ছেঁউড়িয়ায় লালন উৎসব শনিবার থেকে

ছেঁউড়িয়ায় লালন উৎসব শনিবার থেকে


ছেঁউড়িয়ায় লালন উৎসব শনিবার থেকে


>> কুষ্টিয়ায় লালন স্মরণোৎসব শনিবার থেকে। বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের গান, মেলা ও সাধুসঙ্গের মধ্য দিয়ে কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় পাঁচ দিনব্যাপী এ উৎসব চলবে বুধবার পর্যন্ত। আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘লালন একাডেমি ইতিমধ্যে অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ভক্ত-অনুসারীরা আগে থেকেই জায়গা করে নিয়েছেন লালনের আখড়ায়। উৎসব ঘিরে ধুয়ে-মুছে সাজানো হয়েছে মাজার প্রাঙ্গণ। মরমি এ সঙ্গীত সাধকের বার্ষিক স্মরণোৎসব উপলক্ষে তার সাধন-ভজনের তীর্থস্থান ছেঁউড়িয়ার আখড়াবাড়ি পরিণত হয়েছে উৎসবের পল্লিতে। দেশ-বিদেশ থেকে এসেছেন অগণিত লালনভক্ত, বাউল অনুসারী এবং সুধীজন।

>>উৎসব শুরুঃ উৎসব শুরু হবে শনিবার (১৫ মার্চ) সন্ধ্যা থেকে। চলবে ১৯ মার্চ পর্যন্ত। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে স্মরণোৎসবে থাকবে লালনের স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা, লালন সঙ্গীতানুষ্ঠান এবং গ্রামীণ মেলা।

>>স্থানঃ কুষ্টিয়া শহরের কোল ঘেষে কুমারখালী উপজেলার কালীগঙ্গা নদী। এর তীরেই ছেঁউড়িয়ার লালন সমাধি।কুষ্টিয়া শহর থেকে লালনের আখরা রিক্সায় মাত্র ১০ মিনিটের পথ।

>>উৎসবের কারনঃ গবেষকদের মতে, বাউল সাধক ফকির লালন শাহের জীবদ্দশায় দোলপূর্ণিমা উপলক্ষে ছেঁউড়িয়ায় পালন করা হতো দোল উৎসব। আর দোলপূর্ণিমা ঘিরেই বসত সাধুসঙ্গ।লালনের সেই স্মৃতি ধরে রাখতে লালন একাডেমিও প্রতিবছর এ উৎসবকে ‘লালন স্মরণোৎসব’ হিসাবে পালন করে আসছে। তবে লালন অনুসারীরা দিনটি ‘দোলপূর্ণিমা’ উৎসব হিসেবেই পালন করে থাকেন।

>> লালন পরিচয়ঃ বিভিন্ন গবেষণাপত্র থেকে জানা যায়, বাংলা ১১৭৯ সালের পয়লা কার্তিক, ইংরেজ ১৭৭২ খৃষ্টাব্দের অক্টোবরে যশোর জেলার ঝিনাইদহ (বর্তমান জেলা) মহকুমার হরিণাকুন্ডু থানার কুলবেড়ে হরিষপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন সুরসাধক লালন শাহ।
তিনি বাংলা ১২৯৭ সালের পয়লা কার্তিক, ইংরেজী ১৮৯০ সালের ১৭ অক্টোবর ১১৬ বছর বয়সে মৃত্যুমুখে পতিত হন। কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায় তার আখড়া ছিল। এখানেই তার মাজার। তবে লালনের জন্ম তারিখ ও জন্মস্থান নিয়ে মতভেদ রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *