ইহলীলা সাঙ্গ করার আগে কিছু আশা করলে নিজের পতিক্রিয়ার ফল =>ইহকালের চোখে অলক্ষী ,পরকালের সাজা প্রার্থী ।

ইহলীলা সাঙ্গ করার আগে কিছু
আশা করলে নিজের পতিক্রিয়ার ফল
=>ইহকালের চোখে অলক্ষী ,পরকালের
সাজা প্রার্থী ।

মানব হ্রদয়ে আবেগ না থাকলে কত ভাল
হতো !না হতো আশা না হতো অনুভুতি ।
কী কঠিন মানুষের মন
যা হ্রদয়ে যতনে পাললে ও নষ্ট হয়ে যায় ।
ঠিক সেসব কারণেই নষ্ট হয় যেসব



ইহলীলা সাঙ্গ করার আগে কিছু
আশা করলে নিজের পতিক্রিয়ার ফল
=>ইহকালের চোখে অলক্ষী ,পরকালের
সাজা প্রার্থী ।

মানব হ্রদয়ে আবেগ না থাকলে কত ভাল
হতো !না হতো আশা না হতো অনুভুতি ।
কী কঠিন মানুষের মন
যা হ্রদয়ে যতনে পাললে ও নষ্ট হয়ে যায় ।
ঠিক সেসব কারণেই নষ্ট হয় যেসব
কারণে নষ্ট হয় বাবা মা এর অতি আদরের
লালিত সন্তান ।কখনো আঘাত
না পাওয়ার কারণে একটু আঘাতেই
ভেঙ্গে পড়ে অথবা স্নেহের অভাব অনুভব
না করতে পারায়
অত্যাচারী অহংকারী এবং অবশেষে পতন

আবার হ্রদয়ের অঙ্কুরে নিষ্পাপ সেই
অনুভুতি বিনষ্ট করলে মনের
অজান্তে হয়ে যায় মনপাপী ।
এরই জন্য কী মানুষ
ভাগ্যকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে ?
হ্রদয়ের গভীরে জীবন্ত বীজ কি ততদিন
পর্যন্ত সুপ্ত রেখে আবেগী ও
মমতাময়ী হয়ে অভিনয় করতে হবে ?
যতদিন না সুখের পথে চলার জন্য মনের মত
অবলম্বনের দেখা না মেলে ?অভিনয়
করা তো অন্যায় !আর অন্যায়
করলে তো ভাগ্যে অন্যায়ই জুটবে ।অথচ
আবেগহীন
হয়ে চললে লোকে তো তাকে হ্রদয়হীন
পাষাণ বলবে ।তাহলে সুপ্ত বীজ চারায়
পরিণত করা মানে তো সত্যি সত্যিই
আবেগী হয়ে যাওয়া ।সুপ্ত বীজ চারায়
পরিণত করতে চাইলে তাতে যদি সার
পানি দেওয়া অপরিহার্য হয় ।তাহলে সত্
ব্যক্তির মনে আবেগ ধরে রাখতে তার
সততা তার
দুর্বলতা হিসেবে না দেখে তার অনুভুতির
যত্ন নেওয়া ও অপরিহার্য ।না হলে বাধ্য
হয়ে হয়
সে আবেগ হারিয়ে হ্রদয়হীন
হবে না হলে সততা হারিয়ে অসত্ হবে।

৩ thoughts on “ইহলীলা সাঙ্গ করার আগে কিছু আশা করলে নিজের পতিক্রিয়ার ফল =>ইহকালের চোখে অলক্ষী ,পরকালের সাজা প্রার্থী ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *