একপাল লেখা

।। ১ ।।

এক পেয়ালা উষ্ণ
রক্তের চা খেয়ে
নিদ্রাদেবীর সাথে সঙ্গমের কল্পে
বাসর সাজাতেই ব্যাস্ত আমি…

।। ২ ।।

মেইল ট্রেন ছুটে চলে গেছে
ভোরবেলা।
খুব ভারী ট্রেনের দেহ।

প্রচন্ড চাপ।
কেটে গেছে।



।। ১ ।।

এক পেয়ালা উষ্ণ
রক্তের চা খেয়ে
নিদ্রাদেবীর সাথে সঙ্গমের কল্পে
বাসর সাজাতেই ব্যাস্ত আমি…

।। ২ ।।

মেইল ট্রেন ছুটে চলে গেছে
ভোরবেলা।
খুব ভারী ট্রেনের দেহ।

প্রচন্ড চাপ।
কেটে গেছে।

খবর পেয়ে
দেখতে গেলাম। উৎসুক
জনতার ভীড়ে গলা
বাড়িয়ে এক ঝলক।
কিংবা
এক পলক সেই
রেলে কাটা পড়া দেহ।

মনে হল বলছে আমায়
ভাই, আমার
মাথাটা খুঁজে এনে
লাগিয়ে দাওনা ধড়ে।
আমিও দেখতে চাই
আমার ট্রেনে কাটা দেহ
আর
তা দেখতে ভীড় করা
জনতাকে।

।। ৩ ।।

আমি তখনও অপেক্ষায়
পুড়ে যাওয়া খানিকটা নিকোটিন হাতে নিয়ে
শেষ না থাকা পথটার
শেষপানে চেয়ে…

তপ্ত বুলেটের চুম্বন বুকে।

শেষ হল অপেক্ষার প্রহর।
মৃতদেহটাই কথা বলে।
শ্লোগান ধরে।

ভাত-কাপড়-কাজ চাই-
বাঁচার মত বাঁচতে চাই।

।। ৪ ।।

দুঃখিত বালিকা।
এ বুকে তোমার ঠাঁই হবেনা।
পুরোটা জুড়েই আছে
পোড়া নিকোটিন।

।। ৫ ।।

।> তন্দ্রাকাব্য <। উদাসী চোখে ফিরে আসে বারবার সে। তন্দ্রা। মানসপটে ছুটে চলা স্ফুলিঙ্গের মত জ্বলে উঠেই নিভে যায়। ফিরে আসে সাড়ে দশবছর আগের লেট করে ক্লাসে ঢুকে কানে ধরে দাঁড়িয়ে থাকা বালকটির কাছে। সেই ক্ষণ যখন চার চোখ একীভুত হয়ে গিয়েছিল স্বপ্ন সন্ধানে। ঘড়ির কাঁটা ঘুরতে ঘুরতে হারিয়ে গেছে সাড়ে দশটি বছর। চোখে আবছা ভেসে...

৭ thoughts on “একপাল লেখা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *