ইনভিজিবল ইমোশন

সেদিন বাসে আমার পাশে এক ভদ্রলোক বসেছিলেন। বয়স পঞ্চাশের উপরে হবে। আমি ফেসবুক চালাচ্ছিলাম মোবাইলে। লোকটা উৎসুক হয়ে আমার মোবাইল টেপা দেখছিলেন। হঠাৎ বলে উঠলেন-

– বাবা তোমার ফ্রেন্ড কয়টা?
– ফ্রেন্ড? বেশি না। হাজারখানেক হবে।
– ওহ, আমার ছেলের ফ্রেন্ড অল্প।
– আচ্ছা তাই! আপনি জানেন কিভাবে?
– ঘরে বসেই তো চালায়। আমার সামনেই।
– আপনিও চালান?
– আমার আইডি নাই বাবা। ছেলের আইডি দিয়েই চালানো শিখি।
– হুম। ভালো তো। অনেক ভালো সম্পর্ক আপনার ছেলের সাথে, তাই না?
– হ্যাঁ। আমার ছেলে এখন জাপান আছে। কয়দিন পরে দেশে আসবে।
– ছেলেকে দেখবেন ফেসবুকে?
– আমি আসলে ওটা বলার জন্যই তোমাকে জিজ্ঞাস করলাম।

সেদিন বাসে আমার পাশে এক ভদ্রলোক বসেছিলেন। বয়স পঞ্চাশের উপরে হবে। আমি ফেসবুক চালাচ্ছিলাম মোবাইলে। লোকটা উৎসুক হয়ে আমার মোবাইল টেপা দেখছিলেন। হঠাৎ বলে উঠলেন-

– বাবা তোমার ফ্রেন্ড কয়টা?
– ফ্রেন্ড? বেশি না। হাজারখানেক হবে।
– ওহ, আমার ছেলের ফ্রেন্ড অল্প।
– আচ্ছা তাই! আপনি জানেন কিভাবে?
– ঘরে বসেই তো চালায়। আমার সামনেই।
– আপনিও চালান?
– আমার আইডি নাই বাবা। ছেলের আইডি দিয়েই চালানো শিখি।
– হুম। ভালো তো। অনেক ভালো সম্পর্ক আপনার ছেলের সাথে, তাই না?
– হ্যাঁ। আমার ছেলে এখন জাপান আছে। কয়দিন পরে দেশে আসবে।
– ছেলেকে দেখবেন ফেসবুকে?
– আমি আসলে ওটা বলার জন্যই তোমাকে জিজ্ঞাস করলাম।
– আচ্ছা তার আইডির ইমেইল জানেন?
– নাহ।
– উহু তাহলে আইডির নাম বলেন।
– শাফিন আহমেদ

অনেক খুঁজেও তার ছেলের আইডি পেলাম না। হাজার হাজার শাফিন আহমেদ ফেসবুকে আছে। এর মধ্যে তার ছেলেকে খুঁজে পাওয়া কঠিন কাজ। লোকটার মন খারাপ হয়ে গেলো। বোধহয় কোনো কারণে তিনি একটু লজ্জিত হচ্ছিলেন।
আজ খুবই ইচ্ছে হচ্ছে বাবাকে দেখতে। বাবার আদর পেতে। কিন্তু সেটা এখন আর সম্ভব নাহ। তাই জেমসের গান শুনে ভেসে বেড়াচ্ছি-

“বাবা কতোদিন, কতোদিন দেখিনা তোমায়
কেউ বলেনা তোমার মতো
কোথায় খোকা ওরে বুকে আয়”

৩ thoughts on “ইনভিজিবল ইমোশন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *