সিনেমায় ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরণের শট : একটি তাত্ত্বিক ও বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা ।

যদি প্রশ্ন করা হয় সৃষ্টির সেই আদিম সময়ে মানুষ কীভাবে আরেকজনের সাথে যোগাযোগ করতো ? আমরা কী বলবো, কেনো এখন যেভাবে কথা বলছি সেভাবে । মায়ের উদর থেকে পড়েই তো ” আ মরি বাংলা ভাষা ‘য় কথা বলছি ।


যদি প্রশ্ন করা হয় সৃষ্টির সেই আদিম সময়ে মানুষ কীভাবে আরেকজনের সাথে যোগাযোগ করতো ? আমরা কী বলবো, কেনো এখন যেভাবে কথা বলছি সেভাবে । মায়ের উদর থেকে পড়েই তো ” আ মরি বাংলা ভাষা ‘য় কথা বলছি ।

ব্যাপারটা মোটেই এমনটি ছিলোনা । মানুষ কথা বলতে শিখলো এই তো সেদিন । তার আগে মানুষ পশুপাখির মতো দুর্বোধ্য অর্থহীন শব্দ সৃষ্টি করতো , ওই শব্দের একটা নিজস্ব মানে তারা করে নিয়ে টুকটাক কাজ চালাতে পারতো বটে তাতে ভাব প্রকাশ অসম্পূর্ণই থেকে যেতো । শারীরিক অঙ্গভঙ্গী ছিল মনের ভাব প্রকাশের তখনকার সময়ের মূলভাষা । অর্থাৎ Physical Language ছিল ভাব প্রকাশের মৌল বাহন ।

ঠিক তেমনি চলচ্চিত্রের শুরুর সেই নির্বাকযুগে কতগুলো ইমেজ সৃষ্টি করা ছাড়া লুমিয়ের ব্রাদার’রা খুব বেশিদূর চিন্তা করতে পারেন নি । তবে চলচ্চিত্র ভাষা তৈরি হতে খুব বেশি সময়ও লাগেনি । পোর্টার, গ্রিফিত, আইজেন্সটাইন’রা চলে আসলেন সিনেমার নিজস্ব ভাষা তৈরি করতে । তাঁদের সিনেমায় আমরা প্রথম পেলাম সত্যিকারের চলচ্চিত্রভাষা ।

আজকের লেখায় সিনেমা ভাষার অন্যতম উপাদান ‘ শট ’ নিয়ে লিখবো । যারা সিনেমা ভালবাসেন, সিনেমা দেখেন, সিনেমা নিয়ে পড়াশুনা করেন সবার জন্য এই বিষয় সম্পর্কে পরিস্কার ধারণা থাকা জরুরী । সিনেমা সমালোচক হতে চাইলে এই বিষয়ে অবশ্যই জ্ঞান থাকতে হবে ।

Image পর্দার কতোখানি এলাকা/ জায়গাজুড়ে আছে এগুলো থেকে বিভিন্ন শটের নামকরণ করা হয়েছে । তবে কথা হলো সিনেমার সেই উন্মেষকালে লুই ও অগস্ত লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয় শটের নামকরণ করে চলচ্চিত্র বানানো শুরু করেননি । ক্যামেরা একটি নির্দিষ্ট জায়গায় স্থির রেখে একটি শটের মাধ্যমে একটি দৃশ্য ধারণ করতেন । তারা জানতেন না তাদের ধারণ করা শটের নাম কী। অবশ্য এতে করে চলচ্চিত্রযাত্রা একেবারেই বাধাগ্রস্থ হয়নি ।

যেমন ব্যাঙ এর একটি ল্যাটিন নাম আছে কিন্তু ব্যাঙ তা জানে না, তাতে করে তার ব্যাঙ জীবন যাপন করতে কোন অসুবিধা হচ্ছে না । তবে তখন চলচ্চিত্রের নানা মাত্রিক ভাষার সীমাবদ্ধতা ছিল অত্যন্ত প্রকট ।

ক্লোজ আপ (Close Up – CU) :

দৃশবস্তু যদি হয় মানুষের শরীর তাহলে যে শটে পর্দায় মানুষের মাথা থেকে মোটামুটিভাবে কোমর অবধি দেখা যাবে সেই শটকে বলা হয় ক্লোজ আপ । ক্যামেরাকে দৃশবস্তুর খুব কাছে রেখে ক্লোজ আপ নেওয়া যায়, আবার দূর থেকে বিশেষ লেন্সের সাহায্যে ফোকাল লেংথের অদল বদল ঘটিয়েও ক্লোজ আপ নেওয়া সম্ভব । কোন বস্তুকে আনুপাতিকভাবে খুব বড় করে দেখানোই ক্লোজ আপ । গ্রিফিথই সর্বপ্রথম ছবিতে ক্লোজ আপের ব্যবহার দেখান ।

সাধারণত রাগ, দুঃখ, ক্ষোভ, অভিমান বোঝাতে ক্লোজ আপ (Close Up ) এর ব্যবহার হয় । ক্লোজআপ শটের মূল উদ্দেশ্যই হলো দর্শকের মনকে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যাভিমুখি করা, অভিব্যক্তি স্পষ্ট করা, বিশেষভাবে আকৃষ্ট করা ।

# ” City Lights ”


– শেষ দৃশ্যে ক্লোজ আপের বিখ্যাত উদাহরণ । ” মোনালিসার ” হাসির মতো বিখ্যাত এই ক্লোজ আপের রহস্য আজো ভেদ করা সম্ভব হয়নি ।

# ” পথের পাঁচালী ”


– ইন্দির ঠাকরুন শেষবারের মতো আশ্রয় খুঁজছে, সর্বজায়ার মন জয় করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়া । CU এর চমৎকার ব্যবহার ।

বিগ ক্লোজ আপ ( Big Close Up – BCU ) :

মানুষের ক্ষেত্রে বিগ ক্লোজ আপ কথাটি ব্যবহার করা হয়। সাধারণত শরীরের কোন বিশেষ অংশের দিকে দর্শকের দৃষ্টি নিবদ্ধ করার জন্য এই ধরণের শটের প্রয়োজন অনুভূত হয় । যেমন – শুধুমাত্র চোখ, কান, নাক, হাতের পাঞ্জা ইত্যাদি দেখানোর জন্য বিগ ক্লোজ আপ নেওয়া হয় ।


– লক্ষ করুণ – এই শটে কেবল চোখ দুটোকে প্রমিনেন্ট করা হয়েছে ভয় বা বিস্ময় প্রকাশের জন্য ।

এক্সট্রিম ক্লোজ আপ (Extreme Close Up – ECU ) :

মানুষ ব্যতীত অন্যান্য Object এর ক্ষেত্রে এক্সট্রিম ক্লোজ আপ ব্যবহৃত হয় । যেমন – একটি পিঁপড়া বা অন্ধকারে কালো বিড়ালের চোখের শট দেখানোর প্রয়োজন পড়লে সেক্ষেত্রে এক্সটিম ক্লোজ আপ নিতে হবে ।


– এই শটে বিড়ালের একটি চোখ আমরা দেখছি ।

টু শট (Two Shot – TS ) :

এই ধরণের শটে দুটো Character পাশাপাশি থাকে । তারা শত্রু হতে পারে আবার বন্ধুও হতে পারে ।


– ‘ ক্যাসাব্লাঙ্কা ‘ মুভিতে টু শটের একটি চমৎকার ব্যবহার ।

# ” পথের পাঁচালী ”
– দুর্গা এবং ইন্দির ঠাকরুনের মধ্যে অনেক মিল দেখতে পাওয়া যায়, অনেকটা আত্মিক মিল। এদের দুজনের বেশকিছু TS Shot আছে । তাছাড়া দল থেকে আলাদা তথা অন্যদের থেকে আলাদা করে চিহ্নিত করণের ক্ষেত্রেও Two Shot ব্যবহার করা হয় । ভালো করে লক্ষ্য করলে আমরা পথের পাঁচালীতে একটি অদ্ভুত মিল দেখতে পাবো, তা হলো দুর্গা ও বুড়ি ইন্দির ঠাকরুনের উপরের পাটির সাম্নের দুটো দাঁত নেই ।


– ‘ পথের পাঁচালী ‘ ইন্দির ঠাকরুন ও দুর্গার সমন্বয়ে টু শট ।

থ্রি শট ( Three Shot ):

টু শটের মতোই তিনটি চরিত্রের আন্তঃ সম্পর্ক, তাঁদের সুখ – দুঃখ, আনন্দ – বেদনা একটি ফ্রেমে তুলে ধরতে এই প্রকারের শট নেওয়া হয় । একটি বিখ্যাত থ্রি শটের ছবি নিচে দেওয়া হলো।


– ‘ পথের পাঁচালী’ – অপুর জীবনে প্রথম স্কুলে যাওয়ার আগে দিদি দুর্গা চুল আঁচড়ে দিচ্ছে । তা দেখে মা সর্বজায়া আনন্দে হাসছেন । পারিবারিক সুখের একটি বিরল মুহূর্ত সত্যজিৎ রায় ফ্রেমে বন্দী করেছেন ।

কম্পোজিট শট (Composite Shot – CS):

৫ বা ৫ এর অধিক চরিত্র ফ্রেমে ধরা হলে সেটি CS শট ।


– স্যার আইজেনস্টাইনের বিখ্যাত ক্লাসিক ফিল্ম ‘ ব্যাটেলশিপ পটেমকিন ‘ এর ‘ অডেসা সিঁড়িতে হত্যাকাণ্ড ‘ দৃশ্য । কম্পোজিট শটের উৎকৃষ্ট উদাহরণ । এটিকে একই সাথে ক্রাউড শট ও বলা যেতে পারে ।
# ” One Flew Over The Cuckoo’s Nest ”
– মানসিক হাপাতালের রোগীদের নিয়ে নিয়মিত মিটিঙের সিকোয়েন্স । কম্পোজিট শটের অসাধারণ চিত্রায়ন দেখতে পাই এখানে ।

ওভার দ্যা শোল্ডার শট (Over The Shoulder Shot – OS ):

এই ধরণের শট কাঁধের উপর থেকে নেওয়া হয় । চরিত্রটি কার সাথে কথা বলছে তার Suggestion থাকতে হয় ।

# ” Seventh Seal ”
– মৃত্যুর সাথে দাবা খেলার দৃশ্যে বেশ কয়েকটি OS শটের ব্যবহার আছে ।
OS এবং TS এর ক্ষেত্রে Character’রা মুখোমুখি বা পাশাপাশি অবস্থান করতে পারে । দুটো চরিত্রের আন্তঃ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করার জন্য উল্লেখিত শটদু’টি ব্যবহার করা হয় ।


– ‘সেভেন্থ সিল’ চলচ্চিত্র । মৃত্যুর সাথে সাথে দাবা খেলার দৃশ্য ।

মিড শট(Mid Shot -MS):

চরিত্রের পূর্ণ দৈর্ঘ্য’র ইমেজ’কে সাধারণত মিড শট বলা হয় । শারীরিক অভিনয়ের মাধ্যমে চরিত্রদের facial expressions বুঝানোর জন্য মিড শট নেওয়া হয় ।


– ‘ফরেস্ট গাম্প ‘ ছবিতে মিডশটের উদাহরণ ।

লং শট (Long Shot – LS ):

দৃশ্যবস্তুর পূর্ণাজ্ঞ ছবি ও তার সঙ্গে পুরোভূমি ও পশ্চাৎভূমির কিছুটা করে দেখান হলে তা লং শট । এই শটকে পরিচয়জ্ঞাপক শট বা Introducing Shot বলা হয় ।

ব্যাখ্যা করে বলা যায়, ধরা যাক একটি বাড়ির ভেতরে শুটিং হচ্ছে – বিভিন্ন এঙ্গেল থেকে অনেক ধরনের শট নেওয়া হয়েছে কিন্তু একটা লং শটে জোনটাকে (Zone ) চিনিয়ে দেওয়া হলনা । এতে এক ধরণের অপূর্ণতা তৈরি হতে পারে । তারমানে এই না লং শট নিতেই হবে । সবকিছু নির্ভর করছে সিকোয়েন্সটি চলচ্চিত্র ভাষার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হতে পারলো কিনা তার উপর ।

‘ লং শট মূল চরিত্রটিকে আরও অনেকগুলি চরিত্রের সঙ্গে একসাথে ধরে, ফলে চরিত্রটি পারিপার্শ্বিকতার মধ্যে আরও অনেক চরিত্র সহযোগে উপস্থাপিত হয়ে থাকে।’

# ” Passage to India ”
……. David Lean
# ” Lawrense of Arabia ”

……….David Lean

– উপরোক্ত দুটি চলচ্চিত্রে লং শটের নান্দনিক উদাহরণ আছে ।

– ‘এ প্যাসেজ টু ইন্ডিয়া ‘ মুভির দৃশ্য।

এক্সট্রিম লং শট (Extreme Long Shot – ELS ):

এই ধরণের শট কোয়ার্টার মাইল দূর ঠেকে নেওয়া হতে পারে । সাধারণত দৃশ্যের বিন্যাস ও দৃশ্য প্রতিষ্ঠার জন্য এক্সট্রিম লং শট নেওয়া হয় । এই শটে মূলত বাইরের দৃশ্য দেখানো হয়। যেমন – কোন বাড়ির বাইরের দৃশ্য বা একটি ল্যান্ডস্কেপ । থ্রিলিং একশন দৃশ্য দেখাতে , যেমন – যুদ্ধের সিনেমায় এই ধরণের শট নেওয়া হয় ।

এই টাইপের শটে ডিটেইলস খুব কমই দৃষ্টিগোচর হতে পারে । সুনির্দিষ্ট তথ্য’র থেকে সাধারণ অভিব্যক্তি প্রদান করতে এইরূপ শট নেওয়া হয় ।


– এই ছবিটি দেখে আপাত দৃষ্টিতে খুব কাছে মনে হতে পারে , কিন্ত ‘ Hollywood ‘ লেখাটির কাছে পৌঁছতে কোয়ার্টার মাইল হাঁটতে হবে কমপক্ষে ।

পরিশেষে বলতে চাই সিনেমায় ব্যবহৃত মোটামুটি সবগুলো শট সম্বন্ধে উপরে আলোচনা করা হয়েছে । এছাড়া উচ্চতা, দূরত্ব ও কৌণিকতার উপর ভিত্তি করে আরও কিছু শটের নাম করা যেতে পারে । যেমন – হাই এঙ্গেল শট, লো এঙ্গেল শট, টপ শট, এরিয়াল ভিউ, বার্ডস আই ভিউ ইত্যাদি । পরবর্তী লেখায় এসব নিয়ে আলোচনা করার ইচ্ছে রইলো ।

আমরা চাই শিক্ষিত দর্শক । ভালো ছবির দর্শক । আর ভালো ছবির দর্শক তৈরি করে নিতে হবে আমাদেরকেই । একারণেই চলচ্চিত্র বিষয়ে আমাদের সার্বিক জ্ঞান আহরণ করতে হবে ।

২৮ thoughts on “সিনেমায় ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরণের শট : একটি তাত্ত্বিক ও বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা ।

  1. চমৎকার পোস্ট। নতুন, যারা
    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
    চমৎকার পোস্ট। নতুন, যারা সিনেমা বানানোর স্বপ্ন দেখেন, পোস্টটি তাদের জন্য বর্ণমালা শিখার আদর্শলিপি বই।

  2. অসাধারণ উপস্থাপনায় তথ্য বহুল
    অসাধারণ উপস্থাপনায় তথ্য বহুল একটি পোস্ট!! এই পোস্ট টি না পড়লে হয়ত এই ব্যাপার গুলো জীবনে কখনও জানা হত না। ধন্যবাদ আপনাকে। বসন্তের এই প্রথম প্রহরে একটি গোলাপের শুভেচ্ছা থাকলো :গোলাপ:

    1. তারিক লিংকন ভাইয়া,
      আপনার ইমোয়

      তারিক লিংকন ভাইয়া,
      আপনার ইমোয় বিমোহিত এবং ইমোইত (!) হলাম :ভেংচি:
      আপনার মতো একজন বিশ্লেষকের প্রশংসা পাথেয় হয়ে রইবে :খুশি:
      থাঙ্কস এ লট ! :ধইন্যাপাতা: :ফুল:

  3. দুর্দান্ত উপস্থাপনা…
    দুর্দান্ত উপস্থাপনা… :মাথানষ্ট: :bow: :bow: :bow: চমৎকার লাগলো এতো খুঁটিনাটি ব্যাপারগুলো জানতে পেরে… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: আর দুলাল ভাইয়ের সাথে একমত… নতুন, যারা সিনেমা বানানোর স্বপ্ন দেখেন, পোস্টটি তাদের জন্য বর্ণমালা শিখার আদর্শলিপি বই। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. ডন মাইকেল কর্লিওনি
      ডন মাইকেল কর্লিওনি ভাইয়া,
      আপনি এইগুলা জানতেন না না ?!?!
      আপনার বিনয়ে আমি ইমোইত হয়ে গেলাম :ভেংচি:
      থাঙ্কস ফর ইয়োর কমেন্ট :ফুল:

  4. চমৎকার পোস্ট… দুর্দান্ত
    চমৎকার পোস্ট… দুর্দান্ত উপস্থাপনা… :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  5. স্বপ্ন আছে ছবি
    স্বপ্ন আছে ছবি বানাবার।প্রত্যয় আছে একদিন ছবি বানাবই।সেদিক দিয়ে সেদিনও বলতে পারবো নির্বাচিতা নীরা নামে মানুষটার কাছে অনেক কৃতজ্ঞতা। অনেক কিছু শিখছি।যদিও আজকের পোষ্টের বিষয়বস্তটা আমার কাছে নতুন নয়,তবুও এমন প্রানবন্ত বর্ননা আর সজীব উপস্থাপনটা নতুন।মন ছুঁয়ে গেলো।

    1. রাজু রণরাজ,
      উই শ্যাল মেক নিউ

      রাজু রণরাজ,
      উই শ্যাল মেক নিউ মুভি অ্যান্ড উই উইল চেঞ্জ দ্যা কালচার অফ মুভি ইন আওার কান্ট্রি ।
      থ্যাংকস এ লট !
      :ফুল:

  6. চমৎকার লেখাটি পড়লাম অনেক
    চমৎকার লেখাটি পড়লাম অনেক দেরিতে। লেখককে সাধুবাদ জানাই।
    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *