নাজায়েজ সম্পর্ক …(প্রাপ্তবয়স্ক পাঠকের জন্য)

সিলেট টু হবিগঞ্জ রুটে নাজিব সাহেবের “Najib Paribahan”নামে তিনটা বাস আছে।এর থেকে একটা বাসের রোজগার যায় ইসলামের খেদমতে জামায়াতে ইসলামের তহবিলে। যদিও বেহাল দশার কারনে বাস থেকে নেমে যাত্রীরা সেটাকে বাস না বলে বাঁশ বলে আখ্যায়িত করেন।তার’ চে বড় ব্যাপার দুষ্ট ছেলেরা রাতের অন্ধকারে খুঁটে খুঁটে ল্যাবেল থেকে “N” কেটে দেয়ায় সেটা হয়ে গেছে “ajib Paribahan”…নাজিব আর আজিবের মাঝখানে থিতু হয়েও নাজিব সাহেবের অবশ্য মাথা ব্যাথা নেই।পরিবারে সুন্নতি তরিকায় চার স্ত্রী তাদের ৮ পোলা মাইয়া আর মান সম্মান নিয়ে তিনি মহাসুখে আছেন।কানাঘুষা শোনা যায় কাজের ছেলে কানাইয়ের সাথে তার ছোট বউ জয়তুনের নাজায়েজ সম্পর্ক আছে।সে নিয়াও তার মাথা ব্যাথা নাই তবে মনের মধ্যে ভয় আছে।

ফাগুনের শেষ দিকে গরমের আভাস ভাসে,উত্তরের ফুরফুরে হাওয়া সময়ে অসময়ে কামনার দুয়ারে খটখট আওয়াজ করে,শরীর গরম হয়।পালাক্রমে চার স্ত্রীর সাথে সহবত শেষে টানা বারান্দায় দাঁড়িয়ে নাজিব সাহেব হাঁক পারেন,
‘এ কানাই! কই গেলি হালায়!বিড়ি লইয়া আয়।শইলডা ঝুলতেছে!জিনিসে ব্যাথা।চাইর মাগী সামলানি মুখের কথা না।’
কানাই বিড়ি নিয়া আসে।নাজিব সাহেব সুখের টান দিয়া বলেন,
‘বুঝলি কানাই টেকা পয়সার আমার অভাব নাই,তবুও মাইনষে জিগায় সিগ্রেট না খাইয়া বিড়ির পুন্দে চুমা দেই কেন!লোকে বোঝেনা সিগ্রেট খায় সি- গ্রেড মানুষ, আলগা ভাব লওনের লাইগা।আমি আগের যুগে এন্ট্রাস দিসি ফার্স্ট কেলাস লোকেরা বিড়ি খায় বিড়ি।বিড়ির উপরে কিসু হয়না,বুঝসত? ‘
কিছু না বুঝেই কানাই ঘাড় কাত করে।নাজিব সাহেব সামনের উঠানে ধান খাওয়া কাকগুলার দিকে উদাস চোখে তাকিয়ে বলেন,
‘দুই পা টিপ্পা দে রে কানাই ,জানে খালি আরাম চায়।যদিও মাঝের পদেও ব্যাথা।সেইটা তোরে টিপতে কমুনা।কওমে লুতের কথা দিনের আলোকে স্মরন করতে হয়।রাইতে সব একাকার।
বাত্তি নিভাইলে ইন্দুরের গর্ত যা সাপের গর্ত তাই।সেই আদি যুগ থেইকাই মানুষের কাজ হইলো গুহা দেখলেই সান্দায়া যাওয়া।কাজের পরেই কাম শব্দটা আসে।কাজ আর কাম ছাড়া সব ভুয়া।বুঝসত?’
কানাই মাথা উপর নীচ করে।বড় বউ আয়না বানু তখন চুলায় বসে চুঙ্গা ফুঁকেন,মেঝ আর সেজবউ অন্দরে উকুন বাছায় ব্যাস্ত।ছোট বউ পুকুর ঘাটে স্নান করায় মগ্ন।কাপড় বদলানোর সময় তার পিঠের তিল পর্যন্ত দেখা যায়। সেদিকে তার খেয়াল নাই।বারান্দা থেকে পুকুরঘাটের সিনারী ষ্পষ্ট।নাজিব সাহেব আড় চোখে কানাইয়ের দিকে তাকান, সে তাকিয়ে আছে ঘাটের দিকে, তার চোখে ঝিকিমিকি প্রেম।কাজ রেখে সে কামের নেশায় মগ্ন।যদিও নাজিব সাহেব পরশ্রী এবং পরস্ত্রী দুইয়েই কাতর তবুও নিজের ইস্ত্রিদের তিনি শতভাগ পেয়ার করেন।
হাদিসে লেখা আছে তোমরা তোমাদের ইস্ত্রিদের সমানভাবে মোহাব্বত করো।
নাজিব সাহেবের ভাবনায় ছেদ পড়ে যখন দেখেন ছোট বউ ঘাট থেইকা ঘরে আসার সময় কানাইয়ের দিকে তাকায়া চোখ টিপা মারে।
এমন টিপা যে কাকপক্ষীও টের পাইবোনা,টের পায় দুই আশরাফুল মাখলুকাত কানাই আর নাজিব।কানাই ঘাড় চুলকায়া রুমান্টিক মুডে মুচকি মুচকি হাসে,নাজিব সাহেব কিছু না বোঝার ভান কইরা বিড়ি টানেন আর কাশেন।বিড়ি যেনো ফুরাইতেই চায়না।

প্রতি পুর্ণিমায় নাজিব সাহেব তার ছোট বউ এর সাথে রাত কাটান,যদিও ইঞ্জিনে শক্তি নাই।লোকে বলে লড়ার থাইকা হাক বড়ো।নাজিব সাহেব সেইটাই করেন,কিছুক্ষন মাখামাখি কইরা ক্ষনকালের গুহা ভ্রমনে রপ্ত হন।এভাবে চার পাঁচবার ভ্রমন শেষে ক্লান্ত ভ্রমরার মতো শুইয়া থাকেন।
আইজকা চাইরবারেই তার অবস্থা কাহিল হয়া গেল।ধর্মে বলা আছে তোমরা তোমাদের গুপ্তাঙ্গের হেফাজত করো,কলপার থাইকা স্বযত্নে জিনিস ধুইয়া বালিশে মাথা রাখতেই পেছনের দরজায় “কু”কইরা শব্দ হয়।যদিও কোকিলা না কানাইয়ের গলা।
নাজিব সাহেব কান খাড়া করে মাঞ্জা মেরে পড়ে থাকেন।মনে মনে বলেন, কানাই তুমি কার লগে খেইল খেলাও বুঝামু।নাজিব সাহেব গভীর শ্বাস নেবার ভান করেন।পেছনের দরোজায় আবার “কু” কইরা শব্দ হয়। ছোট বউ আলগোছে বিছানা ছাইড়া উঠে দাঁড়ায়,সাবধানে পেছনের দরজা খোলে বাইরে যায়।
নাজিব সাহেব সন্তপর্নে তার পিছু নেন।তার হাতে তিন খান্দান ওয়ারিশানে পাওয়া শান দেওয়া কুরবানির ছুরি।

বাড়ির পেছনে বাঁশ বেতের আড়াল পার হইলেই গোয়াল ঘর,ঘরের পাশেই খড়ের গাদায় জড়াজড়ি করে ছোট বউ আর কানাই।
বাঁশঝাড়ের আড়ালে দাঁড়ায়া নাজিব সাহেব দেখেন আর মনে মনে ভাবেন,মাগী নিজের জামা নিজেই খুইল্লা দেয়।আমার কাছে আইলে তো ছ্যাৎ থাকেনা।
নাজিব সাহেবের বুকের ভিতর জ্বলে,কানাই তার খোঁচা খোঁচা দাঁড়িওয়ালা মুখ ছোট বউয়ের পেয়ারার মাঝে ডুবায়া দেয়।হইলদা দাঁত দিয়া কামড়ায়।
ছোট বউ তাড়া দেয়,’জলদি করোগো!বুইড়া জাইগা গেলে মাইরা ফেলবো’
কানাই তখন কামের জ্বালায় কানা!গলার নিচে মুখ রাইখা বলে’বুইড়ারে ছাড়ো গো,আমারে ঠান্ডা করো।আগুন হইয়া আছি’
নাজিব সাহেব তার বড় দুই ছেলেরে ডাইকা আনেন।
ছোট বউ তখন সফেদ বিছানা রাইখা খড়ের গাদায় গড়ান দেয়।
কানাই তার কানের লতি মুখে নিয়া উপর নিচ কইরা পাশা খেলে।
আরামের বীজ ঝড়ায়া কানাই যখন ছোট বউয়ের উপর নেতায়া পড়ে নাজিব সাহেব তখন সামনে গিয়ে দাঁড়ান।
কানাই আর ছোট বউ এর মুখে রা নাই।দুজনেই অবাক হয়ে তাকায়া থাকে।

নাজিব সাহেবের দুই ছেলে পেছনে গিয়ে দাঁড়ায়,নাজিব সাহেব আকাশের দিকে হতাশ চোখে তাকায়া বলেন ব্যাভিচারীর শাস্তি মৃত্যুদন্ড। বাবা মওদুদী এটা বলেছেন।
ভোরের আলো ফোটার আগেই কানাই আর ছোট বউকে নাজিব সাহেব নিজ হাতে জবাই করে বাঁশ ঝাড়ের নিচে পুতে রাখেন।শেষ রাতের বৃষ্টি এসে ধুয়ে নিয়ে যায় রক্তের দাগ।

পরের দিন গ্রামের সবাই জানতে পারে নাজিব আলীর ছোট বউ কাজের বেডা কানাইয়ের লগে পলাইসে।

১২৮ thoughts on “নাজায়েজ সম্পর্ক …(প্রাপ্তবয়স্ক পাঠকের জন্য)

          1. প্রথমত এ কথা আপনার মুখে শোভা
            প্রথমত এ কথা আপনার মুখে শোভা পায় না কারণ ব্লগ একটি মুক্ত পরিবেশ।
            আর এখন ক্লাস টু থ্রিতে পড়া ছেলে মেয়েও বোঝে এগুলো। তাই কিছু বলার থাকে না যুগ পাল্টিয়েছে।
            এটা হল সিরিয়াস জবাব এবার জয় পাগলার লুলামি জবাব

            ধুর মিয়া এমন বহুত কিছু হওয়া দরকার ছিল যা হয় নি, যা উচিত না এমন কিছু হইলে সমস্যা নাই ।উদাহরণ স্বরূপ আপনার বিবাহ…… হওয়ার কথাছিল বহু আগে কিন্তু দুক্ষ 😀 😀 😀 😉 😉

  1. ইহা আমি কী পড়িলাম!
    আঞ্চলিক

    ইহা আমি কী পড়িলাম! :খাইছে:
    আঞ্চলিক এবং চলিত ভাষার দূষিত মিশ্রণ বাদ দিলে গল্প দারুণ হয়েছে :মাথানষ্ট:
    বিরাম চিহ্ন ব্যবহারের পর স্পেস দিলে পাঠকদের জন্য পড়তে সুবিধা হবে, দাদা। আর কথোপকথনের পর নতুন প্রসঙ্গ টানার সময় প্যারা করলে ভালো হয় :ফুল:

    বর্ণনা জটিল হয়েছে :লইজ্জালাগে:

    1. সহমত রুথ আপুর সাথে… আশা
      সহমত রুথ আপুর সাথে… :থাম্বসআপ: আশা করি শুধু শারীরিক বর্ণনার দিকে খেয়াল না দিয়ে লেখার দিকেও ভবিষ্যতে মনোযোগ দেবেন… :চোখমারা: :শয়তান: 😀

      1. একমত ডন ভাই। তিনি যদি শারিরীক
        একমত ডন ভাই। তিনি যদি শারিরীক বর্ণনা গৌন ধরে গল্পে অন্য একটা মেসেজ রাখেন, তাহলে কিন্তু তার গল্পগুলো অনন্য হয়ে উঠবে ভিন্ন ধারায়।

    1. কাম আর কাম… এত কাম
      কাম আর কাম… :শয়তান: :শয়তান: এত কাম কইরা হাফ ধইরা যায় না… :ভেংচি: :চোখমারা: :বিষয়ডাকী: এইবার একটু অবসর নেন… 😀 😀

  2. আতিক ভাইয়ের মত আমিও আপনাকে
    আতিক ভাইয়ের মত আমিও আপনাকে ভিন্ন ধারার লেখক ট্যাগ দিলাম। :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :ফুল:

      1. (No subject)
        :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :খাইছে: :খাইছে: :খাইছে: :খাইছে: :খাইছে: :খাইছে: :খাইছে: :খাইছে: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট:

        1. দেখ ভাই আরেকবার ঐ ছাগলের নাম
          দেখ ভাই আরেকবার ঐ ছাগলের নাম নিলে কিন্তু আমি সত্যি সত্যি রাইগা যামু…!!! :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

  3. পড়ার পর শিরোনাম দেখছি আমার
    পড়ার পর শিরোনাম দেখছি আমার দুষ নাই।

    গল্প ভালই লেগেছে। ছবি আজ ভাল দেয়ায় ধইন্যা।

    আর গল্পের লেখায় আঞ্চলিক ও চলিত ভাষার মিশ্রণ টা ভাল লাগে নি।

    আর আগের দিনের মানুষ নাজিব এর মত মানুষের চরিত্র ভালই তুলে ধরেছেন……

      1. ডন,
        জয়’কে মানা করো । ‘

        ডন,
        জয়’কে মানা করো । ‘ প্রাপ্ত বয়স্ক ‘ ট্যাগ দেখার পরও সে ক্যান এই গল্প পড়ে ?
        বুঝলাম নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি আকর্ষণ বেশি থাকে । কিন্তু সেলফ কন্ট্রোল থাকবে না মানুষের ? ভীষণ খেপছি ওর উপর । লিংকন ভাই কোই ?

        1. মানলাম ব্যক্তি স্বাধীনতা
          মানলাম ব্যক্তি স্বাধীনতা থাকবে তাই বলে সকলের দাবী অগ্রাহ্য করে আপনারা অতিবাহিরা বিবাহ করেন না এটা মানা যায় না
          😉 😉

  4. আঞ্চলিক আর চলিত ভাষার
    আঞ্চলিক আর চলিত ভাষার মিশ্রনটাই তো আধুনিক সাহিত্যের ভাষা 😛 আমি হলেম SJ (সাহিত্য জকি)।একটু রিমিক্স না দিলে জমেনা। আর তুমি জলদি কইরা বড়ো হও।ভালো ভালো পেইন্টিং দিতে পারতেসিনা তোমার লজ্জার জইন্য। 😀

    1. আমরাও রিমিক্স পড়তে আগ্রহী
      আমরাও রিমিক্স পড়তে আগ্রহী দাদাভাই 😀
      তবে কিনা, ধারা বর্ণনায় যে কোন একটা রীতি অনুসরণ করাই শ্রেয়। যেমন, শুরুতে –

      “সিলেট টু হবিগঞ্জ রুটে নাজিব সাহেবের “Najib Paribahan”নামে তিনটা বাস আছে।এর থেকে একটা বাসের রোজগার যায় ইসলামের খেদমতে জামায়াতে ইসলামের তহবিলে। যদিও বেহাল দশার কারনে বাস থেকে নেমে যাত্রীরা সেটাকে বাস না বলে বাঁশ বলে আখ্যায়িত করেন।তার’ চে বড় ব্যাপার দুষ্ট ছেলেরা রাতের অন্ধকারে খুঁটে খুঁটে ল্যাবেল থেকে “N” কেটে দেয়ায় সেটা হয়ে গেছে “ajib Paribahan”…নাজিব আর আজিবের মাঝখানে থিতু হয়েও নাজিব সাহেবের অবশ্য মাথা ব্যাথা নেই।”

      এটা চলিত ভাষায় লিখেছেন। পরে আবার

      “নাজিব সাহেবের ভাবনায় ছেদ পড়ে যখন দেখেন ছোট বউ ঘাট থেইকা ঘরে আসার সময় কানাইয়ের দিকে তাকায়া চোখ টিপা মারে। এমন টিপা যে কাকপক্ষীও টের পাইবোনা,টের পায় দুই আশরাফুল মাখলুকাত কানাই আর নাজিব।কানাই ঘাড় চুলকায়া রুমান্টিক মুডে মুচকি মুচকি হাসে,নাজিব সাহেব কিছু না বোঝার ভান কইরা বিড়ি টানেন আর কাশেন।বিড়ি যেনো ফুরাইতেই চায়না।”

      লিখেছেন আঞ্চলিক ভাষায়।

      যদি এই বিষয়ে বলে আপনাকে আর লজিক্যাল ভাইকে আঘাত করে থাকি, আমি দুঃখিত 🙁

    1. একটু বেশী মাত্রায় রগরগে মুডে
      একটু বেশী মাত্রায় রগরগে মুডে ছিলেন হয়তো।

      একটা গ্লাসের অর্ধেক পানিতে পরিপূর্ণ
      একটি গ্লাসের অর্ধেক খালি।

      যদিও দুটোই সত্য কথাও এক তবুও দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার আছে।

      @ফাউষ্ট 🙂

        1. ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখলে, ইহাই

          ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখলে, ইহাই বাংলা সাহিত্যের অমর সৃষ্টি

          এইত লাইনে আসছেন… :শয়তান: :টাল: :টাল: :কল্কি:

  5. আপনি তো কামের কাম সাইরা
    আপনি তো কামের কাম সাইরা দিতাছেন। বাংলা সাহিত্যে এমন লেখক বিরল। যার প্রতিটা লেখাই শরীর সর্বস্ব। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. বাংলা সাহিত্যে এমন লেখক বিরল।

      বাংলা সাহিত্যে এমন লেখক বিরল। যার প্রতিটা লেখাই শরীর সর্বস্ব।

      ভাবী যদি তার পতিপ্রবরের এই অর্জনখান দেখত… :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :ভেংচি: 😀 😀

    2. বাংলা সাহিত্যে এমন লেখক বিরল।

      বাংলা সাহিত্যে এমন লেখক বিরল। যার প্রতিটা লেখাই শরীর সর্বস্ব।

      :হাহাপগে: :মাথাঠুকি: মাইরালা :শয়তান:

  6. ভাল মন্দ মিশিয়ে মন্দ লাগেনি।
    ভাল মন্দ মিশিয়ে মন্দ লাগেনি। রাজুকে সাধুবাদ জানাই। :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :হাসি: :হাসি:

  7. রাজু রনরাজ,
    আবারো বলছি, আপনার

    রাজু রনরাজ,
    আবারো বলছি, আপনার লেখার হাত ভালো । শুধু একটাই পরামর্শ সাহিত্য মানের প্রতি দৃষ্টি রাখবেন । আর এই গল্পটির বর্ণনা আরও শিল্প সম্মত করা যেতো কি না ? সাহিত্যে উপমা, রুপককের সৃজনশীল ব্যবহার করেও কিন্তু দেহজ ব্যাপারগুলো প্রকাশ করা যায় ।

    পরিশেষে, লেখাটি ভালো লেগেছে ।
    :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া:

    1. রতনে রতন চিনে
      রণ দা এই যে

      রতনে রতন চিনে 😀
      রণ দা এই যে রাহাত ভাই অন্তত আপনার কদর বুঝলো অন্তত রাহাত ভাই এর জন্য লেখা ছাড়বেন না। 😀 আমরা নয় লুকায় টুকায় 😀 আরকি……

  8. আমার অনেক প্রিয় এবং জনপ্রিয়
    আমার অনেক প্রিয় এবং জনপ্রিয় ব্লগার রাহাত ভাইকে ধন্যবাদ দিয়ে শুরু করছি,জামাতি হালার পুতেদের গুতা দিতে গেলে এইরাম কইরাই দিতি হয় রাহাত ভাই,এইডা একটা গুতামীমুলক গল্প সিডা কেউ টের পইলুনা 😀 আর দুষ্টু ফুলানদের কথা বলে লাভ নেই,এরা একাধারে দুষ্ট সেই সাথে ফাগলও বটে 😛 ♥♥♥♥♥

          1. শালা যখন ডাকলেই দুলাভাইয়ের
            শালা যখন ডাকলেই দুলাভাইয়ের কাছে আবদার তো করাই যায়

            দুলাভাই মুপাইলে ৫০ টা টাকা ফ্লেক্সি করেন তো। বুঝেন ঠেলা 😉 😉

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *