কঠিন বাস্তব (বর্ষপূর্তি গল্প প্রতিযোগিতা)

বিশাল হলঘর।
বিভিন্ন দেশের মহিলা মানবাধিকার কর্মী এবং তাদের সহায়তায় নতুন জীবনে ফিরে আসা মহিলা ভুক্তভোগীদের সশব্দ পদচারণায় মুখর প্রতিটি ইঞ্চি। তিনদিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত হওয়া মহিলা মানবাধিকার বিষয়ক কনফারেন্সের আজ শেষ দিন। আজ ভুক্তভোগীদের মুখ থেকে সরাসরি শোনা হবে নির্যাতনের কাহিনী, ব্যবহার করা হবে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে।


বিশাল হলঘর।
বিভিন্ন দেশের মহিলা মানবাধিকার কর্মী এবং তাদের সহায়তায় নতুন জীবনে ফিরে আসা মহিলা ভুক্তভোগীদের সশব্দ পদচারণায় মুখর প্রতিটি ইঞ্চি। তিনদিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত হওয়া মহিলা মানবাধিকার বিষয়ক কনফারেন্সের আজ শেষ দিন। আজ ভুক্তভোগীদের মুখ থেকে সরাসরি শোনা হবে নির্যাতনের কাহিনী, ব্যবহার করা হবে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে।

উপস্থাপক আহ্বান করলেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাউকে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য। কিন্তু কয়েক মুহূর্ত কেটে গেলো, কেউ আগ্রহ দেখালেন না। উপস্থাপক আরেকবার অনুরোধ করার পর একদম পেছনের সারি থেকে হাত তুললেন শাড়ী পরা এক মহিলা। তার টেবিলে রাখা বোর্ড থেকে জানা গেলো তিনি বাংলাদেশী। তুমুল করতালির মধ্য দিয়ে আমিনা খাতুন বলতে শুরু করলেন তার কাহিনী। ইন্টারপ্রেটার সেটা ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ করে দিতে লাগলেন।

বাংলাদেশের এক পশ্চাৎপদ গ্রাম থেকে এসেছেন আমিনা। মাত্র পনেরো বছর বয়সে তার বিয়ে হয় মধ্য ত্রিশের কাশেমের সাথে। ভূমিহীন কৃষক কাশেম বিয়ে করেছিলো যৌতুকের আশায়। ব্যাপারটা আমিনার পরিবার জানত না, তা নয়। কিন্তু বাড়ন্ত মেয়েকে ঘরে রাখার মতো ঝুঁকি বাপ-মা নিতে চায় নি। তাই কিস্তিতে যৌতুক চুকিয়ে দেবে – এই জবানীতে বিয়ে দেওয়া হয় কাশেমের সাথে। সেই পাওনা বিয়ের এক বছরের মাথায়ও মেটানো সম্ভব হয় না। হবে কীভাবে? আমিনার পরেও যে আরো দুটো বোন, দুটো ভাই আছে! ছয় সদস্যের পরিবারকে টানতে গিয়ে বাবার হাতে কাশেমকে দেওয়ার মতো অবশিষ্ট কিছুই থাকে না। ফলে আমিনার উপর নেমে আসে অকথ্য অত্যাচার।
এক রাতে ঝগড়ার চূড়ান্ত পর্যায়ে আমিনার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় কাশেম আর তার পরিবার। পাড়া প্রতিবেশীরা কোনোমতে অর্ধপোড়া আমিনাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। কিন্তু বাড়ী থেকে তার চিকিৎসার জন্য টাকা দিতে কিংবা তাকে ফিরিয়ে নিতে আপত্তি জানানো হয়। এমন সময় এক মহিলা সংগঠন উদ্ধার করে আমিনাকে। এখন পর্যন্ত সেখানেই আছেন তিনি।

আমিনার গল্প শেষ না হতেই হাত তুললেন অনেক মহিলা। সবাই এখন সংকোচ ঝেড়ে বলতে চান নিজ নিজ কাহিনী। উপস্থাপক বেছে নিলেন সোমালিয়ার একজনকে। ফারতুন নামক ঐ তরুণী জানালেন চরম ভয়াবহ আরেক কাহিনী।

ফারতুনের দেশে মহিলাদের খতনা খুব সাধারণ একটা ব্যাপার। প্রায় আটানব্বই শতাংশ মহিলা এই নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকেন। ছোটবেলা থেকেই ফারতুন এই বিষয়ে জানত। কিন্তু নিজের জীবনে এই অবস্থা মেনে নেওয়ার মতো মানসিকতা ওর কখনোই তৈরী হয় নি।
ফারতুনের বয়স যখন তেরো, তখন এক রাতে কোনোরকম পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই মায়ের সাথে এক লোক ওর কামরায় ঢুকে পড়ে। মা শুধু এটুকু বলার সুযোগ পেয়েছিলেন, “চিৎকার কোরো না, কিছুক্ষণের ব্যাপার।” তারপরই একটা ব্লেড নেমে আসে ফারতুনের দু’পায়ের ফাঁকে। এরপর আর কিছু মনে নেই ওর।
জ্ঞান ফেরার পর প্রচণ্ড ব্যথায় ও আবিষ্কার করে, দেহের একটা পরিচিত অংশ কেটে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
এই ঘটনার অনেক বছর পর সোমালিয়ায় মানবাধিকার কর্মীরা মহিলাদের খতনার বিরোধীতা শুরু করেন। তরুণী ফারতুনও যোগ দেন ঐ দলে।

হাত তুললেন কলকাতার দেবী সিনহাও। লাল পেড়ে গরদ শাড়ীর শান্ত-স্নিগ্ধ দেবীকে দেখে সবাই চমকে উঠলেন। এই মহিলা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বেশ বড় পদে আছেন। তিনদিন ধরে বিভিন্ন মিটিং পরিচালনা করে এসেছেন। কেউ চিন্তাই করেন নি দেবী নিজেও নির্যাতনের শিকার হতে পারেন!

পেশায় দেবী ডাক্তার। ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন সহপাঠী ভূষণকে। কিন্তু বিয়ের পর বর এবং শ্বশুরবাড়ীর আচরণে যারপরনাই বিস্মিত হন দেবী। শিক্ষিত পরিবার বিধায় যৌতুক দাবী করা হয় নি কোন। কিন্তু যৌতুক না চাইলেও কেন দেবীর পরিবার থেকে কোন উপহার দেওয়া হচ্ছে না, সে বিষয়ে বারবার কথা উঠতে থাকে। এক পর্যায়ে দেবীকে চাকরী ছাড়ার আদেশও দেওয়া হয়। কারণ হিসেবে বলা হয় বউ ঘরের কাজ করে না, সারাদিন ডিউটিতে থাকে ইত্যাদি।
সবার সাথে ভূষণের একাত্মতা দেবীকে হতভম্ব করে দেয়। অনেক ভেবে তিনি বের করেন, ভূষণের চেয়ে নিজের বেশী বেতনের চাকরীই ভূষণকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে। ভূষণ মেনে নিতে পারছে না ব্যাপারটা। এটা হয়ে দাঁড়িয়েছে ওর ইগো প্রবলেম।
হয়ত শ্বশুরবাড়ীর লোকজন ভেবেছিলো, মেয়ে বলে দেবী মুখ বুজে সব সহ্য করে নেবেন। পরিবারকে চাপ দেবেন উপহার নামক যৌতুক পাঠানোর জন্য। কিন্তু এজন্যেই কি তিনি লেখাপড়া শিখে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন হয়েছেন? কখনোই না। সমাজে একাকী জীবন-যাপন কঠিন হয়ে দাঁড়াবে জেনেও দেবী ডিভোর্স চেয়ে বসলেন বিয়ের দুই বছরের মাথায়। বহু জল ঘোলা হওয়ার পর পেলেন কাঙ্ক্ষিত স্বাধীন জীবন।

সবার মুগ্ধ হাততালি শেষে উপস্থাপক আবারো ফিরে আসলেন বাংলাদেশে। এবার আর গ্রাম নয়, রাজধানী ঢাকা থেকে আগত এক বালিকার জবানীতে ফুটে উঠলো শিশু নির্যাতনের কাহিনী।

দশ বছরের পুষ্প কাজ করতো গুলশানের এক অভিজাত পরিবারে। কিন্তু পরিবারের কর্তা-কর্ত্রী-সন্তান, কারোরই পুষ্পর প্রতি ছিল না কোন অনুভূতি। ভোরে উঠে রুটি বানানো থেকে শুরু করে রাত বারোটা পর্যন্ত থালাবাসন ধোয়ার কাজে ব্যস্ত থাকতে হত পুষ্পকে। এর মাঝে সবার খারাপ ব্যবহার, চড় থাপ্পর তো ছিলই।
একদিন পুষ্পর সাথে গৃহকর্তার অবৈধ সম্পর্ককে সন্দেহ করে প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন গৃহকর্ত্রী। সত্য-মিথ্যা যাচাই না করেই গরম খুন্তি দিয়ে ছ্যাঁক বসান পুষ্পর শরীরে। রাগ চরিতার্থ করতে এগিয়ে আসে ছেলেমেয়েরাও। অমানুষিক নির্যাতনের পর মৃত ভেবে অজ্ঞান পুষ্পকে গাড়ীতে করে কমলাপুর রেলস্টেশনে ফেলে রেখে যায় ওরা। এরপর হাসপাতাল থেকে মানবাধিকার কর্মীরা পুষ্পকে তাদের আশ্রয়ে নিয়ে আসেন।

পুষ্পর বর্ণনা শেষে উঠে দাঁড়ায় আমেরিকার কিশোরী এমা, সাইবার ক্রাইমের শিকার হয়ে যার জীবন আজ বিপর্যস্ত।

প্রেমিকের সাথে এমার ভালোবাসার মুহূর্ত ভিডিও করা হয়েছিলো ওর জানামতেই। কিন্তু এই প্রেমিকই ভিডিওটি দিয়ে এমার কর্পোরেট চাকুরীজীবী বাবাকে ব্ল্যাকমেইল করে। উনাকে বাধ্য করে আকালের যুগে তাকে একটা চাকরী জুটিয়ে দিতে। বাবার সামনে কোন মুখে দাঁড়াবে এই চিন্তায় এমা আত্মহত্যার চেষ্টাও করে কিন্তু সফল হতে পারে না। মেয়ের ভালোর জন্য বাবা তাকে পাঠিয়ে দেন অন্য প্রদেশে। সেখানে সাইবার ক্রাইম বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সক্রিয় কর্মী হয়ে উঠে এমা।

উপস্থিত সবাই টুঁ শব্দ না করে শুনে চলেন এইসব কাহিনী। কিন্তু উপস্থাপকের সময় শেষ হয়ে আসে। অভিজ্ঞতা শেয়ারের পর্ব এখানেই শেষ করে যেতে হবে পরের পর্বে। কিন্তু আফগানিস্তানের আদিলা ফিরুজ হাত উঠিয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন। তাকে কথা বলতে দিতেই হবে। উপস্থাপকের কোন কথাই তিনি শুনতে রাজী নন। অগত্যা সবার অনুরোধে উপস্থাপক পাঁচ মিনিট সময় বরাদ্দ করলেন পরবর্তী পর্ব থেকে। আদিলা বলা শুরু করলেন পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম লজ্জাজনক ঘটনাটি।

২০১১ সালে উমর নামক এক পিশাচের কাছে ধর্ষিত হন আদিলা। কিন্তু এই ঘটনার পর লোকলজ্জার ভয়ে তিনি চুপ করে বসে থাকেন নি। পরিবারের কাউকে সাথে না পেয়ে একাই বিচার চেয়েছেন আদালতে। কিন্তু প্রহসনের আদালত তাকে ব্যভিচারের মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়। ফলে জেল হয় ভিকটিম আদিলার। এদিকে কালপ্রিট উমর সমাজে দিব্যি ঘুরে বেড়াতে থাকে। ঘৃণায় মরমর হয়ে আদিলা আবিষ্কার করেন, তিনি গর্ভবতী। জেলেই প্রসব করেন উমরের সন্তানকে। জেলের মেয়াদ শেষ হলে পরিবার থেকে তাকে বিয়ে দেওয়া হয় উমরের সাথে। কারণ এই ধর্ষিতা মেয়ে এবং তার জারজ সন্তানকে পালনের কোন ইচ্ছা পরিবারের নেই। বাধ্য হয়ে ধর্ষককে নিজের জীবনসঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করেন আদিলা।
এরপর তিনি যোগাযোগ করেন মানবাধিকার কর্মীদের সাথে যারা তাকে উমরের হাত থেকে উদ্ধার করেন। এখন আদিলা থাকছেন নরওয়ের এক আশ্রয়কেন্দ্রে।

পুরো হলঘরে পিনপতন নিস্তব্ধতা নেমে আসে। কেউ বুঝতে পারেন না, কোন ঘটনাকে কম পাশবিক বলবেন।
সবার আগে সামলে উঠেন উপস্থাপক। হলে বসে থাকা দুই হাজারের বেশী সংখ্যক মহিলার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করেন, “আমি বিশ্বাস করি, কোনো ধরণের নির্যাতনগুলোর শিকার হন নি এমন কেউও এখানে উপস্থিত আছেন। নয় কি?”
কিন্তু মাইকে কোন সম্মতিসূচক উত্তর এলো না।

“প্লিজ কেউ হাত তুলুন!”
উপস্থাপকের আকুতি যেন হাহাকার হয়ে ঘুরে বেড়াতে লাগলো হলঘরের আনাচে কানাচে। কিন্তু একটা হাতও উপরে উঠলো না। অবাক হয়ে শত সহস্র নারী আবিষ্কার করলেন, দেশ-সংস্কৃতি-পেশা-সামাজিক মর্যাদাতে সবাই আলাদা হতে পারেন কিন্তু এই একটা দিক দিয়ে সবাই পরস্পর সম্পর্কিত।
ছিঃ!

(বর্ষপূর্তি গল্প প্রতিযোগিতা)
[চারপাশে ঘটে যাওয়া বাস্তব ঘটনাগুলোকে গল্পাকারে লিখতে চেয়েছি। জানি না পেরেছি কিনা। বাস্তবতা কেন জানি ঠিক গল্পের আমেজে ধরা দেয় না]

৩৫ thoughts on “কঠিন বাস্তব (বর্ষপূর্তি গল্প প্রতিযোগিতা)

  1. উপস্থাপকের আকুতি যেন হাহাকার

    উপস্থাপকের আকুতি যেন হাহাকার হয়ে ঘুরে বেড়াতে লাগলো হলঘরের আনাচে কানাচে। কিন্তু একটা হাতও উপরে উঠলো না। অবাক হয়ে শত সহস্র নারী আবিষ্কার করলেন, দেশ-সংস্কৃতি-পেশা-সামাজিক মর্যাদাতে সবাই আলাদা হতে পারেন কিন্তু এই একটা দিক দিয়ে সবাই পরস্পর সম্পর্কিত।
    ছিঃ!

    – :salute: :salute: :salute:

  2. অবাক হয়ে শত সহস্র নারী

    অবাক হয়ে শত সহস্র নারী আবিষ্কার করলেন, দেশ-সংস্কৃতি-পেশা-সামাজিক মর্যাদাতে সবাই আলাদা হতে পারেন কিন্তু এই একটা দিক দিয়ে সবাই পরস্পর সম্পর্কিত। ছিঃ!

    ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ

    দারুণ হয়েছে… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow:
    তবে ঠিক গল্পের আমেজে হয়নি!

  3. অবাক হয়ে শত সহস্র নারী

    অবাক হয়ে শত সহস্র নারী আবিষ্কার করলেন, দেশ-সংস্কৃতি-পেশা-সামাজিক মর্যাদাতে সবাই আলাদা হতে পারেন কিন্তু এই একটা দিক দিয়ে সবাই পরস্পর সম্পর্কিত। ছিঃ!

    অসাধারণ লিখনি… চমৎকার… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  4. এসব ঘটনা আর গল্প কই, একদম
    এসব ঘটনা আর গল্প কই, একদম বাস্তব চিত্র ।
    বিশ্বের প্রতিটি দেশ, সমাজে এসব ঘটনা যেন একেবারে নিত্যনৈমিত্তিক হয়ে দাড়িয়েছে ।

    ভাল লিখেছেন ।ধন্যবাদ রুথ ম্যাডাম ।

  5. আমরা লজ্জিত কারণ আমরাও যে ঐ
    আমরা লজ্জিত কারণ আমরাও যে ঐ পশুদের দলে!! আমরা যে পুরুষ!!! দৃষ্টি, কথা, বিবেক দিয়ে সর্বদা নির্যাতন করে যাচ্ছি, নিজেদের দাস করে রাখতে চাইছি এই সমাজের অর্ধ অঙ্গদের্। আবার নিজেরাই বলি তারা কেন নির্ভরশীল, স্বাধীন, সাবলম্বী হতে পারে না!!!

    এই ছি: টা আমার জন্য , আমাদের জন্য, আমাদের মানসিকতার জন্য। ছি:

    দারুন গল্প।

      1. হুম, নিষ্ঠুর বাস্তবতা
        হুম, নিষ্ঠুর বাস্তবতা শিখিয়েছে, তাই আমি অস্বাভাবিক, সম বয়সিদের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে চক্ষু দিয়ে নারী দেহ গিলে খেতে পারি না বলে আমি ব্যকডেটেট, পিচ্চি অথবা আংকেল…… আক্ষেপ!!!!

  6. ছি ছি ছি
    গতানুগতিক ধারার

    ছি ছি ছি

    গতানুগতিক ধারার বাইরে ভিন্ন আমেজের একটা ছোটগল্প পড়লাম। :ফুল: খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তু, চমৎকার উপস্থাপনা এবং বরাবরের মতই শেষে একটা ভয়ংকর ঝাঁকুনি… :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মুগ্ধৈছি: পাঠককে এবং পাঠকের বিবেককে ধরে এরকম ঝাঁকুনি সবাই দিতে পারেনা… :তালিয়া: :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল:

    ভালোলাগা, শুভকামনা এবং ভালোবাসা রইল… :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

  7. উপস্থাপনা ভালো ছিল । সমসাময়িক
    উপস্থাপনা ভালো ছিল । সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে কিছু সত্য ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে । প্রতিবাদ জানাই সকল ধরনের নারী নির্যাতনের ।

    গল্পের জন্য শুভকামনা :গোলাপ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *