নীল পাসপোর্ট

একাকী অথবা অজস্র প্রাণের স্রোতে ভাসি।
প্রতিদিন। গোধূলির মায়াময় বিষন্নতায়,
ভোরের যন্ত্র জানোয়ারের চিৎকারহীন শীতল পরশে,
কিংবা নিরন্তর ছুটে চলা নষ্ট পৃথিবী যখন ঘুমিয়ে থাকে।

আমি ছুটতে চাইনা, আমি ভাসতে চাইনা,
অজস্র প্রাণের কোলাহল থেকে মুক্তিও চাইনা।
আমি পরশ চাই, আমি শীতল স্নিগ্ধ এক খন্ড হাঁসি চাই
অথবা আমি শুনতে চাই, মায়া করে কেউ বলুক,
–কেমন আছো তুমি?



একাকী অথবা অজস্র প্রাণের স্রোতে ভাসি।
প্রতিদিন। গোধূলির মায়াময় বিষন্নতায়,
ভোরের যন্ত্র জানোয়ারের চিৎকারহীন শীতল পরশে,
কিংবা নিরন্তর ছুটে চলা নষ্ট পৃথিবী যখন ঘুমিয়ে থাকে।

আমি ছুটতে চাইনা, আমি ভাসতে চাইনা,
অজস্র প্রাণের কোলাহল থেকে মুক্তিও চাইনা।
আমি পরশ চাই, আমি শীতল স্নিগ্ধ এক খন্ড হাঁসি চাই
অথবা আমি শুনতে চাই, মায়া করে কেউ বলুক,
–কেমন আছো তুমি?

না। সবাই বলুক আমি তা চাই না।
আমি তাকেই চাই, যাকে আমি কল্পনা করি,
বুকের পাজর থেকে মুক্ত করে
সিমাহীন চোখের ক্যানভাসে যার ছবি আঁকি।
যাকে কঠিন হৃদয় ভেবে চোখের কোনায়
শিশির বিন্দুর মতো জমে থাকা অশ্রু লুকাই।

অন্ধকার রুম।
পাশের বিছানার নাক ডাকা কর্কশ শব্দে আমি ঘুমাই না।
অথবা আমার ঘুম আসেনা।
অন্ধকারকে ভয় পাই বলে নয়,
ঘুমন্ত সুখী মানুষটির নাক ডাকা শব্দেও নয়।
আমার চোখ নীল আলোয় বন্দী।
মোবাইল স্কিনে অনবরত বুড়ো আঙুলের ছোঁয়ায়
তার স্পর্শ খুঁজি,
হাঁসি খুঁজি,
হাই, হ্যালোর আকুতি খুঁজি।

অজস্র নির্জীব প্রাণহীন ছবির ভিড়ে
আমি আমার আকুতিকে দেখি,
ছোঁয়ায় সুখ খুঁজি,
বুড়ো আঙুলের নৃত্যে কথার আল্পনা সাজাই।
অন্ধকার রুম থেকে জুকারবার্গের
নীল পাসপোর্ট ছিড়ে আমি ছুটে চলি,
ভার্চুয়াল জাল ভেদ করে ছুটে চলি।
আমি আমার আবেগের কাছে ছুটে যাই।
পাশাপাশি বসি।
তার হাঁসি, আনন্দ, কাঁন্না-অভিমান দেখি।
আমি মুগ্ধ হই,
আনন্দিত হই,
অথবা চোখ যাপসা করে রাতের অন্ধকারে মিলিয়ে যাই।

১১ thoughts on “নীল পাসপোর্ট

  1. সুনামের আগে একটু সমালোচনা করে
    সুনামের আগে একটু সমালোচনা করে নেই…
    অন্ধকার রুম থেকে জাকার বার্গেরএখানে “জুকারবার্গ” হবে। আর ভার্চুয়াল জাল বেধ করে ছুটে চলি।এখানে “ভেদ”হবে। আর লোকাই না বানানটা ” লুকাই” হবে। আশাকরি বিষয়গুলো শুধরে নেবে।
    এবার কবিতার প্রসঙ্গে আসি… বেশ ভালো লাগলো। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *