বিদায় বন্ধু

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪। সকাল সাড়ে আটটা।

প্রচণ্ড শব্দে চালু হয়ে গেছে ইঞ্জিন। নড়তে শুরু করেছে ম্যাকডনেল ডগলাস ডিসি-১০। সকালের সোনা রোদ পিছলে যাচ্ছে তার সাদা শরীরে। ঘুরতে শুরু করেছে চাকা। গতির শিহরণ তার প্রবীণ ডানায়। তার ফেলে আসা দিনের কথা মনে করিয়ে দিতেই যেন শুরুতে পিছিয়ে গেল খানিক। তারপর নাক ঘুরিয়ে ছুটতে শুরু করল রানওয়ে ধরে। দখিন মাথায় গিয়ে থামল মুহূর্তের জন্য। তারপর গতি বাড়ল প্রচণ্ড। হাওয়ায় ভাসল শরীর। যেমনটি সে ভেসেছে দুদশকের বেশি সময় ধরে। ঢাকার এই রানওয়ে, এই রোদ্দুর, এই আচমকা হাওয়ায় গা ভাসিয়ে দেওয়া—সবকিছুই তার কাছে বড় বেশি চেনা, বড় বেশি পুরোনো।


২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪। সকাল সাড়ে আটটা।

প্রচণ্ড শব্দে চালু হয়ে গেছে ইঞ্জিন। নড়তে শুরু করেছে ম্যাকডনেল ডগলাস ডিসি-১০। সকালের সোনা রোদ পিছলে যাচ্ছে তার সাদা শরীরে। ঘুরতে শুরু করেছে চাকা। গতির শিহরণ তার প্রবীণ ডানায়। তার ফেলে আসা দিনের কথা মনে করিয়ে দিতেই যেন শুরুতে পিছিয়ে গেল খানিক। তারপর নাক ঘুরিয়ে ছুটতে শুরু করল রানওয়ে ধরে। দখিন মাথায় গিয়ে থামল মুহূর্তের জন্য। তারপর গতি বাড়ল প্রচণ্ড। হাওয়ায় ভাসল শরীর। যেমনটি সে ভেসেছে দুদশকের বেশি সময় ধরে। ঢাকার এই রানওয়ে, এই রোদ্দুর, এই আচমকা হাওয়ায় গা ভাসিয়ে দেওয়া—সবকিছুই তার কাছে বড় বেশি চেনা, বড় বেশি পুরোনো।

-প্রথম আলো থেকে কিছু অংশ।

২ thoughts on “বিদায় বন্ধু

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *