ভাই খেলা !!!

“বাই কেলা হ’দ্দেনে উডা”- এই ডায়ালগ টা চট্টগ্রামে মারাত্নক জনপ্রিয় ! খাটি পশ্চিম বঙ্গীয় একসেন্টে যার সরল বঙ্গানুবাদ- “ভাই খেলা খেলছিস যে বড়ো” !! সাধারণত একজন যখন শত অন্যায় সত্ত্বেও বিশেষ কোন জনের পক্ষে অবিরাম সাফাই গেয়ে যায়, তখন অন্যরা তাকে বিব্রত করার উদ্দেশ্যে কৌতুক করে বলে – ” বাই কেলা হ’দ্দেনে উডা ” !!! বলাই বাহুল্য চট্টগ্রামে তথাকথিত এই “ভাই খেলা” খুবই জনপ্রিয় ..


“বাই কেলা হ’দ্দেনে উডা”- এই ডায়ালগ টা চট্টগ্রামে মারাত্নক জনপ্রিয় ! খাটি পশ্চিম বঙ্গীয় একসেন্টে যার সরল বঙ্গানুবাদ- “ভাই খেলা খেলছিস যে বড়ো” !! সাধারণত একজন যখন শত অন্যায় সত্ত্বেও বিশেষ কোন জনের পক্ষে অবিরাম সাফাই গেয়ে যায়, তখন অন্যরা তাকে বিব্রত করার উদ্দেশ্যে কৌতুক করে বলে – ” বাই কেলা হ’দ্দেনে উডা ” !!! বলাই বাহুল্য চট্টগ্রামে তথাকথিত এই “ভাই খেলা” খুবই জনপ্রিয় ..

আর বাংলাদেশ জাতীয় দলে চরম জনপ্রিয় হচ্ছে “ভায়রা ভাই খেলা” ! এখানে প্রধান নির্বাচক হিসাবে বড় ভায়রা ফারুক আহমেদের মেয়াদ শেষ হলে ,তার স্থলাভিষিক্ত হন ছোট ভায়রা আকরাম খান !! আবার কোন কারণে আকরাম প্রধান নিরর্বাচকের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করলে , পুনরায় পদ দখল করেন ফারুক ! এ এক অবিচ্ছেদ্য চক্কর !! গত ৬/৭ বছর ধরে এই অবস্থা বিদ্যমান !

আর সাবেক এই অধিনায়কদ্বয়ের মত আমাদের বর্তমান অধিনায়ক মুশফিক ও ইদানীং এই “ভায়রা ভাইখেলায়” বেশ পারদর্শী হয়ে উঠেছেন দেখা যায় !! নৈলে সেই ২য় টেস্ট থেকেই একের পর এক ক্রমাগত ব্যার্থতার পর ও কোন যুক্তিতে তিনি মাহমুদুল্লাহ কে দলে রাখলেন !? বর্তমানে মাহমুদুল্লাহর যে ফর্ম ,
তাতে তাকে দলে ঢোকানোর পেছনে ক্রিকেটীয় যোগ্যতার চেয়ে আত্নীয়তার যোগ্যতাই যে বেশ প্রাধান্য পাইছে ,সেটা সাদা চোখেই ধরা পড়ে ! একটা পরিসংখ্যান বিবেচনা করলে করলে এ ব্যাপারে যে কেউই একমত হবেন – আজ এবং গত ওডি আই ছাড়া তার সর্বশেষ চারটা ইনিংস – ২৯, ২১, ১৬ এবং ০ !!! অথচ নিউজিল্যান্ডের সাথে সর্বশেষ ৩ ওডিআই তে সুযোগ পাওয়া নাঈমের শেষ ৩ ইনিংস -৮৬, ১৪ এবং ৬৩ !!!
একে আপনি স্বজন প্রীতি ছাড়া আর কি বলবেন !

সাধারণত দল নির্বাচনে কোচ এবং ক্যাপ্টেনের মুল ভুমিকা থাকে, মুশফিক যদি রিয়াদ কে না চাইতেন ,তাইলে রিয়াদ কে বেষ্ট এলাভেনে ঢোকানোর সাধ্য কারোর’ই ছিল না !!! কিন্তু শ্বশুর বাড়ির প্রতি বাঙ্গালীর চিরন্তন পক্ষপাতিত্ব মুলক আচরণের উর্ধে মুশফিক ও উঠতে পারলেন না, তাই হয়ত “শ্বশুর বাড়ির জন্য হ্যাঁ” বলতে বাধ্য হলেন !

এরকম অবস্থা অব্যাহত থাকলে রিজার্ভ ব্যাঞ্চের খেলোয়াড়দের মধ্যে হতাশা আসতে বাধ্য । আর দলেও তার ছাপ বেশ ভালভাবেই পড়ে । গ্রুপিং এর শুরুটা হয় কিন্তু এভাবেই !!

দেশের ক্রিকেটের স্বার্থে এইসব “ভায়রা ভাইখেলা”র সমাপ্তি এখনই টানা উচিত , নৈলে ভবিষ্যতে কপালে বহুত খারাবি আছে !!

৮ thoughts on “ভাই খেলা !!!

  1. এই সাময়িক ব্যাডপ্যাঁচের জন্য
    এই সাময়িক ব্যাডপ্যাঁচের জন্য আমরা যদি রিয়াদের ম্যাচ বাঁচানো ইনিংসগুলো ভুলে যাই,তবে সেটা কিন্তু অন্যায় হবে… তবে হ্যাঁ, মনে হচ্ছে রিয়াদের কয়েকটা ম্যাচ বিশ্রাম দরকার… যেহেতু ওকে এশিয়া কাপে নেওয়া হয়নি, আশা করি এশিয়া কাপের এই সময়টা সে ফর্মে ফেরার সর্বাত্মক চেষ্টা করবে, এবং আমরা আবার আমাদের রিয়াদকে ফিরে পাব… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল:

    1. সেটা ঠিক তার ইনিংস গুলো ভুলে
      সেটা ঠিক তার ইনিংস গুলো ভুলে যাওয়া ঠিক না , কিন্তু টেন্ডুলকার ও যদি বাজে ফর্মের কারণে বাদ পড়ে, তাইলে মাহমুদুল্লাহ কেন বাদ পড়বে না !! আর তাছাড়া নাঈম ত ইনফর্ম ব্যাটসম্যান , অন্তত ১ বার কি তাকে সুযোগ দেয়া যেত না, শেষ ম্যাচের আগে !!! এতে আসলে রিজার্ভ ব্যাঞ্চের মনোবল ভেঙ্গে যায়

  2. রিয়াদ ভাই এখন বাজে ফর্মে আছে।
    রিয়াদ ভাই এখন বাজে ফর্মে আছে। উনাকে নিজেকে ফিরে পেতে একটু সময় দেয়া দরকার। যত দ্রুত ফর্ম ফিরে পাবেন, আমাদের জন্য ততোই সুখকর।

    1. রিয়াদ অবশ্যই ভালো প্লেয়ার এবং
      রিয়াদ অবশ্যই ভালো প্লেয়ার এবং সবাই’ই পুরানো ফর্মের সেই রিয়াদ কে মাঠে দেখতে চায় । কিন্তু সে যদি একের পর এক ম্যাচে এভাবে ব্যর্থ হবার পর ও তাকে দলে রাখাটা দলের জন্যই খারাপ হবে ।

      যেমন রিয়াদ এখন দলের বাইরে, অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে ১৫ জনের স্কোয়াডে ঢুকলো, কিন্তু দেখা গেল রেগুলার কোন প্লেয়ারের একের পর এক ব্যার্থতার পর ও রিয়াদ সুযোগ পাচ্ছে না, তখন নিশ্চয়ই আমাদের ভাল্লাগবেনা ! ব্যাপার টা এরকমই । তখন কিন্তু রিয়াদের ও নিজেকে বঞ্চিত মনে হবে, হতাশ ও হবে সে, যার ফল মোটেই ভাল হবে না !

      Btw, মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই

Leave a Reply to যুবায়ের তনিম Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *