সম্পূর্ণাকে লেখা

নিয়তির শিকলে বাধা শুকনো কোমল হাত দুটি ধরে
বসে থাকতে ইচ্ছে করে সারাটি রাত
জীবনের প্রায় বেশিরভাগ সময়টাই যার কেটেছে কটাক্ষ শুনে
সেই শ্যামবর্ণ মেয়েটির চোখেই খুঁজে পাই এক আশ্চর্য আকর্ষণ
সে এক আশ্চর্য মায়া

তাদেরকে বলি আমি, ” হায়রে মূর্খ, দাঁত থাকতে দাতের মর্যাদা দাও নি”
আসলেই তো তারা মূর্খ
যে নারীর তকে দেখে হিংসে হয় না, সে মিথ্যেবাদী
যে পুরুষ তাকে দেখে মুগ্ধ হয় না,
তাকে আমার কাছে কেন জানি অক্ষম মনে হয়

কিন্তু কি এক আশ্চর্য নিয়তির লীলা
সে যেন কারও হবার জন্য জন্মায়নি
সে শুধু নিজের জন্যই নিজে
কিংবা তার সুযোগ্য কেউ নেই

আর আমি? আমি এক নগন্য মাঝি

নিয়তির শিকলে বাধা শুকনো কোমল হাত দুটি ধরে
বসে থাকতে ইচ্ছে করে সারাটি রাত
জীবনের প্রায় বেশিরভাগ সময়টাই যার কেটেছে কটাক্ষ শুনে
সেই শ্যামবর্ণ মেয়েটির চোখেই খুঁজে পাই এক আশ্চর্য আকর্ষণ
সে এক আশ্চর্য মায়া

তাদেরকে বলি আমি, ” হায়রে মূর্খ, দাঁত থাকতে দাতের মর্যাদা দাও নি”
আসলেই তো তারা মূর্খ
যে নারীর তকে দেখে হিংসে হয় না, সে মিথ্যেবাদী
যে পুরুষ তাকে দেখে মুগ্ধ হয় না,
তাকে আমার কাছে কেন জানি অক্ষম মনে হয়

কিন্তু কি এক আশ্চর্য নিয়তির লীলা
সে যেন কারও হবার জন্য জন্মায়নি
সে শুধু নিজের জন্যই নিজে
কিংবা তার সুযোগ্য কেউ নেই

আর আমি? আমি এক নগন্য মাঝি
বেসুরো গলায় সুর তোলার ব্যর্থ চেষ্টায় জীবন কে বাইতে চাই আজও
তবুও দেখি তাকে নিয়ে মহাকালের পথে পাড়ি দেবার স্বপ্ন

মৃতপ্রায় ফুসফুস টা আর দুর্বল পেশিতে জোর খুব কম এখন
বৈঠাটা কখন যেন হাত ফস্কে যায়
আর তার হাতে তো শিকল দিয়ে বাধা

সম্পূর্ণা,আমি জানি অন্যেরা তোমাকে যতটুকু ভালোবাসা দিবে
আমি হয়তবা তার কানাকড়িও দেওয়ার যোগ্যতা রাখিনা
তবে আমি তোমাকে যতটুকু জানি, যতটুকু চিনি
মনের যতটুকু ছুয়ে দিয়েছি

তা কেউ কোনদিন পারবেনা জানি
তাই রাতের শেষ প্রহরে একটাই আবদার
“নিয়তির চোখে ধুলো দিয়ে,চলনা পালিয়ে যাই আমরা! ”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *