অনৈসলামিক স্ট্যাটাস

বাংলায় কি পড়ানো হয় মাদ্রাসাগুলোতে? শুধু অ আ ক খ? বাংলা সাহিত্য পড়ানো হয়, যেমন স্কুল-কলেজের পাঠ্যপুস্তকে বাংলা সাহিত্য রয়েছে। ওটার কথা উঠলে তো নাউজুবিল্লাহ। রবীন্দ্রনাথ ওনাদের কছে বিধর্মী। এমনকি জাতীয় কবি নজরুলও যায়েজ নয়। আর সাহিত্যচর্চা মানেই বেশরিয়তি কাজ। সুতরাং যা বাংলা শিখতেছে, তা তাদের আরবী-উর্দুর প্রচারের কারণে।


বাংলায় কি পড়ানো হয় মাদ্রাসাগুলোতে? শুধু অ আ ক খ? বাংলা সাহিত্য পড়ানো হয়, যেমন স্কুল-কলেজের পাঠ্যপুস্তকে বাংলা সাহিত্য রয়েছে। ওটার কথা উঠলে তো নাউজুবিল্লাহ। রবীন্দ্রনাথ ওনাদের কছে বিধর্মী। এমনকি জাতীয় কবি নজরুলও যায়েজ নয়। আর সাহিত্যচর্চা মানেই বেশরিয়তি কাজ। সুতরাং যা বাংলা শিখতেছে, তা তাদের আরবী-উর্দুর প্রচারের কারণে।

যে শিক্ষায় নিজেকে চেনা যায় না, নিজের জাতির ইতিহাস-ঐতিহ্য-মুক্তিযুদ্ধকে জানা যায় না, সেটা কুশিক্ষা। মাদ্রাসাগুলোতে মানুষ তার নিজের জাতিকে চেনা তো দূরে থাক, নিজেকে চেনার সুযোগ নেই। কেননা ধর্মের নিম্নমানের এবং স্থান বিশেষে বিকৃত চর্চার মাধ্যমে এক ধরণের দাসত্বের বেড়াজালে নিজেদের এবং নিজেদের মানুষদের বন্দী করার রুচিহীন শিক্ষা চলে। এ বন্দীত্বটা মনোজগতের, চেতনার।

একমাত্র নিজস্ব সাহিত্যই মানুষকে তার নিজেকে এবং জাতিকে নিজেদের কাছে পরিচিত করতে পারে। তার বালাই মাদ্রাসাগুলোতে নেই। শুধু ধর্মের মুক্তবুদ্ধিহীন, বদ্ধ চর্চার কারণেই মাদ্রাসার মানুষগুলো ধীরে ধীরে নিজের প্রাণস্পন্দন হারিয়ে ফেলে এক ধরণের মৃত মানুষে পরিণত হয়। এই আপাতঃ মৃত মানুষগুলোকে আর স্বাভাবিক মানুষ মনে হয় না। সময়ে সময়ে তারা ভয়ংকর হয়ে উঠে।

৬ thoughts on “অনৈসলামিক স্ট্যাটাস

    1. ভালো প্রশ্ন। কিন্তু আপত্তির
      ভালো প্রশ্ন। কিন্তু আপত্তির কি আছে? বিষয়টাই আসল, সেটা যেখানেই আসুক না কেন? আবার দেখা যাচ্ছে স্টেটাসে ব্লগ লেখা হচ্ছে। তবে প্রশ্ন আপনাকেই উল্টো করছি, স্টেটাস কি, আর ব্লগই বা কি? ব্লগের সাথের স্টেটাসের পার্থক্যটা কি? অনেক লেখা দেখছি স্টেটাসের মত ব্লগে আসছে। তখন তাকে স্টেটাস বলা হচ্ছে না কেন?

      আর আরেকটা কথা না বললেই নয়! আপনি কি এখানে ডাক্তারী করছেন? চিকিৎসা শাস্ত্র নিয়ে ব্লগও লিখছেন না। কিন্তু নামের আগে ডাঃ বসালেন কেন? :মানেকি:

    1. আমার এই পোস্টে শিরোনাম বলতে
      আমার এই পোস্টে শিরোনাম বলতে বোঝাচ্ছে, “অনৈসলামিক স্ট্যাটাস” এই বাক্য দু’টোকে। তার নীচে যেটা আছে, সেটা লেখাটার শরীর। সেটাকে আপনি কোন সারাংশ বা অণু-প্রবন্ধ বলতে পারেন। যেমন, অণু-গল্পে গল্পের সাধ নিতে চেষ্টা করি আমরা, এখানে আমি প্রবন্ধ গোছের একটা স্বাদ দিতে চেয়েছি। এর বেশি কিছু নয়। তাতে যদি আপনার মন না ভরে তবে শিরোনামটা পড়ে লাভ আছে কি? :মানেকি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *