ভালোবাসাহীন ধূ-ধূ প্রান্তরে ভালোবাসার শক্তিই হোক শান্তি ও মানবতা প্রতিষ্ঠার মূলমন্ত্র

(১)

যারা নিজেদের জীবনে ভা্লোবাসা বয়ে নিয়ে চলেন, ভালোবাসার শক্তিতে পথ চলেন, তারা সবাইই একজন সেইন্ট ভ্যালেন্টাইন । কিন্তু, যে সমাজজীবনে সেইন্ট ভ্যালেন্টাইনরা বেশিরভাগ সময়ই নিগৃহীত বা পরাজিত হন, সেই সমাজে ভালোবাসা দিবসের জন্য একটি লেখা লিখতে গেলে কেন যেন জীবনানন্দ দাসের সেই বিখ্যাত কবিতাটাই মনে পড়ে যায়ঃ

“ অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ,
যারা অন্ধ সবচেয়ে বেশি আজ চোখে দেখে তারা;
যাদের হৃদয়ে কোনো প্রেম নেই-প্রীতি নেই-করুনার আলোড়ন নেই
পৃথিবী অচল আজ তাদের সুপরামর্শ ছাড়া।
যাদের গভীর আস্থা আছে আজো মানুষের প্রতি,
এখনো যাদের কাছে স্বাভাবিক বলে মনে হয়

(১)

যারা নিজেদের জীবনে ভা্লোবাসা বয়ে নিয়ে চলেন, ভালোবাসার শক্তিতে পথ চলেন, তারা সবাইই একজন সেইন্ট ভ্যালেন্টাইন । কিন্তু, যে সমাজজীবনে সেইন্ট ভ্যালেন্টাইনরা বেশিরভাগ সময়ই নিগৃহীত বা পরাজিত হন, সেই সমাজে ভালোবাসা দিবসের জন্য একটি লেখা লিখতে গেলে কেন যেন জীবনানন্দ দাসের সেই বিখ্যাত কবিতাটাই মনে পড়ে যায়ঃ

“ অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ,
যারা অন্ধ সবচেয়ে বেশি আজ চোখে দেখে তারা;
যাদের হৃদয়ে কোনো প্রেম নেই-প্রীতি নেই-করুনার আলোড়ন নেই
পৃথিবী অচল আজ তাদের সুপরামর্শ ছাড়া।
যাদের গভীর আস্থা আছে আজো মানুষের প্রতি,
এখনো যাদের কাছে স্বাভাবিক বলে মনে হয়
মহৎ সত্য বা রীতি, কিংবা শিল্প অথবা সাধনা
শকুন ও শেয়ালের খাদ্য আজ তাদের হৃদয়।“

এই কবিতার পংতিগুলো আজ যেন অত্যন্ত রূড় বাস্তব। যাদের হৃদয়ে প্রেম নেই, প্রীতি নেই, করুনা নেই, মোটকথা ভালোবাসা নেই, তারাই যেন আজ সমাজ ও রাষ্ট্রকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। তাদের হাতেই যেন দিনের আলো, রাতের তারা – সবই যেন তাদের জন্য। পক্ষান্তরে, যাদের ভা্লোবাসা আছে মানুষের প্রতি, ভালবাসার শক্তিতে যারা বিশ্বাস করেন, তাদের জীবনে যেন ভর করছে দিনের ক্লান্তি আর রাতের আঁধার ।

(২)

প্রেমিক-প্রেমিকাদের পদভারে ভালবাসা দিবসে প্রকম্পিত হয়ে উঠে পার্ক, রেস্টুরেন্ট আর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলো। কিন্তু ভালোবাসা আজ যেন অত্যন্ত ছোট্ট একটি শব্দে পরিণত হয়েছে, হারিয়েছে এর বিশালত্ব। ভালবাসা যেন আজ তাই মানুষকে আরও ছোট করে দেয়, তাদের মনকে বানিয়ে দেয় সঙ্কীর্ণ । যার কারণে কোন রিলেশনে জড়ানোর আগে প্রেমিক পুরুষ দিন-দুনিয়া নিয়ে ভাবলেও, অ্যাফেয়ারে জড়ানোর পর তার মানসপটে থাকে শুধু রিলেশন নিয়ে চিন্তা বা দুশচিন্তা। হয়ে পরে তারা আরও বেশি আত্মকেন্দ্রিক ও স্বার্থপর । ভা্লোবাসাকে তাই আজকাল সচরাচর দুইজনের মধেই যেন সীমাবদ্ধ করে ফেলা হয়।

মানুষ যেন আজ ভূলতে বসেছে যে, যে দেশ ও সমাজে তারা বেড়ে উঠেছে, সেই দেশ, সমাজ ও দেশের মানুষও তাদের কাছ থেকে ভালোবাসা প্রত্যাশা করে। যে দেশ, সমাজ আর দেশের মানুষের কাছে তারা ঋণী, সেই সমষ্টিকে ভা্লোবেসে তার জন্য কাজ করার মনোভাব লাভার বয় আর লাভার গার্লদের মধ্য হতে যেন তিরোহিত হতে চলেছে।

নাজিম হিকমেতের মত ভালোবাসার শক্তিতে উজ্জীবিত হয়ে তারা কখনই ‘রোমান্টিক রেভুলুশনিস্ট’ হতে পারে না। এটাই যেন চরম বাস্তব আর ভবিতব্য।

বিংশ শতাব্দীতে যে কয়জন খ্যাতিমান মানুষ ভালোবাসার মহান শক্তির কথা উল্লেখ করেছেন, তাদের মধ্যে তুর্কী কবি নাজিম হিকমেত অন্যতম। তার জেলখানার চিঠি’ কবিতার নিচের ছত্রগুলো পরলেই বোঝা যায় ভালোবাসার মহান শক্তি তাকে কিভাবে অনুপ্রাণিত করতঃ

আমি আছি মানুষের মাঝখানে,ভালবাসি আমি মানুষকে
ভালবাসি আন্দোলন,
ভালবাসি চিন্তা করতে,
আমার সংগ্রামকে আমি ভালবাসি
আমার সংগ্রামের অন্তস্থলে মানুষের আসনে তুমি আসীন
প্রিয়তমা আমার আমি তোমাকে ভালবাসি।।

অনেকেই আছেন যারা এই কবির ‘জেলখানার চিঠি’ পরে কবির প্রশংসায় মেতে উঠেন। কিন্তু, সেইসব তরুণদের মধ্যেও কবির শ্রম ও বিপ্লবের যুগপৎ আদর্শ বেশিরভাগ সময়ই যেন অনুপস্থিত থাকে। কবির চেতনা, কবিতার মধ্যেই তাই সীমাবদ্ধ থাকে; প্রেমিক পুরুষরা যেন ভা্লোবাসার চেয়ে ঘৃণাকেই বেছে নিতে বেশি আগ্রহি হয়ে পড়ে।

পক্ষান্তরে, যাদের হৃদয়ে সত্তিকারের ভালোবাসার আবেগ রয়েছে, যারা ভালবাসার শক্তিতে বিশ্বাস করেন, যারা অটুট আদর্শ নিয়ে পথ চলেন, তারা যেন অনেকটাই সংখ্যালঘু। তারা জীবনযুদ্ধে পরাজিত হয়ে তাদের স্বপ্নগুলো পুরণ করতে পারছেন না। তাদের ‘ফুসফুস যেন আজ পোকার দখলে।

তারা যেন তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের ‘সপ্তপদী’ উপন্যাসের ‘কৃষ্ণেন্দু’, যে সব হারিয়ে যীশুখ্রীস্টের এক পা আকড়ে ধরে বাঁচার চেষ্টাই কেবল করতে পারে।

(৩)

ব্যক্তিগত পরিধি থেকে জাতীয় পটভূমিতেও ভা্লোবাসা পরাজিত; জয়ী ঘৃণা। বাংলাদেশ যেন এক কুরুক্ষেত্র, যেখানে কেউ যেন কাউকে সহ্য করতে পারছে না। রাজনীতির মঞ্চ হয়ে উঠেছে ‘পলিটিক্স অব টারমিনেশন’ এর উৎকৃষ্ট জায়গা, দেশ হয়ে উঠেছে বধ্যভূমি। আওয়ামী লীগ আর বিএনপি যেন ধরেই নিয়েছে ক্ষমতায় না থাকতে পারলে বা ক্ষমতা হারালে তাদের অস্তিত্ব থাকবেনা। ২১শে আগস্টের বোমা হামলা ও তদপরবরতি ঘটনাবলী হয়তো আওয়ামী লীগকে এই উগ্র মতাদর্শের দিকে ধাবিত করেছে যে, যেভাবেই হোক ক্ষমতায় থাকতে হবে। ক্ষমতা ছাড়লে বিএনপি আর জামাতের হাতে তাদের অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। এই ভয়ে তারা জনমতকে পায়ে দলে হাস্যকর ও একতরফা নির্বাচন করে ক্ষমতায় থাকার বন্দবস্ত করে নিলো।

আওয়ামী লীগের এই আশংকাকে উরিয়ে দেয়া যায়না। তার মূল কারণ যুদ্ধপরাধীদের বিচারের মত একটা ভালো কাজ করছে, যা অধিকাংশ অভিযুক্তই জামাতের। এই কারণে বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় গেলে চরম প্রতিশোধের আশংকা উরিয়ে দেয়া যায় না।

তাদের নেতাদের যে ৭১-এ ভূমিকার জন্য শাস্তি প্রাপ্য সেটা কে জামাতকে বোঝাবে? এদিকে কিন্তু, আওয়ামী লীগও ভুলে গেছে ‘একটি খারাপ কাজ করে আরেকটি খারাপ কাজ বন্ধ করা যায় না’। তাই, তারাও চরম দমন-নিপিড়নের পথ বেছে নিয়েছে।

দেশ আর দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা নেই বলেই দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো আজ এসব অবাঞ্চিত পথ বেছে নিয়েছে।

এই দমন নিপীড়নের আর ঘৃণার রাজনিতি থেকে দেশবাসীর কি আদৌ মুক্তি মিলবে?

(৪)

শিল্প, সাহিত্য, লেখালেখি মানুষকে উদার হতে শেখায় বলেই সবাই মনে করে। কিন্তু, সৃস্টিশীলতাই মানুষকে যে মানুষ হতে অনুপ্রাণিত করেনা, তা বাংলাদেশের শিল্প, সাহিত্য, নাটক, সংগীত নিয়ে যারা আছেন, তাদের জীবন দেখলেই তা অনেকটা বঝা যায়।

শিল্প, সাহিত্য, নাটক আর সংগীতের মূল উপাদান আর অনুপান হল মানুষ। কাজেই ধারনা করা যায় যে, যারা এই সকল কাজের সাথে জড়িত, তারা অনেক বন্ধুসুলভ আর মানবিক। কিন্তু, বাস্তবতা হল, এই মানুষেরা হন সাধারণত আত্মকেন্দ্রিক, কিছুটা অসামাজিক আর মানুষকে মুল্যায়ন করার দিক দিয়ে এরা থাকেন সবসময়ই পিছিয়ে।

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে আমি দেখেছি, যারা কিনা কালচারাল কাজকর্ম নিয়ে থাকেন, তারা মানুষের সাথে মানুষের সুসম্পর্ক ও আন্তরিকতাকে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্ব দেন। একজন এমবিএ পাস করা কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ রাস্তায় তার পুরনো সহকর্মী বা সহপাঠিকে দেখলে যে সৌজন্যতা দেখান, একজন থিয়েটার কর্মী তার পুরনো সহকর্মীকে দেখলে তা দেখান কিনা সন্দেহ।

এখানেও সেই ভা্লোবাসার অনুপস্থিতি, যার কারণে একজন নাট্যকর্মী অত্যন্ত আবেগ নিয়ে একটা মানবীয় সংলাপ উচ্চারণ হয়তো করেন, কিন্তু তার বাস্তব জীবনে সেই মানবতার আহবান আর ভালোবাসার অনুপ্রেরনা কাজে লাগানোর প্রয়জনীয়তা বা অনিবার্যতা তিনি হয়তো কখনই উপলব্ধি করেন না।

এই প্রবণতাই কিন্তু ‘আর্ট ফর আর্টসেক’ নামে পরিচিত। কিছু একটা করার জন্যই হয়তো করা – সংগীত, নাটক, কবিতা আবৃত্তি, শিল্প বা সাহিত্য—এসবকিছুই। নবারুণ ভট্টাচারযের ‘এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না’ কবিতাটি অনেকেই ভালোবাসেন এবং আবৃত্তি করেন আত্যন্ত দরদ ভরে। কিন্তু, সেই কবিতাটির ছত্র ‘মৃত্যু ভালোবাসা ছাড়া আর কিছু নয়’-তে যে ভা্লোবাসার আহবান, তা তাদের জীবনে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা ছড়িয়ে দিতে পারে না। ভালবেসে এই পৃথিবী, এই পৃথিবীর মানুষ, এসবকে কাছে টানার আগ্রহ তাদের মধ্যে দেখা যায় না, বললেই চলে।

যারা তাদের গল্প, কবিতা, উপন্যাসে মানুষের প্রতি মানুষের ভালবাসার কথা বলেন, তারাও ভালোবাসার শক্তিকে যে একটা জীবনাদর্শ হিসেবে নেয়া যায়, সেই কথা পরবর্তী প্রজন্মকে মনে হয়না ঠিকমত বোঝাতে সমর্থ হয়েছেন। এদেশের শিক্ষিত কিশোর-তরুণদের অনেকেই মুহাম্মাদ জাফর ইকবালের সায়েন্স ফিকশন কাহিনীর ভক্ত। তিনি তার সায়েন্স ফিকশনগুলো এমনভাবে লেখেন, যেখানে মানবিকতা আর মানুষের প্রতি মানুষের ভা্লোবাসার ছোঁয়া যথেষ্ট পরিমাণে থাকে। ‘নায়িরা’, ‘রুহান রুহান’, ‘যারা বায়োবট’ ইত্যাদি সায়েন্স ফিকশন গ্রন্থে মুহাম্মাদ জাফর ইকবাল দেখিয়েছিলেন ভালোবাসার শক্তি। তিনি দেখিয়েছিলেন মানুষের প্রতি মানুষের ভালবাসার মাধ্যমে এই পৃথিবীটাকে আরও সুন্দর করে তোলা সম্ভব। ‘ভা্লোবাসা’ আর ‘ক্ষমার মহত্ত্ব’ এই বইগুলোতে অসাধারণভাবে ফুতে উঠেছিল। কিন্তু, বাস্তব জীবনে তিনি খুব বেশি জায়গায় এই দুটো মহৎ গুনাবলির শক্তির ব্যাপারে তেমন একটা কথাও বলেন নাই। এর কারণে তার বইয়ের পাঠকরাও লেখক কি বলতে চেয়েছে, সেই বিষয়টা খুব গুরুত্ব সহকারে উপলব্ধি করার চেস্টা করেনি।

এটাও কি অনেকটা ‘আর্ট ফর আর্ট সেক-এর ভিতর পড়ে? শিল্প- সাহিত্যের সাথে কি জীবনের কোন সংযোগ নেই?

(৫)

বিরোধী মতকে আমরা যেন দলন করতেই বেশি পারদর্শী হয়ে পরেছি। দ্বিমত পোষণকারী যেন আমাদের শত্রু। তাকে চূড়ান্ত অপমান আর গালিগালাজ করাতাই এখন যেন অনেক বড় একটা ক্রেডিট।

সরকারের বিরুদ্ধে অনেক সমালচনায় সরকার যেমন ভিত হয়ে নতুনভাবে ‘তথ্যপ্রযুক্তি আইন, বিভিন্নভাবে, বিভিন্ন সময় সংশোধন আর পরিবর্তন করছে, তেমনি ব্যক্তিগত পর্যায়েও সমালোচনা তথা দ্বিমতের ভয়ে ভিত হয়ে অনেক ব্যক্তি বা গোষ্ঠী উগ্র প্রতিক্রিয়াশীলতার আশ্রয় নিচ্ছে।

উদাহরণস্বরুপ বলা যায়, বিভিন্ন বাংলা ব্লগে কিছু মানুষ আছেন, যারা কিনা তাদের মতামত আর চিন্তাধারণার বিরুধ্যে কেউ যদি দ্বিমত পোষণ করে, তবে তার প্রতি আশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ থেকে শুরু করে তার লেখাটিকেই বাজেয়াপ্ত করার হুমকি দিয়ে থাকে। অথচ, এরাই কিনা মুক্ত চিন্তার কথা বলে, এরাই কিনা ‘ব্লগিং আমাদের অধিকার’ বলে সোচ্চার হয়। আসলে ভিন্নমতের মানুষের প্রতি এদের কোন শ্রদ্ধা নেই। যেখানে শ্রদ্ধা নেই, সেখানে ভালবাসাও থাকতে পারেনা। এই কারণেই তাদের এই ভণ্ডামি। আর সবকিছুর মূলে রয়েছে মানুষ হয়ে মানুষের প্রতি ভালোবাসাহীনতার সংস্কৃতি।

যার কারণে তারা বিরুদ্ধ মত বা দ্বিমতকে বাজে পরিচিতি বা কলঙ্ক দিয়ে নির্মূলের চেস্টায় সিদ্ধহস্ত।

(৬)

আমরা এমন একটি প্রজন্ম সৃষ্টি করেছি, যারা নানান ভাগে বিভক্ত; এখানে আস্তিক আছে, নাস্তিক আছে, জামাত-শিবির-হেফাজাত আছে, গনজাগরণ মঞ্চের তরুণরা আছে। আছে স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের তরুনেরা। সবাই যেন নিজেদের জগত নিয়ে ব্যস্ত। নিজেদের চিন্তা-ধারণা নিয়ে তারা এগিয়ে যাচ্ছে, এটা ভাল কথা। অন্যরা হয়তো তাদের মতাদরশী হবেনা, এটাই স্বাভাবিক। এখন কেউ যদি মনে করে তাদের চিন্তা-চেতনা আর ধ্যান-ধারণা অন্যের চেয়ে শ্রেয়তর, তাহলে তারা চেস্টা করতে পারে যুক্তি আর আমন্ত্রনের মাধ্যমে বিরুদ্ধ মতের মানুষকে তাদের দলে আনার চেস্টা করতে।

কিন্তু, তার বদলে দেখা যায় ‘কেউ যেন কাউকে সহ্য করতে পারেনা’ ধরনের পরিস্থিতি। আস্তিকদের মধ্যে কোন চেষ্টা দেখা যায় না দাওয়াত আর ভ্রাতৃত্বের আহবানের মধ্য দিয়ে উগ্র নাস্তিকদের তাদের রাস্তা থেকে ফিরিয়ে আনার; অপরদিকে নাস্তিকদের বা যুক্তিবাদী তরুনদেরকেও দেখা যায় না উগ্র মৌলবাদীদের আলোর পথে ফিরিয়ে আনার কোন চেস্টা করতে। তাইতো, ব্লগার রাজিব অকালেই প্রান হারান; অপরপক্ষে, ধরমনিরপেক্ষ ও নাস্তিক তরুণরা ফেসবুক আর ব্লগে সমানে অশ্লিল গালিগালাজ চালিয়ে যায় আস্তিক, সংস্কারাচ্ছন্ন আর মৌলবাদী তরুন সম্প্রদায়কে।

একই ব্যাপার যেন দেখা যায় বিভিন্ন তরুণ সামাজিক সঙ্গগঠনের নেতৃবৃন্দের মাঝেও। এখানে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে একদল আরেক দলের সমালচনায়, প্রতিক্রিয়াশিলতায় আর অমঙ্গল কামনায় উগ্রতা প্রদর্শন করে।

যেন ঘৃণার মাধ্যমেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব। ঘৃণাই যেন মোক্ষ ।

ভালোবাসার চরম অনুপস্থিতিই এই উগ্রতা আর তীব্র প্রতিক্রিয়াশীলতার প্রধান কারন।

আর এই ঘৃণা আর প্রতিক্রিয়াশীলতার কারণে যারা মধ্যপন্থী বা উদার মানসিকতার, যারা কিনা এই উগ্র দু পক্ষের ভিতর পড়েন না, তারা পড়ে যান সমস্যায়। তাদেরকে হয় ‘নাস্তিক’, না হয় ‘ছাগু’ উপাধি পেতে হচ্ছে এসব উগ্রবাদির কাছ থেকে। পরাজয় হচ্ছে ‘শুভ মনমানসিকতার’।

(৭)
কোন আদর্শ বা উদ্দেশ্য যদি সফল করতে হয়, সেজন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি বিপ্লব। শুধু পাগলের মত বিপক্ষ দল বা মতকে গালিগালাজ করে, তাদের ছায়া না মাড়িয়ে, পারলে তাদের নিষিদ্ধ, অবরুদ্ধ আর নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে কখনই কোন আদর্শ বা মহৎ উদ্দেশ্য সফল করা যায় না।

কিন্তু, সরব অথবা নীরব- যাই হোক, একটি বিপ্লব কিভাবে সম্ভব?

এক্ষেত্রে চে গুয়েভারার সেই অমর উক্তি প্রণিধাণযোগ্য – “ Let me say, by the risk of seeming ridiculous that a true revolutionary is guided by a great feeling of love” অর্থাৎ “একজন সত্যিকারের বিপ্লবী ভালোবাসার মহান অনুভূতির শক্তিতে পথ চলেন”।

আর ঠিক এই বিষয়টিরই যেন অভাব রয়েছে আমাদের এই দেশে। এখানে, যততুকু মনে হয়, একজন বিপ্লবের প্রত্যাশী মানুষ বা জনগোষ্ঠী পথ চলেন ঘৃণা আর আবেগ দিয়ে, ক্রোধ আর উন্মত্ততা দিয়ে। এসবই যেন তাদের মধ্যে বিপ্লবের মুলমন্ত্র বা জেহাদি জোশ এনে দেয়। এসব না থাকলে তারা লড়াই করার প্রেরনা পান না। বিপক্ষ বা বিরুদ্ধ মতের মানুষদের তারা যেন ছিড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলতে চান। আর না হলেও নিদেনপক্ষে তাদের এমন মনোভাব রাখা চাই, যাতে সবাই বুঝতে পারে তারা একে অন্যকে মোটেই সহ্য করতে পারতেছেনা।

এই ধরণের মনোভাব সমাজের বেশিরভাগ গোষ্ঠীর বেশিরভাগ মানুষদের মধ্যেই যেন বিদ্যমান। কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী, কি উগ্র মউলবাদী, কি আধুনিক, কি উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষ, কি গ্রামের অশিক্ষিত মানুষ, কি সমাজতান্ত্রিক, কি সাম্রাজ্যবাদি, সবাই-ই যেন ধরে নিয়েছে, বিপক্ষ মত বা চিন্তা দলন করে তাদের নিশ্চিহ্নকরণই যেন নিজেদের মতবাদ বা চিন্তাকে তিকিয়ে রাখার একমাত্র উপায়।
এসব দেখে মনে হয় চে গুয়েভারা যদিও কিউবাতে বিপব এনেছিলেন, আর্জেন্টিনাতে এনেছিলেন, কিন্তু, আমাদের বাংলাদেশের মানুষ হলে তিনি হয়তো এই দেশে বিপ্লব আনতে পারতেন কি না, তা সন্দেহ আছে!
বাংলাদেশে বড় আকারের সামাজিক বা রাজনৈতিক কোন বিপ্লব আনতে গেলে সবার আগেই দরকার বিশাল একটা ইউনিটি বা ঐক্য। আর একে অপরকে (বিপক্ষ দল বা দিমত-পোষণকারী) নিশ্চিহ্ন করণের প্রচেস্টায় লিপ্ত থাকলে, সেটা কি আদৌ সম্ভব?

খুব বেশি নেতিবাচক মনভাবের অধিকারি হলে অথবা একচোখা হলে তা আদৌ সম্ভব হওয়ার কথাও নয়। যারা ব্যক্তি মোহাম্মদের দোষ-ত্রুটি নিয়ে ব্লগ ভরিয়ে ফেলেন, তারা এই কথা কমই বুঝতে চান যে তিনি যে শূন্য থেকে পুরো আরবের অধীশ্বর হয়েছিলেন একসময়, সেটা সম্ভব হয়েছিল তার ভালবাসা আর ক্ষমার মহান আদর্শের কারণেই। তায়েফ বাসীদের দারা নিগৃহীত হবার পর তিনি স্রষ্টার উদ্দেশে প্রার্থনার সময় অভিসম্পাত করার বদলে বলেছিলেন, “হে প্রভু, তুমি এদের জ্ঞান দাও; এদের ক্ষমা কর”। এইজন্য ধর্মীয় বিষয় নিয়ে পরাযালচনার সময় নেতিবাচকতার চেয়ে ইতিবাচকতাই মনে হয় বেশি জরুরী।

তেমনি, যারা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে, তাদের চোখে একজন ফরহাদ মযহার ও একজন মুন্তাসীর মামুন বা আবদুল মান্নান, সবাই-ই দলকানা এবং আদর্শহীন। একটি বিরাট ঐক্য গড়তে হলে সেটার জন্য প্রয়োজন মিথ্যা আর দালালীকে বর্জন করে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলা। কাজটি যথেষ্ট কঠিন; কিন্তু সত্য ও ন্যায়ের প্রতি কারও ভালোবাসা, আর মিথ্যার প্রতি ঘৃণা থাকলে সেটা অসম্ভব নয় – ঘৃণা থাকলে অন্যায়, অসত্য আর নতজানু মানসিকতার প্রতিই থাকা উচিত। একথা স্মরণে রাখা উচিত ভালবাসা মানেই দুর্বলতা বা প্রতিবাদহীনতা নয়; নয় নতজানু মনোবৃত্তি।

(৮)
আধুনিককালে মাদার তেরেসা, মহাত্মা গান্ধী, মারটিন লুথার কিং, চে গুয়েভারা, জন লেনন, পিট সিগার সহ বিশ্বের আধুনিককালের যে সকল মানুষ নমচিত্তে সবার কাছে স্বরিত হোন, তাদের সবাই-ই মানুষের প্রতি মানুষের ভা্লোবাসার উপর জোর দিয়েছেন। ভালোবাসার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান খুজেছেন। তাই তারা ছিলেন অহিংস আর অ-প্রতিক্রিয়াশীল। ঘৃণা আর উগ্রতার বদলে ভা্লোবাসা, হৃদ্যতা আর সম্প্রীতির ভিতর দিয়ে তারা একটি সুন্দর পৃথিবীর স্বপ্ন দেখে এসেছেন সবসময় এবং সেই অনুযায়ী কাজ করেছেন।

পাপকে আমরা ঘৃণা করব, পাপীকে নয়। ভালোবাসার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সমাজ, দেশ ও জাতির মঙ্গল করার জন্য সেটাই হতে পারে আমাদের পাথেয়। ভালোবাসাকে ব্যক্তি জীবনের সঙ্কীর্ণ গন্ডি থেকে বের করে সমাজ ও দেশের বৃহৎ পটভূমিকায় তাকে নিয়ে আসতে হবে।

একটি বিরাট জাতীয় বা সামাজিক ঐক্য করতে পারে অসম্ভবকে সম্ভব। একতা এমন এক বিরাট শক্তি, যেটিকে ভাঙতে গেলে ‘বার্লিন ওয়াল’ই ভেঙ্গে পরে, একতা আরো শক্তিশালী হয়। ‘ভালবাসার মহান শক্তি’ই পারে একটি বিরাট ঐক্য গড়ে তুলতে। শান্তি আর মানবতার অর্কেস্ট্রাতে সুর তুলতে হলে ‘ভালবাসার অনুপ্রেরণা আর শক্তি’ই রাখতে পারে ‘কন্ডাক্টরের ভূমিকা’।

মহান মানুষ মাদার তেরেসার একটি বাণী এক্ষেত্রে স্বরণ করা যেতে পারে, “Works of Love are Works of Peace,” অর্থাৎ ভা্লোবাসার কাজই শান্তির জন্য কাজ।

আমাদের এই দেশেও তাই শান্তি আর মানবতা প্রতিষ্ঠা করতে গেলে তাই ভালোবাসার মহান শক্তিকেই কাজে লাগানোর জন্য আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

৫৫ thoughts on “ভালোবাসাহীন ধূ-ধূ প্রান্তরে ভালোবাসার শক্তিই হোক শান্তি ও মানবতা প্রতিষ্ঠার মূলমন্ত্র

  1. উদাহরণস্বরুপ বলা যায়,

    উদাহরণস্বরুপ বলা যায়, বিভিন্ন
    বাংলা ব্লগে কিছু মানুষ আছেন,
    যারা কিনা তাদের মতামত আর চিন্তাধারণার
    বিরুধ্যে কেউ যদি দ্বিমত পোষণ করে,
    তবে তার প্রতি আশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ
    থেকে শুরু করে তার লেখাটিকেই বাজেয়াপ্ত
    করার হুমকি দিয়ে থাকে। অথচ, এরাই
    কিনা মুক্ত চিন্তার কথা বলে, এরাই
    কিনা ‘ব্লগিং আমাদের অধিকার’
    বলে সোচ্চার হয়। আসলে ভিন্নমতের
    মানুষের প্রতি এদের কোন শ্রদ্ধা নেই।
    যেখানে শ্রদ্ধা নেই, সেখানে ভালবাসাও
    থাকতে পারেনা। এই কারণেই তাদের এই
    ভণ্ডামি। আর সবকিছুর মূলে রয়েছে মানুষ
    হয়ে মানুষের প্রতি ভালোবাসাহীনতার
    সংস্কৃতি।

    কাকে কাকা করলে গান হয় না……… চালায় যান ওস্তাদ, আপনার শহীদ কাদের মোল্লার প্রতি ভালবাসা দিবসে আপনার তরফ হতে ভালবাসা । । ।

    আপনারে ভাল কইরাই চিনি

    1. তোমাদের মত কিছু মানুষ যদি
      তোমাদের মত কিছু মানুষ যদি উগ্র, তীব্র প্রতিক্রিয়াশীল আর ফ্যাসিস্ট ব্লগার হিসবে নিজেদের বারবার প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তাহলে আমার আর কি করার আছে, বলো…!

      তবে এটুকু অনুরোধ করতে পারি যে, “এমন কথা বলোনা যাতে মানুষ খুব কস্ট পায়”।

      1. আহারে ভাই আমার কষ্ট পাইছে রে
        আহারে ভাই আমার কষ্ট পাইছে রে :'( :'( :'( আসো মলম লাগায় দেই ।

        ঐ যে শুওরের বাচ্চারা ধর্ষন করছিল তখন কিমাথায় ছিল না আমার মা আমার বোনদের কষ্ট হচ্ছে।

        আবারও বলি মানুষের জন্য মানবতা পশুর জন্য নয়। জামাত শিবির রাজাকারের প্রতি যাদের বিন্দুমাত্র সহানুভতি আছে তারা মানুষের কাতারে পরে না।

        1. লক্ষ্মী ভাই আমার… এই জন্যই
          লক্ষ্মী ভাই আমার… এই জন্যই আমি তোরে আমার লক্ষ্মী ভাই বলি জয়। পুন্দানি টা ভালোই দিছিস… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

          1. উনি মাইয়া নাকি এইডা জাইনা তোর
            উনি মাইয়া নাকি এইডা জাইনা তোর কি কাম??
            অবশ্য তোগতো মাইয়া দেখলেই লালা ঝরে।

            কুত্তার সাথে তোগে আর কত মিল দেখমু!!

          2. কুত্তার মত ভাল প্রাণীর সাথে
            কুত্তার মত ভাল প্রাণীর সাথে আমাকে তুলনা করায় আমি খুবই খুশি ভাইজান! আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!
            আমি খুশি যে আপনি আমাকে অমানুষ বলেন নাই!

        2. ওরে আমার সোনার ভাই জয়, আমি
          ওরে আমার সোনার ভাই জয়, আমি কস্ট পেয়েছি ঠিক আছে, কিন্তু সেটা হজম করার ক্ষমতা আমার আছে। যার কারণে আমি তোমাদের সাথে ভদ্র ভাষায় কথা বলি, কোন উগ্রতা দেখাই না। কিন্তু, আমার আদরের জয় ভাই, লিঙ্কন ভাই, রহমান রাআদ ভাই আর শাহীন ভাইয়ের তো কষ্ট পাইলে মাথা ঠিক থাকেনা। আপনারা চালিয়ে যান অশ্লীল খিস্ত-খেউর, দেখান চরম উগ্রতা।

          বোঝাই যায়, কার জ্বালা বেশি আর মলম কাদের লাগানো দরকার!

          আস ভাই, আস জয়, লিঙ্কন আর ডন ভাই, আস গুটু গুটু ফাতেমা; তোমাদের ক্ষুব্দ মনে আর মগজে আমিমলম লাগিয়ে দেই।

          1. আমার আদরের জয় ভাই, লিঙ্কন

            আমার আদরের জয় ভাই, লিঙ্কন ভাই,
            রহমান রাআদ ভাই আর শাহীন ভাইয়ের

            যা সন্দেহ ছিল তাই ……… পুরাতন মাল।

            একে তো রহমান রাআদ নাম! দ্বিতীয়ত শাহিন ভাই।
            আব্বে ছাগলা তোর বাপে যেই দিন ইস্টিশনে পাঠাইসে এর বহু আগে শাহিন ভাই ইন এক্টিভ!

            আসল রূপ প্রকাশ

          2. ভাই, তোমরা প্রমাণ করলে তোমরা
            ভাই, তোমরা প্রমাণ করলে তোমরা তো জামাত-শিবিরের জাত ভাই।
            বাশের কেল্লায় তোমাদেরই বেশি মানায়।

            আর ইস্টিশন মাস্টার বলে যদি কেউ থাকে তার দৃষ্টি আকরষন করছি। জানি এতে কোন লাভ হবেনা, তারপরও…!

          3. আরে ছাগল কে যে কি তার প্রমান
            আরে ছাগল কে যে কি তার প্রমান তো সেইদিনই হইছে যেইদিন তুই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে মানবতা দেখায়া বলছিলি …

            মানবাধিকারের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে যাবজ্জীবন বা ২০ বছরের সাজাই সরবচ্চ শাস্তি। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশেই যেখানে মৃত্যুদণ্ড অমানবিক আর নিষ্ঠুর কাজ বলে পরিত্যাজ্য হচ্ছে, সেখানে ‘ফাঁসি চাই, ফাঁসি চাই’ স্লোগানে চারিদিক মুখর করে তোলা ‘অমানবিক ও চরমপন্থি আন্দোলন’ বলে কার কাছে মনে হলে সেটার জন্য কাউকে দোষ দেয়া যাবেনা।

            এর পরেও বুঝতে বাকি থাকে না যে জামাত শিবিরের জাত ভাই কে!!!!

          4. কস্ট পেলাম তোর কথায়…তোর কি
            কস্ট পেলাম তোর কথায়…তোর কি হইছে বোন আমার, বলতো আমাকে?
            আয়, আমার কাছে আয়, পাশে বোস। এবার বল তোর কি হইছে?
            …………………………
            ও আচ্ছা, মানবাধিকারের কথা বল্লেই কি জামাত শিবিরের জাত ভাই হয়? তাহলে, মানবাধিকারের কথা যারা বলে তাদের সবাই ছাগু?
            আর একটা জাতি কতটা সভ্য, সেটা বোঝার একটি উপায় হচ্ছে তারা অপরাধিদের কিভাবে ট্রিট করে, সেটা থেকে।
            আর আমি কারও মৃত্যুদন্ড কোনদিনই সাপোর্ট করিনি। সেক্ষেত্রে আমি তো দ্বিমত করতেই পারি…।
            যাবত জীবন বা ১৪ বছরের সাজা একদিক থেকে কিন্তু ফাশির চেয়ে বেশি, কারণ এতে সারাজীবন আরামে থাকা অপরাধি সারাজীবন ধরে তার সাজা ভোগ করতে পারে, যা অনেক ক্ষেত্রেই মৃত্যুর থেকে বেশি মনে হতে পারে।
            আর লাস্ট আমার এক্টা অনুরোধ– এই মানবাধিকার, মানবাধিকার ইস্যু লইয়া আমার লগে প্যাচাল না পাইরা আমার লেখার অন্য অংশ গুলোও পড়ে মন্তব্য করিস। কষ্ট করে আমার অন্য লেখাগুলোও পড়িস। তার আগে আমাকে জাজ করার চেস্টা না করাই ভালো…!

          5. তোর মনের ইচ্ছা আল্লাহ যেন
            তোর মনের ইচ্ছা আল্লাহ যেন পুরণ করে…
            “হে আল্লাহ, আমার ছোট্ট বোনটা যা চায়, পারলে তুমি সেটাই তাকে দিও”

            :দীর্ঘশ্বাস: :দীর্ঘশ্বাস: …!

          6. আয়, আমার কাছে আয়, পাশে বোস।

            আয়, আমার কাছে আয়, পাশে বোস। এবার বল
            তোর কি হইছে?

            মাইয়া মানুষ দেখলে খালি পাশে বসাইতে ইচ্ছে করে না!! তুই একটা আস্ত শফী

          7. ছি মা আমার, এভাবে
            ছি মা আমার, এভাবে বলিসনা!
            আল্লাহ খোদা মানিস, আর না মানিস, এটা তো মানবি যে, কারও নামে না জেনে বাজে অপবাদ দিলে প্রকৃতিও এটা ভালো চখে দেখেনা…!

          8. জয় সাহেব, তোমাদের ডন ভাইয়ের
            জয় সাহেব, তোমাদের ডন ভাইয়ের নামে ক্লিক করলে লিঙ্ক-এ রহমান রাআদ নাম ভেসে উঠে…
            আমি পুরাতন মাল নই রে, ভাই…

          9. আগে বাইর হইত না?? শফী
            আগে বাইর হইত না?? শফী হুজুরের পানি পড়া খাইয়া তেল মাখাইয়া এখন বাইর হয় তাই তো।
            ভাইরে ডাক্তারের কাছে যা তোর বউ কানবো।

  2. তোর মতো লোকের ক্ষেত্রে এর
    তোর মতো লোকের ক্ষেত্রে এর চেয়ে ভালো কোন শব্দ ব্যবহার করা যায় বলে আমি মনে করি । শালা দালাল, দালালী করার কি জায়গার অভাব!!! তুই বাঁশের কেল্লায় যা, সেইখানে তারা তোরে মধুর বচন দিবে, এইখানে কেন আসছিস!!! এতো কিছু কই তাও তো লজ্জা হয় না। হবে কিভাবে তোর মতো দালালদের স্বভাবটাই এমন। তোর মতো ছুপা ছাগুরা এগুলাই কয়। নিলজ্জ বেহায়া পাকি দালাল কোথাকার।

    1. এত কিছু আমাকে বল্লি…তারপরও
      এত কিছু আমাকে বল্লি…তারপরও আমি বিশ্বাস করি তদের মধ্যে দেশপ্রেম যথেষ্ট পরিমাণে আছে। একজন সাম্রাজ্যবাদী শক্তির দালাল বা একজন গলাকাটা মউলবাদির থেকে তোরা অনেক বেটার। খালি একটু বিবেকে নাড়া পড়া দরকার তোদের … আশা করি বিবেক জিনিসটা একদিন তোমাদের মধ্যে চলে আসবে…!

      1. আগে বিবেক কি সেটা নিজে জান…
        আগে বিবেক কি সেটা নিজে জান… আরে আমার মায়ের ধর্ষক,আমার বাবা- ভাইয়ের খুনিদের বিচারের ক্ষেত্রে আবার কিসের বিবেক-বিবেচনা…!!! ছাগলামির তো একটা শেষ আছে। কিন্তু তোর বেলায় এটা দেখছি সীমাহীন…

          1. এন’জয়’ সাহেব, তুমি প্রমান
            এন’জয়’ সাহেব, তুমি প্রমান করলা একটা মানুষের মন-মানসিকতা কতটা নোংরা হইতে পারে!
            শফি হুযুরও তোমারে পাইলে গুরু মানবো… আর এরশাদ তো বটেই!

            চালায়ে যান উস্তাদ, কিছু লাগলে আওয়াজ দিয়েন। সাপ্লাই দেয়ার জন্য তো আপনার বর ভাইয়েরা— ‘লিঙ্গন’ আর ‘ধন’ ভাইয়েরা আছেই…!

          2. তোর সাহস এত বাড়ছে!!বেটা
            তোর সাহস এত বাড়ছে!!বেটা লিংকন ভাই এর নাম আর ডন ভাই এর নাম বিকৃত করিস!!
            আসলে কাকের পশ্চাৎদেশে ময়ূরের পাঙ্খা লাগইলে সে ময়ুর হয় নারে।

            ব্যটা ছাগু।

  3. আচ্ছা বাবা, আমি চেষ্টা করবো
    আচ্ছা বাবা, আমি চেষ্টা করবো আমার বিবেককে জানতে। তোর জয় ভাই, লিংকন ভাই, ডন ভাইওকে ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠিয়েছি, যদিও জানি তারা সেটা একসেপ্ট করবেনা।

    তোকে ফেসবুকে খুজেছি, কিন্তু পাইনি।

    যদিও তুই দিবিনা, তারপরও তোর ফেসবুক আইডি টা একটু দিসতো পারলে…!

      1. ধন্যবাদ রে বোইন। না দিতে
        ধন্যবাদ রে বোইন। না দিতে চাইলে দিবিনা। এটা তোর ব্যাপার। দিতে হবে এমন কোন মানে নেই…
        হ্যাপি ব্লগিং and happy facebooking ! Carry On!

          1. তোমরা আমাকে ঘৃণা কর, আর যাই
            তোমরা আমাকে ঘৃণা কর, আর যাই কর, একটা বিষয় তো সিওর যে, তোমরা আমাকে ইগনর করনা। ওটা ঘৃণার থেকেও খারাপ।

            আর মানুষের প্রতি আমার ভালোবাসাটা অনেক বেশি বলে এতকিছুর পরও তোমাদের ফেসবুকে অ্যাড করেছি। nothing else…!

            বলতে পারও এটা মানুষ নিয়ে আমার একটা experiment! আমি দেখতে চাই, নস্টামির দিক থেকে তোমরা কতদূর যেতে পারো…!

    1. আমরা মানুষের ফ্রেন্ড লিস্টে
      আমরা মানুষের ফ্রেন্ড লিস্টে রাখি!! যারা মানুষের জাত না তারা আবার ফ্রেন্ড হয় ক্যামনে!

      এই লোক কতটা বিভ্রান্ত নিজেই জানে না। তাইতো তার বিবেচনাবোধ আর মানসিকতার এই দশা…
      সে জানেও না কুকুরের মত শফি’র স্টাইলে লালা ঝরাইলে বড়জোড় উচ্চমার্গীয় ছাগল হওয়া যায়। এই ছাগল পুষবে ইস্টিশন ক্যামন করে? তাই ভাবছি!

      জোহরা আর জয়, তোমরা এই উলুবনে মুক্ত ছড়ায় লাভ নেই বহু আগেই এটি ঘাস-লতা-পাতা-শুষ্ক মরুতে পরিনত হইছে!! এইখানে কিছু বলে লাভ নেই…

      মানুষ মানুষ কে বুঝাতে পারে ছাগলকে নয়…

  4. সবার কাছে শ্লীল ভাষার প্রয়োগ
    :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে:
    সবার কাছে শ্লীল ভাষার প্রয়োগ আশা করছি। :ঘুমপাইতেছে:
    আর শেহজাদ ভাইজান, ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানোর মানে এই না যে সকল মতকে প্রশ্রয় দিতে হবে। আল-কায়েদার মত হইল, অমুসলিমদের মেরে ফেলা। মেরে ফেলতে গিয়ে তারা মুসলিমদেরও মেরে ফেলতে দ্বিধা করেনা। নিশ্চয়ই আমি আল-কায়েদার সেই মতকে শ্রদ্ধা করব না তাই না? মৃত্যুদণ্ড নিয়ে নাকিকান্না করা পশ্চিমা সংগঠন গুলার নাকের জল, চোখের জল এক হয়ে যায় কসাই কাদেরের ফাঁসি দেখলে। অথচ তাকে আইনি প্রক্রিয়ায় ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সাদ্দাম, গাদ্দাফি, লাদেন এদের বিনা বিচারে মেরে ফেললে তখন তাদের ল্যাক্রিমাল গ্ল্যান্ড শীত নিদ্রায় থাকে। এইসব *লের মানবাধিকার কি জিনিস সেটা খুব ভালো করেই জানা আছে। তাই আগে নিজে ভণ্ডামি ছেঁড়ে মানুষ হন।

    1. আতিক ভাই আপনি শ্লীল ভাষার কথা
      আতিক ভাই আপনি শ্লীল ভাষার কথা বলে শেষে এসে নিজের ও মাথা গরম হয়ে গেল!! আসলে এই সব ছাগলদের জন্য মাথা ঠিক রাখা দায়

    2. আমেরিকা মানবাধিকার ঠিকমত পালন
      আমেরিকা মানবাধিকার ঠিকমত পালন করুক আর নাই করুক, আমাদের তা পালন করতে দোষ কোথায় ? আমেরিকা কি সবকিছুর মডেল?
      আর আল-কায়েদা তো আমেরিকার এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে…। এদের কাজ আমেরিকার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা! আল-কায়েদার মতামতকে শ্রদ্ধা নয়, ঘৃণা করতে হবে! I agree with you.

      1. কিন্তু রাজাকারের ফাঁসি দেওয়া
        কিন্তু রাজাকারের ফাঁসি দেওয়া যাবে না। কারন তাদের ফাঁসি দিলে বালঅধিকার লঙ্ঘিত হবে। আর আমি একজন ছুপা আবাল মারখোর হিসেবে সেইটা সহ্য করতে পারব না। আমি শেহজাদ আবাল,মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে সকল ফাকিস্তানি জারজকে চুম্মা দিয়ে বরন করে নেবার দাবী জানাই… সাথে দুইটা রজনীগন্ধার স্টিক আর ফুলের মালা থাকতে হবে… :ভাবতেছি:

        এইটাই তো বলতে চাইলেন, তাই না? :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :এখানেআয়:

  5. ডন ভাই, সে যেই হোকনা কেন,
    ডন ভাই, সে যেই হোকনা কেন, সবার ফাশির বিপক্ষেই আমি!
    এমনেস্টি ইন্টার ন্যাশনাল-এর একজন ‘ইন্টারন্যাশনাল মেম্বার’ হিসেবে বা ‘হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’ এর একজন ‘এডভোকেট’ হিসেবেই শুধু নয়, আমি যখন স্কুলে পড়তাম, তখন থেকেই আমি মৃত্যুদন্ডের বিপক্ষে।
    এটা আমার অপরাধ হলে আমাকে ক্ষমা করবেন।
    আর আমার লেখায় তো অন্য অনেক ইস্যুও আছে। গনজাগরন মঞ্চ নিয়ে লেখা বাদে আরও দুটো লেখাও আছে। সেগুলো নিয়ে তো আপনাদের কোন কথা বলতে দেখলাম না…!

    1. একজনের মারখোরের লেঞ্জা হবার
      একজনের মারখোরের লেঞ্জা হবার জন্য একটা লাইনই যথেষ্ট… আর আপনি তো একটা পোস্টই দিয়ে ফেলেছেন। মারখোরের লেখা পড়বার মত সময় আমার নাই… আমার বাপ-ভাইয়ের হত্যাকারী, মা-বোনের ধর্ষণকারী বাস্টার্ডদের ফাঁসিকে যিনি মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে হেচকি পেড়ে কাঁদতে থাকেন, তাকে আমি মানুষ বলি না। ড্রেনের নিকৃষ্ট কিটও তার চেয়ে বহুগুনে উন্নত প্রাণী… :ক্ষেপছি:

      জনাব মারখোর, শুয়োরের সাথে সহবাস করতে আপনার কেমন লাগে?? :ভাবতেছি:

      1. ..
        আমার বাপ-ভাইয়ের

        ..

        আমার বাপ-ভাইয়ের হত্যাকারী, মা-বোনের ধর্ষণকারী বাস্টার্ডদের ফাঁসিকে যিনি মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে হেচকি পেড়ে কাঁদতে থাকেন, তাকে আমি মানুষ বলি না। ড্রেনের নিকৃষ্ট কিটও তার চেয়ে বহুগুনে উন্নত প্রাণী…

        শুধু উন্নতই না বরং বহুগুণে উন্নততর প্রাণী… আরে আবাল যখন আমার মায়ের পেটের ছোট ভাইটাকে ঐ পাকি জারজরা পিষে মারছিল, আমার ভাইয়ের সামনে আমার মাকে ধর্ষণ করছিলো, আমার বাবাকে জবাই করে মারছিল তখন কোথায় ছিল তোর এই বালাধিকার… !!!

        1. আরে আবাল যখন আমার মায়ের

          আরে আবাল যখন আমার মায়ের পেটের ছোট ভাইটাকে ঐ পাকি জারজরা পিষে মারছিল, আমার ভাইয়ের সামনে আমার মাকে ধর্ষণ করছিলো, আমার বাবাকে জবাই করে মারছিল তখন কোথায় ছিল তোর এই বালাধিকার…

          :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি:

    2. প্রাণ হতে ঘৃনাযগ্য,
      প্রাণ হতে ঘৃনাযগ্য, বিনোদনদানকারী প্রানী উৎকৃষ্ট ছাগু,
      তোমার কি শোনায় সমস্যা! আরে তুমার সাক আহ এর শোনা না শোনা হল শ্রবণ।

      এর আগে কি বলিয়াছিলাম??? তোরমা বইন রে আনিস তোর সামনে রেপ করার পর আমারে মাফ কইরা দিলে বুঝা যাইব। ঐ যে ধর্ষিতা সে আমার মা আর বোন। তোদের মত আমাদের মেয়ে দেখলেই লালা বাইর হয় না। নারী আমাদের কাছে সম্মানের একটি শব্দ। বুঝলি রে!!!

  6. আপনার দৃষ্টতা দেখে অবাক
    আপনার দৃষ্টতা দেখে অবাক হচ্ছি! আপনি বলতে পারবেন আপনি আসলে কি চান? বলতে পারেন? আপনার সাথে কি আচরণ করেছি? আপনি ইস্টিশন বিধি পড়ে দেখেন আগে… রাজাকার-ছাগুদের প্রতি শূন্য সহানুভূতি দেখানোর কথা মাষ্টার সাহেবের…

    ‘ইস্টিশন’ বিধি সমূহঃ

    ২. ‘ইস্টিশন’কে কখনই ধর্ম প্রচারের ক্ষেত্র হিসাবে ব্যবহার করা যাবেনা। যে কোন ধরণের সাম্প্রদায়িকতা, বর্ণবাদ, লিঙ্গ বৈষম্য, ধর্মীয় গোড়ামী এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শত্রু ও গোষ্টি সম্পর্কে ‘ইস্টিশন’ জিরো টলারেন্স দেখাবে।

    আপনি রাজাকার-হায়েনাদের মানুষ জ্ঞান করে তাদের মানবাধিকার চান? কিন্তু মিস্টার ‘ছাগুকুল শেহজাদ’ ইস্টিশন রাজাকার এবং তাদের দোসর এবং ছদ্ম দোসরদের মানুষ মনে করে না। পাগলকে পাগল বললে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয় আমরা সবাই জানি কিন্তু ছাগুদের ছাগু বললে ছাগাধিকার লঙ্ঘন হয় এমনটা আমার জানা নেই…

    মেয়েদের দেখেই আপনি পাপী তেঁতুল হুযুরের মত করে লালা ঝরাইতে পারবেন আর নারী প্রতিবাদ করলেই কইবেনঃ

    অথচ তার ঠিক আগেই বইন বইন বলে মেয়েটাকে বিরক্ত করছেন। এই হায়েনার দোসর আবার শিকল টানে… বুঝতেই পারে না…

    আপনার মত মানসিকতার লোকদের ভাই-বোন না দেখলেই বমি আসে… এইখানে কাইন্দা লাভ নেই। ইস্টিশন মাষ্টার ছাগলদের মানবাধিকার নিশ্চিত করবে না আশাকরি…

    1. সবাইকে নিজেদের মত ভাববেন না।
      সবাইকে নিজেদের মত ভাববেন না।

      মেয়ে দেখলেই আমার লালা ঝরেনারে ভাই। আমি একজন মেয়েকেই ভালবাসি অনেক দিন ধরে, আর তাকে দেখলেই আমার লালা ঝরে; আর কাউকে দেখলে নয়!
      :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি:

      1. ছাগলে কি না বলে অমানুষে কি না
        ছাগলে কি না বলে অমানুষে কি না কয়…
        উগ্র ধর্মীয় মৌলবাদে আক্রান্ত মানসিক অসুস্থরাই কেবল এমন করতে পারে। আমি জানি মানুষের নয় পাগলা কুকুরেই কেবল জলাতঙ্ক হলে লালা ঝরে! অর্ধাঙ্গিনীকে দেখলে লালা ঝরে যে বলতে পারে সে মানুষের অধম এবং ছাগল শ্রেষ্ঠ…

        দ্রুতই ডাঃ দেখান। মানুষ হয়ে বাঁচার চেষ্টা করুণ…
        শুভ কামনা রইলো..

  7. ইস্টিশনের নিম্নলিখিত বিধির
    ইস্টিশনের নিম্নলিখিত বিধির কথাও আপনাদের সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিছছিঃ

    ইস্টিশন’-এ যাত্রী হিসাবে একে অপরের প্রতি দলবদ্ধ আক্রমণ, অশিষ্টাচার মন্তব্য প্রভৃতি থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন যাত্রী আক্রান্তবোধ করলে তাঁর করা অভিযোগের ভিত্তিতে ইস্টিশন মাষ্টার বা ইস্টিশন মাষ্টারের মনোনীত মডারেটর সেই আক্রমণাত্মক পোস্ট, মন্তব্য বা উপাদান সরিয়ে দিতে পারেন। উপরন্ত প্রথম সর্তক সংকেত হিসাবে সাতদিন, দ্বিতীয়বার একমাস তৃতীয়বার অনির্দ্দিষ্ট কালের জন্য সংশ্লিষ্ট যাত্রীর টিকেটটি মডারেশনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

    – See more at: http://istishon.blog/node/9#sthash.dIBWczQy.dpuf

  8. আপনার লেখার কন্টেন্ট ভালো ।
    আপনার লেখার কন্টেন্ট ভালো । নাইস লিখেছেন ।
    কিন্তু বাকীদের কমেন্ট পড়ে তো আমি ‘ থ ‘ । যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির ব্যাপারে আমি ‘ জিরো টলারেন্স ‘ দেখাবো । ওনাদের অভিযোগ যদি সত্য হয় তবে বলবো আপনার শুভ বোধের উন্মেষ ঘটুক !

    1. http://istishon.blog/node/6735
      http://istishon.blog/node/6735

      এই পোস্টটা দেখার পরেও যদি আপনি আমাদের কমেন্টে বিস্ময় প্রকাশ করেন, তবে আর কিছু বলার নেই… :চিন্তায়আছি: :মাথাঠুকি:

      1. আপনি আমার কমেন্ট টা মনোযোগ
        আপনি আমার কমেন্ট টা মনোযোগ দিয়ে পড়েন নি। এতো হট টেম্পারড হলে কী হবে ডন সাহেব ??? এই পোস্ট আর আপনাদের কমেন্ট পড়ে মিঃ শেহজাদ সম্পর্কে আমি বিস্মিত হয়েছি । আই হোপ ইউ আন্ডাস্ট্যান্ড ।

  9. একটি বিরাট জাতীয় বা সামাজিক

    একটি বিরাট জাতীয় বা সামাজিক ঐক্য করতে পারে অসম্ভবকে সম্ভব। একতা এমন এক বিরাট শক্তি, যেটিকে ভাঙতে গেলে ‘বার্লিন ওয়াল’ই ভেঙ্গে পরে, একতা আরো শক্তিশালী হয়। ‘ভালবাসার মহান শক্তি’ই পারে একটি বিরাট ঐক্য গড়ে তুলতে। শান্তি আর মানবতার অর্কেস্ট্রাতে সুর তুলতে হলে ‘ভালবাসার অনুপ্রেরণা আর শক্তি’ই রাখতে পারে ‘কন্ডাক্টরের ভূমিকা’।

    🙂 🙂 🙂

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *