মন খারাপের দিনগুলো

খুব উৎসাহ নিয়ে ব্লগে এসেছিলাম; ভেবেছিলাম নিয়মিত লিখতে পারব, সাথে অন্যদের লেখাও পড়তে পারব। কিন্তু নানা ঝামেলা ও সমস্যার জন্য
লিখতে পারিনি, পড়া তো অনেক পরের ব্যাপার। ভর্তি পরীক্ষা, ট্যাব চুরি হয়ে যাওয়া এবং দীর্ঘ দুই মাস প্রচণ্ড শারীরিক অসুস্থতার জন্য লিখতে পারিনি।
ভেবেছিলাম ভর্তির ঝামেলা শেষ হলেই লিখতে বসব, কিন্তু কিসের কী! আলসেমির জন্য লিখতেই পারছিলাম না। অবশেষে শরীর ও মনের সাথে
তুমুল যুদ্ধে জয়ী হয়ে আজ দীর্ঘ প্রায় নয় মাস পর লিখছি।

প্রায় দুই মাসের দীর্ঘ ক্লান্তিময় দৌড়াদৌড়ির পর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশাধিকার পেলাম। এত দিন বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মনে মনে অনেক রোমান্টিসিজম,

খুব উৎসাহ নিয়ে ব্লগে এসেছিলাম; ভেবেছিলাম নিয়মিত লিখতে পারব, সাথে অন্যদের লেখাও পড়তে পারব। কিন্তু নানা ঝামেলা ও সমস্যার জন্য
লিখতে পারিনি, পড়া তো অনেক পরের ব্যাপার। ভর্তি পরীক্ষা, ট্যাব চুরি হয়ে যাওয়া এবং দীর্ঘ দুই মাস প্রচণ্ড শারীরিক অসুস্থতার জন্য লিখতে পারিনি।
ভেবেছিলাম ভর্তির ঝামেলা শেষ হলেই লিখতে বসব, কিন্তু কিসের কী! আলসেমির জন্য লিখতেই পারছিলাম না। অবশেষে শরীর ও মনের সাথে
তুমুল যুদ্ধে জয়ী হয়ে আজ দীর্ঘ প্রায় নয় মাস পর লিখছি।

প্রায় দুই মাসের দীর্ঘ ক্লান্তিময় দৌড়াদৌড়ির পর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশাধিকার পেলাম। এত দিন বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মনে মনে অনেক রোমান্টিসিজম,
অনেক পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু ভর্তির অদ্ভুত আলস্যে শরীর, মন ভরে গেল; আগের চেয়ে অনেক বেশি হোমসিক হয়ে গেলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি
হয়ে সবাই কত খুশি হয়, কত আনন্দ করে, কিন্তু কোন এক অদ্ভুত কারণে আমার মনটা খারাপ হয়ে গেল। মাঝে মাঝেই ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে ইচ্ছে
করে। আসলে আমি কখনো দায়িত্ব নিতে চাইনি, বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার পর থেকেই মনে হচ্ছে-“আর বেশি দেরি নেই, সামনেই দায়িত্ব তার করাল বাহু
নিয়ে অপেক্ষা করছে।” আমি দায়িত্ব দেখে আতংকিত হয়ে যাই, আমি আমার শৈশবে ফিরে যেতে চাই “ল্যাংটা ছিলাম ভালো ছিলাম” গান গেয়ে।

ক্লাশ শুরু হয়েছে গত মাসে, কিন্তু এখনো ডিপার্টমেন্টের দুই-তিনজন ছাড়া কাউকেই চিনি না। প্রত্যেকেই বন্ধু জুটিয়ে হই হই করে ক্যাম্পাস চষে
বেড়াচ্ছে, কিন্তু আমি এখনো কোন বন্ধু জুটাতে পারিনি। সারাদিন উদাসমুখে ডিপার্টমেন্টের আশেপাশে মন খারাপ করে ঘুরতে থাকি। বাড়ির জন্য মন
খারাপ, ফেলে আসা জীবনের জন্য মন খারাপ, ফেলে আসা বন্ধুদের জন্য মন খারাপ, পুরনো দিনের জন্য মন খারাপ! বারবার মনে হয়-ইশ! যদি আবার
সেই পুরনো দিনে ফিরে যেতে পারতাম! কিন্তু সময় বড় নিষ্ঠুর! সময় বড় বিশ্বাসঘাতক! প্রবলভাবে চেষ্টা করছি নস্টালজিয়া আর হোমসিকনেস থেকে
বেরিয়ে আসার জন্য, আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি সফল হব।

২ thoughts on “মন খারাপের দিনগুলো

  1. থাকছেন কোথায় হস্টেলে ? নইলে
    থাকছেন কোথায় হস্টেলে ? নইলে তো হোমসিক হওয়ার কথা না ।
    লেখাটার সাথে আমার কলেজ জীবনের মিল পেলাম । অনেক রোমান্টিসিজ্যম নিয়ে গিয়েছিলাম , কিন্তু চোখ ধাঁধানো ঠাটবাট আমার মফস্বলীয় স্বভাবে ধাক্কা দিলো জোর । হয়ে গেলাম বোর । কিন্তু পরে বুঝছিলাম ইশশ ঐ সময় যদি অমন বেমানান না হতাম , আর কবিতা নিয়েই যাতা কিছু অলস চিন্তা না করতাম, তাহলে দিন :গোলাপ: :হাসি: :ফেরেশতা: গুলো আরো রঙ্গিন হত , প্রেম একটা হত জোরসে ! কিছুই তো হল না, বেলা বয়ে গেল…
    যাক গে , মুছে যাওয়া দিন গুলোর স্বভাবই এই – পিছু ডাকা !! আপনার ইউনিভার্সিটির আগামী দিনের শুভেচ্ছা রইল বন্ধু ।

  2. ব্যাপার না সব ঠিক হয়ে যাবে,
    ব্যাপার না সব ঠিক হয়ে যাবে, বন্ধুও জুটে যাবে ।
    বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিয়মিত লিখতে থাকুন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *