জামাত শিবির এবং আমাদের দুর্ভোগ

সময়টা খুব খারাপ যাচ্ছে। হুট করেই একেকটা দুঃসংবাদ আসছে।সন্ধ্যায় যখন পড়তে বসবো ঠিক তখনই ফোনটা বেজে উঠলো।ওপাশ থেকে হিমুর কান্নাজড়িত কন্ঠ ভেসে এল।ও বললো ওর ভাই হাসপাতালে।আমি জানতে চাইলাম কি হয়েছে?ও বললো শিবিরের লোকেরা ওর ভাইকে মেরেছে।ও ফোনটা কেটে দিল।কারন সকালেই পরীক্ষা।আমি পড়তে বসলাম।কিন্তু পড়তে পারলাম না একটুও।শুধু ভাবছিলাম হিমু আর ওর ভাইয়ের কথা।বেচারা হিমুর অবস্থা একবার ভেবে দেখেন।ইচ্ছা থাকা স্বত্তেও ভাইকে একবার দেখতে যেতে পারছেনা।কারন পরদিন সকালেই তো রসায়ন পরীক্ষা।আর ওর ভাই?ছেলেটা এতই ভাল যে দাঙ্গা বাঁধানো তো দূরের কথা,মিছিল মিটিং এর ধারে কাছেও ঘেষে না সে।সেই মানুষটার আজ এই অবস্থা,বিশ্বাস করতেও কষ্ট হয় আমার।এই নৈরাজ্যের কোপানলে পড়ে আর কত মানুষ তাদের জীবন জলাঞ্জলি দেবে?এইতো গেল শিবিরের কথা।এদিকে জামায়াতের হরতালের কারনে বিভ্রান্ত হচ্ছি আমরা পরীক্ষার্থীরা।আগ্রহ হারিয়ে ফেলছি দিন দিন।একটা ভাল রেজাল্ট করার যে স্বপ্ন দেখেছিলাম সেটাও অঙ্কুরে বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে।আসলে দেশের এই অরাজকতার মধ্যে যে স্বপ্ন দেখাটাও পাপ। কুঁড়িতেই যে ফুল অপুষ্টিতে ভোগে ফুল হয়ে সেকি পরিপূর্ণ সৌন্দর্য বিকশিত করতে পারে?
যে সুন্দর পৃথিবীর স্বপ্ন আমরা দেখি,কতিপয় কিছু খারাপ লোকের কারণে তা কি শুধু স্বপ্নই রয়ে যাবে?

৪ thoughts on “জামাত শিবির এবং আমাদের দুর্ভোগ

    1. এই তাণ্ডব থামাতে হলে আমাদের
      এই তাণ্ডব থামাতে হলে আমাদের একাত্তরের মত ঐক্য দরকার। এখন যে ঐক্য আছে তার চেয়ে বেশী সুদৃঢ় ঐক্যের বিকল্প নাই এদের রুখতে হলে। না হয় আমাদের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *