মালয়শিয়ার হারিয়ে যাওয়া এয়ারলাইনার ও কিছু কানস্পিরেসি থিওরী!

ছোটবেলায় শুনতাম বারমুডা ট্রায়াঙ্গোলে নাকি আস্ত আস্ত প্লেন আর জাহাজ হাপিস হয়ে যায়। এর উপরে কত বই পড়েছি! কত মুভি দেখেছি! কিন্তু এই একবিংশ শতাব্দিতে আস্ত একটা প্লেন হাপিস হয়ে গেলো এবং গত ৪ দিন ধরে খুজেঁও প্লেনটার কোন হদিসই পাওয়া গেলো না, ব্যাপারটা পৃথিবীর তাবদ বিশেষজ্ঞদের হতভম্ব করে দিয়েছে। ইংরেজীতে যাকে বলে Vanish in the thin air বাংলাতে বলে – বাতাসে মিলিয়ে যাওয়া। মালয়শিয়ার MH370 ফ্লাইটটি যেন বেমালুম বাতাসে মিলিয়ে গেছে। কেউ কেউ তো বলছে, প্লেনটা খুজেঁ আর লাভ নাই। ওটাকে আর কখনই পাওয়া যাবে না। কারন ইতিহাসে এর আগে যে কয়টা প্লেট পৃথিবীর আকাশ থেকে হারিয়ে গেছে, তার কোনটাকেই আর ফিরে পাওয়া যায় নি।


ছোটবেলায় শুনতাম বারমুডা ট্রায়াঙ্গোলে নাকি আস্ত আস্ত প্লেন আর জাহাজ হাপিস হয়ে যায়। এর উপরে কত বই পড়েছি! কত মুভি দেখেছি! কিন্তু এই একবিংশ শতাব্দিতে আস্ত একটা প্লেন হাপিস হয়ে গেলো এবং গত ৪ দিন ধরে খুজেঁও প্লেনটার কোন হদিসই পাওয়া গেলো না, ব্যাপারটা পৃথিবীর তাবদ বিশেষজ্ঞদের হতভম্ব করে দিয়েছে। ইংরেজীতে যাকে বলে Vanish in the thin air বাংলাতে বলে – বাতাসে মিলিয়ে যাওয়া। মালয়শিয়ার MH370 ফ্লাইটটি যেন বেমালুম বাতাসে মিলিয়ে গেছে। কেউ কেউ তো বলছে, প্লেনটা খুজেঁ আর লাভ নাই। ওটাকে আর কখনই পাওয়া যাবে না। কারন ইতিহাসে এর আগে যে কয়টা প্লেট পৃথিবীর আকাশ থেকে হারিয়ে গেছে, তার কোনটাকেই আর ফিরে পাওয়া যায় নি।

ব্যাপারটা নিয়ে হয়তো আমাদের খুব বেশী উৎকন্ঠা নেই কারন আমাদের দেশের আভ্যন্তরীন অনেক ঘটনাই এর চাইতে ঢের রহস্যময় ও চাঞ্চল্যকর। যেমন বাংলাদেশের প্রায় সবগুলো পত্রিকায় আজ মালয়শিয়ার বিমান নিখোজেরঁ আপডেট দেবার পাশাপাশি গাজীপুরে নিবাচন পূবর্বতী অরাজকতার খবর ছেপেছে। সেখানে একজন যুবককে পাজারো গাড়ি দিয়ে ধাক্কা দিয়ে ড্রেনের ভেতর দিয়ে ফেলে দেয়া হয়েছে। তার আগে খুব কাছ থেকে যুবকটির মাথায় গুলিও করা হয়েছে! হাসপাতালে নেবার পর যুবকটি মারা যায়। সুতরাং, দেশের এই পরিস্থিতে ভিন দেশের বিমান নিখোজঁ নিয়ে মাথা না ঘামানোটাই স্বাভাবিক।

আমি ঘামাচ্ছি কারন, গত কয়েকদিনে যে সমস্ত শক্তি ও প্রযুক্তি বিমানটা খোজাঁর পেছনে লাগানো হয়েছে, এরপরেও একে না খুজেঁ পাওয়াটা মুটামুটি অসম্ভব ব্যাপার। আমরা এই অসম্ভব ব্যাপারটাই চাক্ষুষ করছি। তাছাড়া, অনুভব করছি সেই হারানো মানুষদের স্বজনদের কথাও। অষ্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশে যাবার পথে মালয়শিয়ান এয়ারলাইনে আমার একাধিকবার চড়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। কপাল খারাপ থাকলে হয়তো আমিও হতাম এই নিখোজঁ হওয়া বিমানেরই একজন নিখোজঁ প্যাসেনজার।

MH370 কে খোজাঁয় যা ব্যবহার করা হচ্ছে: মালয়শিয়াসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার প্রায় অর্ধশতাধিক জাহাজ, ৪৫ টি অত্যাধুনিক বিমান (এর ভেতর ১০ টি এফবিআই’এর), ১০ টি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন চাইনিজ স্যাটেলাইট এবং আমেরিকার কুখ্যাত ও শক্তিধর সপ্তম নৌবহর। এই বহরের জাহাজগুলোয় এত শক্তিশালি রাডার আছে যে, মাঝ সমুদ্রের ভেতর একটা বাস্কেটবল পড়ে থাকলেও সেটা তাদের রাডারে ধরা পড়বে। গত ৪দিন ধরে MH370 ফ্লাইট রুটের ১০০০ মাইল রেডিয়াস এরিয়া তন্ন তন্ন করে খোজাঁ হচ্ছে। আমেরিকার সেনা ও গোয়েন্দা বাহিনী সরাসরি সাহায্য করছে, প্রতিবেশী দেশ অষ্ট্রেলিয়া সব ধরনের সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এমনকি ইংল্যান্ডও সাহায্য করবে বলে শুনেছি।

এখন পর্যন্ত যা জানা গেছে: ২২৭ জন যাত্রী (যার অধিকাংশ চাইনিজ) ও ১২ জন ক্রু নিয়ে গত শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৪১ মিনিটে দক্ষিন চায়না সাগরের উপর দিয়ে আকাশে উড়েছিল উড়োজাহাজটি। মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর থেকে উড্ডয়নের পর গন্তব্য ছিল চীনের বেইজিং। ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই এর সঙ্গে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। রাডারের সাথে শেষবার যখন যোগাযোগ হয়েছিলো, তখন বিমানের অবস্থান ছিলো থাইল্যান্ডের উপসাগরীয় অঞ্চলে। বিমানটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫ হাজার ফুট উপর দিয়ে উড্ডয়ন করছিলো। এবং সে সময়ে আবহাওয়া ছিলো ঝকঝকে পরিস্কার। বিমানটি নিখোজঁ হবার আগ মূহুর্তেও কোন ধরনের ঝড় বা বিপদের কোন সংকেত ছিলো না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিমানটি খুব সম্ববত মাঝ আকাশেই ধ্বংস হয়ে গেছে। এবং তাদের এই ধারনার পেছনে কারন হলো, বিমান থেকে নির্গত তেল পাওয়া গেছে সাগরের উপরে ভাসমান। এরপর দেখো গেলো একটা কমলা রংয়ের বস্তু সাগরে ভাসমান যেটা জরুরী সময়ে ব্যবহার্য প্লাষ্টিকের ভেলা যা বাতাস দিয়ে ফুলাতে হয়, তারপর দেখা গেলো সাদা রংয়ের একটা বিমানের দরজা সাগরে ভাসমান। এমনকি গতকাল ভিয়েতনামের কাছেও কিছু ধ্বংসাসবেষ দেখা গিয়েছিলো। কিন্তু পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পর এক এক করে এইসব গুলোকেই MH370 এর “কোন অংশ নয়” বলে ঘোষনা করা হয়েছে। সুতরাং, MH370 নিয়ে সবাই চারদিন আগে যে অন্ধকারে ছিলো, এখনো সেই অন্ধকারেই রয়েছে।

এদিকে কয়েকটা ফোরামে দেখলাম, নিখোজঁ বিমানটা নিয়ে শখের গোয়েন্দারা নিত্য নতুন সব থিওরির তুবড়ি ফুটিয়ে যাচ্ছে। তার কতগুলো খুবই যৌক্তিক, কতগুলো রীতিমতো আতঁকে ওঠার মতো! তার কয়েকটা সংক্ষেপে নীচে দেয়া হলো।

১) সন্ত্রাসী হামলা: প্রথমেই তারা এই ধারনটা করছে। মালয়শিয়ান বিমান কতৃপক্ষ ২ জন অতি সন্দেহজনক যাত্রীর তথ্য প্রকাশ করেছে যারা আদতে ভূয়া পাসপোর্ট দিয়ে বিমানে ঢুকেছিলো। চায়নিজ এক সংবাদ মাধ্যম থেকে প্রকাশ, গতপরশু সকালে একটা জংগী সংগঠন এক ইমেইল বার্তায় দাবী করেছে, তারা হামলার জন্য দায়ী। সেখানে লেখা হয়েছে, “আমাদের একজনকে হত্যা করা হবে, তার বদলে আমরা ১০০ জনকে হত্যা করবো।” কিন্তু কতৃপক্ষ এটাকে স্রেফ বানোয়াট ইমেইল বলে উড়িয়ে দিয়েছে। বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন।

আবার, জংগীরা কোনভাবেই জড়িত নয় – এটাও কতৃপক্ষ মানতে নারাজ। উল্লেখযোগ্য যে, চায়নার কুমিং শহরে ছুরিকাঘাত করে ২৯ জনকে হত্যার মাত্র ১ সপ্তাহ পরই বিমানটি নিখোজঁ হলো। হত্যাকান্ডগুলো চায়নার Uighur মুসলমান সংখ্যালঘু দলের সাথে কোন না কোনভাবে সংযুক্ত এমনটাই বিশ্বাস করে বিশ্লেষকরা।

২) বিমানটি উত্তর কোরিয়াতে আছে: এটা সবাই জানে যে, বর্তমান পৃথিবীর সবচাইতে গোপনীয়তাপ্রিয় জাতি হচ্ছে উত্তর কোরিয়ানরা। তারা বলতে গেলে প্রায় সমস্ত পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন। নিজের দেশের লোক আক্ষরিক অথেই না খেয়ে মরছে সেদিকে কোন খেয়াল নেই, উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট দেশের সমস্ত আয় উপার্জন খরচ করছে মিলিটারি অস্ত্র বানাতে, মিসাইল বানাতে। MH370 এ যে পরিমান জ্বালানী ছিলো তা উত্তর কোরিয়ায় উড়ে যাবার মতো যথেষ্ঠ এবং উত্তর কোরীয় সরকার সেটা অনুমোদনও করতো। কারন এয়ারলাইন হাইজ্যাকিং কোরীয় সরকার এর আগেও করেছে।

৩) ১ ঘন্টার ব্যতয়: কিছু সংবাদ মাধ্যম প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করেছে, মালয়শিয়ান কতৃপক্ষ থেকে কেন ১ ঘন্টার সময় ব্যতয় প্রকাশিত হলো? মালয়শিয়া এয়ারপোট প্রথমে বলেছে, প্লেন টেক অফ করেছে রাত ১২টা ৪১ এ এবং অদৃশ্য হয়ে যায় রাত ২টা ৪০ মিনিটে। রাডারের অবস্থান ছিলো সুবাং, কুয়ালালামপুরে। পরে আরেকজন মুখপাত্র জানায়, প্লেনের সাথে কন্ট্রোল টাওয়ারের শেষ কথপকথন হয়েছিলো রাত ১টা ৩০ এ। কিন্তু রাত ২ টা ৪০ এর আগ পযন্ত বিমানটি মালয়শিয়ার রাডার থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়নি। এরপরেই আবার আরেকটি সূত্র থেকে জানা যায়, MH370 এর সাথে শেষবার কথা হয়েছিলো ১টা ২২ এ আর রাডারের সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয় তার ৮ মিনিট পর। রাত ১ টা ৩০ এ। [সূত্র: এখানে]

৪) বিমানটি কোন একটা অতি গোপন বিমানপোতে রয়েছে: এই ধারনটা রীতিমতো রোমাঞ্চকর! কিন্তু কল্পনাপ্রসূত নয়। কারো কারো ধারনা, সন্ত্রাসীরা বিমানের সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে, রাডারকে ফাকিঁ দিতে সক্ষম এমন উচ্চতায় বিমানকে নিয়ে গিয়ে (অথবা নামিয়ে দিয়ে) পাইলটকে বাধ্য করেছে ভিয়েতনামের কোন একটা পরিত্যক্ত বিমানপোতের দিকে নিয়ে যেতে, যেটা ২য় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে অব্যবহৃত হয়ে পড়ে ছিলো। বিমানে ৭ ঘন্টা উড্ডয়নের মতো জ্বালানী ছিলো। এবং গত কয়েকদিনে বিমানের কোন ধ্বংসাসেবষ না পাওয়াটা এই ধারনকেই যেন সমর্থন করে।

এই ধারনাটা আরো এগোয়, কেউ কেউ বলেন, বিমানটিকে ক্লকিং করা হয়েছে। এটা অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তির একটি বর্ম যেটা শুধুমাত্র যুদ্ধাবস্তায় ব্যবহার করার জন্য বানানো হয়েছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিমান বা জাহাজের মতো বড় বড় বস্তুকে রাডার তো রাডার, এমনকি মানুষের চোখ থেকেও অদৃশ্য করে ফেলা সম্ভব। আপনি এটার সামনে দিয়ে যাবেন কিন্তু চোখে দেখতে পাবেন না। ক্লকিং করার প্রযুক্তি নিয়ে চীন আর আমেরিকার মধ্যে অনেকদিন ধরেই প্রতিযোগীতা চলছে। [সূত্র: এখানে]

নিখোঁজ হওয়া বিমানের ২০ জন যাত্রী ছিলেন আমেরিকার টেক্সাসে অবস্থিত ফ্রিস্কেল কোম্পানির কর্মকর্তা। ফ্রিস্কেল হচ্ছে পৃথিবীখ্যাত সেমিকন্ডাকটর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। সারা পৃথিবীতে তাদের তৈরী ১৭ বিলিয়ন সেমিকন্ডাকটর ব্যবহৃত হচ্ছে। এবং ক্লকিং প্রযুক্তিটির ব্যাপারে ফ্রিস্কেল বিশেষভাবে অভিজ্ঞ। এখন প্রশ্ন হলো, জংগীরা (অথবা চক্রান্তকারীরা) কেন এ কাজ করবে? সম্ভাব্য উত্তর হচ্ছে: হয়তো নাইন ইলেভেনের মতো আরেকটা ঘটনার জন্ম দিতে!

৫) ফোন বেজেছে কিন্তু কেউ ধরেনি: মধ্য এশিয়ার কিছু সংবাদমাধ্যম প্রকাশ করেছে যে, হারিয়ে যাওয়া বিমানযাত্রীদের স্বজনেরা তাদেরকে ফোন দিয়েছে এবং যতবারই দিয়েছে ততবারই রিং হয়েছে কিন্তু কেউই ফোন ধরেনি। (এই ঘটনা সত্য হলে বিমানটি মাঝ আকাশে ধ্বংস হবার ধারনটি বাতিল হয়ে যাবে)। [সূত্র: এখানে]

৬) বিমানে এমন একজন যাত্রী ছিলো যার নাম মালয়শিয়ান কতৃপক্ষ প্রকাশ করতে চায় নি। একটি পূর্ণ যাত্রী তালিকার ছবি ওয়েবে পাওয়া গেছে যেখানে ৮৪ নম্বর যাত্রীর নাম কতৃপক্ষ ঘোলা করে দিয়েছে যাতে করে তার নাম না বোঝা যায়।
মালয়শিয়ান কতৃপক্ষ এ ব্যাপারে কিছু বলেনি তবে ঐ ৮৪ নম্বর যাত্রীর পরিচয় পাওয়া গেছে। সে একজন চাইনিজ আদীবাসি।

৭) ভীনগ্রহবাসী: যখন আস্ত একটি বানিজ্যিক জেট বিমান বেমালুম বাতাসে মিলিয়ে যায়, এবং যেটা খুজেঁ পাওয়া তো দূরের কথা এখন পযন্ত কেউ ঘটনার কোন ব্যাখাও দিতে পারেনি, পৃথিবীর বাঘা বাঘা সব প্রযুক্তি যেখানে গত ৪ দিন ধরে খুজেঁও বিমানের টিকির দেখাও পায়নি, এবং আরো গুরুতর বিষয় হচ্ছে, মালয়শিয়ান বিমান কতৃপক্ষ অনেক সত্যই মিডিয়ার সামনে লুকাতে চাচ্ছে, সেখানে সমভাবাপন্ন মানুষরা সহজেই ধারনা করবেন যে, এটা হয়তো এলিয়েনদেরই কাজ।

বোদ্ধারা অবশ্য এ ব্যাপারে কিছুই বলছেন না। শুধু বলছেন – The truth is out there.

(দ্য সিডনী মর্ণিং হেরাল্ড অলম্বনে প্রলয় হাসান)

৫ thoughts on “মালয়শিয়ার হারিয়ে যাওয়া এয়ারলাইনার ও কিছু কানস্পিরেসি থিওরী!

  1. যাত্রীদের ফোন বাজছে অথচ কোথায়
    যাত্রীদের ফোন বাজছে অথচ কোথায় তারা আছেন তা জানা যাচ্ছে না!বিষয়টা আসলেই রহস্যজনক ।

    আমার মনে হয় ব্যাপারটি বারমুডা ট্রায়াঙ্গল সম্পর্কিতই হবে ।

      1. কোনটা, বিমান দুর্ঘটনা না
        কোনটা, বিমান দুর্ঘটনা না বারমুডা ট্রায়াঙ্গল?

        ও হ্যা ডন ভাই, সমস্যা না থাকলে আপনার সিগনেচারটা বাংলা করে নিয়েন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *