প্রেমান্দোলন : পুজিবাদের কালো ছায়া থেকে ভালোবাসা কে মুক্ত করতে হবে !!

সল্লু ভাইর একটা হিট গান -জাস্ট চিল, চিল, জাস্ট চিল !! কাল ঢাবির পুলাপাইনের “প্রেমাধিকার”মুলক মিছিলের কথা শোনার পর আমার জাস্ট একটাই ” ফিল” – জাস্ট কিল, কিল , জাস্ট কিল মি !! সরল বাংলায় – মাইরালা আম্রে !!! ”
“পুজিবাদের কালো ছায়া থেকে ভালোবাসাকে মুক্ত করতে হবে”!!! )- কি মধুময় বক্তব্য !!
বহু সফল আন্দোলনের আতুড় ঘর ঢাবি গত কাল আরো একটা আন্দোলন প্রসব করল, যদিয়ো এই সদ্য প্রসুত আন্দোলন একেবারেই ব্যাতিক্রমী ঘরানার !! এই খবর পড়ে যে কারোই মনে হবে, এটা বোধয় মতি কন্ঠ , রস+আলো বা উন্মাদের মত কোন স্যাটায়ার ম্যাগাজিনের কাহিনী ! কিন্তু আজব ব্যাপার এই খবর প্রথম আলোর, একেবারেই বাস্তব !

খবরঃ

সল্লু ভাইর একটা হিট গান -জাস্ট চিল, চিল, জাস্ট চিল !! কাল ঢাবির পুলাপাইনের “প্রেমাধিকার”মুলক মিছিলের কথা শোনার পর আমার জাস্ট একটাই ” ফিল” – জাস্ট কিল, কিল , জাস্ট কিল মি !! সরল বাংলায় – মাইরালা আম্রে !!! ”
“পুজিবাদের কালো ছায়া থেকে ভালোবাসাকে মুক্ত করতে হবে”!!! )- কি মধুময় বক্তব্য !!
বহু সফল আন্দোলনের আতুড় ঘর ঢাবি গত কাল আরো একটা আন্দোলন প্রসব করল, যদিয়ো এই সদ্য প্রসুত আন্দোলন একেবারেই ব্যাতিক্রমী ঘরানার !! এই খবর পড়ে যে কারোই মনে হবে, এটা বোধয় মতি কন্ঠ , রস+আলো বা উন্মাদের মত কোন স্যাটায়ার ম্যাগাজিনের কাহিনী ! কিন্তু আজব ব্যাপার এই খবর প্রথম আলোর, একেবারেই বাস্তব !

খবরঃ
“ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত বঞ্চিত প্রেমিক সংঘ’” ব্যানার নিয়ে ২৫০ জন শিক্ষার্থী্র অংশগ্রহনে মিছিলটি কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ঘুরে কলা ভবনের সামনে গিয়ে শেষ !!
মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের হাতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড লেখা ছিল, ‘কেউ পাবে আর কেউ পাবে না, তা হবে না, তা হবে না’, ‘হৈ হৈ রৈ রৈ, ভণ্ড প্রেমিক গেলো কই’ – এ রকম নানা বক্তব্য।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া বঙ্গবন্ধু হলের শিক্ষার্থী বরিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘’ভণ্ড প্রেমিকের সংখ্যা বেড়ে গেছে। কেউ পাঁচটা-চারটা প্রেম করে আবার কেউ একটাও করতে পারে না। এর বিরোধিতায় আমরা সংঘবদ্ধ হয়েছি। পুঁজিবাদের কালো ছায়া থেকে ভালোবাসাকে মুক্ত করতে হবে” !!!

বিচিত্র এই আন্দোলনের ব্যাপারে ঢাবি কতৃপক্ষের রি একশন কি জানি না…… তবে তারা যদি “শিক্ষার্থী দের জন্য হ্যা বলুন” নীতিতে বলিয়ান হয়ে এই আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করে , তাইলে প্রেম সমস্যা নিরসনে তাদের জন্য সব চেয়ে ইফেক্টিভ স্ট্রাটেজি হতে পারে – এডমিশন টেস্টে কাউকে ইন্ডিভিজ্যুয়ালী পার্টিসিপেট করতে না দেওয়া , তাদের অবশ্যই নিজ নিজ গার্ল/বয় ফ্রেন্ড সহ এডমিশন টেস্ট দিতে হবে, দুজনের মিলিত নাম্বারের ভিত্তিতে খাতা কাটা হবে . সেই সনাতনী সিস্টেম – সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত কাপল রা ভর্তি হতে পারবে, ভেরি সিম্পল !!! এর চেয়ে সহজ আর কোন তরিকা নাই !

এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আভ্যন্তরীন অর্থনীতিতে ও দুর্দান্ত গতি আসবে ! কতৃপক্ষ বানিজ্যিক ভিত্তিতে ফুলের চাষ , জন্মনিয়ন্ত্রন সামগ্রীর ফ্যাক্টরি প্রতিস্থাপন, মনোমালিন্য বা ছ্যাকা খাওয়া দেবদাস/ পার্বতিদের কে ঘরোয়া পরিবেশে মদ খাওয়ার সুবন্দোবস্তের উদ্দেশ্যে বার স্থাপন , হুইস্কি ভদকার সার্বক্ষনিক সর্বরাহ নিশ্চিত করণের লক্ষে চাইলে দেশের একমাত্র মদ উদপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কেরু এন্ড সনসের “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব্রাঞ্চ” খুলে এক্টা ফ্যাক্টরী ও বানানো যেতে পারে ! লস হবে না, গ্যারান্টেড !!
সাবস্টিটিউট ধান্ধা হিসাবে এসব জিনিস পাতি বিক্রীর জন্য আকাশ ছোয়া দামে দোকান বিক্রী, এদিকে সেদিকে জঙ্গল বানিয়ে ফ্যান্টাসী কিংডমের আদলে “লাভ কিংডম” বানিয়ে একেবারেই প্রাকৃতিক পরিবেশে ডেটিং এর জন্য চড়া দামে টিকিট বিক্রয় সহ বিবিধ প্রজাতির বানিজ্যিক কর্ম কান্ড চালাতে পারবে। সর্বোপিরী এতে অনেক গুলো মানুষের কর্মসংস্থান ও হবে, যা পার ক্যাপিটা ইনকাম বৃদ্ধির মাধ্যমে সার্বিক জাতীয় অর্থনীতিতে ও খুবই ইতিবাচক ভুমিকা রাখবে এনশাল্লাহ ….

অতএব দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে ঢাবি কতৃপক্ষের কাছে অনুরোধ প্লিজ , “শিক্ষার্থীদের জন্য হ্যা বলুন ” !! আপ্নারা তাদের কে প্রেম করার সুযোগ দিন, তারা আপ্নাদের বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা কচি-কাচায় ভরিয়ে দেবে !! মানব সম্পদে মেগা ভরপুর হবে অমিত সম্ভাবনার বাংলাদেশ !

২৯ thoughts on “প্রেমান্দোলন : পুজিবাদের কালো ছায়া থেকে ভালোবাসা কে মুক্ত করতে হবে !!

  1. এডমিশন টেস্টে কাউকে

    এডমিশন টেস্টে কাউকে ইন্ডিভিজ্যুয়ালী পার্টিসিপেট করতে না দেওয়া , তাদের অবশ্যই নিজ নিজ গার্ল/বয় ফ্রেন্ড সহ এডমিশন টেস্ট দিতে হবে, দুজনের মিলিত নাম্বারের ভিত্তিতে খাতা কাটা হবে . সেই সনাতনী সিস্টেম – সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত কাপল রা ভর্তি হতে পারবে, ভেরি সিম্পল !!! এর চেয়ে সহজ আর কোন তরিকা নাই ! –

    এইটা হলে আমি আজই প্রেমিক খুঁজা শুরু করতাম… :ভেংচি: :ভেংচি: :থাম্বসআপ: 😀 :হাসি: :আমারকুনোদোষনাই: :খুশি:

    1. খালি আপ্নি না, আপামর
      খালি আপ্নি না, আপামর শিক্ষার্থী সমাজ পড়া শোনার চেয়ে “প্রেমিক প্রেমিকা” সন্ধানেই বেশি ব্যাতিব্যাস্ত থাকত !! 😛 😉
      btw মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ 🙂

          1. (No subject)
            :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :দেখুমনা: :দেখুমনা: :কথাইবলমুনা: :কথাইবলমুনা: :কথাইবলমুনা: :ভেংচি:

  2. (No subject)
    :ভেংচি: :ভেংচি: :ভেংচি: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :মাথাঠুকি: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাসি: :হাসি: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :শয়তান: :শয়তান:

  3. Love is the soul of
    Love is the soul of civilization.
    ভালবাসা হচ্ছে সভ্যতার আত্মা ।
    সেদিন যারা মিছিল করেছিল তারা তো ভালবাসা নয়, নারীর সঙ্গ চেয়ে মিছিল করেছিল ।প্রশ্ন হচ্ছে তাদের দাবী কতটুকু সভ্য ছিল?

  4. বিষয়টা একটা সাধারণ কৌতুক
    বিষয়টা একটা সাধারণ কৌতুক ছিলো, মোটেই সিরিয়াস কিছু ছিলো না।
    বুঝলাম না~ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কেনো কৌতুক করতে পারবে না, করলে সেটা নিয়ে এতো হৈ চৈ পড়ে যাবে !
    খারাপ ভাষায় যদি বলি~ নষ্টামি-ভন্ডামি করতে এই ক্যাম্পাসে বহিরাগতরা আসবে…
    গালের উপর দুই পরত আটা মেখে আসবে, মেয়ে বন্ধুর কোমরে হাত দিয়ে ঘুরে বেড়াবে…
    যেকোন অসভ্যতার পরোক্ষ এবং প্রত্যক্ষ সমালোচনার ঝড়,
    এই ক্যম্পাসের শিক্ষার্থীদের উপর চাপিয়ে বেড়িয়ে যাবে…আর কৌতুকের ছলে তাদেরকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেই যত সমস্যা !
    এমনভাবে বিষয়টাকে উপস্থাপন করা হচ্ছে যেনো~
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সব ভিলেন, নারীবঞ্চিত লোলুপ লম্পট !
    দয়া করে, এইসব ফালতু বয়ান থামান…যথেষ্ট হয়েছে। :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি:

    1. সোমেশ্বরী আপ্নার মন্তব্যের
      সোমেশ্বরী আপ্নার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ . শুরুতে আমার খুব প্রিয় এক বড় ভাই, মানিক ভাইয়ের ফেস বুক স্ট্যাটাস –

      বাংলাদেশে কি এখনো ভিসিআর জিনিশটা চালু আছে?
      ঈদের আগে-পরে বন্ধু, কাজিনদের এক পারিপারিক আড্ডায় ছেলেরা বাইরে, মেয়েরা ভেতরে গল্প-গুজব করছিলো । ছেলেদের পাশ দিয়ে যাবার সময় এক মেয়ে শুনলো-এক ছেলে বলছে-ঈদে বউরে ষোল হাজার টাকা দিয়ে ভিসিআর কিনে দিছি। কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেতরের ঘরে হিংশুটে মেয়েদের ফিশ-ফিশানি শুরু হয়ে গেলো–অমুক অমুকের বউরে ষোল হাজার টাকা দিয়ে ব্রেসিয়ার কিনে দিছে !

      মোরালঃ লাইক/মন্তব্যের আগে পড়ে/বুঝে তারপর লাইক/মন্তব্য দিন । আর আপনি যা শোনার জন্যে অধীর অপেক্ষায় থাকেন, নিশ্চিত হয়ে নিন-বক্তা আসলে সেটাই বলেছে কিনা।

      আমি কি লিখছি তা বোধয় সেভাবে মনো যোগ দিয়ে পড়েন নাই, আসলে ঢাবির শিক্ষার্থী দের কে লুইচ্চা লাফাঙ্গা প্রমান করার উদ্দেশ্যে লিখি নাই . আমি তাদের হেয় বা সমালোচনা করে ১ টা কথাও বলি নাই।
      ব্যাক্তিগত ভাবে আমি খুবৈ নিম্ন মানের ব্লগার . তেমন ভাবে পড়াশোনা করা ও হয় নাই, ব্লগ ও পড়িনা . মাঝে মধ্যে কিছু স্যাটায়ার লিখার চেষ্টা করি, যা খুবৈ স্থুল এবং নিম্নমানের। তবে এখানে কিন্তু আমি তাদের কোন সমালোচনাই করি না,মিডল পয়েন্ট থেকে লিখছি। তবু যদি “বয়ান টা ফালতু” মনে হয় তাইলে আমি স্যরি

      আয়েক্টা ব্যাপার – ঢাবির পুলাপাইনের প্রেম বা অনন্ত জলিল নিয়ে কৌতুক করার অধিকার থাকলে, তাদের কে নিয়ে আমাদের কৌতুক করারা অধিকার কেন থাকবে না?

  5. প্রেম সমস্যা নিরসনে তাদের

    প্রেম সমস্যা নিরসনে তাদের জন্য সব চেয়ে ইফেক্টিভ স্ট্রাটেজি হতে পারে – এডমিশন টেস্টে কাউকে ইন্ডিভিজ্যুয়ালী পার্টিসিপেট করতে না দেওয়া , তাদের অবশ্যই নিজ নিজ গার্ল/বয় ফ্রেন্ড সহ এডমিশন টেস্ট দিতে হবে, দুজনের মিলিত নাম্বারের ভিত্তিতে খাতা কাটা হবে . সেই সনাতনী সিস্টেম – সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত কাপল রা ভর্তি হতে পারবে, ভেরি সিম্পল !!! এর চেয়ে সহজ আর কোন তরিকা নাই !
    এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আভ্যন্তরীন অর্থনীতিতে ও দুর্দান্ত গতি আসবে ! কতৃপক্ষ বানিজ্যিক ভিত্তিতে ফুলের চাষ , জন্মনিয়ন্ত্রন সামগ্রীর ফ্যাক্টরি প্রতিস্থাপন, মনোমালিন্য বা ছ্যাকা খাওয়া দেবদাস/ পার্বতিদের কে ঘরোয়া পরিবেশে মদ খাওয়ার সুবন্দোবস্তের উদ্দেশ্যে বার স্থাপন , হুইস্কি ভদকার সার্বক্ষনিক সর্বরাহ নিশ্চিত করণের লক্ষে চাইলে দেশের একমাত্র মদ উদপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কেরু এন্ড সনসের “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব্রাঞ্চ” খুলে এক্টা ফ্যাক্টরী ও বানানো যেতে পারে ! লস হবে না, গ্যারান্টেড !!

    না জেনে, না বুঝে মন্তব্য আমি করি না~ এই বিষয়ে ইস্টিশনের অনেকেই অবগত।

    আপনার দুর্দান্ত স্যাটায়ার আর কৌতুক করার অভাবনীয় ক্ষমতায় আমি যারপরনাই চমৎকৃত !
    বিষয়টা অনেকটা এমন যে~ “আমি আপনাকে অসভ্য বলে গালি দিতে চাই, কিন্তু সভ্যতা দেখানো’র তাগিদে গালিটা দিলাম না !”
    আপনার বক্তব্যের মোরালও যথেষ্ট কৌতুহল-উদ্দীপক !

    আপনি যা শোনার জন্যে অধীর অপেক্ষায় থাকেন, নিশ্চিত হয়ে নিন-বক্তা আসলে সেটাই বলেছে কিনা।

    :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :কল্কি: :কল্কি: :কল্কি: :টাল: :টাল: :টাল:

    ঢাবির পুলাপাইনের প্রেম বা অনন্ত জলিল নিয়ে কৌতুক করার অধিকার থাকলে, তাদের কে নিয়ে আমাদের কৌতুক করারা অধিকার কেন থাকবে না?

    :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: 😀 😀 😀 :মুগ্ধৈছি: :মুগ্ধৈছি: :মুগ্ধৈছি: :ফুল:

    যথেষ্ট যৌক্তিক উপস্থাপন…তিলকে তাল বানানো’র মতন আরকি !

    1. আপ্নি আমার বক্তব্যের যে অংশ
      আপ্নি আমার বক্তব্যের যে অংশ টা কোট করছেন , তার জাস্ট আগের লাইনটা যদি জুড়ে দিতেন, তাইলে বোধয় এটা এটাক হিসাবে নিয়ে কাউণ্টার এটাক দিতেন না –

      “আন্দোলনের ব্যাপারে ঢাবি কতৃপক্ষের রি একশন কি জানি না…… তবে তারা যদি “শিক্ষার্থী দের জন্য হ্যা বলুন” নীতিতে বলিয়ান হয়ে এই আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করেন, তাইলে প্রেম সমস্যা নিরসনে …….

      জাস্ট কল্পিত ব্যাপার, “যদি” শব্দ একটু খিয়াল …. এখানে ঢাবির শিক্ষা্থী দের ছো্ট করা , দোষারোপ করা কিংবা তাদের গালাগালি করে কিছু বলা হয় নাই …. আমার যদি বিরূপ সমালোচনা করার ইচ্ছা থাকতো , তাইলে আমি এ বিষয় টা এভাবে না টেনে জেহাদী জোশ নিয়ে সেই ট্রেডিশনাল গীত গুলো গাইতাম যেমন –

      দেশের মানুষের করের টাকায় ছাত্রছাত্রীরা মৌজ মাস্তি করে বেড়াচ্ছে ! অথচ সরকার একটার পর একটা বিশ্ববিদ্যালয় বানিয়ে যাচ্ছে আর পাবলিকের ঘাড়ে চেপে বসছে করের বোঝা !!!
      কিংবা বলতাম, বাবা মা কতো স্বপ্ন নিয়ে ছেলেমেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠায় আর তারা বাপের কষ্টার্জিত পয়সার শ্রাদ্ধ করে প্রেম পিরিত লুইচ্চামি করে বেড়ায় ! এ যে দাদা বিদ্যা নিকেতন নয় , প্রেম নিকেতন !! আধুনিক্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তো ….!!

      এসব বা এরকম কিছু বলি নাই, কারো চরিত্র , স্টুডেন্টদের কমিটমেন্ট ইত্যাদি বিবিধ বিষয়ে কোনো সাউন্ড করি নাই !!! এবং এসব নিয়ে বলার কোনও যৌক্তিকতা ও নাই….

      এটা যে জাস্ট একটা স্যাটায়ার , সেটা বোধয় আপনার বোঝা উচিত ছিল, অবশ্য আপনি হয়ত অত্যন্ত উচু মানের স্যাটায়ার পড়তে অভ্যস্ত, আমি যেহেতু নিচু মানের স্যাটায়ার লিখি তাই হয়ত, বুঝতে পারেন নাই ! হয় তো এটা আমার ব্যার্থতা ও বটে, কারণ আমি আপনাকে বিষয়টা ঠিক ভাবে বুঝিয়ে বলতে পারি নাই ….

      আরেকটা ব্যাপার – কখনো কখনো কৌতুক ঠিক কৌতুকের পর্যায়ে থাকে না ! যেমন মখা আলমগীরের পয়দা কৃত অমর বাণী “বিম্পি-শিবিরের পিকেটার রা রানা প্লাজার প্লাস্টার ধরে টানাটানি করায় রানা প্লাজা ধসে পড়ছে” ! অনেক সময় রেফারেন্স হিসাবে কেউ এই ডায়ালগ টার কথা তুললে মাথা নষ্ট হয়, তখন এটাকে কৌতুক হিসাবে ধরে নিয়ে হাসাহাসি করার মুড থাকে না …
      তেমনি ৫২,৬৯,৭১,৮৯র ক্রান্তিকালে দুর্বার আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার ঐতিহ্য মণ্ডিত একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্টদের এরকম একটা বালখিল্য আন্দোলনের কথা যদি বিদেশি মিডিয়াতেও কাভারেজ পেয়ে আন্তর্জাতিক কৌতুকের খোরাক যোগায় তখন কিন্তু সেটা আর কৌতুকের পর্যায়ে পড়ে না ! বিদেশিরা যখন বলবে- ” – বাংলাদেশ একটা বন জঙ্গল , টারজানের অভয়ারণ্য, এদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রা প্রেমের দাবিতেও রাস্তায় নামে “! সেটা নিশ্চয় আমাদের জন্য খুব একটা সুখকর অভিজ্ঞতা হবে না … কাল জানতাম না যে বিদেশি মিডিয়াতে ও এটা বেশ গুরুত্বের সাথেই ছাপা হইছে, আজ জানার পর আর মজা লাগে না , মেজাজ খারাপ হয় …. যার পুরা দায়ভার ঢাবির শিক্ষার্থীদের…

      1. প্রথমত আপনার জানার জন্য
        প্রথমত আপনার জানার জন্য বলছি~
        আমি স্যাটায়ার লিখতে পারি না, তবে পড়ি এবং আমার শিক্ষার্থীদের একটা কোর্সে আমাকে দূর্ভাগ্যজনকভাবে স্যাটায়ার পড়াতে হয় !
        যাইহোক~ আমি এখানে আপনার সাথে দ্বিমত পোষণ করছি না; আসলেই আপনার স্যাটায়ার লেখার প্রতি আরো বেশি যত্নশীল হওয়া উচিৎ; যদি আপনি স্যাটায়ার লিখতে বেশি আগ্রহী হন।
        দ্বিতীয়ত আপনার এই বক্তব্যের সাথে আমি নিজেও একমত যে, এই ধরণের ব্যঙ্গ বিদ্রুপে অংশগ্রহণ করে ঢাবি’র শিক্ষার্থীরা খুব কৃতিত্বের কাজও করেনি।
        আমি এটাই বলতে চেয়েছিলাম…বিষয়টা একতরফা এবং অযৌক্তিকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে…বাদ দিন…যথেষ্ট বাক্য চালাচালি হয়েছে বিষয়টা নিয়ে…ভালো থাকবেন…
        :খুশি:

        1. বলেন কি !!? শিক্ষার্থীদের
          বলেন কি !!? শিক্ষার্থীদের একটা কোর্সে আপ্নাকে দূর্ভাগ্যজনকভাবে স্যাটায়ার পড়াতে হয় !!!? বিস্ময়কর ব্যাপার !! যাই হোক, জেনে খুব খুশি হলাম, আপ্নার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা, আর আপ্নার স্টুডেণ্ট দের জন্য হৃদয়ের গহীন থেকে একরাশ “সহমর্মিতা” রইলো 🙂 🙂

  6. জাবিতে দেখা ওয়ান সাইডেড
    জাবিতে দেখা ওয়ান সাইডেড লাভার্স এসোসিয়েশন [o s l a ] এর সভাপতি বাংলার বাশার ভাইয়ের কথা মনে পড়িয়ে দিলেন । তার দাবিও একই ধরনের ছিল। এধরনের আন্দোলন বিরল না বরং প্রায় সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে বিগত তিন দশকে এর চর্চা আছে।
    তবে লেখার ধরনটা ভালো,বলতেই হয়। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *