হে মহান! আসুন আমার আত্মায়!

প্রিয় মানুষ
দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা কারও দানে পাওয়া নয়। যারা ভাবে যারা ভাবছে যারা রক্তের কথা ভুলে গেছে, তারাই আতাত করে জামাতা-শিবির-রাজাকারের দল জামাতের সঙ্গে। তারাই দেশের গণতন্ত্রকে হুমকির মুখে ঠেঁলে দিয়েছে বারবারর।
বাঙালী সহজিয়া, স্রোতস্বীনীর মতো সরল সহজ সুন্দর প্রাণ। কখনো রূঢ় হয়নি কোনও শয়তানের আস্ফালনেও; বারবার ক্ষমা করে দিয়েছে সব আতাতকারীদের। কিন্তু এইবার, হ্যাঁ, এইবার আর ভুল করবে না।
বাঙালী এইবার ঘরে ঘরে আবারও ৭১ নিয়ে এসেছে, দূর্গ গড়ে তুলেছে। তোমরা কি তাও সাবধান হবে না?
আমরা ভুলে যাইনি, তোমরাই দেশবিরোধীদের গাড়িতে আমার লাল সবুজ পতাকা উড়িয়ে দিয়েছিলে, জাতীয় সংসদ ভবনে তোমরাই তাদের স্থান করে দিয়ে দেশকে অপমান করেছো, আর আমার সৌধে ৭১’র ওই চিহ্নিত পাকিস্তনী দালাল দিয়ে ফুল অর্পণ করিয়ে ৩০ লাখ শহীদের ত্যাগকে তোমরাই সে দিন পদদলিত করেছো। আর কত আস্পার্ধা তোমরা দেখাবে? আমরা ভুলে যাই নি। জনগণ ভুলে যায়নি। তোমরা ভুলে গেছ?
আর যদি একটা বার দেখি তোমরা ওই বেঈমানদের আতাতকারীই আছো হ্যাঁ আমরা বলছি জনগণ তোমাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এ দেশে তোমাদের রাজনীতি করার আর কোন অধিকার নেই। ১৬ কোটি মানুষ একটা করে ‌‌‌’রয়েল বেঙ্গল গরদা’ নিয়ে দাঁড়াবে। হয় তোমরা জনতার পক্ষে আস নয় ওই বেঈমানদের মতো তোমরাও নিপাত যাবে। জনগণের বিপক্ষে যেয়ো না। জনগণই প্রকৃত ক্ষমতার উৎস।
>>এমন একটা ভাষণ আমি দিতে চাই। বঙ্গবন্ধু, হে মহান, আপনি আমার আত্মায় আসুন, ওই আতাতকারীদের আমি ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিতে চাই। আমি জানি প্রিয় মানুষেরা, তোমরা বুঝে গেছো কারা সেই আতাতকারী…!
আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবা না***জয় বাংলা***

(((বিদ্রুপ: আমি নেতা না। আমার মতো চুনোপুটির জীবনে এমন একটা ভাষণ কেবল স্বপ্ন। কিন্তু ভাবছিলাম আজ -বেয়াদপ নেতার পার্টি- দেশের আপামর জনতাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে নতুন জীবনের কথা বলবে। বলবে, হে…..এই মানুষ আমরা বেঈমান নই, আমাদের আত্মায় আমাদের মননে আমাদের চেতনায় এই দেশ এই বাংলাদেশ ***এর পর মুহূর্মু মুহূর্মু করতালি পড়বে জনস্রোতে। সেই স্রোত নব নবীনের গান গাইছে। সেই স্রোতে এসে সিক্ত হবে বেগম জিয়া এবং তার দল। আর জনতার সঙ্গে স্লোগানে স্লোগানে কান ফাটিয়ে দেবে পাক কাকেদের ***জয় বাংলা***জয় জনতা***। না, আমি অলীক স্বপ্ন দেখি। এমনটা ঘটবে না কখনো। যে সময়কে তারা উস্কায়ে গেল যে প্রেক্ষাপটকে তারা বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে গেল- জনতা জানল, বেঈমান কখনও শুদ্ধ হবার নয়। এই প্রজন্ম, আমাদের মাতৃভূমির স্তন পান করে প্রতিনিয়ত যারা আমাদের মাকে ধর্ষণ করে যাচ্ছে, তাদের আমরা ক্ষমা করবো না। এ আমাদের দৃপ্ত অঙ্গীকার)))

৪ thoughts on “হে মহান! আসুন আমার আত্মায়!

  1. আমি জানি প্রিয় মানুষেরা,

    আমি জানি প্রিয় মানুষেরা, তোমরা বুঝে গেছো কারা সেই আতাতকারী…!

    আমার মনে হয়না মানুষ বুঝে গেছে। খালেদার উলঙ্গভাবে জামায়াতের সমর্থনের পরও এই দেশের মানুষ খালেদাকে ভোট দেবে। আমরা বড়ই অকৃতজ্ঞ জাতি। মাঝে মাঝে ঘৃণা হয় এই দেশের মানুষদের নির্ললিপ্ততাকে। আমরা আসলেই বড় অকৃতজ্ঞজাতি। দেশের পতাকা পতপত করে আমাদের উপহাস করে প্রতিটা মহুর্ত। মাথা হেট হয়ে আসে। বড়ই অসহায় হয়ে পড়ছি ধীরে ধীরে……

    1. হ…. ঠিকই….. অনেক কিছু
      হ…. ঠিকই….. অনেক কিছু ভাববার আছে আমাদের। তবুও বলি, ***জনে জনে নিজে, আগুন হল্কা জ্বালাই আগে, তবে নির্লিপ্ততা ভেঙে একদিন বাঙালী জাগবে ঠিকই***

    1. ধন্যবাদ
      বিদ্রুপ : যথার্ত আর

      ধন্যবাদ
      বিদ্রুপ : যথার্ত আর রইলো কই? খালেদা কইছে :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *