কবি ও ইশ্বর…(প্রাপ্তবয়স্ক ও প্রাপ্তমনস্ক পাঠকের জন্য গল্প)

গল্পের শুরুতেই কবি বলে দিলেন এটা কোন গল্প নয়, এর শুরু বা শেষ নেই। এটা হল অনিঃশেষ ভ্রমন, নিজের হাত ধরে নিজের হেঁটে যাওয়া।
কবিতা অথবা কষ্টও কি সে ভ্রমনের সঙ্গী হতে পারে?
হুম পারে, কবির হাতে তখন ছাতা। বিশাল ছায়া ছাপিয়ে তার অর্ধেকটাই মাটিতে ভাস্বর। আকাশে রোদ, রোদ্দুর, রৌদ্র।মৃত্তিকায় জলের তৃষ্ণা।
কবি ভাবেন নিজের শরীর নিয়ে, যৌনতা, শারিরীক সম্পর্ক নিয়ে।
কবি কি ইশ্বর নিয়ে ভাবেন। নাকি শরীর স্বর্বস্বতাই সব!

ইশ্বর কি নগ্ন হন? তাঁর কি মিলনের বাসনা জাগে? কে এই ইশ্বর?

গল্পের শুরুতেই কবি বলে দিলেন এটা কোন গল্প নয়, এর শুরু বা শেষ নেই। এটা হল অনিঃশেষ ভ্রমন, নিজের হাত ধরে নিজের হেঁটে যাওয়া।
কবিতা অথবা কষ্টও কি সে ভ্রমনের সঙ্গী হতে পারে?
হুম পারে, কবির হাতে তখন ছাতা। বিশাল ছায়া ছাপিয়ে তার অর্ধেকটাই মাটিতে ভাস্বর। আকাশে রোদ, রোদ্দুর, রৌদ্র।মৃত্তিকায় জলের তৃষ্ণা।
কবি ভাবেন নিজের শরীর নিয়ে, যৌনতা, শারিরীক সম্পর্ক নিয়ে।
কবি কি ইশ্বর নিয়ে ভাবেন। নাকি শরীর স্বর্বস্বতাই সব!

ইশ্বর কি নগ্ন হন? তাঁর কি মিলনের বাসনা জাগে? কে এই ইশ্বর?
গুনি বলেছেন ও নিষিদ্ধ প্রশ্ন, সর্ব্বনাশ ডেকে আনে। ইশ্বর সকল প্রশ্নের উর্ধে।
ওই নিরাকার ইশ্বরকে সাকার করে তার শরীরটুকু ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছে করে কবির, ইচ্ছে করে ইশ্বরের জড়ায়ুমুখে ঠেসে ধরতে ক্লান্ত লিঙ্গের বিধ্বস্ত মুখ,কোটি শুক্রাণুর লড়াকু প্রতিযোগিতায় একটিও যদি ভ্রুন হয়ে গেঁথে যায় তার পেটে!
তিনি কি গর্ভবতী হবেন?
স্বয়ম্ভুর উদরে যে সন্তান জন্মাবে কে সে?মানব নাকি স্বয়ম্ভুপুত্র? নাকি দেবকন্যা? ইশ্বরী?

কবি হাসেন।
পাজামার গিট খুলে রমনীয় উল্লাসে দাঁড়ালে তিনিও স্রষ্টা।
দক্ষিনে দক্ষিনেশ্বরের মঠ, চৌদিকে চৌচির মাঠ জল চায় জল। তেষ্ঠার্ত। কবির প্রস্রাবে তার কতোটাই মেটে। বড়জোর মৈথুনে।
দু ক্রোশ হেঁটে গেলে কদমতলির হাঁট,সেখানে এক বেশ্যা আছে হেয়ালি করে কথা বলে। কবি তার স্তন নিয়ে দু’রাত খেলা করে দেখেছেন মন থেকে যদি কাম না জাগে তবে কি জাগে শরীর?
লালন এ কথা বলেছেন?
কুষ্টিয়ার শ্রীমান পুরুষের অমর বাণী এখনো নাড়া দেয়। এখনো বলে মরমী সাধনা নিয়ে যায় মনের মানুষের নিকটে। কবি তাকেই খুঁজে ফেরেন।

“তারে ধরি ধরি মনে করি ধরতে গেলেম আর পেলেম না, দেখেছি রূপ সাগরে…”

মনের মানুষ কাঁচা সোনা? হয়তো। তাকে শুদ্ধতা দেয় প্রেম, ছাঁচে ফেলে আকার দেয় লালসা। ইশ্বরের প্রতি লোভের নামই কি প্রার্থনা নয়?

মানুষ তার একজীবন কাটিয়ে দেয় স্বর্গের আশায়, ইশ্বরকে সবাই ভয় পায়। নরকাগ্নির ভয়। স্বর্গের ওপর পিঠে নরকের ভয়। “নার”…”যাক্কুম”…”গুর্জ”…”আইয়ামে বরযখ”…”সর্প দংশন”…।

তারপর?

মহাকবি মনসুর হাল্লাজ বলেছিলেন “আনাল হক”মানে আমিই সত্য। ইশ্বর কি তাতেই ভর করেছিলেন?
মারেফাতের মর্মার্থ বলে ফানাফিল্লাহ হও, ক্বলবে কলংক নয় প্রেম লয়ে বাকিবিল্লাহ হয়ে যাও। প্রেম, অমর প্রেম নিজেকে নিয়ে যায় ভ্রমরের পর্যায়ে। ইশ্বর তখন পবিত্র ফুল হয়ে হৃদয়ে নামেন, সাধক তাঁর সাধনার সর্বোচ্চ ঢেলে বলে উঠেন “আমিই ইশ্বর “…।

কবি নিজেকে ইশ্বর ভাবেন। ভেতরের আকাঙ্ক্ষারা জাগে। পশ্চিমে পরমেশ্বরের ঘাট, সেখানে উদ্ভিন্ন তরুনীর স্নান দেখে কবি কামার্ত হন, পূর্বে প্রশান্তপুরের রাস্তা, সেখানে ফাঁটা বসনের এক পাগলিনী বসে থাকে তার তলদেশে ক্ষৌরকার্যহীন আগাছা ডিঙিয়ে সাবলীল পোঁদ, মসৃন, আকর্ষনাভ, অমৃতসম আলুলায়িত গোপন কেশ দেখে কবি কামার্ত হন। কবি তখন ইশ্বর তার সকল আবেগ নারীর দেহে কেন্দ্রিভুত।
তবে কি ইশ্বর পুরুষ? “পুরুষোত্বম সত্য?”
কবির ভাবের দুয়ারে বদলের ভার। ইশানে ইন্দ্রের মতো এক পুরুষ নিদ্রামগ্ন, প্রবল পবনে উল্লাসিত বস্ত্র উড়ে উড়ে ফেরে কোমড়ে,ওই অচেনা পুরুষের নেতানো লিঙ্গ তাকে কামার্ত করে, সবে ষোল পেরুনো কিশোরের প্রিষ্ঠদেশ কচি কাঁকরের মতো কোমল বক্ষকেশ কবিকে কামার্ত করে।কবি তখনো ইশ্বর।
তবে ইশ্বর নারী?

কবি ভাসেন। মৌনস্বত্ত্বার মৃত্যুহীন মলিনতা শেষে কবির অন্তর তখন মানুষের, কবি তখন কবি। ইশ্বর, নবী বা দেবতা নন। কবি কেবলই কবি। প্রেম কাম লালসার উর্ধে।
তবুও কি ওই চাঁদ সুরুজের সাথে মিলনের বাসনা জাগেনা!
প্রেমিকার এক স্তন চন্দ্র অন্যখানে সূর্য্যালোকের দীপ্তি প্রোজ্বলিত দিব্যদৃষ্টিতে, নাভীতে নরকের আগুনের মতো শিরশিরে শীহরন, যোনীতে যমের হুংকার বিলীন হয় হেলায়, লিঙ্গের অকৃত্রিম দাপটে কবি গঙ্গাস্নান সেরে নেন।তবে কি যোনিপথই আকাশগঙ্গা? যার পার ধরে হেঁটে গেলে ধ্যানে আছেন মহাদেব শীব। একদিকে পার্বতী অন্যদিকে কালী।
কবির মনে পড়ে, প্রথম উত্থানের স্বাদ তাকে দিয়েছিলো কালীমূর্তির বিবস্ত্রবক্ষ রুদ্রমূর্তির আড়ালে কি অফুরান কামনা! সেদিন রাতেই কমে এসেছিলো পূজারীর ভীর, কবি তার মৃত্তিকালেপিতো স্তনে চুমোয় চুমোয় ভরিয়ে দিয়েছিলেন নিশ্চুপ দেবালয়। সে থেকে বর্ষন শুরুর আগে অশ্বত্থের তলায় বিসর্জিত দেবীর সাথে কবি, কবির সাথে দেবী বারকয়েক মিলিত হয়েছেন।
বিষ্ণু তখন সমুদ্রজলে জলকেলিতে মগ্ন,কৃষ্ণের প্রেমে মগ্ন রাধিকা, তার নগ্ন শরীর দেখার লোভ জাগে কবির। আহা স্বপ্ন। কৃষ্ণের প্রতি ইর্ষা জাগে তার। হরিতে লুট হন কবি চৈতন্যের পথ ধরে নিত্যানন্দের অনন্ত আনন্দে।

তারা তার কতোটুকু জানে?

কবি যা জানেন তোমরা তা জানোনা।

মাতা ম্যারির গর্ভে কিভাবে জন্ম হয়েছিলো যিশুর?
যিশুর পিতা ভগবান নন, কবি বললেন তিনিই ছিলেন যিশুমাতার অবৈধ প্রেমিক, আজকাল ক্রুসেডের অগ্রভাগে ধর্মান্ধ সৈনিকেরা সে কথা জানেনা। জানলে আজ কবির পদতলে পুষ্পবৃষ্টি হতো।
কবি বদলে দিতেন ধর্মগ্রন্থের সকল অপূর্নতা, অপূর্ব অনুরাগের যাদুকরী ষ্পর্শে।

আজকাল মদ ও মোহনীয় নারীর ষ্পর্শে কবিই ভগবান, গোপীগন সব কামিনীর বেশে বেশ্যাবৃত্তিতে লিপ্ত। কন্টক নয় পথের সমুখে বিছানো আঁধারের দেয়াল। কবির সমুখে ছড়িয়ে আছে কোরাইশ সম্প্রদায়ের কঠিন পাথর,উন্নত ক্রুশ, আগুনের অনন্ত গোলায়ত পথ অর্ধবৃত্তাকার, যেখানে সীতার অগ্নিপরীক্ষা হয়েছিলো অগ্নিপূজক ভন্ড রামের হাত ধরে। প্রশ্ন জাগে, যেখানে কবির আছে রামের কি দিব্যদৃষ্টি ছিলোনা?
কে বলে রাম ইশ্বরের প্রতিরূপ?
সে সেযুগের ভন্ড প্রতারক,হনুমানের নাম করে জয় করে লঙ্কার শ্রীযুক্ত ভুমি। কবির অদৃশ্য লেজে তখন আগুন।

সর্বধর্ম আজ বিপক্ষে কবির।

কবি তখন কবিতেই লীন।
কবির সামনে পেছনে কবি ছাড়া আর কিছু নেই।

কবি বললেন গল্পের এখানেই শুরু, কবে শেষ তা একমাত্র কবিই বলতে পারেন…

২১ thoughts on “কবি ও ইশ্বর…(প্রাপ্তবয়স্ক ও প্রাপ্তমনস্ক পাঠকের জন্য গল্প)

  1. বিশাল কঠিন…।
    মাথার উপ্রে

    বিশাল কঠিন…।
    মাথার উপ্রে দিয়া গেলো…। :কেউরেকইসনা: :কেউরেকইসনা: :কেউরেকইসনা: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই:

  2. আপনি কি আসলেই কিছু বুঝতে
    আপনি কি আসলেই কিছু বুঝতে পারেননি?তাহলে এ লেখার স্বার্থকতা থাকলো কোথায়!!!যদি পাঠকই বুঝতে না পারলো???
    এবসার্ডধর্মী গল্পগুলোর একটা আলাদা ব্যাকরন থাকে,এতেও ফিউশন আনা যায়।আমি তো শুধু পরীক্ষামূলক কিছু কাজ করে যাচ্ছি।

    পাঠক বুঝতে না পারলে তো এ ধারায় কাজ করার পরিকল্পনা বাদ দিতে হবে। 🙁

    1. আরে ধুর, শুধু আমার মন্তব্য
      আরে ধুর, শুধু আমার মন্তব্য দিয়ে কি হবে! ।বাকিরা বুঝবে আশা করি। আমি সবকিছু একটু কম বুঝি কিনা।

  3. অতীব কাঠ্যিন্য। তবে যেটুকু
    অতীব কাঠ্যিন্য। তবে যেটুকু বুঝলাম, একজনকে আকাশে তুলে, ফেলে দিয়ে, ময়দা দিয়ে মুড়িয়ে, মাথায় ঘোল ঢেলে বিতাড়ন করা হচ্ছে।

      1. ডন মাইকেল ভাই আমাকে বলেছিলেন
        ডন মাইকেল ভাই আমাকে বলেছিলেন লেখালেখিতে সিরিয়াস হবার জন্য। সিরিয়াস লেখার এই দশা দেখেন,রিতিমত যারা নিয়মিত সাহিত্যের পাঠ নেন তাদেরও মাথার উপর দিয়ে গেছে লেখাটি।কারন এই লেখাটা আমি হেলায় ফেলায় খেলাচ্ছলে লিখিনি।এটা লিখতে আমাকে পপরিশ্রম করতে হয়েছে।

        আপনারা যারা প্রবন্ধ পোষ্ট করেন তারা তো বাঁচেন।চামে পড়লে স্টিকি হয়,পাঠকও নেহায়েত কম নয়।
        আমাদের মতো ছোটখাটো গল্প ও কবিতা লেখকদের সস্তা লেখাই চলে বেশী ভাইডি,তা হোক লিটল ম্যাগ,ব্লগ অথবা কোন পত্রিকা।

        সিরিয়াস লেখা কেউ বোঝেনা, কারন লেখক সিরিয়াস হতে চাননা,লেখক সিরিয়াস হতে চাননা কারন সিরিয়াস পাঠক খুব কম।খুব খুব খুব কম।বাকিরা লেখায় মজা চায়,সেক্স চায়,থ্রিল চায়,রোমান্স চায়।

        এটাই চলে আসছে।

        মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ প্রিয় ডন ভাই।আপনার হাসিটা খুব সুন্দর।

        ♥♥♥

        1. রাজু ভাই, মাথার উপরে দিয়া
          রাজু ভাই, মাথার উপরে দিয়া গেছে দেইখাই সবার মাথার উপরে এই লেখা এখনও আছে।

  4. আরে ধুর, শুধু আমার মন্তব্য

    আরে ধুর, শুধু আমার মন্তব্য দিয়ে কি হবে! বাকিরা বুঝবে আশা করি। আমি সবকিছু একটু কম বুঝি কিনা।

    আমারও একই কথা ।

  5. অস্বাধারণ।
    যিশুর পিতা ভগবান

    অস্বাধারণ।

    যিশুর পিতা ভগবান নন, কবি বললেন তিনিই ছিলেন যিশুমাতার অবৈধ প্রেমিক, আজকাল ক্রুসেডের অগ্রভাগে ধর্মান্ধ সৈনিকেরা সে কথা জানেনা। জানলে আজ কবির পদতলে পুষ্পবৃষ্টি হতো।

  6. শুনলাম আওয়ামী ওলামালীগ নাকি
    শুনলাম আওয়ামী ওলামালীগ নাকি আবার ক্ষেপছে।তাই কোনোপ্রকার প্রশংসা বাক্য ব্যাবহার করলামনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *