কঙ্কন দাসী [ বর্ষপূর্তি গল্প প্রতিযোগিতা ]

ভাটিয়াল মুল্লুকের সদাগর ধনেশ্বর সাধু। যেমন তাহার হাতিশালে হাতি, তেমন তাহার ঘোড়াশালে ঘোড়া। যেমন তাহার ধনরত্ন তেমন তাহার লোকলস্কর। ধনেশ্বর সদাগরের কথা আর কি কহিবো ; দিকে দিকে তাহার নাম। জনে জনে তাহার স্তুতি।

দশ না বচ্ছরের কন্যা কাজলরেখা নাম ।
দেখিতে সুন্দর কন্যা অতি অনুপম ।।
চাইর না বচ্ছরের পুত্র নাম রত্নেশ্বর ।
রত্ন না জিনিয়া তাহার চিক্কণ কলেবর ।।


ভাটিয়াল মুল্লুকের সদাগর ধনেশ্বর সাধু। যেমন তাহার হাতিশালে হাতি, তেমন তাহার ঘোড়াশালে ঘোড়া। যেমন তাহার ধনরত্ন তেমন তাহার লোকলস্কর। ধনেশ্বর সদাগরের কথা আর কি কহিবো ; দিকে দিকে তাহার নাম। জনে জনে তাহার স্তুতি।

দশ না বচ্ছরের কন্যা কাজলরেখা নাম ।
দেখিতে সুন্দর কন্যা অতি অনুপম ।।
চাইর না বচ্ছরের পুত্র নাম রত্নেশ্বর ।
রত্ন না জিনিয়া তাহার চিক্কণ কলেবর ।।

কন্যা কাজলরেখা আর পুত্র রত্নেশ্বরকে লইয়া সাধুর সংসার। জুয়াতে সব হারাইয়া ফকির হইল সাধু। জুয়াতে হারিয়া সাধু হারাইলো সম্বল, ধনরত্ন হাতীঘোড়া সব হইলো তল। সর্বসম্পদ খুইয়া সাধু ধনেশ্বর পাগল হইবার যোগার। কন্যা কাজলরেখার বিবাহের বয়স আসন্ন। জুয়াড়ি বাপের কইন্যা গ্রহণে ইচ্ছুক পাত্রের বড়ই অভাব। সুপ্রশন্ন হইলো ধর্ম্মমতি শুকপক্ষী। উপদেশ পাইলা সদাগরে, বানিজ্য দিতে হইবে পুব দেশের দিকে।

পুব দেশেতে যাওরে সাধু হাওর পারি দিয়া।
এক বচ্ছরের ধন খাইবা বারো বচ্ছর বইয়া ।।

অভাব গেলি সদাগরের। নাহ। গেলি না অভাব, গেলি না দুষ্ক। দুষ্কের কথা আর কি করিব বর্ণন, কও কও শুক পাখিরে সাধুর বিবরণ। মরা সোয়ামীর লগে কইন্যার বিবাহ দিতে হইবে ; এই আছে ভাগ্যলিখনে। ভাগ্যের লিপি মানিয়া লইয়া সাধু ধনেশ্বর কন্যা কাজলরেখাকে থুইয়া আসিলো সূচরাজার নিকট । শুনো লো পরাণের ঝি কি কইয়া যাই আমি, সামনে আছে মরা কুমার সেই তোমার স্বামী ।
সাব্বিরের ফোন।
বইটা বন্ধ করে বিরক্তিকরভাবে বেজে চলা ফোনটা রিসিভ করলো ইসরাত। এই অবেলায় সাব্বির ফোন দিয়েছে দেখেই মনটা ভালো হয়ে গেলো। খুব একটা প্রয়োজন ছাড়া মানুষটা ফোন দেয় না।
– আমার রাজপুত্রের আজ কি হয়েছে শুনি ?
– রাজপুত্রের মন খারাপ। রাজকন্যার আজ দেখা নাই তাই।
– রাজকন্যা যে তোমার বনবাসে ছিলো। সূচরাজার শরীর থেকে সূচ তুলতে ব্যস্ত। হঠাত কি মনে করে ?
– দেখতে এলাম, প্যারিস হেলেন থেকে রাজকন্যা আমার কাজলরেখায় পৌছেছে কি না
– ঢং রাখ সালা। তর ঢং দেইখ্যা সইলডা জ্বলে
– শুরু করছে ক্যাডা ছুনি? ইসরাত খাতুন, তুমারে আমি ভালা পাই
– মোমেনা খাতুন জানে?
– মোমেনা খাতুন তোর হবু আম্মিজানের নাম।
– ছো হোয়াট?
– ক্যাম্পাসে আয়। বুঝাই তোরে সো হোয়াট
– আইতেসি। খারাইছ
সাব্বির ম্যাথ ডিপার্টমেন্টের পরিচিত মুখ। ইসরাত স্ট্যাটিস্টিকসের। ওদের পরিচয়টা যেনো হতেই হতো। ভালো লাগাটা ভালোবাসায় মোড় নিতে পারে নি এখনো। অথবা কে জানে। পেরেছে হয়তো। বুঝে দুজনই। বুক ফাটে তাও মুখ ফুটে না। কিছু কথা হয়তো বলা যায় না ; বুঝে নিতে হয়। আসলে ওদের সম্পর্কটা এমন এক অবস্থায় আছে, কাছে আসলে অস্বস্তি হয় ঠিকই , দূরে গেলে ডুকরে কান্না আসে। আসলে ইসরাত নিজে ভাবে এমনটাই। কেনো যে ছেলেটা বুঝে না।
– জানিস অর্পি, সাব্বিরকে আমার ভীষণ ভালো লাগে
– বলে ফেলিস না কেনো?
– আরে না। কি না কি ভাবে। বাদ দে
– দ্যাখ ইসিমনি, এসব বাদ দিতে হয় না। এসব ধরতে হয়। না ধরলে হাত ফসকে যায়।

ধরিলো কাজলরেখা সূইচরাজার হাত
কেমনে কাটিয়া গেলো দিবাগত রাত ।।

ভাগ্য মানিয়া লইয়া সূচরাজার চরণে নিজেরে সমর্পণ করিলো কাজলরেখা। দিন যায় রাত যায়। মরা রাজা নড়ে না। যে হও সে হও প্রভু তুমি ত সোয়ামী, যতকাল দেহ তোমার ততকাল আমি। সেই সে এক মন্দিরে বন্দী কাজলরেখা মুক্তি পাইলো একপক্ষ পরে। সন্যাসী এক। প্রকট তাহার ক্ষমতা। সেই সন্যাসী বর দান করিলা কাজলরেখাকে। সূচ তুলিতে লাগিলো কাজল, কেবল চক্ষুর উপর লাগানো সূচ দুটি ছাড়া। সাত দিন সাত রাত কাজল করিলা পরিশ্রম, সোয়ামীর লাইগা কাজল ছারিলো আশ্রম। আট দিনের দিন কন্যা কেবল চক্ষের সূচ দুটি রাইখা ছান করিবার লাইগা জলের খোজে বাইর হইলো। দেখে এক পুষ্কুনী, ডালিমের রসের মতোন পানি তার। ছান করিয়া কন্যা ফিরিবার পথে, দেখিলো পাষাণ বাপ নিজ কন্যা বেঁচে।
নাম উহার কঙ্কন। কঙ্কনদাসী। পেটের দায়ে পাষাণ বাপ তারে দাসী কইয়া বেঁচতি চায়। ভাবিলো কাজলরেখা, এ কইন্যা আমারই মতোন জনমদুখিনী। কর্ম্মদোষে কাজলরেখা হলি বনবাসী, কঙ্কন দিয়া কিনিল দাই নাম কঙ্কনদাসী। সূচরাজার বিত্তান্ত কহিলো তারে কাজলরেখা। বিত্তান্ত না, যেন নিজের মিত্যু কহিলো।

আগে চলে কঙ্কনদাসী পাছে পাছে চায়।
মনেতে অসুরবুদ্ধি ভাবিয়া জোয়ায় ।।
দুই চক্ষের দুই সূচ দুই হস্তে খুলি।
শিরেতে পাতার রস দুই চক্ষে ঢালি ।।
অঙ্গ ঝারা দিয়া কুমার উঠিলো জাগিয়া।
কঙ্কনদাসী কয় , ” কুমার, আমারে করো বিয়া ” ।।
রানি হইলো দাসী আর দাসী হইলো রানি।
কর্ম্মদোষে কাজলরেখা জন্ম অভাগিনী ।।

সারাটা রাত ইসরাত এক মুহুর্তের জন্য ঘুমাতে পারলো না। ফুঁপিয়ে কেঁদেছে। মা শুনে ফেললে সমস্যা। মা এজমা রোগী। মেন্টাল স্ট্রেস নিতে পারে না। একটা ডিএসএলআর এর শখ ছিলো সাব্বিরের। অনেকদিন জমিয়ে গত জন্মদিনে ওকে গিফট করেছিল ইসরাত। এতগুলো টাকা ; অথচ কি যে ভালো লাগতেছিলো ওর। আচ্ছা, সাব্বির কি বুঝেনি? হয়তো।
– কি রে ডাইনি কেমন আছিস? চোখ ফুলিয়ে ঢোল বানাইছস কিল্লাইগা?
– এমনেই। তোর কি খবর ?
– আছি আল্লা খোদার রহমতে। মন খারাপ নাকি রে ইসু?
– না। কিছু না। আচ্ছা সাব্বির তুই আমাকে একটা জিনিস এনে দিতে পারবি?
– না
– ফাইজলামি না। সিরিয়াসলি ক। পারবি ?
– কি জিনিছ?
– শুকপাখি
– চিড়িয়াখানায় যা। পাই যাবি
ইসরাত ফোনটা কেটে দিলো । খুব কান্না পাচ্ছে ওর।

কান্দিতে কান্দিতে কন্যা শিলা যায় গলে।
মরা স্বামী ধোয়ায় কইন্যা আক্ষির জলে ।।

কাজলরেখায় মুগ্ধ সূচরাজার কাছে কঙ্কনদাসী মিথ্যা অভিযোগ করিলো। কাজলরেখা অসতী। অসচ্চরিত্র। ভ্রান্ত রাজা কাজলরেখাকে নির্বাসিত করে। ভাই রত্নেশ্বর সেথা কন্যাকে উদ্ধার করিয়া লইয়া আসে। মাটিতে ন থুই , আকাশে ন থুই, থুইলাম হৃদয়ে ; এত সোহাগের সোয়ামী মোর দাসীর দিব্যি ধরে। তবু ভাগ্যলিপি খন্ডানো যায় না। ভাগ্যের লিখন না যায় খন্ডন। সময়ের সাথে সাথে সূচরাজা নিজের ভুল বুঝিতে পারে এবং কাজলরেখাকে গ্রহণ করে।

আছে কি মইরাছে কইন্যা সূইচ রাজায় না জানে।
আবুড় হইয়া কান্দে রাজা সভার বির্দ্দমানে ।।

– আমি তো কাজলরেখা না। সাব্বির তো সূচরাজা না। তাহলে তোকে কঙ্কনদাসী হতে হবে কেনো অর্পি ?
– কি যা তা বলছিস? কাজলরেখা কে ? আমি কিসের দাসী না কি যেনো বললি?
– সাব্বিরের সাথে তোর কি সম্পর্ক ?
– অদ্ভুত প্রশ্ন করবি না ইসরাত। তোর ফালতু প্রশ্নের জন্যে আমার কোনো সময় নেই।
বলেই পাশ কাটিয়ে হেটে চলে গেলো অর্পি। ইসরাতের মুখে হালকা একটা হাসি। আমি কাজলরেখা না হলেও তুই কঙ্কনদাসী হয়ে গেলি অর্পি। কঙ্কনদাসীর পরিণতি তুই ভোগ করবি। সে ব্যবস্থা আমি করে ফেলেছি।

চাইয়া দেখো কঙ্কনদাসী পরীখায় লুকাইয়া।
শত্রুরাজার ভয়েতে আবরু অলঙ্কার ছুপাইয়া ।।
মিত্যু হইলা কঙ্কনদাসী মাটি চাপা পইরা ।
জন্মদুঃখী কাজলরেখার কেচ্ছা হইলা সারা ।।

( কৃতজ্ঞতাঃ কাজলরেখা, মৈমনসিংহ গীতিকা )
[ বর্ষপূর্তি গল্প প্রতিযোগিতা ]

৬৩ thoughts on “কঙ্কন দাসী [ বর্ষপূর্তি গল্প প্রতিযোগিতা ]

  1. প্যারালাল টেক্সট এর মজাই
    প্যারালাল টেক্সট এর মজাই আলাদা। :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :থাম্বসআপ:
    অনেক খাটতে হয়েছে লিখতে বুঝাই যাচ্ছে। :মাথাঠুকি: :মাথানষ্ট: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :গোলাপ:
    গল্প দারুণ লেগেছে। :গোলাপ: :গোলাপ: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :ফুল:

        1. ধন্যবাদ আপনাকে আপু

          ধন্যবাদ আপনাকে আপু

          :মাথাঠুকি: :মানেকি: :ভেংচি: :বিষয়ডাকী: :চোখমারা: :কথাইবলমুনা: :আমারকুনোদোষনাই: :দেখুমনা: :ঘুমপাইতেছে: :মাথানষ্ট: :খাইছে: :কনফিউজড:

  2. ভাল লাগল… অন্যরকম একটি লেখা
    ভাল লাগল… অন্যরকম একটি লেখা হয়েছে। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :তালিয়া: :তালিয়া: :গোলাপ: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :থাম্বসআপ:

  3. ভাইরে বইয়ের সাথে বাস্তব জীবন
    ভাইরে বইয়ের সাথে বাস্তব জীবন মিলিয়ে যে লেখা টা দিলেন এই লেখাটা প্রমান করে যে আমরা বই পড়লে সেই চরিত্রে ডুবে যাই। নিজেদের কল্পনা করতে থাকি সেই বইয়ের চরিত্রে।

    ভাল লেগেছে তবে পড়তে কষ্ট হইছে, প্রথমে বুঝতে পারি নি। আস্তে আস্তে ক্লিয়ার হল

  4. এই লোকটার নাম আগে “খুনি
    এই লোকটার নাম আগে “খুনি অর্ফিয়াস” ছিল না?
    না হলেও এই লোকটা দেখছি দুর্দান্ত খুনি!
    এই রকম ডেঞ্জারাস সাসপেন্সওয়ালা গল্প কেউ লেখে? আমার পড়া এযাবত “বর্ষপূর্তি গল্প প্রতিযোগিতা”র শ্রেষ্ঠ গল্প এটা…
    আমার হাতে বিচারের ক্ষমতা থাকলে ডাইরেক্ট ফার্স্ট প্রাইজ দিয়ে দিতাম!
    :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল:

  5. আপনার গল্পগুলি বরাবরই ভালো
    আপনার গল্পগুলি বরাবরই ভালো হয়… এটাও ভালো হয়েছে।
    ধন্যবাদ আপনার আপুকেই দিতে থাকেন, আমাকে না দিলেও চলবে 😀 :ভালুবাশি:

  6. ফাটাফাটি লিখছেন। শেষ দিনে এসে
    ফাটাফাটি লিখছেন। শেষ দিনে এসে দেখি ফাটাফাটি সব গল্প পোস্ট হচ্ছে। কোনটা থুয়ে কোনটারে যে সেরা বলবো বুঝতে পারতেছি না। পুরাই মাথা নষ্ট অবস্থা। 😀

    1. সহমত আতিক ভাই, একদম শেষ দিকে
      সহমত আতিক ভাই, একদম শেষ দিকে এসে অনেকগুলো স্প্লেনডিড গল্প পেলাম… :চশমুদ্দিন: :চশমুদ্দিন: :ভালাপাইছি: :ভালাপাইছি:

  7. প্রাচীন গীতিকা কাব্য ও আধুনিক
    প্রাচীন গীতিকা কাব্য ও আধুনিক সাসপেন্সের যে মেলবন্ধন আপনি চাতুর্যময় করে ফুটিয়া তুলিয়াছেন এতে আপনার পান্ডিত্যের ছাপই বহন করে।তথাপি বলিবো অধিক অধ্যায়ন না করিলে আসলে ভালো লেখা সম্ভবপর হইয়া উঠেনা।তাই আপনার অধ্যায়ন জ্ঞানেরও প্রশংসা না করিয়া পারিলাম না।উচ্চবর্গীয় লেখাটি নিয়া আমি আশাবাদী হইতেছি।শুভ কামনা রহিলো।

      1. অর্ফিয়াস-ভাই নাচের ইমো দেন!
        অর্ফিয়াস-ভাই নাচের ইমো দেন! আপনি যা লিখেছেন…
        আমাকে দু’বার পড়তে হয়েছে! আমি মুগ্ধ এবং বিস্মিত !!
        ক্যামনে লিখলেন? অন্যরকম এক সৃষ্টি পড়লাম…
        :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :salute: :salute: :salute:

        1. এতকাল তারিক ভাইয়ের এক একটা
          :নৃত্য:
          এতকাল তারিক ভাইয়ের এক একটা লেখা তিন চারবার পড়ে পুরোপুরি বুঝতে পারতাম। সেই ওয়ান ম্যান আর্মি আজ আমাকে এ কি শুনায় !
          আবেগে কাইন্দালাইছি

          1. বিনয় না অভিনয়?
            যা হোক সত্যি

            বিনয় না অভিনয়?
            যা হোক সত্যি বলছি! গতরাতে প্রথম যখন পড়ি তখন ভাবছিলাম তোমার সব লিখার মত দারুণ কিছু হবে। কনটেন্টের দিক থেকে। কিন্তু পড়া শেষ করে বুঝলাম আমার ধারণা ভুল…

            গতানুগতিক ব্লগ ধারার কনটেন্ট নির্ভর পোস্ট পড়ার ধারণাই ভুল ছিল। পরে ঠিক করলাম যে সকালে নতুন মাইন্ডসেট নিয়ে পড়তে হবে! যেমন প্রস্তুতি দরকার বঙ্কিম-মানিক পড়তে। আসলেই অন্যরকম হয়েছে! এইমানের রচনার শিল্পগুন ব্লগ পোস্টে পাওয়া দুষ্কর…
            :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

          2. গতানুগতিক ব্লগ ধারার কনটেন্ট

            গতানুগতিক ব্লগ ধারার কনটেন্ট নির্ভর পোস্ট পড়ার ধারণাই ভুল ছিল। পরে ঠিক করলাম যে সকালে নতুন মাইন্ডসেট নিয়ে পড়তে হবে! যেমন প্রস্তুতি দরকার বঙ্কিম-মানিক পড়তে। আসলেই অন্যরকম হয়েছে! এইমানের রচনার শিল্পগুন ব্লগ পোস্টে পাওয়া দুষ্কর…

            সহমত লিংকন ভাই… :নৃত্য: :নৃত্য: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

  8. ছোটবেলায় কতবার যে কাজলরেখা
    ছোটবেলায় কতবার যে কাজলরেখা পড়ছি আর ওর কষ্টে চোখে পানি এসে পড়ছে, হিসাব নাই… :ভাবতেছি: সেই গল্পটা যখন আবার নতুন করে পড়তে শুরু করলাম, তখন হঠাৎ অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম গল্পের ভেতরের গল্পটা আরও অসাধারন… :তালিয়া: :তালিয়া: :মুগ্ধৈছি: :ফুল: :ধইন্যাপাতা: স্রেফ অভূতপূর্ব কিছু মুহূর্ত কাটালাম অর্ফিয়াস… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: ইট’স আ মাইন্ডব্লোইং এক্সপিরিএন্স… :মাথানষ্ট: :bow: :bow: :bow:

  9. কঠিন! এই গল্পটা রিয়েলি ভালো
    কঠিন! এই গল্পটা রিয়েলি ভালো লাগলো। মৈমনসিংহ গীতিকাকে এমন ভাবে তুলে আনতে হলে মাথায় বুদ্ধি থাকতে হয়।

  10. আমি আধা ময়মনসিংহী। তবে এটাই
    আমি আধা ময়মনসিংহী। তবে এটাই আমার পড়া প্রথম মৈমনসিংহ গীতিকা। লেখককে ধন্যবাদ এরকম একটি ঐতিহ্যকে সামনে নিয়ে আসার জন্য।
    সাথে আরও ধন্যবাদ আকর্ষণীয় গল্পটার জন্য। গীতিকার মাধ্যমে বাস্তবের একখানা কাহিনী তুলে ধরাটা অন্যরকম লাগলো :ফুল:

  11. মিথ ও বর্তমান সময় মিলেমিশে
    মিথ ও বর্তমান সময় মিলেমিশে অপূর্ব সৃষ্টি ! ময়মনসিংহ গীতিকা আমাদের অসামান্য সম্পদ । আমার মুগ্ধতার কারণ হলো মিথিকাল স্টোরি’কে সমকালের সাথে সিঙ্ক করিয়ে দেওয়া । এটি একটি ভালো গল্প । পুরস্কার পেলে বেশি খুশি হবো, না পেলেও সমস্যা নেই । ভালো লেখা অমর হয়ে রয় ।
    :গোলাপ: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *