জামাত-শিবির বর্বর

এক্ষুনি সারাদেশে সেনাবাহিনী নামানো হোক। আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী পৃথিবীর অনেক দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অনন্য ভূমিকা রাখছে তাই আমরাও চাই- রাজাকার ও তাদের সহযোগীদের সন্ত্রাস মোকাবেলার জন্য এই মুহূর্তে দেশে সেনাবাহিনী নামানো হোক এবং সারাদেশে যুদ্ধপরাধীদের বিচার শেষ না হওয়া পরযোন্ত জরুরী অবস্থা জারী করা হোক। এবং যুদ্ধাপরাধীদের সাহায্যকারী হিসেবে বিচার করে ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তে রঞ্জিত বাংলার মাটিকে পবিত্র করা হোক।
————————————————————————————————————-
কাদের মোল্লা একাত্তরে মানুষ হত্যা করেছেন। প্রচলিত ও শরিয়াহ উভয় আইনেই তাঁর মৃত্যুদণ্ড হয়। পবিত্র কোরআনেও হত্যার বদলে হত্যার কথা বলা হয়েছে। অতএব যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি ছাড়া অন্য কিছুই মানবে না বাংলার মানুষ।’
————————————————————————————————————
ইয়াহিয়ার দূত :—–

সহিংসতায় দেশ বিরোধী
ছুড়ছে পাথর, বোমা ;
কারো কাছেই এবার তুমি
পাবে না আর ক্ষমা।
একাত্তরে পরাজিত
হিংস্র জানোয়ার;
ঘৃণার আগুন দিয়ে তোমায়
করব যে ছারখার।
রাজাকার আর দালাল, দস্য
ইয়াহিয়ার দূত;
তোমার মাথায় বসে আছে
পাকিস্থানি ভূত I
—————————————————————————————————–
জামাতের যে জঙ্গী কানেকশন আছে তা সবারই জানা,কারন বাংলাভাই ও শায়েখ আব্দুর রহমান জামাতেরই বাই প্রোডাক্ট । কঠোর হাতে এইসব জঙ্গীদের দমন করে দেশকে জঙ্গীমুক্ত করতে হবে তা না হলে আমাদেরকেও পাকিস্তানের মত ভাগ্যবরন করে নিতে হবে।
———————————————————————————————————
প্রতিরোধ করুন! প্রতিরোধ করুন!হিন্দু মুসলমান দাংগা লাগাতে জামাতিদের চেষ্টা। যেমনটা অনুমান করেছিলাম। রায় ঘোষনার পর পরই চট্টগ্রামসহ দেশেরবিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাড়ি ঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং মন্দিরে ভাংচুর করেছে।
——————————————————————————————————–
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হবার পর জামাতের লেজ দেখা যাচ্ছিল। এখন পুরো আবয়ব বের হয়ে পড়েছে। একাত্তরে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যা করেছিল আজ ৪২ বছর পরেও তারা তাই করে যাচ্ছে। সরকারকে এখন কঠোরতম অবস্থানে যেতে হবে। পুরো শক্তি দিয়ে এদের দমন করতে হবে। ‘৭১- এ রাজাকার-জামায়াত নিধন না করার মূল্য আজকে দিতে হচ্ছে। ‘১৩- এর যুদ্ধের পর যেন এদের আর কোন নাম-নিশানা না থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে।

২ thoughts on “জামাত-শিবির বর্বর

  1. যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু

    যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হবার পর জামাতের লেজ দেখা যাচ্ছিল। এখন পুরো আবয়ব বের হয়ে পড়েছে। একাত্তরে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যা করেছিল আজ ৪২ বছর পরেও তারা তাই করে যাচ্ছে। সরকারকে এখন কঠোরতম অবস্থানে যেতে হবে। পুরো শক্তি দিয়ে এদের দমন করতে হবে। ‘৭১- এ রাজাকার-জামায়াত নিধন না করার মূল্য আজকে দিতে হচ্ছে। ‘১৩- এর যুদ্ধের পর যেন এদের আর কোন নাম-নিশানা না থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে।

    হুম, কিন্তু করতে হবে কৌশলে। মাইর হবে কিন্তু সাউন্ড হবেনা। 😀

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *