রক্তেভেজা একুশের ফেব্রুয়ারির বিশ্বদরবারে স্বীকৃতি এবং নিতান্ত অচেনা কিছু রফিক-সালামের কথা…


রফিকুল ইসলাম। ২০ নভেম্বর ২০১৩, ভ্যানকুভারে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন…



রফিকুল ইসলাম। ২০ নভেম্বর ২০১৩, ভ্যানকুভারে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন…

বহু গবেষণা আর চিন্তাভাবনায় আজ এটা সর্বজনস্বীকৃত যে, ভারতীয় উপমহাদেশ অতি উদ্ভটভাবে ভাগ করা ছিল ইংরেজদের সবচেয়ে নিকৃষ্ট কূটচালগুলোর মধ্যে অন্যতম। এরপক্ষে যথেষ্ট যুক্তিও আছে। নিতান্তই গাঞ্জার নেশায় চরমভাবে বুঁদ হয়ে না থাকলে এরকম আবলামি সম্ভব না। নাহলে মাঝখানে প্রায় ১২০০ মাইলের বিশাল ভারতীয় ভূখণ্ড রেখে কিভাবে শুধু ধর্মের নামে দুটো একবারেই ভিন্ন জাতিকে পাকিস্তান নাম দিয়ে একদেশ বানাবার চিন্তা কোন সুস্থ মস্তিস্কে আসবে না। তো ১৯৪৭ সালে লর্ড মাউনবাটেন যখন দুই পুরিয়া গাঞ্জা আর এক পেগ ভদকা খেয়ে ভারতীয় উপমহাদেশ ভাগের নামের এরকম প্রহসন করছিল, তখন সে নিজের অজান্তেই উন্মুক্ত করেছিল এক সুপ্ত আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ। বৃথাই চেষ্টা করেছিল সে আগ্নেয়গিরির উপর পাকিস্তান নামের একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে। তার সে চেষ্টা যে কতো বড় বালখিল্য একটা ব্যাপার, সেটা প্রমান হয়ে গেল ‘৪৮শেই। ফাকিস্তনের কুক্ষাত কায়েদে মারখোর মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ আগ্নেয়গিরির সূতিকাগার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে যখন ঘোষণা দিলেন, তখন প্রথম বিস্ফোরণ ঘটলো সেই আগ্নেয়গিরিতে.. যদিও সেই বিস্ফোরণটা ছোটখাট ছিল, কিন্তু এটাই ছিল শুরু মাত্র… ফাকিস্তনের তৎকালীন সরকার যে অগ্ন্যুৎপাতের ভয়াবহতা অনুধাবন করতে পারেনি। যে ঐশ্বর্যশালী ভাষায় সৃষ্টি হয়েছে একের পর এক মহাকাব্য, জন্মের পর থেকে মমতাময়ী মা মুখের যে মধুর বুলি হৃদয়ে ধারন করে মায়ের সাথে খুনসুটিতে মেতেছি, যে অসাধারন ভাষায় বলেছি জীবনের প্রথম কথা, লিখেছি জীবনের প্রথম লেখা, দুর্মূল্য দুষ্প্রাপ্য রতনের চেয়েও দামি যে ভাষায় হেসেছি, কেঁদেছি, করেছি প্রানখুলে চিৎকার, যখন মাথায় পুরীষ ভরা কিছু মারখোর এসে বলতে চাইল, আমাদের সে ভাষা ভুলে যেতে হবে, ঠিক সে মুহূর্তটায় যেন আমরা বিস্মিত হতেও ভুলে গিয়েছিলাম। কিন্তু তারপরমুহূর্তেই গর্জে উঠলো বাঙ্গালী, যার লাভাস্রোতে ঝলসে গেল সবকিছু… ‘৫২ য়ের ৮ই ফাল্গুন, ইংরেজি একুশে ফেব্রুয়ারি তাই শুধু একটা সাধারন দিনই নয়, এটা এক অনলবর্ষী খাপখোলা তলোয়ার, এক অনন্তবিস্তৃত লাভাস্রোত, যে লাভা স্রোতের দিগন্তে আমরা পেয়েছিলাম এক স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ… মায়ের মুখের বুলির অধিকার আদায়ের জন্য বাঘের গর্জন করতে করতে বুকের তাজা রক্ত খোলা রাজপথে ঢেলে দেওয়ার মত যে সাহস এবং ভালোবাসা দেখিয়েছিল বাঙ্গালী, সেটা দেখাবার কথা কল্পনাও করতে পারেনি আর কোন জাতি…

এরপর পার হয়ে গেছে অনেকদিন। আজ ২১শে ফেব্রুয়ারি পালন করা হয় দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে সারা বিশ্বজুড়ে, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে। ভাষাশহীদদের অভাবিত আত্মত্যাগকে প্রতিবছর স্মরন করি আমরা পরম শ্রদ্ধায়, পরম ভালোবাসায়। কিন্তু কিভাবে ২১ শে ফেব্রুয়ারির এই আত্মত্যাগ সম্পর্কে সারা বিশ্বের মানুষ জানল, কিভাবে এটা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পেল, কাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে সম্ভব হল এ স্বীকৃতি, সে ইতিহাস ধীরে ধীরে চলে গেছে আড়ালে… আমরা আজ অনেকেই জানি না, কি অসম্ভব কিচু চড়াইউৎরাই পার হয়ে একুশে পেয়েছে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি… সে ইতিহাস শ্বাসরুদ্ধকর, একই সাথে কিছু মানুষের অপরিমেয় দেশপ্রেমের হিরন্ময় উদাহরণও বটে…

নব্বই দশকের শেষদিকের কথা। কানাডা নিবাসী মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম হঠাৎ উপলব্ধি করলেন, মায়ের মুখের বুলির অধিকার আদায়ে অকাতরে রফিক-সালাম-জব্বারের আত্মত্যাগ পৃথিবীবাসীর সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন। ১৯৫২ সালে যে বীর রফিক মায়ের ভাষার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন, তার ৪৬ বছর পর আরেক রফিক সেই অভাবিত আত্মত্যাগকে পৃথিবীর সামনে তুলে ধরতে নামলেন এক অসম্ভব যুদ্ধে। ১৯৯৮ সালের ৯ই জানুয়ারী রফিক জাতিসংঘের তৎকালীন জেনারেল সেক্রেটারী কফি আনানকে চিঠি দেন। চিঠিতে ১৯৫২ সালে ভাষার জন্য বাঙ্গালীর আত্মত্যাগকে তুলে ধরে তিনি মহাসচিবকে প্রস্তাব করেন যেন একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তৎকালীন জাতিসংঘের মহাসচিবের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা হাসান ফেরদৌস এর নজরে আসে ব্যাপারটি। ১৯৯৮ সালের ২০ শে জানুয়ারী তিনি রফিককে পরামর্শ দেন প্রস্তাবটি জাতিসংঘের অন্য আরেকটি সদস্য রাষ্ট্রের কাছ থেকে একই প্রস্তাব আনার ব্যবস্থা করেন। একজন ইংরেজীভাষী, একজন জার্মানভাষী, একজন ক্যান্টোনিজভাষী, একজন কাচ্চিভাষী সদস্য নিয়ে চিরায়ত বাঙ্গালী চেহারার সাধারণ দেখতে এই মানুষটির ভেতরে থাকা অসাধারন চেতনার অমিত স্ফুরনে গঠিত হয় Mother Language Lovers of the World”। নামের একটি সংগঠন। সাথে ছিলেন আরেক সহযোদ্ধা আব্দুস সালাম। এবার তারা এই সংগঠনের পক্ষ থেকে আবার মহাসচিবের কাছে প্রস্তাব পাঠান। এবং ইউএনওর ক্যানাডিয়ান এম্বাসেডর ডেভিড ফাওলারের কাছে এই চিঠির একটা কপি প্রেরন করেন। কিন্তু এরপর সেরকম সাড়া না পেয়ে কিছুটা থমকে যায় কার্যক্রম।

কিন্তু হাল ছাড়েননি রফিক-সালাম। তারা এরই মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী এম এ সাদেক এবং শিক্ষা সচিব কাজী রকিবুদ্দিন, অধ্যাপক কফিলউদ্দিন আহমেদ, মশিউর রহমান (প্রধানমন্ত্রীর সেক্রেটারিয়েটের তৎকালীন ডিরেক্টর), সৈয়দ মোজাম্মেল আলি (ফ্রান্সে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত), ইকতিয়ার চৌধুরী (কাউন্সিলর), তোজাম্মেল হক (ইউনেস্কোর সেক্রেটারি জেনেরালের শীর্ষ উপদেষ্টা) প্রমুখ সবাইকে এই ব্যাপারতার গুরুত্ব অনুধাবন করাতে সক্ষম হন এবং তারা সবাই প্রায় ২৯ টি দেশের সমর্থন আদায়ে দিনরাত পরিশ্রম করতে থাকেন। ১৯৯৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে হাসান ফেরদৌস সাহেব রফিক ও সালামকে পরামর্শ দেন ইউনেস্কোর ভাষা বিভাগের জোশেফ পডের সাথে দেখা করতে। জোশেফ তাদের পরামর্শ দেন ইউনেস্কোর আরেক কর্মকর্তা আনা মারিয়ার সাতে দেখা করতে। এই ভদ্রমহিলা আমাদের ইতিহাসের এক খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কেননা সেদিন যদি ইনি খুব মনোযোগ দিয়ে পুরো ব্যাপারটি শুনে কার্যকরী ব্যবস্থা না নিতেন, তবে আমাদের স্বপ্নপুরনে আরও অনেক বাঁধার মুখোমুখি হতে হত… তার অবদানের কথা একজন ব্লগার স্মরন করেছেন এভাবে…

ইউনেস্কোর সদর দফতরের সদা হাস্যময় আনা মারিয়ার কথা কিছুতেই ভুলে যাওয়া উচিত হবে না বাংলাদেশের। তার নিজের দেশ সুইডেন। কিন্তু সুইডেনে তার নিজের মাতৃভাষা ইংরেজি বিলুপ্ত হওয়ার পথে। কিন্তু তিনি চান সুইডিশ ভাষার পাশাপাশি ইংরেজিও সেখানে বেঁচে থাকুক। তাই তিনি এমন একটি দিবসের জন্যে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন। অফিসের সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও আনা মারিয়া ওইদিন বসে ছিলেন বাংলাদেশ মিশন থেকে রেজ্যুলেশানটি পাবার আশায়। কেননা ফাইলে রেজ্যুলুশান রাখার ওটিই ছিল শেষ দিবস। এদিকে ঢাকায় ন্যাশনাল কমিশন ফর ইউনেস্কোর ফ্যাক্স মেশিন ছিল একেবারেই পুরানো। তাই সেখান থেকে বার বার ফ্যাক্স পাঠালেও দূতাবাসের কর্মীরা তার পাঠোদ্ধার করতে পারছিলেন না। অফিস সময় পেরিয়ে গেলেও দূতাবাসের অফিস কর্মী আবদুল আউয়ালও তাই অনেক রাত পর্যন্ত অফিসেই ছিলেন। শেষ পর্যন্ত কয়েকজন মিলে সেটির পাঠোদ্ধার করে নতুনভাবে টাইপ করে মারিয়ার অফিসে পাঠানো হয় এবং মারিয়ার অপেক্ষারও অবসান ঘটে। প্রস্তাবটি ইউনেস্কোর সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠিয়ে দিয়ে তবে তিনি বাসায় ফেরেন।
এরা সবাই আমাদের এই অর্জনের অংশীদার। বিনম্র চিত্তে তাদেরও আমরা যেন মনে রাখি

আনা মারিয়া পরামর্শ দেন প্রস্তাবটি আনীত হতে হবে ৫ টি সদস্য দেশ – বাংলাদেশ, ক্যানাডা, ভারত, হাঙ্গেরি এবং ফিনল্যান্ড দ্বারা । সময়টা ছিল আশার, উত্তেজনার , অনিশ্চয়তার…

১৯৯৯ সালের ৯ই সেপ্টেম্বর। ইউনেস্কোতে প্রস্তাব উত্থাপনের শেষ দিন। বিনিদ্র রজনী আর অকল্পনীয় অনিশ্চিত উত্তেজনায় টেলিফোনে আর ইমেইলে সময় পার করছেন রফিক-সালামেরা। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার থেকে আনুষ্ঠানিকভাব প্রস্তাবটি তখনও এসে পৌঁছায়নি। জানা গেল, প্রস্তাবটি আসতে শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর একটা সই দরকার। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তখন পার্লামেন্টে, সংসদ অধিবেশন শেষ হবার পরে সই নিতে নিতে অনেক দেরি হয়ে যাবে, ততক্ষণে প্রস্তাব উত্থাপনের সময়সীমা যাবে পার হয়ে। এত কষ্ট, এত পরিশ্রম আর অপেক্ষা সবই বোধহ্য বৃথা গেল… :ভাঙামন: শেষ পর্যন্ত উপায়ন্তর না দেখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তেলিফন করা হল কানাডার ভ্যানকুভার থেকে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝতে পেরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজের সইখানা ফ্যাক্স করে পাঠিয়ে দিলেন ইউনেস্কোর সদরদপ্তরে। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক সহযোগিতায় ইউনেস্কোর অফিসটাইম শেষ হবার মাত্র এক ঘণ্টা আগে বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব দিল।

১৬ই নভেম্বর, ১৯৯৯ তারিখে ইউনেস্কো সভায় বাংলাদেশের প্রস্তাবটি উত্থাপনের কথা ছিল। কিন্তু বিধিবাম! সেদিন কোন এক অজানা কারনে বাংলাদেশের এই অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবটি উত্থাপন হয়নি। অনিশ্চয়তার দোলাচলে দুলতে দুলতে আসে ১৭ই নভেম্বর। কি হবে আজ? আমাদের একুশে কে স্বীকৃতি পাবে বিশ্বদরবারে? আশার আলো ফুটে উঠলো, যখন দিনের প্রথম আলোচ্যবিষয় হিসেবে এই প্রস্তাবটি উঠলো ইউনেস্কো সভায়। আলোচনা চলতে লাগলো। কিন্তু বিপত্তি দেখা দিল যখন ইউনেস্কোর অধিবেশনে এ প্রস্তাবটি আলোচনার সময় আরেকটি কমিশনে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক ও উত্তেজক বক্তব্য উত্থাপন করছিলেন তসলিমা নাসরিন। এই বক্তব্যের কারণে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস প্রস্তাব অনুমোদনও প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ে। কিন্তু ইরানের কূটনীতিক মোহাম্মদ আর কাসানী তসলিমা নাসরিনের বক্তব্য উপস্থাপনের সময়েই বিষয়টি বাংলাদেশ মিশনের ইকতিয়ার চৌধুরীকে জানান। ফলে বাংলাদেশ মিশনের পক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়, যাতে এ বক্তব্য প্রস্তাবটি অনুমোদনের আলোচনায় কোনও নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে। অবশেষে শত প্রতীক্ষার সেই প্রস্তাবের ব্যাপারে সম্মতি জানালো উপস্থিত ১৮৮টা দেহসের প্রতিনিধিরা। এমনকি পাকিস্তানের প্রতিনিধিরাও সে মুহূর্তে আপত্তি করেনি। যদিও তার দুদিন পর ১৯শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান তার সমর্থন প্রত্যাহার করে। শত হলেও ওরা মারখোর… এটা কেবলমাত্র ওদের পক্ষেই সম্ভব… তাই এটা খুব বিস্ময়ের কিছু নয়… বহু সাধনা, দিনের পর দিন নিরলস শ্রমে রফিক-সালামেরা একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে বিশ্বের দরবারে প্রতিষ্ঠা করলেন… স্যালুট তাদের… :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

কিন্তু এই সাফল্যের মূল রুপকার যে দুজন, সেই রফিক সালামকে ভুলে গেলাম আমরা গোল্ডফিশ মেমোরির অধিকারী বাঙ্গালী জাতি… এ নিয়ে এক ব্লগারের আক্ষেপ…

এভাবেই একুশে ফেব্রুয়ারি একটি আন্তর্জাতিক দিনে পরিণত হলো। কিন্তু এতো কিছুর পরেও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মূল উদ্যোক্তা রফিক এবং সালাম সবার কাছে অচেনাই রয়ে গেলেন। তাদের ত্যাগ তিতিক্ষা আর পরিশ্রম অজ্ঞাতই থেকে গেল। কেউ জানলো না কি নিঃসীম উৎকন্ঠা আর আশায় পার করেছিলেন তারা ১৯৯৯ সালের নভেম্বর মাসের শেষ ক’টি বিনিদ্র রজনী। কেউ জানলো না, কিভাবে সমর্থন যুগে চলেছিলেন তাদের স্ত্রী, পরিবার, এবং কাছের বন্ধু বান্ধবেরা। কত অজ্ঞাতকূলশীলেরাই বাংলা একাডেমি পদক, একুশে পদক পেয়ে যান এই অভাগার দেশে আর রফিক সালামেরা উপেক্ষিতই থেকে যান

মহান দেশপ্রেমিক বীর মুক্তিযোদ্ধা ভাষাবীর রফিকুল ইসলাম প্রায় দুই বছর লিউকোমিয়ায় ভুগে ২০১৩ সালের ২০ই নভেম্বর কানাডার ভ্যানকুভারেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর আগের ১৮ বছর তিনি মাতৃভূমি থেকে বহুদূরে থাকলেও প্রতিটা মুহূর্ত দেশকে, দেশের মানুষের জন্য চিন্তা করতেন, ভাবতেন কিভাবে দেশের সেবা করা যায়। তিনি যে অন্তরে দেশকে ধারন করতেন, তার প্রমান পাওয়া যায় যখন তিনি মৃত্যুশয্যায়ও দুশ্চিন্তা করছেন, দুই নেত্রীর রাজনৈতিক সমঝোতা হয়েছে কিনা, নিয়মিত হাসপাতাল থেকে এ ব্যাপারে তিনি খোঁজখবর নিতেন। এমনকি অক্টোবরেই একপর্যায়ে তিনি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন, তিনি দেশে আসবেন, যেভাবেই হোক তৎকালীন অনিশ্চিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কোন দুইনেত্রীকে কোনভাবে সমঝোতায় রাজি করানো যায় কিনা, সে চেষ্টা করবেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে ক্যান্সারের ভয়াবহতা তাকে ধীরে ধীরে নিয়ে যেতে থাকে আমাদের কাছ থেকে। ডাক্তাররা জানিয়ে দেন, তার সময় ফুরিয়ে আসছে । তার কিছুদিনের মাথায় নভেম্বরেই চিরতরে আমাদের ছেড়ে না ফেরার জগতে চলে যান দেশপ্রেমিক রফিকুল ইসলাম। মহান মুক্তিযুদ্ধে হানাদার ফাকিস্তনি মারখোরদের বিরুদ্ধে যে দেশের জন্য দাঁতে দাঁত চেপে লড়েছিলেন, রফিকুল জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সম্ভাব্য সব উপায়ে সে দেশের সেবা করে গেছেন। আর আমরা, আমরা নিতান্তই অবহেলায় তাকে ভুলে গিয়েছি, নামকাওয়াস্তে অন্তঃসারশূন্য হাজারো চটকদার দেশপ্রেমিকের ভিড়ে হারিয়ে ফেলেছি এই মহান সত্যিকারের মহান দেশপ্রেমিককে… এভাবেই আমরা সবসময় আমাদের দ্যুতি ছড়ানো হীরেগুলোকে ছুড়ে ফেলে দেই, আর কাঁচগুলোকে পরম মমতায় পূজো করে মাথায় তুলে রাখি… কি উদ্ভট বিস্ময়কর জাতি আমরা… কি অকল্পনীয় দুঃখজনক এ জাতির বীরদের পরিনতি… ছি ছি ছি…

একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক বীর মুক্তিযোদ্ধা ভাষাবীর রফিকুল ইসলাম আর ভাষাবীর আব্দুস সালামকে যথাযোগ্য মর্যাদায় একুশে পদকে ভূষিত করা কি এতই অসম্ভব কিছু, মাননীয় সরকার???

তথ্যসূত্র–

http://nirmanblog.com/avijit/5876

http://www.somewhereinblog.net/blog/biswasmiliblog/28699710

https://www.facebook.com/notes/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%B2-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B8/390472257645857?ref=nf

৩২ thoughts on “রক্তেভেজা একুশের ফেব্রুয়ারির বিশ্বদরবারে স্বীকৃতি এবং নিতান্ত অচেনা কিছু রফিক-সালামের কথা…

  1. গুরুত্বপূর্ণ পোস্টটি স্টিকির
    গুরুত্বপূর্ণ পোস্টটি স্টিকির আওতায় আনা হোক। ব্যাপারটা আমার অজানা ছিলো। ডন ভাইকে ধন্যবাদ গুরুত্বপূর্ণ পোস্টটির জন্যে। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  2. কিছুই জানতাম না এই সম্পর্কে!
    কিছুই জানতাম না এই সম্পর্কে! ইউনুস্কো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ২১ ফেব্রুয়ারিকে। কিন্তু কে কীভাবে এর পিছনে ছিল সেটা জানতামই না।
    আপনাকে অজস্র ধন্যবাদ এই পোস্টের জন্য।
    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    আর একুশে পদকের কথা বলছেন!!! এদেশে রাম সাম যদু মদুরা খুব সহজেই একুশে পদক পেয়ে যায়, কিন্তু যোগ্যদের গণনাও আনে না। :মাথাঠুকি:

    1. এদেশে রাম সাম যদু মদুরা খুব

      এদেশে রাম সাম যদু মদুরা খুব সহজেই একুশে পদক পেয়ে যায়, কিন্তু যোগ্যদের গণনাও আনে না।

      :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

  3. সম্পূর্ন অজানা কিন্তু খুবই
    সম্পূর্ন অজানা কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় জানলাম লেখাটি পড়ে। এভাবে অজানা একটি বিষয়কে জানানোর জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow:
    আর ভাষাবীর রফিকুল ইসলাম আর আব্দুস সালামকে হৃদয়ের গভীর থেকে :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:
    গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টি সকলের জানার স্বার্থে পোস্টটিকে স্টিকি করা হোক।… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. অশেষ কৃতজ্ঞতা লেখাটা পড়বার
      অশেষ কৃতজ্ঞতা লেখাটা পড়বার জন্য… :লইজ্জালাগে: :লইজ্জালাগে: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

      বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম এবং আব্দুস সালামকে … :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow:

  4. ভাষা শহীদ রফিকের মত এই রফিকের
    ভাষা শহীদ রফিকের মত এই রফিকের জন্যেও আমাদের প্রাণঢালা ভালবাসা + এর লেখককেও। ভাল থাকুন

  5. ভাষা শহীদ রফিকের মত এই রফিকের
    ভাষা শহীদ রফিকের মত এই রফিকের জন্যেও আমাদের প্রাণঢালা ভালবাসা + এর লেখককেও। ভাল থাকুন

  6. তিনটা পোস্ট অলরেডি স্টিকি করা
    তিনটা পোস্ট অলরেডি স্টিকি করা আছে। কী কমু বুঝতেছি না। তারপরও এই পোস্ট স্টিকি করার দাবী জানাই…

    :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

    1. প্রথমে যে পোস্টটা স্টিকি করা
      প্রথমে যে পোস্টটা স্টিকি করা আছে, সেটা কি কারণে স্টিকি করছে সেটা বুঝতে পারছি না! :চিন্তায়আছি: :চিন্তায়আছি: :চিন্তায়আছি:
      ওইটার চেয়ে তো এটার গুরুত্ব বেশি।
      থাক, না জানি ইস্টিশন মাস্টার আবার কি বুঝে!
      আমার ক্ষুদ্র মস্তিস্ক ওইটার চেয়ে এটারে পছন্দ করছে বেশি।

      1. স্বপ্নচারী আপু, শেষ প্যারা সহ
        স্বপ্নচারী আপু, শেষ প্যারা সহ মূল লেখায় আরও কয়েকটা লাইন যোগ করেছি নতুন করে। শেষ প্যারাটা লিখতে গিয়ে বারবার মনে হচ্ছিল, আমরা বাঙ্গালীরা আমাদের নিয়ে মিছেই এত গর্ব করি… :দীর্ঘশ্বাস: কারন যে জাতি নিজেদের সত্যিকারের দেশপ্রেমিক বীরসন্তানদের চিনতে পারে না, অবহেলে পাশ কাটিয়ে যায় বারবার… ষে জাতির অন্তত নিজেদের অর্জন নিয়ে , সেই দেশপ্রেমিকদের অবদান নিয়ে গর্ব করার কোন অধিকার নাই… কখনও না… :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

        1. জাতির অন্তত নিজেদের অর্জন

          জাতির অন্তত নিজেদের অর্জন নিয়ে , সেই দেশপ্রেমিকদের অবদান নিয়ে গর্ব করার কোন অধিকার নাই… কখনও না

          :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

    2. পড়বার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা …
      পড়বার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা … :লইজ্জালাগে: :লইজ্জালাগে: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :বুখেআয়বাবুল:

      দুজন মহান বীরকে :bow: :bow: :bow: :bow: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

  7. এই ঘটনা আগেই পড়েছি । ডন’ কে
    এই ঘটনা আগেই পড়েছি । ডন’ কে ধন্যবাদ বিষয়টি সবার নজরে আনার জন্য । আরও ভালো হবে অল্প সময়ের জন্য হলেও স্টিকি করা হলে । ডন ক্যারি অন …
    :তালিয়া: :গোলাপ: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :বুখেআয়বাবুল: :খুশি:
    মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম সাহেব কে স্যালুট জানাই । একটা সুন্দর উদ্যোগ পাল্টে দিতে পারে পৃথিবী !
    :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

    1. উৎসাহ দেবার জন্য অশেষ
      উৎসাহ দেবার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা রাহাত ভাই… :লইজ্জালাগে: :লইজ্জালাগে: যে ইতিহাসগুলো আমাদের গৌরবের, অহংকারের, সেগুলো সবার সামনে তুলে আনার সামান্য চেষ্টা করি … আশা করি পাশে থেকে উৎসাহ দিয়ে যাবেন সবসময়… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

      বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম এবং আব্দুস সালামকে :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

  8. চমৎকার তথ্যবহুল পোস্ট।বিষয়টা
    চমৎকার তথ্যবহুল পোস্ট।বিষয়টা সম্পর্কে আগে জানা ছিলনা।ডনকে ধন্যবাদ এমন একটি বিষয় তুলে ধরার জন্য। স্টিকি করার প্রশ্নে সকলের মত আমারও একই কথা।কিছুটা অবাক হয়েছি।এতদূর না এলে পোস্টটা আমার নজরেই আসতোনা।অথচ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট ছিল এটি। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
    বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম এবং আব্দুস সালামকে :salute: :salute: :salute:

    1. পড়বার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা…
      পড়বার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা… :লইজ্জালাগে: :লইজ্জালাগে: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :বুখেআয়বাবুল:

  9. খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা
    খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার জানতে পারলাম। এমন একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে লেখার জন্য লেখককে শ্রদ্ধা। প্রণাম প্রণাম প্রণাম প্রণাম

    বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম এবং আব্দুস সালামকে স্যালুট স্যালুট স্যালুট

    1. পড়বার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা…
      :লইজ্জালাগে: :লইজ্জালাগে: :লইজ্জালাগে: :লইজ্জালাগে: পড়বার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা… :ফুল: :ফুল: :ফুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :গোলাপ: :গোলাপ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *