একুশের পর ছাব্বিশ

শিরোনাম পড়ে অবাক হলেন তো? না, অবাক হবার কিছুই নেই। কারণ এই বাঙালি নামক জাতির অভিধানে অসম্ভব বলে কোনো শব্দ নেই। তাঁরা আত্মবিশ্বাসের সাথে সকল কিছু অতিক্রম করে জয় ছিনিয়ে আনতে শিখেছে। তাঁরা আত্মত্যাগ করতে শিখেছে। শিখেছে দেশকে ভালোবাসতে। এজন্য তাঁরা কোনো কিছু কে ই ভয় পায়না। তাহলে তাঁদের পরাজয় কিসে? যাদের পরাজয় নেই তাদের মাঝে অসম্ভব বলে কোনো শব্দ ই বা কিভাবে থাকে। যা বলছিলাম,

শিরোনাম পড়ে অবাক হলেন তো? না, অবাক হবার কিছুই নেই। কারণ এই বাঙালি নামক জাতির অভিধানে অসম্ভব বলে কোনো শব্দ নেই। তাঁরা আত্মবিশ্বাসের সাথে সকল কিছু অতিক্রম করে জয় ছিনিয়ে আনতে শিখেছে। তাঁরা আত্মত্যাগ করতে শিখেছে। শিখেছে দেশকে ভালোবাসতে। এজন্য তাঁরা কোনো কিছু কে ই ভয় পায়না। তাহলে তাঁদের পরাজয় কিসে? যাদের পরাজয় নেই তাদের মাঝে অসম্ভব বলে কোনো শব্দ ই বা কিভাবে থাকে। যা বলছিলাম,
১৯৪৮ সাল থেকে ভাষা নিয়ে যুদ্ধ করতে করতে ১৯৫২ তে রাজপথে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়ে আজ বাংলাতে কথা বলার সুযোগ করে দিয়েছে সালাম , বরকত, রফিক সহ ৫২ এর ২১ ফেব্রুয়ারি নিহত হওয়া সেই শ্রদ্ধেয় শহীদেরা। আজ শেষ যাচ্ছে সেই ভাষার মাস, সাময়িক শেষ হচ্ছে একুশের অস্তিত্ব। আসছে মার্চ মাস। আরেকটা গুরুত্বপূর্ন মাস। যে মাসের ১৭ তারিখ (১৯২০) জন্ম নিয়েছেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাছাড়া সবচেয়ে বড় কথা এই মার্চ মাস ই আমাদের সাধীনতা দিবস। ১৯৭১ এর ২৫ এ মার্চ মধ্যরাত (২৬ মার্চ প্রথম প্রহর) আমাদের স্বাধীনতা ঘোষনা করেন বঙ্গবন্ধু যে ইতিহাস সকলে জানেন।
অর্থ্যাৎ, ফেব্রুয়ারি মানেই একুশ আর মার্চ মানেই ২৬।

কিন্তু সবচেয়ে বড় কথা এই দুটি তারিখ আমাদের কি শিক্ষা দেয়? এর মানে কি শুধুই নগ্ন পায়ে শিতের সকালে ফুল দেয়া আর ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ গানটা গাওয়া? এটা কি আমাদের এই শিক্ষায় দেয়!? না, একুশ শিখায় দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি, মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা আর আত্মত্যাগ। আর ২৬ আমাদের কি শেখায়? এটা ও কি স্মৃতিসৌধে গিয়ে কপালে জয় বাংলা লেখা কাপড় বেধে শুধুই শহিদদের কে স্বরণ করা শেখায় ? না, এই ২৬ আমাদের শেখায় শত্রুর মোকাবিলা করতে, শত্রুর বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে। আমাদের রুখে দাড়াতে হবে এই ২৬ এর চেতনা বুকে নিয়ে। এই দুটো সংখ্যা শুধু সংখ্যা ই নয়,,, এই দুটো সংখ্যা বাঙালির চেতনা, বাঙালির সাহস। এই দুটো সংখ্যার চেতনা বুকে নিয়ে যেমন দেশের প্রতি অনুগত্য প্রকাশ করা যায় তেমনি দেশের শত্রুদের বিরুদ্ধে অগ্নিমূর্তি ও ধারন করা যায়। এই দুটো সংখ্যার মাঝে আছে বাঙালির বিজয়। এই দুই অনুপ্রেরণার প্রতিক কে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেত হবে সাম্মুখে, রুখে দাড়াতে হবে সকল প্রকার জঙ্গীবাদের বিপরীতে!!!

“এই পবিত্র বাংলাদেশ,
বাঙালির, আমাদের।
দিয়া প্রহারেণ ধনঞ্জয়,
তাড়াবো আমরা করিনা ভয়া-
যত পরদেশী দস্যু ডাকাত রামদের-গামাদের!!”
-কাজী নজরুল ইসলাম

১১ thoughts on “একুশের পর ছাব্বিশ

  1. “এই পবিত্র বাংলাদেশ,
    বাঙালির,

    “এই পবিত্র বাংলাদেশ,
    বাঙালির, আমাদের।
    দিয়া প্রহারেণ ধনঞ্জয়,
    তাড়াবো আমরা করিনা ভয়া-
    যত পরদেশী দস্যু ডাকাত রামদের-গামাদের!!

    :bow: :bow: :bow:

  2. এই পবিত্র বাংলাদেশ,
    বাঙালির,

    এই পবিত্র বাংলাদেশ,
    বাঙালির, আমাদের।
    দিয়া প্রহারেণ ধনঞ্জয়,
    তাড়াবো আমরা করিনা ভয়া-
    যত পরদেশী দস্যু ডাকাত রামদের-গামাদের।।

    :bow: :bow: :bow: :bow:

    1. হ্যা সমস্যা কি তাতে? ২৬এর
      হ্যা সমস্যা কি তাতে? ২৬এর পরেই আবার অন্যগুলো। মানে আমাদের মননের তারিখগুলো পর্যায়ক্রমে প্রবাহিত

  3. এই পবিত্র বাংলাদেশ,
    বাঙালির,

    এই পবিত্র বাংলাদেশ,
    বাঙালির, আমাদের।
    দিয়া প্রহারেণ ধনঞ্জয়,
    তাড়াবো আমরা করিনা ভয়া-
    যত পরদেশী দস্যু ডাকাত রামদের-গামাদের।।

    :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন:

  4. “এই পবিত্র বাংলাদেশ,
    বাঙালির,

    “এই পবিত্র বাংলাদেশ,
    বাঙালির, আমাদের।
    দিয়া প্রহারেণ ধনঞ্জয়,
    তাড়াবো আমরা করিনা ভয়া-
    যত পরদেশী দস্যু ডাকাত রামদের-গামাদের!!”
    -কাজী নজরুল ইসলাম

    :bow: :bow: :bow: :bow:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *