবার তাকিয়েছিলাম পনের মিনিট আগে। রাত তখন দুটো বেজে পঁচিশ। ড্রইং রুমে বাতি জ্বলছে, টিভি অন। আমার স্বামী টিভি দেখতে দেখতে সোফায় ঘুম। সি বীচে সংক্ষিপ্ত পোষাকের রমণীরা হাতে ‘সার্ফিং বোর্ড’ নিয়ে দৌড়ুচ্ছে। আমার ছোট বোনের দরজাটা কিঞ্চিত ফাঁক হয়ে আছে। ভেতর থেকে মৃদু নীলচে আলো ড্রইং রুমে এসে পড়েছে।

ভারী মায়াবতী হয়েছে নিম্মিটা। কিছুদিন পর অনার্স ফাইনাল দেবে। কিন্তু চেহারা থেকে বালিকা ভাবটি এখনো যায়নি। সে আজ বছর দুয়েক ধরে এখানে থেকেই পড়াশোনা করছে। মাকে নিষেধ করেছিলাম, শোনেনি। লোভী মহিলা। সংসারের কিছু খরচা বাঁচাতে পারছে তাতেই খুশী।

বেডরুমে ফিরে আসলাম। তুলি বিছানায় পাশ ফিরে জড়সড় হয়ে ঘুমুচ্ছে। গতকাল ওর ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হয়েছে। এবার সে টু’তে উঠবে। ঘুমন্ত মুখটা কেমন শান্তি শান্তি। মুখটাকে বুকের মাঝে জড়িয়ে রাখতে ইচ্ছে করছে শুধু, আহ্! আগামীকালের জন্যে তার অনেক পরিকল্পনা। শোকেস থেকে নতুন পুতুলটা বের করবে, ওটার জামার পেছন দিকে খানিক ছিঁড়ে গিয়েছিল, সেটা ঠিক করবে। ওতো সেলাই জানে না, আমাকে বলেছে সেলাই করে দিতে। মায়া লাগল। নিজেকে কাপুরুষ বলে মনে হল। আচ্ছা, মেয়েদের ক্ষেত্রে কি ‘কাপুরুষ’ শব্দটা প্রযোজ্য?

দোতলার বারান্দাতে ভাল বাতাস পাওয়া যেত। একবার গ্রিল কেটে চোর ঢুকেছিল। তারপর বাড়ীঅলা গ্রীল ফেলে দেয়াল তুলে দিয়েছে। এটা এখন আর বারান্দা নেই, স্টোর রুম। বারান্দা থাকতে ছাদের আংটার সাথে একটি দড়ি ঝুলিয়ে তুলির জন্য দোলনা টাঙ্গানো হয়েছিল। ছোটখাট বেতের দোলনা, একটি মাত্র দড়িতে ঝোলে। গ্রিল ফেলে দেয়ার পর দড়িটা আর খোলা হয়নি। অত উঁচুতে উঠতে আবার নানান ঝামেলা। দড়ির মাঝখান থেকে কেটে দোলনাটা নামিয়ে ফেলা হয়েছে। দোলনা টাঙ্গানোর সময় তুহিনের খুব কষ্ট হয়েছিল। গ্রিল বেয়ে উঠে, এক হাতে আংটায় দড়ি পড়াতে অনেক কসরত করতে হয়েছে। তার ওপর আবার নীচে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়ের নানান প্রশ্নের উত্তরও দিতে হচ্ছিল। আমি বলেছিলাম স্ট্যান্ড দোলনা কিনে আনতে। যেখানে সেখানে রাখা যায়। কিন্তু ওর শখ হয়েছিল মেয়েকে ঝোলানো দোলনায় চড়াবে। এতে অবশ্য আমার সুবিধেয় হয়েছে, না হলে আজ বেশ সমস্যা হত।

আজ আট দিন ধরে নিম্মিটার ভীষণ অসুখ। বমি করতে করতে অবস্থা কাহিল। ডাক্তারের কাছে যে নিয়ে যাব, সে সাহসও পাচ্ছিনা। ছোট্ট তুলি আদুরে গলায় বারবার জিজ্ঞেস করছিল, ‘মা, খালামনির কি হয়েছে.. তুমি কাঁদছ কেন?’ আমি উত্তর না দিয়ে আঁচলে চোখ মুছি। মাকে ফোন করেছিলাম। কিন্তু ‘কেমন আছো-ভাল আছো’ ছাড়া আর কিছু বলতে পারিনি। তুলির বাবা নির্বিকার।

অনেক কষ্টে আশিটা ঘুমের বড়ি জোগাড় করেছিলাম। আবার নিজেই পরিকল্পনাটা বাদ দিয়েছি। শুনেছি এতে নাকি অনেক সময় কাজ হয় না। সময়মত ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে, তারা রোগীর পেট পরিষ্কার করে বাঁচিয়ে তুলতে পারে। কি দরকার ঝুঁকিতে যাওয়ার। তার চেয়ে বরং এই ভাল, একটু কষ্ট হবে এই যা। মাস তিনেক আগে আরো একবার চেষ্টা করেছিলাম। শেষ পর্যায়ে মনটা সায় দেয়নি। এবারও সায় দিচ্ছে না, কিন্তু উপায় নেই। নিম্মিটার অষুখ বেড়ে যাচ্ছে।

স্টোর রুম থেকে বেডরুমে ছুটে আসলাম আবার। তুলির কপালে আবার একটি শেষ চুমু এঁকে দিলাম। হঠাৎ একটি কথা মনে পড়ায় ড্রইং রুমে ছুটে গেলাম। সোফা খালি, তুহিন নেই। টিভি অফ। নিম্মির দরজা পুরোপুরি বন্ধ। সোকেস থেকে তুলির পুতুলটা নিয়ে ফের বেডরুমে ফিরে এলাম। যত্ন করে পুতুলের জামাটা সেলাই করে ওটিকে তুলির পাশে শুইয়ে দিলাম। তারপর, তারপর তুলির কপালে আবারও একটি শেষ চুমু!

আমার ছোট ভাই নিজাম খেলাধূলায় খুব ভাল। অনেক পুরষ্কার জিতেছে। সে আবার ভাল স্কাউটও। তার কাছ থেকে ‘হল্টার টাই’ নামক গিঁটটা শিখে নিয়েছিলাম। উদ্দেশ্য – আজকের দিন।

সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মনটা এতক্ষণ স্থির ছিল, এখন সেখানে তোলপাড়। দড়ির গোলাকার আশ্রয়টি বাগদানের আংটির কথা মনে করিয়ে দিল হঠাৎ। বুকের ভেতর চিনচিনে ব্যাথা অনুভব করছি। শেষ মুহুর্তে আরো একবার বেডরুমে ছুটে যেতে ইচ্ছে হল, গেলাম। আলমারী খুলে অতি যত্নে তুলে রাখা আংটিটি বার করে অনামিকায় পড়লাম। আহ্! ঠিক সেই দিনের মত অনুভূতি! অনুভূতিরা অদ্ভুত। কেউ চাইলেই তারা এসে ধরা দেয় বারবার। শুধু চাইতে হয়। না না, শুধু চাইলেই হয় না, চাইতে জানতেও হয়।

ছোট্ট চিরকুটটা টেবিলের ওপর ঠিকঠাক মত আছে কিনা আরেকবার দেখে নিলাম। তারপর, তারপর মেয়ের কপালে আরো একটি শেষ চুমু এঁকে দিয়ে, একবারও পেছন ফিরে না তাকিয়ে গটগট করে স্টোর রুমে ফিরে এলাম।

দড়িটা আমার জন্যেই অপেক্ষা করছে যেন। আমি আসা মাত্রই অল্প দুলে উঠল। দড়ির নীচে মেঝেটা ফাঁকা। যেখানে গ্রিল ছিল সেখানে রং না করা নতুন দেয়াল। দেয়াল ঘেঁষে একটি ছোট্ট টুল রেখেছি, ওঠার জন্যে। উঠলাম। স্টোর রুমে অন্ধকার। তবে অন্ধকারেরও বুঝি আলো আছে, নইলে সবকিছু পষ্ট দেখতে পাচ্ছি কি করে আমি?

দড়িটার মধ্যে দারুন এক সম্মোহনী শক্তি আছে। চুম্বকের মত কাছে টানে।
মনটা এখন স্থির।
নিজামের কাছ যে গিঁটটা শিখেছিলাম, সে-মত করে একটি রিংটা বানিয়ে রেখেছি দড়িতে। ওটা ধরলাম।
মাথাটা তীব্রভাবে ঢুকে পড়তে চাইছে তার ভেতর।
বাধা দিলাম না আর।
মাথা তার আশ্রয়স্থলটি খুঁজে পাওয়ার পর হাত দিয়ে দড়ির ওপরের অংশটা ধরলাম শক্ত করে। তারপর টুল হতে হালকাভাবে শরীরটাকে ছেড়ে দিলাম শূন্যে।
হাতগুলো ব্যস্ত রাখলাম না আর বেশীক্ষণ, ছেড়ে দিলাম দড়ি।

আচমকা একটা ঝাঁকি খেলো পুরো শরীর। গলা দিয়ে বিদঘুটে একটি শব্দ বেরিয়ে এল। যথাসম্ভব চেষ্টা করলাম শব্দটাকে সংযত করার। অন্ধকারটি আরো অন্ধকার হয়ে এল। দড়িটা প্রচণ্ড ভাবে জড়িয়ে ধরতে লাগল গলা। মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নিতে চাইলাম।

ঈশ্ আজ রাতে তুলিকে ব্রাশ করানো হয়নি..
নিম্মির ফর্ম ফিলাপের টাকাটা ওর ড্রয়ারে রাখা আছে..
তরকারিগুলো রাতে গরম দেয়া হয়নি..
বুয়া আমার কাছে কিছু টাকা জমা রেখেছিল..
ও হ্যাঁ নিজামকে একজোড়া ফুটবল খেলার বুট কিনে দেয়ার কথা ছিল, ঈশ্!

ত্রিশ সেকেন্ডের মত পার হয়ে গেছে। যা সহ্য করার তা সহ্য করে ফেলেছি ইতিমধ্যে। কপালের রগগুলো ফুলে উঠে টিকটিক করছে। হাতগুলো বেশ উদ্বিগ্ন-তটস্থ। কোনকিছুর সন্ধান করছে কি ওরা? মাথার উপরের দিকেও উঠতে চাইল দু’একবার। পারেনি। এই যা, আজ ভুলে স্প্রে করা হয়নি.. মশাগুলো তুলিকে ছেঁকে ধরবে নাতো.. চোখজোড়া বেডরুমের দিকে ফিরতে চাইল.. ঘাড় ঘুরিয়ে দেখতে চাইলাম.. বৃথা চেষ্টা.. উরুতে ভেজা ভেজা অনুভূতি হচ্ছে.. আঙ্গুলের ডগাগুলো টনটন করছে.. এই বুঝি ঠাস্ করে ফেটে যাবে.. অসাড় হাত পাগুলো এতক্ষণ ছোটাছুটি করছিল.. শরীর যতই নড়াচড়া করছে দড়িটা ততই গলা আঁকড়ে ধরছে.. ধীরে ধীরে স্থির হতে শুরু করেছে সমস্ত শরীর.. হাত পাগুলো তবুও মৃদু নড়ছে.. এদিক ওদিক ছুটতে চাইছে যেন.. নতুন করে আশা জাগাতে চাইছে নাতো?.. আগামীকাল বাড়ীঅলার প্রতিবন্ধী ছেলেটির পঁচিশতম জন্মদিন.. ওর মা ফালুদার শরবত বানিয়ে দিতে বলেছিল.. গলাটা প্রায় বন্ধ হয়ে এসেছে.. দমগুলো ধরে রাখার ইচ্ছে হচ্ছে বেশ.. আহ্.. আরেকবার শ্বাস নেয়ার জন্যে হা করলাম.. জিহ্বাটাও বেরিয়ে এল বাতাসটাকে টেনে নিতে.. সমস্ত শরীর এখন কয়েক টন.. রিকশা ভাড়া ভাংতি ছিল না বলে একবার তুলির স্কুলের বন্ধুর মা’র কাছ থেকে দশ টাকা ধার নিয়েছিলাম, ওটা ফেরত দেয়া হয়নি.. তুহিন আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে.. মাথায় পাগড়ি.. গলায় মালা.. তাতে অসংখ্য বেলি ফুল গাঁথা.. তুলি মৃদু স্বরে কেঁদে উঠল কি?.. আহ্, আরো একবার ইচ্ছে হল মেয়েটাকে দেখার। আরো একবার ইচ্ছে হল আরো একটি চুমু খাওয়ার..

২৭ thoughts on “আংটি

  1. নাসির ভাই, অনেক দিন পর আপনার
    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
    নাসির ভাই, অনেক দিন পর আপনার আরো একটি সুন্দর গল্প পড়লাম।

  2. জাস্ট শকড!!!
    কি ভয়ংকর!!! পড়তে

    :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: জাস্ট শকড!!!
    কি ভয়ংকর!!! পড়তে পড়তে পুরো জিনিসটা কল্পনায় দৃশ্যায়ন করছিলাম আর যতই নিচের দিকে আসছিলাম ততই ভয়ংকর লাগছিলো, শেষে এসে যেন মৃত্যুস্বাদ উপভোগ করলাম!!!

  3. অসাধারণ একটা গল্প। এত নিখুঁত
    অসাধারণ একটা গল্প। এত নিখুঁত বর্ণনা খুব কমই দেখা যায়। চালিয়ে যান নাসির ভাই।

  4. গল্পের শেষে বিরাট এক ধাক্কা
    গল্পের শেষে বিরাট এক ধাক্কা খেলাম। ছোট গল্প এভাবে ধাক্কা মারলে মনে হয় ছোট গল্প পড়েছি। আপনার লেখার সাহিত্যমান অসাধারণ। বর্ণনাগুলো যেন ভিজ্যুয়াল কিছু দেখছি বলে অনুভব হল।

  5. গল্পকার যদি তার গল্পটাকে
    গল্পকার যদি তার গল্পটাকে পাঠকের মনে ফুটিয়ে তুলতে পারেন তাহলেই গল্পের সার্থকতা। চমৎকার লেখা। যদিও গল্পের অনেক জায়গায় বড় বড় ফাক রায়ে গেছে, তারপরও বর্ণনার গুনে সব ছাপিয়ে গেছে।

    1. কায়সার ভাই, গল্পের যে
      কায়সার ভাই, গল্পের যে ফাঁকগুলো আপনার চোখে পড়েছে, সেগুলো একটু বলেন প্লিজ। বিষয়গুলো জানতে পারলে আমার খুব উপকার হবে।

      1. প্রথমেই যার বর্ণনায় গল্পটা
        প্রথমেই যার বর্ণনায় গল্পটা বলা হয়েছে তাঁকে আমাদের চিনতে একটু কষ্ট হয়ে যায়। চার পাশে যিনি এতো খেয়াল রাখেন তিনি নিম্মিকে নিয়ে এতো বড় রিস্ক কিভাবে নিলেন বোঝা গেল না। হয়তো ওদের বাড়িতে নিম্মিকে না রেখে উপায় ছিল না। কিন্তু সেটার দায়ভার কেবল মায়ের ওপর দিয়ে পার করা হয়েছে। আর এতো বড় একটা ঘটনা একদিনে হয় নি। বিষয়টা তুলির মার চখ এড়িয়ে এতদূর গড়ালো কিভাবে সেটা অন্ধকারে রয়ে গেছে। তারমানে কি তুলির মা তুহিনের কাছে কোন না কোন ভাবে ধরা খেয়ে আছে?
        আর অনার্সে পড়া একটা মেয়ে যথেষ্ট স্মার্ট হওয়ার কথা। সে কিভাবে এই প্যাঁচে পড়লো সেটাও বোঝা গেল না। নিজের ইচ্ছায়? নাকি বাধ্য হয়ে? ছোট গল্পে হয়তো এই বিষয়গুলো আনা একটু কষ্ট। কিন্তু না আনলে তো হবে না। নিম্মি এই গল্পের অনেক বড় একটা ফ্যাক্টর। তাঁকে আপনি অনেকখানিই আঁধারে রেখেছেন।
        তুলির বাবা কি রাতের বেলা নিম্মির ঘরে গিয়েছিল? ঠিক বুঝতে পারিনি।
        শেষে আরও একটা প্রশ্ন রয়ে গেল। আত্মহত্যাই তুলির মা-র কাছে শেষ সমাধান মনে হল কেন? মেয়েকে নিয়ে দূরে সরে যেতে পারতো। নিম্মিকে বা তুহিনকে নিয়ে শক্ত হাতে এই ঝামেলার একটা গতি করতে পারতো। করলো না কেন?

        অনেক কথা বললাম। আসলে আপনার লেখা আমার খুবই ভালো লাগে। কিন্তু গল্প লেখকেরা মাঝে মাঝে ফাঁকিবাজি করে। এটা ঠিক না। আবার অনেকে মনে করে গল্প যদি বড় হয় তাহলে কেউ পড়বে না। আরে ভাই, না পরুক। তাতে কি এসে যায়? আপনার কাছে যদি মনে হয় যে একটা ভালো গল্প লিখেছি তাহলে সেটা সবাই পরবেই।

        1. এ রকম সমালোচনা অবশ্যই লেখকের
          এ রকম সমালোচনা অবশ্যই লেখকের কলমকে শাণিত করে তোলে।
          আশ্চর্য হয়ে লক্ষ্য করলাম, এই লেখা পড়ার সময় বৈসাদৃশ্য গুলো এতোটা চোখে পড়ে নি,
          তারপর রায়ান ভাইয়ের সমালোচনায় পষ্ট বুঝতে পারলাম, এটির প্রয়োজন ছিল।
          ধন্যবাদ রায়ান ভাই।

        2. সমালোচনা ভাল লেগেছে
          সমালোচনা ভাল লেগেছে কায়সারভাই। আইজুদ্দিন ভাইয়ের সাথে কণ্ঠ মিলিয়ে বলতে হয়, “এ রকম সমালোচনা অবশ্যই লেখকের কলমকে শাণিত করে তোলে”।
          অনেক ধন্যবাদ।

          1. ধন্যবাদ আইজুদ্দিন এবং নাসির
            ধন্যবাদ আইজুদ্দিন এবং নাসির ভাই। দুঃখের বিষয় আমার চাইতে আরও ভালো বিশ্লেষণ করতে পারতেন এমন ব্লগার এই ইস্টিশনে আছে। একটা খামাখা ঝামেলা লেগে সব গুবলেট পাকিয়ে গেল। আশা করি সবার সদিচ্ছায় ঝামেলাগুলো ঠিক হয়ে যাবে।

          2. অভিমান করে কোন সন্তান বাড়ী
            অভিমান করে কোন সন্তান বাড়ী ছেড়ে গেলে বাড়ীতে ফিরে আনার দায়িত্ব অভিভাবকের।
            সে রকম অভিভাবক আছেন কেউ?

  6. ডিটেইলসের কথা আতিক ভাই বলে
    ডিটেইলসের কথা আতিক ভাই বলে দিয়েছেন । সেদিকে গেলাম না । আমার কাছে মনে হলো আপনি মৃত্যুর বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়েছেন একটু বেশি মমতায় । ওভার অল ভাল লেগেছে । ধন্যবাদ !

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *