সম্পূর্ণা – The complete woman / the woman that completes me

তার কাজল-কালো চোখে দেখেছিলাম এক অদ্ভুত মায়া
নিজ হাতের আঙ্গুলের ফাঁকে তার আঙ্গুলগুলোর বাধন ছিল খানিকটা ঘোরের মতন
যে নারীর তকে দেখে হিংসে হয়না, সে মিথ্যেবাদী
এক মুহূর্তের জন্য হলেও এই শ্যমবর্ণের মেয়েটিকে দেখে মুগ্ধ হতে বাধ্য সবাই
জানিনা কেন, এই ছিপছিপে গড়নের মেয়েটিকে দেখলে
হাতের দুমড়ানো মোচড়ানো কাগজের রোলটা ফেলে দিতে ইচ্ছে হয়

বসন্তের প্রথম বৃষ্টির মতই মাতাল করে দেয় সে
প্রতিটা নিশ্বাসে মুগ্ধ করে সে
রাতের শেষ প্রহরে আবছা আলোয় তার পায়েলের ঝুন ঝুন আওয়াজে
euphoriac মনে হয় নিজেকে
আরেকটা মুহূর্ত, আরেকটা রাত চলে যায় সম্পূর্ণা কে ভেবে


তার কাজল-কালো চোখে দেখেছিলাম এক অদ্ভুত মায়া
নিজ হাতের আঙ্গুলের ফাঁকে তার আঙ্গুলগুলোর বাধন ছিল খানিকটা ঘোরের মতন
যে নারীর তকে দেখে হিংসে হয়না, সে মিথ্যেবাদী
এক মুহূর্তের জন্য হলেও এই শ্যমবর্ণের মেয়েটিকে দেখে মুগ্ধ হতে বাধ্য সবাই
জানিনা কেন, এই ছিপছিপে গড়নের মেয়েটিকে দেখলে
হাতের দুমড়ানো মোচড়ানো কাগজের রোলটা ফেলে দিতে ইচ্ছে হয়

বসন্তের প্রথম বৃষ্টির মতই মাতাল করে দেয় সে
প্রতিটা নিশ্বাসে মুগ্ধ করে সে
রাতের শেষ প্রহরে আবছা আলোয় তার পায়েলের ঝুন ঝুন আওয়াজে
euphoriac মনে হয় নিজেকে
আরেকটা মুহূর্ত, আরেকটা রাত চলে যায় সম্পূর্ণা কে ভেবে

নিজেকে কেন যেন আধ্যাত্বের সাধক ভাবতে ইচ্ছে হয় আজকাল
আসলেই তো!
এমন একজন -যাকে নিয়ে লিখতে গেলে শব্দভাণ্ডার ফুরিয়ে যায়
কিন্তু যুতসই শব্দ খুঁজে পাওয়া যায় না- সে যেন বহু বছরের সাধনার প্রাপ্তি

এইতো সেদিনের সেই ছন্নছাড়া ছেলেটা
যাকে শুধুমাত্র সেই পেরেছে গুছিয়ে নিতে
শুধুমাত্র তারই জন্য ছেলেটি কবিতার খাতা খুলে শান্ত হয়ে বসে রোজ

যেই মিষ্টি মেয়েটার ছোঁয়ায় আজ সে শান্ত হয়ে নিয়মের জালে বাধা পড়তে রাজি
তাকে সে বেধে রাখতে চায় ছয় তারের সাত সুরে
তার আঙ্গুলের ফাঁকে আঙ্গুল রেখে
ঘুরে দেখতে চায় জীবন শহরের প্রতিটি গলি

আচ্ছা মেয়েটা কি যাবে তার সাথে?
নাকি হতভাগ্য কে আবার পাহাড়তলির ধোঁয়াটে পথে পা বাড়াতে হবে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *